- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: ব্রিটিশ আমল
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
বাংলা চুক্তি-১৯২৩ Bengal Pact-1923
খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন ব্যর্থ হবার পর উপমহাদেশের হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে আর মিলন সম্ভব হয়নি। উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি হয়। এ সময় বাংলার কয়েকজন প্রখ্যাত উদারনৈতিক নেতা সমস্যা সমাধানের জন্য সংলাপ শুরু করেন। এসব নেতাদের মধ্যে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, ফজলুল হক ও হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ছিলেন অসাম্প্রদায়িক মনোভাবসম্পন্ন কংগ্রেসের একজন জনপ্রিয় নেতা। অসহযোগ আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার পর কংগ্রেসের অন্যান্য নেতাদের সাথে তার মতানৈক্য দেখা দেয়। কংগ্রেস দুই উপদলে বিভক্ত হয়। চিত্তরঞ্জন দাস মতিলাল নেহেরুকে সাথে নিয়ে পৃথক রাজনৈতিক দল 'স্বরাজ পার্টি' গঠন করেন। স্বরাজ পার্টির উদার ও অসাম্প্রদায়িক নেতা চিত্তরঞ্জন দাস, হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী ও ফজলুল হকের সহযোগিতায় দেশের স্বার্থে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। হিন্দু-মুসলমান স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে খুব শীঘ্রই তাদের মধ্যে একটি রাজনৈতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তাই এ চুক্তি বেঙ্গল প্যাক্ট নামে পরিচিত। ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ জুন হঠাৎ চিত্তরঞ্জন দাসের মৃত্যু ঘটলে বেঙ্গল প্যাক্ট ও স্বরাজ পার্টির অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয় এবং বেঙ্গল প্যাক্ট অচল হয়ে পড়ে। যদিও হিন্দু-মুসলিম মিলনের দূত হিসেবে খ্যাত মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ ঐক্য ধরে রাখার জন্য ঐকান্তিক চেষ্টা চালিয়েছিলেন কিন্তু সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
ইংরেজ উপনিবেশিক শাসন: ব্রিটিশ আমল - অনন্যা প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

