- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ৩২৬-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
মাৎস্যন্যায় ও পাল বংশ (৭৫০-১১৬১ খ্রিষ্টাব্দ)
শশাঙ্কের মৃত্যুর পর এক'শ বছর বাংলায় কোনো যোগ্য শাসক ছিলনা। ফলে রাজ্যে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা বিরাজমান ছিল। একদিকে হর্ষবর্ধন ও ভাস্কর বর্মণের আক্রমণ অন্যদিকে ভূস্বামীরা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কল্পনায় একে অন্যের সাথে সংঘাতে মেতে ওঠে। কেন্দ্রীয় শাসন শক্ত হাতে ধরার মতো তখন কেউ ছিল না। এ অরাজকতার সময়কালকে ধর্মপালের 'খালিমপুর' তাম্রশাসনে 'মাৎস্যন্যায়' বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পুকুরে বড় মাছ ছোট মাছকে ধরে গিলে ফেলার মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে বলে 'মাৎস্যন্যায়'। শব্দটি প্রথম কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে ব্যবহৃত হয়েছিল। বাংলার সবল অধিপতিরা 'মাৎস্যন্যায়'-এর মতো ছোট রাজ্যগুলোকে গ্রাস করছিলেন। অষ্টম শতকের মাঝামাঝি এ অরাজকতার অবসান ঘটে পাল রাজাদের উত্থানের মধ্য দিয়ে।
দীর্ঘদিনের অরাজকতায় বাংলায় ছিল অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এ অবস্থা থেকে মুক্তি লাভের জন্য তৎকালীন কয়েকজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি স্থির করলেন যে, তারা পরস্পর বিবাদ ভুলে একজনকে রাজপদে মনোনীত করবেন এবং সকলেই স্বেচ্ছায় তার নেতৃত্ব স্বীকার করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রথম যিনি মনোনীত হন তিনি গোপাল, অনেকেই এই প্রক্রিয়াকে নির্বাচন বলে অভিহিত করেছেন। পরবর্তী শাসক ধর্মপালের রাজত্বকালে উৎকীর্ণ খালিমপুর তাম্রলিপি থেকে গোপালের এ নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়।
গোপাল প্রতিষ্ঠিত রাজবংশের নাম পাল বংশ। গোপালের পিতার নাম বপ্যট। পিতামহ ছিলেন দয়িতবিষ্ণু। তাদের নামের আগে কোনো রাজকীয় উপাধি দেখা যায়নি। এতে মনে করা হয়, তারা সাধারণ ব্যক্তি ছিলেন। গোপালের সিংহাসনে আরোহণের মধ্য দিয়ে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পাল রাজত্বের শুরু হয়। পাল বংশের রাজাগণ প্রায় চার'শ বছর শাসন করেন। গোপাল সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগ দেন। তিনি বাংলার উত্তর এবং পশ্চিমের বিরাট অংশই রাজ্যভুক্ত করেন। ইতিহাস গবেষকগণের অনেকেই মনে করেন, গোপাল ৭৫০ থেকে ৭৮১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত রাজ্য শাসন করেন।
গোপালের মৃত্যুর পর ধর্মপাল (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) সিংহাসনে বসেন। নাম, যশ ও খ্যাতির দিক থেকে পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই ছিলেন এগিয়ে। তার রাজ্য বিহার পর্যন্ত সম্প্রসারিত ছিল। উত্তর ভারতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ সময়ে তিনটি রাজবংশের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে। একটি বাংলার পাল, অন্যটি রাজপুতনার গুর্জরপ্রতিহার ও তৃতীয়টি দাক্ষিণাত্যের চালুক্য ও রাষ্ট্রকূট। ইতিহাসে ক্ষমতা প্রদর্শন ও আধিপত্য বিস্তারের এ যুদ্ধ 'ত্রি-শক্তির সংঘর্ষ' বলে পরিচিত। আট শতকের শেষ দিকে এ যুদ্ধ শুরু হয়। প্রথম যুদ্ধ হয় ধর্মপাল ও প্রতিহার বংশের রাজা বৎসরাজের মধ্যে। এ যুদ্ধে ধর্মপাল পরাজিত হন। তবুও ধর্মপাল এ সময় তার ক্ষমতাবলয়ের বাইরে বেশ কিছু স্থান দখল করেছিলেন। তিনি বারাণসী ও প্রয়াগ দখল করে গঙ্গা-যমুনার মধ্যবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত রাজ্য বিস্তার করেন।
ত্রি-পক্ষীয় সংঘর্ষে ধর্মপাল কয়েকবার পরাজিত হলেও তার বিশেষ কোনো ক্ষতি হয়নি। এ সংঘর্ষের বিভিন্ন পর্যায়ে নানাবিধ পরিস্থিতি ও দুর্বলতার সুযোগে তিনি কান্যকুজে তার প্রভাববলয় সম্প্রসারণ করে রাজ্যাভিষেক সম্পন্ন করেন। তাম্রশাসনসহ অন্যান্য সূত্রে জানা যায় তিনি নাকি চোখের ইশারায় চক্রায়ুধকে কান্যকুজ্যের সিংহাসনে বসিয়েছিলেন। কেউ কেউ মনে করেন ধর্মপাল নেপালও জয় করেছিলেন। ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) রাজত্ব করেন। ধর্মপাল ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ সার্বভৌম উপাধি পরমেশ্বর, পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন ভাগলপুরের পূর্ব দিকে তিনি একটি বৌদ্ধ বিহার বা মঠ নির্মাণ করেন। ধর্মপালের দ্বিতীয় নাম বা উপাধি ছিল 'বিক্রমশীল'। এ নামানুসারে বিহারটি 'বিক্রমশীল বিহার' নামে খ্যাত ছিল। নালন্দার মতো বিক্রমশীল বিহার বাংলা ও ভারতবর্ষের সর্বত্র ও বাইরে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল।
নবম শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত এটি সমগ্র ভারতবর্ষের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। তিব্বতের অনেক বৌদ্ধ ভিক্ষু এখানে অধ্যয়ন করতে আসত এবং এখানকার অনেক প্রসিদ্ধ বৌদ্ধ আচার্য তিব্বতে বিশুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার করেছিলেন। নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর নামক স্থানেও ধর্মপাল এক বিশাল বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। এটি সোমপুর মহাবিহার নামে পরিচিত। এই স্থাপত্য জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বসভ্যতার নিদর্শন হিসেবে (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) স্বীকৃত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় এটি ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম বিহার। ওদন্তপুরীতেও (ভারতের বিহার প্রদেশ) তিনি একটি বিহার নির্মাণ করেন। লামা তারনাথের মতে, ধর্মপাল বৌদ্ধধর্ম শিক্ষার জন্য ৫০টি শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অভিজাতদের প্রতি ধর্মপাল সমান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। নিজে বৌদ্ধ হলেও তিনি পর ধর্ম সহিষ্ণু ছিলেন। খুব সম্ভবত তিনি বিশ্বাস করতেন যে, রাজার ব্যক্তিগত ধর্মের সঙ্গে রাজ্য শাসনের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই তিনি নিজে শাস্ত্রের নিয়ম মেনে চলতেন এবং প্রতিটি ধর্মের লোক যেন নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতেন। নারায়ণের একটি হিন্দু মন্দিরের জন্য তিনি করমুক্ত ভূমি দান করেছিলেন। তিনি যাদের ভূমি দান করেছিলেন, তাদের অধিকাংশই ছিল ব্রাহ্মণ। ধর্মপালের প্রধানমন্ত্রী গর্গ ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ। তাঁর বংশধরগণ অনেকদিন ধরে পাল রাজাদের প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে ধর্মপাল নানাবিধ কারণে আলোচিত শাসক। পঞ্চাশ বছর পূর্বের অরাজকতা দূর করে প্রবল শক্তিশালী একজন শাসক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
ধর্মপালের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র দেবপাল (৮২১-৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ) সিংহাসনে বসেন। পিতার মতো তিনিও রাজ্যসীমা বিস্তারে মনোযোগী হয়েছিলেন। দেবপাল উত্তর ভারতে প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূট রাজাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। উত্তর ভারতের কিছু স্থান তাঁর অধিকারে এসেছিল উড়িষ্যা ও কামরূপের উপরও তিনি আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হয়েছিলেন।
দেবপাল বৌদ্ধধর্মের একজন পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। মগধের বৌদ্ধমঠগুলোর তিনিই সংস্কার সাধন করেন। তিনি নালন্দায় কয়েকটি মঠ এবং বুদ্ধগয়ায় এক বিরাট মন্দির নির্মাণ মানুর করেছিলেন। মুঙ্গেরে তিনি নতুন রাজধানী স্থাপন করেন। জাভা, সুমাত্রা ও মালয়ের শৈলেন্দ্র বংশের মহারাজ বালপুত্রদেবকে নালন্দায় একটি মঠ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দান করেছিলেন। শুধু তাই নয়, এ মঠের ব্যয় নির্বাহের জন্য দেবপাল পাঁচটি গ্রামও প্রদান করেছিলেন। এ ঘটনা থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপপুঞ্জের সাথে বাংলার ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়।
দেবপাল বিদ্যানুরাগী ছিলেন। বিভিন্ন স্থানের বৌদ্ধ পণ্ডিতগণ তাঁর রাজসভা অলংকৃত করতেন। দেবপালের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় তখন বর্তমান এশিয়ার ভৌগোলিক সীমানায় বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রধান প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। বৌদ্ধশাস্ত্রে পারদর্শী ইন্দ্রগুপ্ত নামক ব্রাহ্মণকে তিনি নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বা অধ্যক্ষ নিযুক্ত করেছিলেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেই দেবপালের শাসন কালে উত্তর-ভারতে প্রায় হারিয়ে যাওয়া বৌদ্ধধর্ম পুনরুজ্জীবিত হয়ে ওঠে।
দেবপালের মৃত্যুর পর থেকে পাল সাম্রাজ্যের ক্রমাবনতি ঘটতে শুরু করে। তার মৃত্যুর পর কয়েকজন উত্তরাধিকারী সিংহাসনে বসেন। তাঁরা পাল সাম্রাজ্যের ক্রমাবনতি ঠেকাতে পারেননি। এসব দুর্বল রাজার সময়ে উত্তর ভারতের কতিপয় যোদ্ধা রাজার আক্রমণে পাল সাম্রাজ্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ফলে এ সময়ে পাল সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরে উত্তর-পশ্চিম বাংলার অংশবিশেষে কম্বোজ রাজবংশের উত্থান ঘটে।
এভাবে পাল সাম্রাজ্য যখন অবনতির দিকে, তখন ক্ষমতায় আরোহণ করেন রাজা মহীপাল (আনুমানিক ৯৯৫-১০৪৩ খ্রিষ্টাব্দ)। তিনি কম্বোজদের বিতাড়িত করে পাল সাম্রাজ্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। এরপর তিনি রাজ্য বিজয়ে মনোযোগ দেন। তাঁর সাম্রাজ্য বারাণসী এবং মিথিলা পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছিল। সে সময়ে ভারতের প্রবল কয়েকটি রাজ শক্তির বিরুদ্ধে নিজ আধিপত্য বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাজা মহীপাল নালন্দায় বারাণসীতে কয়েকটি বৌদ্ধমন্দির নির্মাণ করেছিলেন।
তিনি তার ৫০ বছর রাজত্বকালে জনকল্যাণকর কাজের প্রতিও মনোযোগী ছিলেন। বাংলার অনেক দীঘি ও নগরী এখনও তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। নগরগুলো হলো রংপুরের মাহীগঞ্জ, বগুড়ার মাহীপুর, নওগাঁর মাহীসন্তোষ ও মুর্শিদাবাদ জেলার মহীপাল নগরী। আর দীঘিগুলোর মধ্যে দিনাজপুরের মহীপাল দীঘি ও মুর্শিদাবাদের মহীপালের সাগরদীঘি বিখ্যাত।
মহীপাল পরবর্তীকালের দুর্বল রাজাদের সময় একের পর এক যখন আক্রমণ ঘটতে থাকে তখন সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরেও বিরোধ ও অনৈক্য দেখা দেয়। এই সুযোগে বাংলা ও বিহারের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়।
দ্বিতীয় মহীপালের সময় বাংলার উত্তরাংশের বরেন্দ্র এলাকার সামন্তবর্গ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। ইতিহাসে এ বিদ্রোহ 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' নামে পরিচিত। এ বিদ্রোহের নেতা ছিলেন কৈবর্ত বা মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের নেতা দিব্যোক বা দিব্য। বাংলার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত এ বিদ্রোহে দ্বিতীয় মহীপালকে হত্যা করে বরেন্দ্র দখল করে নেয়া হয়।
বরেন্দ্র যখন কৈবর্তদের দখলে, তখন পাল বংশের শেষ প্রতাপশালী শাসক রাজা রামপাল (১০৮২-১১২৪ খ্রিষ্টাব্দ) পাল সিংহাসনে আরোহণ করেন। প্রাচীন বাংলার কবি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত 'রামচরিত' কাব্য থেকে রামপালের জীবনকথা জানা যায়। রামপাল রাজ্যভার গ্রহণ করেই বরেন্দ্র উদ্ধার করতে সচেষ্ট হন। রামপালকে সৈন্য, অস্ত্র আর অর্থ দিয়ে সাহায্যে এগিয়ে আসেন উচ্ছল, ঢেক্করি, মগধ, রাঢ় দেশসহ চৌদ্দটি রাজ্যের রাজা। যুদ্ধে কৈবর্ত্যরা পরাজিত হলে রামপাল বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মালদহের কাছাকাছি 'রামাবতী' নামে নতুন রাজধানী স্থাপন করেন। পরবর্তী পাল রাজাদের শাসনকালে রামাবতীই সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল। পিতৃভূমি বরেন্দ্রে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর তিনি মগধ, উড়িষ্যা ও কামরূপের ওপর দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা পাল বংশের পরবর্তী শাসকগণের পক্ষে পালবংশের হাল ধরা সম্ভব ছিল না। এ সময় যুদ্ধবিগ্রহ লেগেই থাকত। অবশেষে বারো শতকের বিজয় সেন মদন পালের হাত থেকে পাল সাম্রাজ্যের অবসান ঘটিয়ে বাংলায় সেন বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ৩২৬-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ) - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

