• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

১৬ই ডিসেম্বর দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন নিম্নরূপ:

আখি: ১৯৭১ সালে আমার মা আর তার বান্ধবীরা গেরিলা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করেন।

সাথি: আমার বাবা ছিলেন একজন বাউল শিল্পী। তিনি পাড়ায় পাড়ায় গান গেয়ে অর্থ সংগ্রহ করে তা মুক্তিবাহিনীর নিকট প্রেরণের ব্যবস্থা করতেন।

সাথির বক্তব্যে নির্দেশিত ব্যক্তিরা মুক্তিযোদ্ধাদেরকে বিরুদ্ধে দুর্দমনীয় করে তুলেছিল- বিশ্লেষণ করো।

সাথির বক্তব্যে নির্দেশিত ব্যক্তিরা হলেন বাংলাদেশের শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের ভূমিকা মুক্তিযোদ্ধাদের দুর্দমনীয় করে তুলেছিল। ১৯৭১ সাল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মূল নিয়ামক শক্তি ছিলো জনগণ। যুদ্ধ চলাকালীন মানুষকে উদ্বুদ্ধ করায় ক্ষেত্রে শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন সংস্কৃতি কর্মীর অবদান ছিলো খুষই প্রশংসনীয়। পত্র-পত্রিকায় লেখা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে খবর পাঠ, দেশাত্মবোধক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান প্রচার, কবিতা পাঠ, নাটক, কথিকা প্রভৃতি মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, সাথির যাবা ছিলেন একজন বাউল শিল্পী। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাড়ায় পাড়ায় গান গেয়ে অর্থ সংগ্রহ করে মুক্তিবাহিনীর কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করতেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার মতো বাংলাদেশের সংস্কৃতিকর্মীরা ছাড়াও বিদেশি অনেক শিল্পীও ভূমিকা রাখেন। বিশেষ করে বিখ্যাত ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী জর্জ হ্যারিসন, পণ্ডিত রবিশঙ্কর ও আলী আকবর খান মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি ও দান সহায়তা পরিচালনা জন্য 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' আয়োজন করেন। এ কনসার্ট থেকে সংগৃহীত অর্থ শরণার্থীদের সহায়তায় ব্যয় হয়।'

ওপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশ ও বধিবিশ্বের শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবলকে বাড়িয়ে দেয়। তাদের মানসিক ও নৈতিক বল ধরে রেখে মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ জনগণকে শত্রুর বিরুদ্ধে দুর্দমনীয় করে তোলে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()