• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ৩২৬-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ)
প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ৩২৬-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

প্রাচীন বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রাজবংশ ও শাসনব্যবস্থা

মৌর্য ও গুপ্ত যুগে বাংলা

মৌর্যযুগের পূর্বে প্রাচীন বাংলার ধারাবাহিক ইতিহাস রচনা করার তেমন কোনো উপাদান পাওয়া যায়নি। কেননা তখনকার মানুষ আজকের মতো ইতিহাস লেখায় অভ্যস্ত ছিল না। ভারতীয় এবং বিদেশি সাহিত্যে এ সময়কার বাংলা সম্পর্কে নানা উৎস থেকে আমরা ইতিহাসের অল্পস্বল্প তথ্য পাই। বস্তুত ৩২৭-২৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে গ্রিক যোদ্ধা আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় থেকে মোটামুটিভাবে ধারাবাহিক ইতিহাস পাওয়া যায়। গ্রিক লেখকদের কথায় তখন বাংলায় 'গঙ্গারিডাই' নামে এক শক্তিশালী রাজ্য ছিল। গঙ্গা নদীর যে দুটি স্রোত এখন ভাগীরথী ও পদ্মা বলে পরিচিত-এ উভয়ের মধ্যবর্তী অঞ্চলেই 'গঙ্গারিডাই' রাজ্যের অবস্থান ছিল। গ্রিক গ্রন্থকারগণ 'গঙ্গারিডাই' ছাড়াও 'প্রাসিঅয়' নামে অপর এক রাজ্যের উল্লেখ করেছেন।

গ্রিক লেখকদের বর্ণনার ওপর নির্ভর করে অনুমান করা যেতে পারে যে, এ দুই রাজা আলেকজান্ডারের সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।

আলেকজান্ডারের ভারত প্রত্যাগমনের মাত্র পাঁচ বছর পর ৩২১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ভারতের এক বিশাল অঞ্চলের ওপর মৌর্য বংশের শাসন চালু করেন। বাংলার উত্তরাংশে মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (২৬৯-২৩২ খ্রিষ্টপূর্ব)। বাংলা তখন মৌর্যদের একটি প্রদেশে পরিণত হয়েছিল প্রাচীন পুণ্ড্রনগর ছিল এ প্রদেশের রাজধানী। উত্তর বঙ্গ ছাড়াও মৌর্য শাসন কর্ণসুবর্ণ (মুর্শিদাবাদ), তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিম বঙ্গের তমলুক জেলা) ও সমতট (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা) অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মৌর্যরাই ছিল ভারতের প্রথম শক্তিশালী সাম্রাজ্য।

মৌর্য সাম্রাজ্যের অবসানের পর ভারত ছোট ছোট অংশে বিভক্ত হয়ে ছোট ছোট কয়েকটি রাজবংশের অধীনে শাসিত হয়। এরপর বেশ কয়েকটি ভাগ্যান্বেষী যোদ্ধা জাতি ভারতবর্ষে প্রবেশ করে। এর মধ্যে হুণ, শক, পহ্লব, কুষাণ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। তবে তাদের প্রত্যেকেই বাংলা পর্যন্ত এসেছিল কি না তা বলা যায় না।

ভারতে শক্তিশালী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে। তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে। এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সমতট রাজ্য ও পশ্চিম বাংলার পুষ্করণ রাজ্য উল্লেখযোগ্য। গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে। সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল। সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি 'প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবে পরিগণিত হতো।

গুপ্ত পরবর্তী বাংলা

ষষ্ঠ শতকের প্রথমার্ধেই বিভিন্ন যোদ্ধা জাতির সঙ্গে সংঘাত ও সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে গুপ্ত শাসনের অবসান ঘটে। সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের পর সারা উত্তর ভারতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজবংশের উদ্ভব হয়। এই সুযোগে বাংলায় দুইটি স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়। এর একটি হলো বঙ্গ। এর অবস্থান দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম-বাংলার দক্ষিণাঞ্চলে। দ্বিতীয় রাজ্যের নাম গৌড়। এর অবস্থান ছিল বাংলার পশ্চিম ও উত্তর বাংলা নিয়ে। এ গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ যা বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত।

স্বাধীন বঙ্গ রাজ্য

গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে বঙ্গ জনপদে একটি স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব ঘটে। তাম্র শাসন (তামার পাতে খোদাই করা রাজার জমি, ভূমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিল, বিভিন্ন ঘোষণা বা নির্দেশ) থেকে জানা যায় যে, গোপচন্দ্র, ধর্মাদীপ্ত, সমাচার দেব, সুধন্যাদীপ্ত এবং দ্বাদশাদীপ্ত নামে পাঁচজন রাজা স্বাধীন বঙ্গরাজ্য শাসন করতেন। তাঁরা সবাই 'মহারাজাধিরাজ' উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। তাদের রাজত্বকাল ছিল ৫২৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে।

কোন সময়ে এবং কীভাবে স্বাধীন ও শক্তিশালী বঙ্গ রাজ্যের অবসান ঘটেছিল তা নিয়ে মতভেদ আছে। কারো কারো মতে, দাক্ষিণাত্যের চালুক্য বংশের রাজা কীর্তি বর্মণের হাতে স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের অবসান ঘটেছিল। কেউ কেউ বলেন, স্বাধীন গৌড় রাজ্যের উত্থানকেও দায়ী করেন। আবার স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের পতনের পেছনে কিছু সামন্ত রাজার উত্থানকেও দায়ী করা হয়। উল্লেখ্য যে, সমসাময়িক কালে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার বঙ্গ ও সমতট রাজ্যে ভদ্র, খড়গ, দেব, রাত, নাথ প্রভৃতি বংশের স্বাধীন ও সামন্ত রাজাদের উত্থান ঘটেছিল।

স্বাধীন গৌড় রাজ্য

গুপ্ত সাম্রাজ্যের অবসানের পর ষষ্ঠ শতকে 'পরবর্তী গুপ্ত বংশ' বলে পরিচিত গুপ্ত উপাধিধারী রাজাগণ উত্তর বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ ও মগধে ক্ষমতা বিস্তার করেছিলেন। ষষ্ঠ শতকের মাঝামাঝি সময়ে একটি ভূখণ্ড গৌড় জনপদ নামে পরিচিতি লাভ করে। মৌখরি ও চালুক্যরাজগণের ক্রমাগত আক্রমণের ফলে বাংলায় গুপ্তবংশীয় রাজাগণ দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সুযোগে সামন্তরাজা শশাঙ্ক ক্ষমতা অধিকার করে স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

শশাঙ্ক: যথাযথ উৎসের অভাবে শশাঙ্কের পরিচয়, তাঁর উত্থান ও জীবন কাহিনি সঠিকভাবে জানা যায় না। গুপ্ত রাজাদের অধীনে বড় কোনো স্থানের ক্ষমতাশালীকে বলা হতো 'মহাসামন্ত'। ধারণা করা হয় শশাঙ্ক ছিলেন গুপ্ত রাজা মহাসেনগুপ্তের একজন 'মহাসামন্ত'।

শশাঙ্কের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। তিনি গৌড়ে অধিকার স্থাপন করে দণ্ডভুক্তি (মেদিনীপুর), উড়িষ্যার উৎকল (উত্তর উড়িষ্যা) ও কঙ্গোদ (দক্ষিণ উড়িষ্যা) এবং বিহারের মগধ ও পশ্চিমে বারানসী পর্যন্ত তার রাজ্যসীমা বৃদ্ধি করেন। উত্তর ভারতে এ সময় দুটি শক্তিশালী রাজ্য ছিল। একটি পুষ্যভূতি রাজবংশের অধীনে থানেশ্বর এবং অন্যটি মৌখরি রাজবংশের অধীনে কান্যকুজ্য (কনৌজ)।

এ সময় মৌখরিরাজ গ্রহবর্মণ পুষ্যভূতিরাজ প্রভাকরবর্ধনের কন্যা রাজ্যশ্রীকে বিয়ে করেন। ফলে এ দুই রাজ্যের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। রাজ্যবর্ধন ও হর্ষবর্ধন ছিলেন রাজ্যশ্রীর দুই ভাই। শশাঙ্ক মৌখরিদের উৎখাত করার সংকল্প নিয়ে অগ্রসর হন। এ জন্য তিনি মালবরাজ দেবগুপ্তের সাথে মৈত্রী চুক্তিতে আবদ্ধ হন।

শশাঙ্ক উত্তর ভারতে পৌঁছার পূর্বেই দেবগুপ্তের হাতে গ্রহবর্মণ পরাজিত ও নিহত হন। রাজ্যশ্রীকে বন্দি করা হয়। দেবগুপ্ত এবার থানেশ্বরের দিকে অগ্রসর হন। থানেশ্বরের রাজা তখন রাজ্যবর্ধন। তিনি পথিমধ্যে দেবগুপ্তকে বাধা দেন। দেবগুপ্ত যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হন। রাজ্যবর্ধন এবার অগ্রসর হন কনৌজের দিকে। তিনি পথিমধ্যে শশাঙ্কের মুখোমুখি হন। যুদ্ধে রাজ্যবর্ধন পরাজিত ও বন্দি হন। পরে তাকে হত্যা করা হয়।

রাজ্যবর্ধনের মৃত্যুর পর হর্ষবর্ধন কনৌজ ও থানেশ্বরের অধিপতি হন। প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তিনি শশাঙ্কের বিরুদ্ধে বিরাট সৈন্যবাহিনী নিয়ে অগ্রসর হন। কামরূপের সাথে শশাঙ্কের আদৌ কোনো সংঘর্ষ হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে সঠিকভাবে জানা যায় না। ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দের কিছু আগে শশাঙ্ক মৃত্যুবরণ করেন।

শশাঙ্ক শৈব ধর্মের উপাসক ছিলেন। হর্ষবর্ধনের গুণমুগ্ধ সুয়ান জাং (হিউয়েন সাং) শশাঙ্ককে বৌদ্ধধর্ম বিদ্বেষীসহ নানাভাবে সমালোচনা করেছেন। যাহোক, সপ্তম শতকে বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্ক একটি বিশিষ্ট নাম।

পূর্ববর্তী

প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ৩২৬-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ) - অন্যান্য প্রশ্ন

প্রাচীন বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রাজবংশ ও শাসনব্যবস্থামাৎস্যন্যায় ও পাল বংশ (৭৫০-১১৬১ খ্রিষ্টাব্দ)দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার স্বাধীন রাজ্যসেন বংশ (১০৬১-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ)প্রাচীন বাংলার শাসন-ব্যবস্থাকোন সময়ে ভারতে পুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?আলেকজান্ডার কখন ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন?ভারত আক্রমণ করেন কোন গ্রিক বীর?গঙ্গারিডই কীসের নাম?গ্রিক লেখকদের কথায় কোন নামে বাংলাদেশে এক শক্তিশালী রাজ্য ছিল?মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?সম্রাট অশোক প্রায় কত বছর রাজত্ব করেছিলেন?অশোক কোন বংশের রাজা ছিলেন?উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় কার রাজত্বকালে?গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?গুপ্তদের রাজধানী কোথায় ছিল?কত শতকের প্রথমার্ধে গুপ্ত শাসনের পরিসমাপ্তি ঘটে?গুপ্ত বংশের কোন শাসক সমগ্র বাংলা জয় করেন?সমগ্র বাংলা জয় করা হয় কার রাজত্বকালে?গুপ্ত আমলে ভুক্তিপতিকে কী বলা হতো?গুপ্তদের রাজধানী ছিল কোথায়?গুপ্ত শাসনের পরিসমাপ্তি ঘটেছিল কাদের আক্রমণ?রাজা শশাঙ্কের কত শতকে গৌড়রাজ বলা হয়?গৌড়ের স্বাধীন রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?স্বাধীন গৌড় রাজ্যের অধিপতি কে ছিলেন?প্রাচীন বাংলার প্রথম সার্বভৌম শাসকের নাম কী?রাজা শশাঙ্ক কোন অঞ্চলের রাজা ছিলেন?স্বাধীন গৌড় রাজ্যের রাজধানীর নাম কী ছিল?শশাঙ্কের রাজধানীর নাম কী ছিল?কর্ণসুবর্ণ ভারতের কোন জেলায় অবস্থিত?শশাঙ্ক মৌখরীদের উৎখাত করার জন্য কার সাথে মৈত্রী চুক্তিতে আবদ্ধ হন?শশাংক মালবরাজ দেবগুপ্তের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করেন কেন?রাজ্যশ্রীর সাথে কার বিয়ে হয়?মৌখরিয়াজ গ্রহবর্মণকে পরাজিত করেন কে?শশাঙ্ক কোন ধর্মের উপাসক ছিলেন?হিউয়েন সাং শশাংককে কোন ধর্মের বিদ্বেষী বলে আখ্যায়িত করেছেন?শশাঙ্কের মৃত্যুর পরবর্তী সময়কে অন্ধকার যুগ বলা হয় কেন?প্রাচীন বাংলায় মাৎস্যন্যায় কত বছর স্থায়ী ছিল?কার মৃত্যুতে বাংলার ইতিহাসে এক দুর্যোগপূর্ণ অন্ধকারময় যুগের সূচনা হয়?পুকুরে বড় মাছ ছোট মাছকে ধরে গিলে ফেলার মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কী বলে?'মাৎস্যন্যায়'-এর অবসান ঘটে কাদের আগমনে?'মাৎস্যন্যায়'-এর অবসান ঘটে কোন শতকে?পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?গোপালের পিতার নাম কী?গোপালের পিতামহের নাম কী?গোপালের মৃত্যুর পর বাংলার সিংহাসনে বসেন কে?পাল রাজাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কে?কোথায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য ইতিহাসে 'ত্রিশক্তি' সংঘর্ষ হয়েছিল?উত্তর ভারতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ধর্মপালের সময়ে কয়টি রাজবংশের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছিল?ত্রিশক্তির সংঘর্ষ শুরু হয় কখন?ত্রিশক্তির প্রথম যুদ্ধে কে পরাজিত হয়?ধর্মপাল কত বছর রাজত্ব করেন?ধর্মপাল কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?পাল রাজাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কে ছিলেন?প পাহাড়পুরে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন কে?ধর্মপাল কোথায় বৌদ্ধবিহার নির্মাণ করেন?'বিক্রমশীল বিহার' কার নামানুসারে তৈরি হয়?'বিক্রমশীল' কার উপাধি?'সোমপুর বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কার আমলে নির্মিত হয়?'সোমপুর বিহার' কোথায় অবস্থিত?সোমপুর বিহার কে নির্মাণ করেন?সোমপুর বিহার কোন শাসনামলের নিদর্শন?ধর্মপালের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?ময়নামতি কোন জেলায় অবস্থিত?ধর্মপাল মৃত্যুবরণ করেন কত খ্রিস্টাব্দে?ধর্মপালের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন কে?দেবপাল কোথায় নতুন রাজধানী স্থাপন করেন?নালন্দায় এক বিশাল বৌদ্ধ মন্দির নির্মাণ করেন কে?মহীপালের রাজত্বকাল কত বছর?কোন শাসকের পরে পাল শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে?মহীপালের মৃত্যুর পর কে সিংহাসনে বসেন?'কৈবর্ত বিদ্রোহ' কার আমলে হয়?কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল কোন শাসকের সময়ে?কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতা কে ছিলেন?পাল বংশের সর্বশেষ সফল শাসক কে ছিলেন?'রামচরিত' গ্রন্থের রচয়িতা কে?পাল রাজবংশ বাংলা শাসন করে কত বছর?পাল বংশের পতন ঘটে কার হাতে?খড়গ বংশের রাজাদের রাজধানীর নাম কী ছিল?দেবপর্বত কোথায় অবস্থিত?দেবপর্বত রাজ্য বিস্তৃত ছিল কোন অঞ্চলে?দেব রাজাদের শাসনকাল কত?কান্তিদেবের পিতার নাম কী?কান্তিদেবের রাজধানীর নাম ছিল কী?কান্তিদেবের গড়া রাজ্যের পতন হয় কার হাতে?রোহিতগিরি কোথায়?ত্রৈলোক্যচন্দ্র কোন বংশের রাজা ছিলেন?ত্রৈলোক্যচন্দ্র কত বছর রাজত্ব করেন?শ্রীচন্দ্র কোথায় রাজধানী গড়ে তোলেন?শ্রীচন্দ্র কত বছর রাজত্ব করেন?বর্ম রাজবংশের প্রথম রাজা কে ছিলেন?বর্মদের রাজধানী কোথায় ছিল?বাংলাদেশে সেন রাজবংশের সূচনা হয় কখন?বাংলার সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?হেমন্ত সেনের মৃত্যুর পর কে ক্ষমতায় আসেন?বিজয় সেনের প্রথম রাজধানী ছিল কোথায়?বিজয় সেন কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?বিজয় সেনের পর কে সিংহাসনে আরোহণ করেন?'দানসাগর' বইটির লেখক কে?কৌলিন্য প্রথা কে প্রবর্তন করেন?বল্লাল সেনের পর সিংহাসনে আরোহণ করেন কে?লক্ষণ সেন কত বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন?প্রাচীন বাংলায় কোন রাজা 'পরম বৈষ্ণব' উপাধি গ্রহণ করেন?'পরম বৈষ্ণব' উপাধি কার ছিল?সেন বংশের শেষ রাজা কে ছিলেন?ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি কত সালে নদীয়া দখল করেন?বখতিয়ার খলজি কত শতকে নদিয়া আক্রমণ করেন?হিরণ্য কোন ধরনের কর?পূর্ববঙ্গে মানুষের খুব প্রিয় খাবার কী ছিল?বাংলায় মৌর্য শাসনের কেন্দ্র ছিল কোনটি?বগুড়া থেকে মহাস্থানগড়ের দূরত্ব কত?প্রাচীন বাংলায় কোন কোন রাজবংশের কথা জানা যায়?গুপ্ত যুগের পূর্বে প্রাচীন বাংলার ধারাবাহিক ইতিহাস নেই কেন?প্রাচীন 'গঙ্গারিডই' রাজ্যটির অবস্থান কোথায় ছিল?বাংলায় গুপ্ত শাসন সম্পর্কে ধারণা দাও।স্বাধীন বঙ্গ রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় কীভাবে?স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের পতন হয় কেন?শশাংক কীভাবে স্বাধীন গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন?শশাংক কোন কোন রাজ্য জয় করেন?শশাংক কেন দেবগুপ্তের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করেন?'মাৎস্যন্যায়' কী? সংক্ষেপে লেখ।শশাঙ্কের মৃত্যুর পরের সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয় কেন?গোপাল কে ছিলেন?গোপাল কীভাবে রাজা নির্বাচিত হন?ইতিহাসে 'ত্রি' শক্তির সংঘর্ষ কী? সংক্ষেপে লেখ।রাজা ধর্মপাল কী কী উপাধি ধারণ করেন?রাজা ধর্মপাল কোন কোন বিহার নির্মাণ করেন?সোমপুর বিহারের বর্ণনা দাও।রাজা ধর্মপালের ধর্মীয় নীতি কী ছিল?রাজা দেবপাল কোন কোন রাজ্য জয় করেন?রাজা দেবপালের সময়ে বৌদ্ধধর্ম পুনরজ্জীবিত হয় কীভাবে?রাজা মহীপালের রাজ্য জয় বর্ণনা কর।রাজা মহীপাল কী কী নগর প্রতিষ্ঠা করেন?মহীপালের জনকল্যাণের বর্ণনা দাও।দিব্য বা দিব্যোক কে ছিলেন?কৈবর্ত বিদ্রোহ কী? সংক্ষেপে লেখ।দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার কোন কোন স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে?দেব বংশ সম্পর্কে ধারণা দাও।কান্তিদেব সম্পর্কে যা জান লেখ।চন্দ্র বংশ সম্পর্কে ধারণা দাও।ত্রৈলোক্যচন্দ্রকে চন্দ্র বংশের সার্বভৌম শাসক বলা হয় কেন?বর্ম বংশ সম্পর্কে ধারণা দাও।সেন রাজবংশ কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?সেনদের আদিনিবাস কোথায় ছিল?সেনদের 'ব্রহ্ম-ক্ষত্রিয়' বলা হতো কেন?বিজয় সেনের রাজধানী স্থাপন সম্পর্কে কী জান?কবি ও লেখক হিসেবে বল্লাল সেনের অবদান কী ছিল?কৌলীন্য প্রথা কী? সংক্ষেপে লেখ।সেন রাজত্বকালে উচ্চবর্ণের হিন্দুর প্রভাব বৃদ্ধি পায় কেন?লক্ষণ সেন কোন কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা দান করেন?লক্ষণ সেন পরাজিত হয় কেন?বাংলার প্রথম উল্লেখযোগ্য রাজবংশের নাম কী?কোন যুগের পূর্বে বাংলার ধারাবাহিক ইতিহাস রচনার কোনো উপাদান পাওয়া যায় না?কার রাজত্বকালে উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?গঙ্গারিডই জাতির বসবাস কোথায় ছিল?আলেকজান্ডার ভারত আক্রমণ করেন কবে?'গঙ্গারিডই' কী?আলেকজান্ডার কোন দেশীয় বীর ছিলেন?কোন শাসনের অবসানের পর অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়?প্রাসিঅয় জাতির রাজধানীর নাম কী?গুপ্ত যুগের প্রশাসনিক বিভাগগুলো লিখ।প্রাচীন বাংলায় কীভাবে ভুক্তির শাসনকর্তা নিয়োগ করা হতো?প্রাচীন বাংলায় কী কী কর আদায় করা হতো?কার রাজত্বকালে উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?মৌর্য সাম্রাজ্যের পতনের পর কোন বংশের আবির্ভাব ঘটে?কত খ্রিস্টাব্দে ভারতে গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে কোথায় একটি স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব ঘটে?গুপ্ত রাজাদের অধীনে বড় কোনো অঞ্চলের শাসককে কী বলা হতো?শশাংক কখন সিংহাসনে আরোহণ করেন?প্রাচীন বাংলার প্রথম সার্বভৌম নরপতি কে?গৌড় রাজ্যের অবস্থান কোথায় ছিল?শশাঙ্কের রাজধানী কোথায় ছিল?স্বাধীন গৌড় রাজ্যের সূচনা হয় কীভাবে?শশাংক কোন ধর্মের উপাসক ছিলেন?কার মৃত্যুর পর দীর্ঘকাল বাংলায় কোনো যোগ্য শাসক ছিল না?রাজ্যবর্ধনের মৃত্যুর পর কে কনৌজ ও থানেশ্বরের সিংহাসনে আরোহণ করেন?কে শশাঙ্ককে বৌদ্ধধর্ম বিদ্বেষী বলে আখ্যায়িত করেছেন?মাৎস্যন্যায় কী?কার মৃত্যুর পর মাৎস্যন্যায় দেখা দেয়?পুকুরে বড় মাছ ছোট মাছকে ধরে গিলে ফেলার মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কী বলে?মাৎস্যন্যায়ের সময়কাল কত?পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?কোন রাজত্বের উত্থানের মধ্য দিয়ে মাৎস্যন্যায় যুগের অবসান ঘটে?কখন বঙ্গের নতুন যুগের শুরু হয়?কার সিংহাসনে আরোহণের মধ্য দিয়ে বাংলায় পাল রাজত্বের শুরু হয়?গোপালের পিতার নাম কী ছিল?পাল বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক কে ছিলেন?ধর্মপাল কত সালে সিংহাসনে বসেন?'ত্রিশক্তির সংঘর্ষ' কী?কাদের মধ্যে ত্রিশক্তির সংঘর্ষ হয়েছিল?ধর্মপাল কী কী উপাধি ধারণ করেছিলেন?ধর্মপাল কোথায় এক বিশাল বিহার প্রতিষ্ঠা করেন?কার সময়ে পাল সাম্রাজ্য সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করেছিল?ধর্মপাল কত বছর রাজত্ব করেন?ধর্মপাল কতটি শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন?কৈবর্ত বিদ্রোহ কী?কার জীবনকাহিনি নিয়ে 'রামচরিত' রচিত হয়েছে?রামচরিত-এর রচয়িতা কে?পাল বংশ কত বছর রাজত্ব করে?খড়গ বংশের রাজধানী কোথায় ছিল?চন্দ্র রাজাদের মূল কেন্দ্র কোথায় ছিল?কোন বংশের শাসনের পর দেব বংশের উত্থান ঘটে?দেব বংশের রাজধানীর নাম কী?কর্মান্ত বাসক কাদের রাজধানীর নাম ছিল?কোন পাহাড় প্রাচীনকালে রোহিতগিরি নামে পরিচিত ছিল?বাংলার সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?সেন বংশের প্রথম রাজা কে?সেন রাজত্বের প্রতিষ্ঠাতা কে?ব্রহ্ম-ক্ষত্রিয় কী?সেন বংশের শাসকদের কী বলা হয়?কে পাল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটিয়ে বাংলায় সেন বংশের প্রতিষ্ঠা করেন?বিজয় সেনের প্রথম রাজধানী কোথায় ছিল?বল্লাল সেনের নতুন রাজধানীর নাম কী?বল্লাল সেন কাকে বিয়ে করেন?বল্লাল সেন হিন্দু সমাজকে নতুন করে গড়ার উদ্দেশ্যে কী প্রবর্তন করেছিলেন?'দান সাগর' গ্রন্থের রচয়িতা কে?লক্ষণ সেন পিতা ও পিতামহের উপাধির পরিবর্তে কী গ্রহণ করেন?তেরো শতকের প্রথমদিকে কোন মুসলমান সেনাপতি নদীয়া আক্রমণ করেন?বখতিয়ার খলজি কেন সৈন্য বিভাগে চাকরি প্রার্থী হয়ে ব্যর্থ হন?'গঙ্গারিডই' রাজ্যটির অবস্থান ব্যাখ্যা কর।শশাঙ্ককে কেন প্রাচীন বাংলার প্রথম সার্বভৌম শাসক বলা হয়?শশাংক কেন দেবগুপ্তের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করেন?শশাঙ্ককে কেন গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়?শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো কেন? ব্যাখ্যা কর।শশাংকের সময় উত্তর ভারতের ক্ষমতার দ্বন্দ্বের গতিপ্রকৃতি কেমন ছিল?তেরো শতকের প্রথমদিকে কে নদীয়া আক্রমণ করেন?কোন শক্তির হাতে সেন রাজত্বের অবসান ঘটে?জাতি হিসেবে কাদেরকে নিষাদ বলা হতো?মহাসামন্ত কাকে বলে?ভুক্তি কী?কে ভুক্তির শাসনকর্তা নিযুক্ত করতেন?ভুক্তিপতিকে কী বলা হতো?'উপরিকর' কী?গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বে কোন সমাজ ছিল সর্বেসর্বা?কাদেরকে 'মহাপ্রতিহার' বলা হতো?'মাৎস্যন্যায়' বলতে কী বোঝায়?শশাঙ্কের মৃত্যুর পরের সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয় কেন? বুঝিয়ে লেখ।প্রাচীন বাংলায় 'মাৎস্যন্যায়' এর প্রভাব কীরূপ ছিল? ব্যাখ্যা কর।সমাজে মাৎস্যন্যায়-এর প্রভাব কীরূপ ছিল?মাৎস্যন্যায়-এর অবসান ঘটে কীভাবে?গোপাল কীভাবে সিংহাসনে বসেন?ইতিহাসে 'ত্রি' শক্তির সংঘর্ষ বলতে কী বোঝায়?ত্রিশক্তির সংঘর্ষে ধর্মপাল পরাজিত হলেও তার বিশেষ কোনো ক্ষতি হয়নি কেন? ব্যাখ্যা কর।'বিক্রমশীল বিহার' কেন বিখ্যাত ছিল?ধর্মপালকে পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা বলা হয় কেন?সোমপুর বিহারের বর্ণনা দাও।রাজা দেবপালের শাসনব্যবস্থা বর্ণনা কর।মহীপাল বাংলার জনগণের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছিল কেন?কৈবর্ত বিদ্রোহ সম্পর্কে ধারণা দাও।পাল সাম্রাজ্যের হারানো মর্যাদা ফেরানোর গৌরব কেন রামপালকে দেওয়া হয়? ব্যাখ্যা কর।খড়গ বংশের বর্ণনা দাও।প্রাচীন বাংলার শেষ রাজবংশ কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?কাদেরকে 'ব্রহ্ম-ক্ষত্রিয়' বলা হতো এবং কেন?'কৌলীন্য প্রথা' বলতে কী বোঝায়?'কৌলিন্য প্রথা' প্রবর্তনের ফলে হিন্দু সমাজে কী প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছিল? ব্যাখ্যা কর।মৌর্যদের শাসনব্যবস্থা ব্যাখ্যা কর।বাংলার মৌর্য শাসনকাল পরিচালিত হতো কীভাবে?বাংলায় কৌম ব্যবস্থা চিরস্থায়ী হয়নি কেন? ব্যাখ্যা কর।বাঙালিকে সংকর জাতি বলা হয় কেন?পাল আমলের করব্যবস্থা কী রকম ছিল?মহাসামন্ত বলতে কাদের বোঝায়?প্রাচীন বাংলার গুপ্ত সম্রাটদের সময় গ্রামকে সবচেয়ে ছোট শাসন বিভাগ বলা হতো কেন? ব্যাখ্যা কর।গুপ্ত যুগের প্রশাসনিক বিভাগগুলোর বর্ণনা দাও।সূর্য দেবতাকে কেন পূজা করা হতো?প্রাচীন বাংলার সরকারের আয়ের উৎস ব্যাখ্যা কর।প্রাচীন বাংলায় কীভাবে ভুক্তির শাসনকর্তা নিয়োগ করা হতো?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ