• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • ষষ্ঠ শ্রেণি
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরিচিতি
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরিচিতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার

তোমরা যদি আগের দুটি পাঠ মন দিয়ে পড়ে থাক তাহলে নিশ্চয়ই এতক্ষণে জেনে গেছ যে, আমরা খুব সৌভাগ্যবান। কারণ ঠিক এই সময়টাতে সারা পৃথিবীতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণে একটা অসাধারণ বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে। আমরা সেই বিপ্লবটাকে ঘটতে দেখছি। সবকিছু পাল্টে যাচ্ছে-আমরা ইচ্ছে করলে সেই নতুন জীবনে বসবাস করতে পারি কিংবা আমরা নিজেরাই পৃথিবীটাকে পাল্টে দেওয়ার কাজে লেগে যেতে পারি। সেটা করতে হলে আমাদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে হবে, কীভাবে সেটা আমাদের জীবনকে পাল্টে দিচ্ছে বুঝতে হবে এবং যখন তোমরা বড়ো হবে তখন বিজ্ঞানী কিংবা প্রযুক্তিবিদ হয়ে নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করে আমাদের দেশ এবং পৃথিবীকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির জগতে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এবার একটি খুব সহজ প্রশ্ন করা যাক। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির এই উন্নতির কারণে আমাদের জীবনের কোন কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তন হবে? তোমরা নিশ্চয়ই অনেক চিন্তাভাবনা করে সেই ক্ষেত্রগুলো বের করার চেষ্টা করছ। কেউ নিশ্চয়ই বলবে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে, কেউ বলবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে আবার কেউ বলবে বিনোদনের ক্ষেত্রে। কিন্তু সত্যিকারের উত্তরটি কী? সত্যিকারের উত্তর হচ্ছে তথ্য ও প্রযুক্তির এই উন্নতির কারণে কোন কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তন হবে সেটি কেউ বলে শেষ করতে পারবে না। তোমার পরিচিত অপরিচিত জানা অজানা সবক্ষেত্রে এটি বিশাল পরিবর্তন করে ফেলতে পারবে। তাহলে তুমি বলে শেষ করবে কেমন করে? সত্যি কথা বলতে কী পরিবর্তনের ক্ষেত্রগুলো কী হবে সেটা নির্ভর করবে মানুষের সৃজনশীলতার ওপর। যে মানুষ যত সৃজনশীল, সে তত বেশি ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করতে পারবে।

তার কারণটি কী জান? তার কারণ হচ্ছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিয়ে আমরা কেবল তথ্যের আদান-প্রদান করি না। আমরা তথ্যগুলো বিশ্লেষণ বা প্রক্রিয়াও করি। আর সেই কাজ করার জন্যে কম্পিউটার ব্যবহার করতে হয়। কম্পিউটার একটি অসাধারণ যন্ত্র, সেটা দিয়ে সম্ভব-অসম্ভব সব কাজ করে ফেলা যায়।

একসময় কম্পিউটার বলতে সবার চোখের সামনে টেলিভিশনের মতো একটা বড়ো মনিটর, বাক্সের মতো সিপিইউ আর কি-বোর্ডের ছবি ভেসে উঠত। এখন সেটা ছোটো হয়ে ল্যাপটপ হয়ে গেছে। শুধু তা-ই নয়, কম্পিউটার আরও ছোটো হয়ে নোটবুক, ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন পর্যন্ত হয়ে গেছে। আমরা এখন সেগুলো পকেটে নিয়ে ঘুরতে পারি!

সবচেয়ে চমকপ্রদ ব্যাপার হচ্ছে যে, কম্পিউটার এখন এত ছোটো করে তৈরি করা সম্ভব যে, আমাদের মোবাইল ফোনের ভেতরেও সেটা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাজেই আগে আমরা যে কাজগুলো শুধু কম্পিউটার দিয়ে করতে পারতাম সেগুলো আমরা এখন মোবাইল ফোন দিয়েও করতে পারি! এমনকি আমরা মোবাইল ফোন দিয়ে ইন্টারনেটে পর্যন্ত ঘুরে বেড়াতে পারি।

এবার আমরা আগের বিষয়টিতে ফিরে যাই, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা জীবনের কোন কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে পারি? এবার আমরা পরিবর্তিত ক্ষেত্রগুলো সম্পর্কে জানব:

ব্যক্তিগতভাবে বা সামাজিকভাবে যোগাযোগ: শুধু মোবাইল ফোন দিয়েই আমরা আজকাল একে অন্যের সাথে অনেক বেশি যোগাযোগ করতে পারি। তার সাথে এসএমএস, ইমেইল, চ্যাটিং এমনকি সামাজিক যোগাযোগ যদি বিবেচনা করি তাহলে দেখতে পাব যোগাযোগের বেলায় একটা অনেক বড়ো পরিবর্তন এসেছে। সবটুকুই যে ভালো তা কিন্তু নয়-নতুন প্রজন্মের কেউ কেউ এই ব্যাপারে বেশি সময় নষ্ট করছে, কেউ কেউ মনে করছে এই যোগাযোগটি বুঝি সত্যিকারের সামাজিক যোগাযোগ। কাজেই এগুলোতে বেশি নির্ভরশীল হয়ে কেউ কেউ খানিকটা অসামাজিকও হয়ে যেতে পারে।

বিনোদন: এখন বিনোদনও অনেকখানি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছে। বই পড়া, গান শোনা, সিনেমা দেখা থেকে শুরু করে কম্পিউটার গেম খেলায় পর্যন্ত এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা শুরু হয়েছে। ক্রিকেট বা ফুটবল খেলাতে এই প্রযুক্তি কত চমৎকারভাবে ব্যবহার করা হয় আমরা সবাই সেটি দেখেছি। খেলার মাঠে না গিয়েও ঘরে বসে আমরা অনেক বড়ো বড়ো খেলা খুব নিখুঁতভাবে দেখতে পারি।

বিনোদনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করার বিষয়ে আমাদের একটু সতর্ক থাকার ব্যাপার আছে। একটি ছোটো শিশুর শরীর ঠিকভাবে গঠন করার জন্যে মাঠে ছোটাছুটি করে খেলতে হয়। অনেক জায়গাতেই দেখা যায়, বাবা মায়েরা তাদের ছেলেমেয়েদের মাঠে ছোটাছুটি না করিয়ে ঘরে কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় বিনোদনে ডুবে থাকতে দিচ্ছেন! সত্যিকারের খেলাধূলা না করে শিশুরা কম্পিউটারের খেলায় মেতে উঠছে। একটা শিশুর মানসিক গঠনের জন্যে সেটা কিন্তু মোটেও ভালো নয়। সারা পৃথিবীতেই এই সমস্যাটি মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরিচিতি - অন্যান্য প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ধারণাতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ধারণাউপাত্ত ও তথ্যতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্বতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলতে কী বুঝায়?ইন্টারনেট কী? ব্যাখ্যা কর।তথ্য প্রযুক্তি কী? উদাহরণ দাও।তারবিহীন মাধ্যম বলতে কী বুঝায়?গ্লোবাল ভিলেজ বলতে কী বুঝায়?আমাদের প্রিয় দেশটাকেই আমরা ডিজিটাল করে ফেলব- এর অর্থ কী?কম্পিউটার কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে?তথ্য কীভাবে যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?উপাত্ত বা ডাটা কী? উপাত্ত কী ধরনের হতে পারে?ইনফরমেশন কী? ব্যাখ্যা কর।ডাটা এবং ইনফরমেশন এর মধ্যে পার্থক্য কী?কম্পিউটারের আকারগত পরিবর্তন কীভাবে ঘটছে?কম্পিউটারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে চমকপ্রদ ব্যাপার কোনটি?সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার কেন গুরুত্বপূর্ণ?সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের কুফল কী?বিনোদনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?তথ্য প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুদের ওপর কী প্রভাব ফেলে?কম্পিউটার গেম খেলার পক্ষে যুক্তি লিখ।কম্পিউটার গেম খেলার বিপক্ষে যুক্তি লিখ।শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটি কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধা তৈরি করেছে?ই-বুক ডিভাইস কীভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য উপকারী?আইসিটি কীভাবে শিক্ষাজীবনকে আনন্দময় করেছে?আইসিটি চিকিৎসা ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন এনেছে?টেলিমেডিসিন কী এবং এটি কীভাবে কার্যকর?বিজ্ঞান ও গবেষণায় আইসিটির ব্যবহার উল্লেখ কর।কৃষি উন্নয়নে কীভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে?আইসিটির ব্যবহারে পরিবেশ ও আবহাওয়াজনিত বিপর্যয় মোকাবিলায় কী সুবিধা হয়?প্রচার ও গণমাধ্যমে আইসিটির ভূমিকা কী?কে, কবে এবং কোথায় অলিম্পিক গেমের মশাল বহন করেন?আইসিটি কীভাবে বই প্রকাশনায় সহায়তা করে?ব্যাংকিং খাতে আইসিটির প্রভাব কী?মোবাইল ব্যাংকিং কী এবং এর সুবিধা কী?ব্যবসার উন্নয়নের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার কীভাবে সম্ভব?শিল্প ও সংস্কৃতিতে আইসিটির ব্যবহার কেমন?দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আইসিটি কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে কিভাবে দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করা যায়? ব্যাখ্যা কর।জ্ঞানকে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সম্পদ বলা হয় কেন?একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তুমি কীভাবে আইসিটি ব্যবহার করবে?দৈনন্দির জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির চারটি ব্যবহার লেখ।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ