• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • ষষ্ঠ শ্রেণি
  • সমাজ বিবর্তনের ইতিহাস
সমাজ বিবর্তনের ইতিহাস

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

সমাজের ধারণা

মানুষ একাকী বাস করতে চায় না। নিরাপদে ও শান্তিতে বেঁচে থাকার জন্য সবাই দলবদ্ধভাবে বাস করে। যার ফলে মানুষে মানুষে আত্মীয়তা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গড়ে ওঠে সাহায্য-সহযোগিতা, সহানুভূতি, দ্বন্দ্ব ও পারস্পরিক নির্ভরতার মতো বিভিন্ন সম্পর্ক। এসবই হচ্ছে সামাজিক সম্পর্ক। মিলেমিশে থাকা একতাবদ্ধ মানবগোষ্ঠীকে বলা হয় সমাজ।

সমাজের মধ্যে ছোটো ছোটো প্রতিষ্ঠান ও সংঘ থাকে। যেমন- পরিবার, গোত্র, ক্লাব, সমিতি ইত্যাদি। আমরা কোনো না কোনো পরিবারে বাস করি। মা-বাবা তাদের এক বা একাধিক সন্তান নিয়ে একসাথে বসবাস করে যা এক রকমের পরিবার। কোনো কোনো পরিবারে বাবা-মা, ভাই-বোন, চাচা-চাচি, দাদা-দাদিসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের বন্ধন ও কার্যকলাপের সমন্বয়ে পরিবার গড়ে ওঠে। সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ হচ্ছে পরিবার। প্রাচীন কালে সমাজ গঠনের আগে পরিবার বলতে কিছু ছিল না। মানুষকে প্রতিকূল পরিবেশের সাথে লড়াই করে বাঁচতে হতো। তাই খাদ্য সংগ্রহ ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য মানুষ দলবদ্ধভাবে বসবাস করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। এভাবেই মানুষ সমাজ গড়ে তোলে। পরিবার থেকে গোত্র, সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠীতে ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। এভাবে ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ সমাজের উদ্ভব হয়েছে।

সাধারণভাবে সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এর প্রথমটি হচ্ছে, বহুলোকের সংঘবদ্ধভাবে বসবাস করা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে, সংঘবদ্ধতার পেছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকা। সুতরাং সমাজ বলতে আমরা মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ককে বুঝি, যার ভিত্তিতে মানুষ বিশেষ উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনে সমবেতভাবে বাস করে।

পূর্ববর্তী

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ