• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • ষষ্ঠ শ্রেণি
  • কৃষি উপকরণ
কৃষি উপকরণ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বীজের শ্রেণিবিভাগ

বিভিন্নভাবে বীজের শ্রেণিবিভাগ করা যায়। যেমন:
১। ব্যবহারের ভিত্তিতে বীজকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

(ক) উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ: উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের মতে, নিষিক্ত ও পরিপক্ক ডিম্বককে বীজ বলে।
যেমন: ধান, পাট, গম ইত্যাদি বীজ।

(খ) কৃষিতাত্ত্বিক বীজ: কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে, উদ্ভিদের যেকোনো অংশ যা উপযুক্ত পরিবেশে আপন জাতের নতুন উদ্ভিদের জন্ম দিতে পারে, তাকে কৃষিতাত্ত্বিক বীজ বলে। যেমন: আদা ও হলুদের কন্দ, মিষ্টি আলুর লতা, কাঁকরোলের মূল, আখের কাণ্ড ইত্যাদি।

২। বীজাবরণের উপস্থিতির ভিত্তিতে বীজকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

(ক) অনাবৃত বীজ: এসব বীজে কোনো আবরণ থাকে না। যেমন: পাইন, সাইকাস ইত্যাদি।

(খ) আবৃত বীজ: এসব বীজের আবরণ থাকে। যেমন: ধান, সরিষা, ইত্যাদি।

৩। বীজপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে বীজকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

(ক) একবীজপত্রী বীজ: এসব বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে। যেমন: ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি

(খ) দ্বিবীজপত্রী বীজ: এসব বীজে দুটি বীজপত্র থাকে। যেমন: ছোলা, আম, কাঁঠাল ইত্যাদি।

(গ) বহুবীজপত্রী বীজ: এসব বীজে দুইয়ের অধিক বীজপত্র থাকে। যেমন: পাইন।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ