• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ৩২৬-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ)
প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ৩২৬-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

মাৎস্যন্যায় ও পাল বংশ (৭৫০-১১৬১ খ্রিষ্টাব্দ)

শশাঙ্কের মৃত্যুর পর এক'শ বছর বাংলায় কোনো যোগ্য শাসক ছিলনা। ফলে রাজ্যে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা বিরাজমান ছিল। একদিকে হর্ষবর্ধন ও ভাস্কর বর্মণের আক্রমণ অন্যদিকে ভূস্বামীরা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কল্পনায় একে অন্যের সাথে সংঘাতে মেতে ওঠে। কেন্দ্রীয় শাসন শক্ত হাতে ধরার মতো তখন কেউ ছিল না। এ অরাজকতার সময়কালকে ধর্মপালের 'খালিমপুর' তাম্রশাসনে 'মাৎস্যন্যায়' বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পুকুরে বড় মাছ ছোট মাছকে ধরে গিলে ফেলার মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে বলে 'মাৎস্যন্যায়'। শব্দটি প্রথম কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে ব্যবহৃত হয়েছিল। বাংলার সবল অধিপতিরা 'মাৎস্যন্যায়'-এর মতো ছোট রাজ্যগুলোকে গ্রাস করছিলেন। অষ্টম শতকের মাঝামাঝি এ অরাজকতার অবসান ঘটে পাল রাজাদের উত্থানের মধ্য দিয়ে।

দীর্ঘদিনের অরাজকতায় বাংলায় ছিল অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এ অবস্থা থেকে মুক্তি লাভের জন্য তৎকালীন কয়েকজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি স্থির করলেন যে, তারা পরস্পর বিবাদ ভুলে একজনকে রাজপদে মনোনীত করবেন এবং সকলেই স্বেচ্ছায় তার নেতৃত্ব স্বীকার করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রথম যিনি মনোনীত হন তিনি গোপাল, অনেকেই এই প্রক্রিয়াকে নির্বাচন বলে অভিহিত করেছেন। পরবর্তী শাসক ধর্মপালের রাজত্বকালে উৎকীর্ণ খালিমপুর তাম্রলিপি থেকে গোপালের এ নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়।

গোপাল প্রতিষ্ঠিত রাজবংশের নাম পাল বংশ। গোপালের পিতার নাম বপ্যট। পিতামহ ছিলেন দয়িতবিষ্ণু। তাদের নামের আগে কোনো রাজকীয় উপাধি দেখা যায়নি। এতে মনে করা হয়, তারা সাধারণ ব্যক্তি ছিলেন। গোপালের সিংহাসনে আরোহণের মধ্য দিয়ে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পাল রাজত্বের শুরু হয়। পাল বংশের রাজাগণ প্রায় চার'শ বছর শাসন করেন। গোপাল সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগ দেন। তিনি বাংলার উত্তর এবং পশ্চিমের বিরাট অংশই রাজ্যভুক্ত করেন। ইতিহাস গবেষকগণের অনেকেই মনে করেন, গোপাল ৭৫০ থেকে ৭৮১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত রাজ্য শাসন করেন।

গোপালের মৃত্যুর পর ধর্মপাল (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) সিংহাসনে বসেন। নাম, যশ ও খ্যাতির দিক থেকে পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই ছিলেন এগিয়ে। তার রাজ্য বিহার পর্যন্ত সম্প্রসারিত ছিল। উত্তর ভারতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ সময়ে তিনটি রাজবংশের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে। একটি বাংলার পাল, অন্যটি রাজপুতনার গুর্জরপ্রতিহার ও তৃতীয়টি দাক্ষিণাত্যের চালুক্য ও রাষ্ট্রকূট। ইতিহাসে ক্ষমতা প্রদর্শন ও আধিপত্য বিস্তারের এ যুদ্ধ 'ত্রি-শক্তির সংঘর্ষ' বলে পরিচিত। আট শতকের শেষ দিকে এ যুদ্ধ শুরু হয়। প্রথম যুদ্ধ হয় ধর্মপাল ও প্রতিহার বংশের রাজা বৎসরাজের মধ্যে। এ যুদ্ধে ধর্মপাল পরাজিত হন। তবুও ধর্মপাল এ সময় তার ক্ষমতাবলয়ের বাইরে বেশ কিছু স্থান দখল করেছিলেন। তিনি বারাণসী ও প্রয়াগ দখল করে গঙ্গা-যমুনার মধ্যবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত রাজ্য বিস্তার করেন।

ত্রি-পক্ষীয় সংঘর্ষে ধর্মপাল কয়েকবার পরাজিত হলেও তার বিশেষ কোনো ক্ষতি হয়নি। এ সংঘর্ষের বিভিন্ন পর্যায়ে নানাবিধ পরিস্থিতি ও দুর্বলতার সুযোগে তিনি কান্যকুজে তার প্রভাববলয় সম্প্রসারণ করে রাজ্যাভিষেক সম্পন্ন করেন। তাম্রশাসনসহ অন্যান্য সূত্রে জানা যায় তিনি নাকি চোখের ইশারায় চক্রায়ুধকে কান্যকুজ্যের সিংহাসনে বসিয়েছিলেন। কেউ কেউ মনে করেন ধর্মপাল নেপালও জয় করেছিলেন। ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) রাজত্ব করেন। ধর্মপাল ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ সার্বভৌম উপাধি পরমেশ্বর, পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন ভাগলপুরের পূর্ব দিকে তিনি একটি বৌদ্ধ বিহার বা মঠ নির্মাণ করেন। ধর্মপালের দ্বিতীয় নাম বা উপাধি ছিল 'বিক্রমশীল'। এ নামানুসারে বিহারটি 'বিক্রমশীল বিহার' নামে খ্যাত ছিল। নালন্দার মতো বিক্রমশীল বিহার বাংলা ও ভারতবর্ষের সর্বত্র ও বাইরে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল।

নবম শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত এটি সমগ্র ভারতবর্ষের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। তিব্বতের অনেক বৌদ্ধ ভিক্ষু এখানে অধ্যয়ন করতে আসত এবং এখানকার অনেক প্রসিদ্ধ বৌদ্ধ আচার্য তিব্বতে বিশুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার করেছিলেন। নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর নামক স্থানেও ধর্মপাল এক বিশাল বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। এটি সোমপুর মহাবিহার নামে পরিচিত। এই স্থাপত্য জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বসভ্যতার নিদর্শন হিসেবে (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) স্বীকৃত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় এটি ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম বিহার। ওদন্তপুরীতেও (ভারতের বিহার প্রদেশ) তিনি একটি বিহার নির্মাণ করেন। লামা তারনাথের মতে, ধর্মপাল বৌদ্ধধর্ম শিক্ষার জন্য ৫০টি শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অভিজাতদের প্রতি ধর্মপাল সমান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। নিজে বৌদ্ধ হলেও তিনি পর ধর্ম সহিষ্ণু ছিলেন। খুব সম্ভবত তিনি বিশ্বাস করতেন যে, রাজার ব্যক্তিগত ধর্মের সঙ্গে রাজ্য শাসনের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই তিনি নিজে শাস্ত্রের নিয়ম মেনে চলতেন এবং প্রতিটি ধর্মের লোক যেন নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতেন। নারায়ণের একটি হিন্দু মন্দিরের জন্য তিনি করমুক্ত ভূমি দান করেছিলেন। তিনি যাদের ভূমি দান করেছিলেন, তাদের অধিকাংশই ছিল ব্রাহ্মণ। ধর্মপালের প্রধানমন্ত্রী গর্গ ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ। তাঁর বংশধরগণ অনেকদিন ধরে পাল রাজাদের প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে ধর্মপাল নানাবিধ কারণে আলোচিত শাসক। পঞ্চাশ বছর পূর্বের অরাজকতা দূর করে প্রবল শক্তিশালী একজন শাসক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

ধর্মপালের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র দেবপাল (৮২১-৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ) সিংহাসনে বসেন। পিতার মতো তিনিও রাজ্যসীমা বিস্তারে মনোযোগী হয়েছিলেন। দেবপাল উত্তর ভারতে প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূট রাজাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। উত্তর ভারতের কিছু স্থান তাঁর অধিকারে এসেছিল উড়িষ্যা ও কামরূপের উপরও তিনি আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হয়েছিলেন।

দেবপাল বৌদ্ধধর্মের একজন পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। মগধের বৌদ্ধমঠগুলোর তিনিই সংস্কার সাধন করেন। তিনি নালন্দায় কয়েকটি মঠ এবং বুদ্ধগয়ায় এক বিরাট মন্দির নির্মাণ মানুর করেছিলেন। মুঙ্গেরে তিনি নতুন রাজধানী স্থাপন করেন। জাভা, সুমাত্রা ও মালয়ের শৈলেন্দ্র বংশের মহারাজ বালপুত্রদেবকে নালন্দায় একটি মঠ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দান করেছিলেন। শুধু তাই নয়, এ মঠের ব্যয় নির্বাহের জন্য দেবপাল পাঁচটি গ্রামও প্রদান করেছিলেন। এ ঘটনা থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপপুঞ্জের সাথে বাংলার ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়।

দেবপাল বিদ্যানুরাগী ছিলেন। বিভিন্ন স্থানের বৌদ্ধ পণ্ডিতগণ তাঁর রাজসভা অলংকৃত করতেন। দেবপালের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় তখন বর্তমান এশিয়ার ভৌগোলিক সীমানায় বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রধান প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। বৌদ্ধশাস্ত্রে পারদর্শী ইন্দ্রগুপ্ত নামক ব্রাহ্মণকে তিনি নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বা অধ্যক্ষ নিযুক্ত করেছিলেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেই দেবপালের শাসন কালে উত্তর-ভারতে প্রায় হারিয়ে যাওয়া বৌদ্ধধর্ম পুনরুজ্জীবিত হয়ে ওঠে।

দেবপালের মৃত্যুর পর থেকে পাল সাম্রাজ্যের ক্রমাবনতি ঘটতে শুরু করে। তার মৃত্যুর পর কয়েকজন উত্তরাধিকারী সিংহাসনে বসেন। তাঁরা পাল সাম্রাজ্যের ক্রমাবনতি ঠেকাতে পারেননি। এসব দুর্বল রাজার সময়ে উত্তর ভারতের কতিপয় যোদ্ধা রাজার আক্রমণে পাল সাম্রাজ্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ফলে এ সময়ে পাল সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরে উত্তর-পশ্চিম বাংলার অংশবিশেষে কম্বোজ রাজবংশের উত্থান ঘটে।

এভাবে পাল সাম্রাজ্য যখন অবনতির দিকে, তখন ক্ষমতায় আরোহণ করেন রাজা মহীপাল (আনুমানিক ৯৯৫-১০৪৩ খ্রিষ্টাব্দ)। তিনি কম্বোজদের বিতাড়িত করে পাল সাম্রাজ্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। এরপর তিনি রাজ্য বিজয়ে মনোযোগ দেন। তাঁর সাম্রাজ্য বারাণসী এবং মিথিলা পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছিল। সে সময়ে ভারতের প্রবল কয়েকটি রাজ শক্তির বিরুদ্ধে নিজ আধিপত্য বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাজা মহীপাল নালন্দায় বারাণসীতে কয়েকটি বৌদ্ধমন্দির নির্মাণ করেছিলেন।

তিনি তার ৫০ বছর রাজত্বকালে জনকল্যাণকর কাজের প্রতিও মনোযোগী ছিলেন। বাংলার অনেক দীঘি ও নগরী এখনও তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। নগরগুলো হলো রংপুরের মাহীগঞ্জ, বগুড়ার মাহীপুর, নওগাঁর মাহীসন্তোষ ও মুর্শিদাবাদ জেলার মহীপাল নগরী। আর দীঘিগুলোর মধ্যে দিনাজপুরের মহীপাল দীঘি ও মুর্শিদাবাদের মহীপালের সাগরদীঘি বিখ্যাত।

মহীপাল পরবর্তীকালের দুর্বল রাজাদের সময় একের পর এক যখন আক্রমণ ঘটতে থাকে তখন সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরেও বিরোধ ও অনৈক্য দেখা দেয়। এই সুযোগে বাংলা ও বিহারের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়।

দ্বিতীয় মহীপালের সময় বাংলার উত্তরাংশের বরেন্দ্র এলাকার সামন্তবর্গ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। ইতিহাসে এ বিদ্রোহ 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' নামে পরিচিত। এ বিদ্রোহের নেতা ছিলেন কৈবর্ত বা মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের নেতা দিব্যোক বা দিব্য। বাংলার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত এ বিদ্রোহে দ্বিতীয় মহীপালকে হত্যা করে বরেন্দ্র দখল করে নেয়া হয়।

বরেন্দ্র যখন কৈবর্তদের দখলে, তখন পাল বংশের শেষ প্রতাপশালী শাসক রাজা রামপাল (১০৮২-১১২৪ খ্রিষ্টাব্দ) পাল সিংহাসনে আরোহণ করেন। প্রাচীন বাংলার কবি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত 'রামচরিত' কাব্য থেকে রামপালের জীবনকথা জানা যায়। রামপাল রাজ্যভার গ্রহণ করেই বরেন্দ্র উদ্ধার করতে সচেষ্ট হন। রামপালকে সৈন্য, অস্ত্র আর অর্থ দিয়ে সাহায্যে এগিয়ে আসেন উচ্ছল, ঢেক্করি, মগধ, রাঢ় দেশসহ চৌদ্দটি রাজ্যের রাজা। যুদ্ধে কৈবর্ত্যরা পরাজিত হলে রামপাল বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মালদহের কাছাকাছি 'রামাবতী' নামে নতুন রাজধানী স্থাপন করেন। পরবর্তী পাল রাজাদের শাসনকালে রামাবতীই সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল। পিতৃভূমি বরেন্দ্রে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর তিনি মগধ, উড়িষ্যা ও কামরূপের ওপর দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা পাল বংশের পরবর্তী শাসকগণের পক্ষে পালবংশের হাল ধরা সম্ভব ছিল না। এ সময় যুদ্ধবিগ্রহ লেগেই থাকত। অবশেষে বারো শতকের বিজয় সেন মদন পালের হাত থেকে পাল সাম্রাজ্যের অবসান ঘটিয়ে বাংলায় সেন বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ৩২৬-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ) - অন্যান্য প্রশ্ন

প্রাচীন বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রাজবংশ ও শাসনব্যবস্থামাৎস্যন্যায় ও পাল বংশ (৭৫০-১১৬১ খ্রিষ্টাব্দ)দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার স্বাধীন রাজ্যসেন বংশ (১০৬১-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ)প্রাচীন বাংলার শাসন-ব্যবস্থাকোন সময়ে ভারতে পুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?আলেকজান্ডার কখন ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন?ভারত আক্রমণ করেন কোন গ্রিক বীর?গঙ্গারিডই কীসের নাম?গ্রিক লেখকদের কথায় কোন নামে বাংলাদেশে এক শক্তিশালী রাজ্য ছিল?মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?সম্রাট অশোক প্রায় কত বছর রাজত্ব করেছিলেন?অশোক কোন বংশের রাজা ছিলেন?উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় কার রাজত্বকালে?গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?গুপ্তদের রাজধানী কোথায় ছিল?কত শতকের প্রথমার্ধে গুপ্ত শাসনের পরিসমাপ্তি ঘটে?গুপ্ত বংশের কোন শাসক সমগ্র বাংলা জয় করেন?সমগ্র বাংলা জয় করা হয় কার রাজত্বকালে?গুপ্ত আমলে ভুক্তিপতিকে কী বলা হতো?গুপ্তদের রাজধানী ছিল কোথায়?গুপ্ত শাসনের পরিসমাপ্তি ঘটেছিল কাদের আক্রমণ?রাজা শশাঙ্কের কত শতকে গৌড়রাজ বলা হয়?গৌড়ের স্বাধীন রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?স্বাধীন গৌড় রাজ্যের অধিপতি কে ছিলেন?প্রাচীন বাংলার প্রথম সার্বভৌম শাসকের নাম কী?রাজা শশাঙ্ক কোন অঞ্চলের রাজা ছিলেন?স্বাধীন গৌড় রাজ্যের রাজধানীর নাম কী ছিল?শশাঙ্কের রাজধানীর নাম কী ছিল?কর্ণসুবর্ণ ভারতের কোন জেলায় অবস্থিত?শশাঙ্ক মৌখরীদের উৎখাত করার জন্য কার সাথে মৈত্রী চুক্তিতে আবদ্ধ হন?শশাংক মালবরাজ দেবগুপ্তের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করেন কেন?রাজ্যশ্রীর সাথে কার বিয়ে হয়?মৌখরিয়াজ গ্রহবর্মণকে পরাজিত করেন কে?শশাঙ্ক কোন ধর্মের উপাসক ছিলেন?হিউয়েন সাং শশাংককে কোন ধর্মের বিদ্বেষী বলে আখ্যায়িত করেছেন?শশাঙ্কের মৃত্যুর পরবর্তী সময়কে অন্ধকার যুগ বলা হয় কেন?প্রাচীন বাংলায় মাৎস্যন্যায় কত বছর স্থায়ী ছিল?কার মৃত্যুতে বাংলার ইতিহাসে এক দুর্যোগপূর্ণ অন্ধকারময় যুগের সূচনা হয়?পুকুরে বড় মাছ ছোট মাছকে ধরে গিলে ফেলার মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কী বলে?'মাৎস্যন্যায়'-এর অবসান ঘটে কাদের আগমনে?'মাৎস্যন্যায়'-এর অবসান ঘটে কোন শতকে?পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?গোপালের পিতার নাম কী?গোপালের পিতামহের নাম কী?গোপালের মৃত্যুর পর বাংলার সিংহাসনে বসেন কে?পাল রাজাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কে?কোথায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য ইতিহাসে 'ত্রিশক্তি' সংঘর্ষ হয়েছিল?উত্তর ভারতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ধর্মপালের সময়ে কয়টি রাজবংশের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছিল?ত্রিশক্তির সংঘর্ষ শুরু হয় কখন?ত্রিশক্তির প্রথম যুদ্ধে কে পরাজিত হয়?ধর্মপাল কত বছর রাজত্ব করেন?ধর্মপাল কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?পাল রাজাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কে ছিলেন?প পাহাড়পুরে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন কে?ধর্মপাল কোথায় বৌদ্ধবিহার নির্মাণ করেন?'বিক্রমশীল বিহার' কার নামানুসারে তৈরি হয়?'বিক্রমশীল' কার উপাধি?'সোমপুর বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কার আমলে নির্মিত হয়?'সোমপুর বিহার' কোথায় অবস্থিত?সোমপুর বিহার কে নির্মাণ করেন?সোমপুর বিহার কোন শাসনামলের নিদর্শন?ধর্মপালের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?ময়নামতি কোন জেলায় অবস্থিত?ধর্মপাল মৃত্যুবরণ করেন কত খ্রিস্টাব্দে?ধর্মপালের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন কে?দেবপাল কোথায় নতুন রাজধানী স্থাপন করেন?নালন্দায় এক বিশাল বৌদ্ধ মন্দির নির্মাণ করেন কে?মহীপালের রাজত্বকাল কত বছর?কোন শাসকের পরে পাল শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে?মহীপালের মৃত্যুর পর কে সিংহাসনে বসেন?'কৈবর্ত বিদ্রোহ' কার আমলে হয়?কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল কোন শাসকের সময়ে?কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতা কে ছিলেন?পাল বংশের সর্বশেষ সফল শাসক কে ছিলেন?'রামচরিত' গ্রন্থের রচয়িতা কে?পাল রাজবংশ বাংলা শাসন করে কত বছর?পাল বংশের পতন ঘটে কার হাতে?খড়গ বংশের রাজাদের রাজধানীর নাম কী ছিল?দেবপর্বত কোথায় অবস্থিত?দেবপর্বত রাজ্য বিস্তৃত ছিল কোন অঞ্চলে?দেব রাজাদের শাসনকাল কত?কান্তিদেবের পিতার নাম কী?কান্তিদেবের রাজধানীর নাম ছিল কী?কান্তিদেবের গড়া রাজ্যের পতন হয় কার হাতে?রোহিতগিরি কোথায়?ত্রৈলোক্যচন্দ্র কোন বংশের রাজা ছিলেন?ত্রৈলোক্যচন্দ্র কত বছর রাজত্ব করেন?শ্রীচন্দ্র কোথায় রাজধানী গড়ে তোলেন?শ্রীচন্দ্র কত বছর রাজত্ব করেন?বর্ম রাজবংশের প্রথম রাজা কে ছিলেন?বর্মদের রাজধানী কোথায় ছিল?বাংলাদেশে সেন রাজবংশের সূচনা হয় কখন?বাংলার সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?হেমন্ত সেনের মৃত্যুর পর কে ক্ষমতায় আসেন?বিজয় সেনের প্রথম রাজধানী ছিল কোথায়?বিজয় সেন কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?বিজয় সেনের পর কে সিংহাসনে আরোহণ করেন?'দানসাগর' বইটির লেখক কে?কৌলিন্য প্রথা কে প্রবর্তন করেন?বল্লাল সেনের পর সিংহাসনে আরোহণ করেন কে?লক্ষণ সেন কত বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন?প্রাচীন বাংলায় কোন রাজা 'পরম বৈষ্ণব' উপাধি গ্রহণ করেন?'পরম বৈষ্ণব' উপাধি কার ছিল?সেন বংশের শেষ রাজা কে ছিলেন?ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি কত সালে নদীয়া দখল করেন?বখতিয়ার খলজি কত শতকে নদিয়া আক্রমণ করেন?হিরণ্য কোন ধরনের কর?পূর্ববঙ্গে মানুষের খুব প্রিয় খাবার কী ছিল?বাংলায় মৌর্য শাসনের কেন্দ্র ছিল কোনটি?বগুড়া থেকে মহাস্থানগড়ের দূরত্ব কত?প্রাচীন বাংলায় কোন কোন রাজবংশের কথা জানা যায়?গুপ্ত যুগের পূর্বে প্রাচীন বাংলার ধারাবাহিক ইতিহাস নেই কেন?প্রাচীন 'গঙ্গারিডই' রাজ্যটির অবস্থান কোথায় ছিল?বাংলায় গুপ্ত শাসন সম্পর্কে ধারণা দাও।স্বাধীন বঙ্গ রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় কীভাবে?স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের পতন হয় কেন?শশাংক কীভাবে স্বাধীন গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন?শশাংক কোন কোন রাজ্য জয় করেন?শশাংক কেন দেবগুপ্তের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করেন?'মাৎস্যন্যায়' কী? সংক্ষেপে লেখ।শশাঙ্কের মৃত্যুর পরের সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয় কেন?গোপাল কে ছিলেন?গোপাল কীভাবে রাজা নির্বাচিত হন?ইতিহাসে 'ত্রি' শক্তির সংঘর্ষ কী? সংক্ষেপে লেখ।রাজা ধর্মপাল কী কী উপাধি ধারণ করেন?রাজা ধর্মপাল কোন কোন বিহার নির্মাণ করেন?সোমপুর বিহারের বর্ণনা দাও।রাজা ধর্মপালের ধর্মীয় নীতি কী ছিল?রাজা দেবপাল কোন কোন রাজ্য জয় করেন?রাজা দেবপালের সময়ে বৌদ্ধধর্ম পুনরজ্জীবিত হয় কীভাবে?রাজা মহীপালের রাজ্য জয় বর্ণনা কর।রাজা মহীপাল কী কী নগর প্রতিষ্ঠা করেন?মহীপালের জনকল্যাণের বর্ণনা দাও।দিব্য বা দিব্যোক কে ছিলেন?কৈবর্ত বিদ্রোহ কী? সংক্ষেপে লেখ।দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার কোন কোন স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে?দেব বংশ সম্পর্কে ধারণা দাও।কান্তিদেব সম্পর্কে যা জান লেখ।চন্দ্র বংশ সম্পর্কে ধারণা দাও।ত্রৈলোক্যচন্দ্রকে চন্দ্র বংশের সার্বভৌম শাসক বলা হয় কেন?বর্ম বংশ সম্পর্কে ধারণা দাও।সেন রাজবংশ কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?সেনদের আদিনিবাস কোথায় ছিল?সেনদের 'ব্রহ্ম-ক্ষত্রিয়' বলা হতো কেন?বিজয় সেনের রাজধানী স্থাপন সম্পর্কে কী জান?কবি ও লেখক হিসেবে বল্লাল সেনের অবদান কী ছিল?কৌলীন্য প্রথা কী? সংক্ষেপে লেখ।সেন রাজত্বকালে উচ্চবর্ণের হিন্দুর প্রভাব বৃদ্ধি পায় কেন?লক্ষণ সেন কোন কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা দান করেন?লক্ষণ সেন পরাজিত হয় কেন?বাংলার প্রথম উল্লেখযোগ্য রাজবংশের নাম কী?কোন যুগের পূর্বে বাংলার ধারাবাহিক ইতিহাস রচনার কোনো উপাদান পাওয়া যায় না?কার রাজত্বকালে উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?গঙ্গারিডই জাতির বসবাস কোথায় ছিল?আলেকজান্ডার ভারত আক্রমণ করেন কবে?'গঙ্গারিডই' কী?আলেকজান্ডার কোন দেশীয় বীর ছিলেন?কোন শাসনের অবসানের পর অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়?প্রাসিঅয় জাতির রাজধানীর নাম কী?গুপ্ত যুগের প্রশাসনিক বিভাগগুলো লিখ।প্রাচীন বাংলায় কীভাবে ভুক্তির শাসনকর্তা নিয়োগ করা হতো?প্রাচীন বাংলায় কী কী কর আদায় করা হতো?কার রাজত্বকালে উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?মৌর্য সাম্রাজ্যের পতনের পর কোন বংশের আবির্ভাব ঘটে?কত খ্রিস্টাব্দে ভারতে গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে কোথায় একটি স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব ঘটে?গুপ্ত রাজাদের অধীনে বড় কোনো অঞ্চলের শাসককে কী বলা হতো?শশাংক কখন সিংহাসনে আরোহণ করেন?প্রাচীন বাংলার প্রথম সার্বভৌম নরপতি কে?গৌড় রাজ্যের অবস্থান কোথায় ছিল?শশাঙ্কের রাজধানী কোথায় ছিল?স্বাধীন গৌড় রাজ্যের সূচনা হয় কীভাবে?শশাংক কোন ধর্মের উপাসক ছিলেন?কার মৃত্যুর পর দীর্ঘকাল বাংলায় কোনো যোগ্য শাসক ছিল না?রাজ্যবর্ধনের মৃত্যুর পর কে কনৌজ ও থানেশ্বরের সিংহাসনে আরোহণ করেন?কে শশাঙ্ককে বৌদ্ধধর্ম বিদ্বেষী বলে আখ্যায়িত করেছেন?মাৎস্যন্যায় কী?কার মৃত্যুর পর মাৎস্যন্যায় দেখা দেয়?পুকুরে বড় মাছ ছোট মাছকে ধরে গিলে ফেলার মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কী বলে?মাৎস্যন্যায়ের সময়কাল কত?পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?কোন রাজত্বের উত্থানের মধ্য দিয়ে মাৎস্যন্যায় যুগের অবসান ঘটে?কখন বঙ্গের নতুন যুগের শুরু হয়?কার সিংহাসনে আরোহণের মধ্য দিয়ে বাংলায় পাল রাজত্বের শুরু হয়?গোপালের পিতার নাম কী ছিল?পাল বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক কে ছিলেন?ধর্মপাল কত সালে সিংহাসনে বসেন?'ত্রিশক্তির সংঘর্ষ' কী?কাদের মধ্যে ত্রিশক্তির সংঘর্ষ হয়েছিল?ধর্মপাল কী কী উপাধি ধারণ করেছিলেন?ধর্মপাল কোথায় এক বিশাল বিহার প্রতিষ্ঠা করেন?কার সময়ে পাল সাম্রাজ্য সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করেছিল?ধর্মপাল কত বছর রাজত্ব করেন?ধর্মপাল কতটি শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন?কৈবর্ত বিদ্রোহ কী?কার জীবনকাহিনি নিয়ে 'রামচরিত' রচিত হয়েছে?রামচরিত-এর রচয়িতা কে?পাল বংশ কত বছর রাজত্ব করে?খড়গ বংশের রাজধানী কোথায় ছিল?চন্দ্র রাজাদের মূল কেন্দ্র কোথায় ছিল?কোন বংশের শাসনের পর দেব বংশের উত্থান ঘটে?দেব বংশের রাজধানীর নাম কী?কর্মান্ত বাসক কাদের রাজধানীর নাম ছিল?কোন পাহাড় প্রাচীনকালে রোহিতগিরি নামে পরিচিত ছিল?বাংলার সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?সেন বংশের প্রথম রাজা কে?সেন রাজত্বের প্রতিষ্ঠাতা কে?ব্রহ্ম-ক্ষত্রিয় কী?সেন বংশের শাসকদের কী বলা হয়?কে পাল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটিয়ে বাংলায় সেন বংশের প্রতিষ্ঠা করেন?বিজয় সেনের প্রথম রাজধানী কোথায় ছিল?বল্লাল সেনের নতুন রাজধানীর নাম কী?বল্লাল সেন কাকে বিয়ে করেন?বল্লাল সেন হিন্দু সমাজকে নতুন করে গড়ার উদ্দেশ্যে কী প্রবর্তন করেছিলেন?'দান সাগর' গ্রন্থের রচয়িতা কে?লক্ষণ সেন পিতা ও পিতামহের উপাধির পরিবর্তে কী গ্রহণ করেন?তেরো শতকের প্রথমদিকে কোন মুসলমান সেনাপতি নদীয়া আক্রমণ করেন?বখতিয়ার খলজি কেন সৈন্য বিভাগে চাকরি প্রার্থী হয়ে ব্যর্থ হন?'গঙ্গারিডই' রাজ্যটির অবস্থান ব্যাখ্যা কর।শশাঙ্ককে কেন প্রাচীন বাংলার প্রথম সার্বভৌম শাসক বলা হয়?শশাংক কেন দেবগুপ্তের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করেন?শশাঙ্ককে কেন গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়?শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো কেন? ব্যাখ্যা কর।শশাংকের সময় উত্তর ভারতের ক্ষমতার দ্বন্দ্বের গতিপ্রকৃতি কেমন ছিল?তেরো শতকের প্রথমদিকে কে নদীয়া আক্রমণ করেন?কোন শক্তির হাতে সেন রাজত্বের অবসান ঘটে?জাতি হিসেবে কাদেরকে নিষাদ বলা হতো?মহাসামন্ত কাকে বলে?ভুক্তি কী?কে ভুক্তির শাসনকর্তা নিযুক্ত করতেন?ভুক্তিপতিকে কী বলা হতো?'উপরিকর' কী?গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বে কোন সমাজ ছিল সর্বেসর্বা?কাদেরকে 'মহাপ্রতিহার' বলা হতো?'মাৎস্যন্যায়' বলতে কী বোঝায়?শশাঙ্কের মৃত্যুর পরের সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয় কেন? বুঝিয়ে লেখ।প্রাচীন বাংলায় 'মাৎস্যন্যায়' এর প্রভাব কীরূপ ছিল? ব্যাখ্যা কর।সমাজে মাৎস্যন্যায়-এর প্রভাব কীরূপ ছিল?মাৎস্যন্যায়-এর অবসান ঘটে কীভাবে?গোপাল কীভাবে সিংহাসনে বসেন?ইতিহাসে 'ত্রি' শক্তির সংঘর্ষ বলতে কী বোঝায়?ত্রিশক্তির সংঘর্ষে ধর্মপাল পরাজিত হলেও তার বিশেষ কোনো ক্ষতি হয়নি কেন? ব্যাখ্যা কর।'বিক্রমশীল বিহার' কেন বিখ্যাত ছিল?ধর্মপালকে পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা বলা হয় কেন?সোমপুর বিহারের বর্ণনা দাও।রাজা দেবপালের শাসনব্যবস্থা বর্ণনা কর।মহীপাল বাংলার জনগণের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছিল কেন?কৈবর্ত বিদ্রোহ সম্পর্কে ধারণা দাও।পাল সাম্রাজ্যের হারানো মর্যাদা ফেরানোর গৌরব কেন রামপালকে দেওয়া হয়? ব্যাখ্যা কর।খড়গ বংশের বর্ণনা দাও।প্রাচীন বাংলার শেষ রাজবংশ কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?কাদেরকে 'ব্রহ্ম-ক্ষত্রিয়' বলা হতো এবং কেন?'কৌলীন্য প্রথা' বলতে কী বোঝায়?'কৌলিন্য প্রথা' প্রবর্তনের ফলে হিন্দু সমাজে কী প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছিল? ব্যাখ্যা কর।মৌর্যদের শাসনব্যবস্থা ব্যাখ্যা কর।বাংলার মৌর্য শাসনকাল পরিচালিত হতো কীভাবে?বাংলায় কৌম ব্যবস্থা চিরস্থায়ী হয়নি কেন? ব্যাখ্যা কর।বাঙালিকে সংকর জাতি বলা হয় কেন?পাল আমলের করব্যবস্থা কী রকম ছিল?মহাসামন্ত বলতে কাদের বোঝায়?প্রাচীন বাংলার গুপ্ত সম্রাটদের সময় গ্রামকে সবচেয়ে ছোট শাসন বিভাগ বলা হতো কেন? ব্যাখ্যা কর।গুপ্ত যুগের প্রশাসনিক বিভাগগুলোর বর্ণনা দাও।সূর্য দেবতাকে কেন পূজা করা হতো?প্রাচীন বাংলার সরকারের আয়ের উৎস ব্যাখ্যা কর।প্রাচীন বাংলায় কীভাবে ভুক্তির শাসনকর্তা নিয়োগ করা হতো?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ