• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • ষষ্ঠ শ্রেণি
  • কৃষি উপকরণ
কৃষি উপকরণ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

সারের প্রকারভেদ

আমরা যেমন খাবার খাই, তেমনি উদ্ভিদও মাটি থেকে খাদ্য গ্রহণ করে। উদ্ভিদের জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্য ১৭টি অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন হয়। তবে সবগুলো পুষ্টি উপাদানই উদ্ভিদের জন্য সমান পরিমাণে প্রয়োজন হয় না। এর মধ্যে কিছু পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদের জন্য বেশি পরিমাণে লাগে যেমন: নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ইত্যাদি। এই উপাদানগুলোকে আমরা জমিতে সার হিসেবে প্রয়োগ করি যেমন: ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ইত্যাদি।
উৎস অনুযায়ী সারকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক) জৈব সার।
খ) রাসায়নিক সার।

(ক) জৈব সার
যেসব সার জীবের দেহ থেকে প্রাপ্ত অর্থাৎ উদ্ভিদ বা প্রাণীর ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রস্তুত করা যায়, তাদেরকে জৈব সার বলে। যেমন- গোবর সার, কম্পোস্ট সার, সবুজ সার, খৈল ইত্যাদি। গাছের প্রয়োজনীয় প্রায় সব খাদ্য উপাদানই জৈব সারে থাকে।

জমিতে জৈব সার প্রয়োগের সুবিধা

  • জৈব সারে ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদানই থাকে।
  • মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
  • মাটির অণুজীবের কার্যাবলি বাড়ায়।
  • মাটির সংযুতির উন্নতি ঘটায়।
  • মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • মাটিতে বায়ু চলাচল বৃদ্ধি করে।

(খ) রাসায়নিক সার

কলকারখানায় যে সকল সার তৈরি করা হয় তাদেরকে রাসায়নিক সার বলে। যেমন: ইউরিয়া, ডিএপি, জিপসাম, দস্তাসার।
কয়েকটি সারের নাম ও এদের সরবরাহকৃত পুষ্টি উপাদানের নাম নিম্নের ছকে তুলে ধরা হলো:

রাসায়নিক সার প্রয়োগের সুবিধা

১। উদ্ভিদের প্রয়োজন অনুযায়ী মাটিতে সঠিক পরিমাণে পুষ্টি উপাদান যোগ করা যায়।

২। উদ্ভিদের পুষ্টি ঘাটতি দ্রুত মিটানোর জন্য রাসায়নিক সার খুবই কার্যকরী।

৩। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

রাসায়নিক সার প্রয়োগের অসুবিধা

১। সুষম পরিমাণে ব্যবহার না করলে মাটি ও ফসলের ক্ষতি হয়।

২। রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়।

৩। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে পরিবেশ দূষণ ঘটে।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ