• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জায়েদ ও তাকী গাড়িতে ঢাকা থেকে ফরিদপুর যাচ্ছিল। তারা ইসলামে জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলমানদের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করছিল। জায়েদ বলল, জ্ঞান চর্চায় নিয়োজিত ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদে নিয়োজিত ব্যক্তির সমান সওয়াব লাভ করে। জ্ঞান চর্চার ফলে গুনাহ মাফ হয়। তাকী বলল, আমাদের মহানবি (স.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ছিলেন জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক। তাঁদের অনুসারী হিসেবে আমাদেরও উচিত জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় আত্মনিয়োগ করা।

জায়েদের উক্তিটি কুরআন ও হাদিসের আলাকে ব্যাখ্যা কর।

জায়েদের বক্তব্যে জ্ঞানচর্চার গুরুত্ব ও ফজিলত প্রকাশ পেয়েছে, যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ।

জ্ঞানচর্চায় নিয়োজিত ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদে নিয়োজিত ব্যক্তির সমান সওয়াব লাভ করে। হাদিসের আলোকে জায়েদ এ কথা বলেছে। মহানবি (স) বলেছেন, مَنْ خَرَجَ فِي طَلَبِ الْعِلْمِ فَهُوَ فِي سَبيلِ اللهِ حَتَّى يَرْجِع -

অর্থ: যে ব্যক্তি ইসলামি জ্ঞান অন্বেষণে বের হয় সে প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত আল্লাহর পথে জিহাদে নিয়োজিত থাকে (তিরমিযি)। এ হাদিস থেকে জানা গেল, কোনো ব্যক্তি ইসলামি জ্ঞান অর্জনকালে জিহাদের সমান সওয়াব লাভ করে। উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে জায়েদ ও তাকী ঢাকা থেকে ফরিদপুর যাওয়ার সময় গাড়িতে বসে ইসলামি জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলমানদের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করছিল। আলোচনায় জায়েদ জ্ঞানচর্চার ফজিলত সম্পর্কে অত্যন্ত সুন্দর কথা বলেছে, যা হাদিসের আলোকে যথার্থ।

জ্ঞানচর্চার গুরুত্ব সম্পর্কে জায়েদ বলেছে, ইসলামি জ্ঞান চর্চা করলে তার বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেন। মহানবি (স) বলেছেন, مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ كَانَ كَفَّارَةٌ لِمَا مَضَى

অর্থ: কোনো ব্যক্তি দীনি জ্ঞান অন্বেষণ করলে উক্ত জ্ঞান তার পূর্বেকৃত গুনাহের কাফফারা। (জামে তিরমিযি) অর্থাৎ দীনি জ্ঞান অর্জনের কারণে আল্লাহ জ্ঞান অর্জনকারীর গুনাহ মাফ করে দেন। সুতরাং জ্ঞানচর্চার গুরুত্বের ব্যাপারে জায়েদের উক্তিটি কুরআন ও হাদিসের আলোকে যৌক্তিক।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()