• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল
সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

সিনথিয়া বাবা-মায়ের সাথে কক্সবাজার বেড়াতে যায়। সন্ধ্যাবেলা পূর্ণিমার আলোয় সমুদ্রের শান্ত রূপ দেখে তারা মুগ্ধ হয়। কিছুক্ষণ পরে তারা লক্ষ করে, সমুদ্রের পানি ফুলে উঠছে এবং তীরে প্রচণ্ড বেগে আছড়ে পড়ছে। বাবা তাকে ভীত হতে নিষেধ করেন এবং বলেন যে, সমুদ্রে এরূপ অবস্থা নিয়মিত ঘটে।

সমুদ্রের পানিতে উক্ত সময়ে যে প্রতিক্রিয়া হয়েছিল তার কারণ ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকের সিনথিয়া পূর্ণিমার সন্ধ্যায় সমুদ্রের পানিতে যে প্রতিক্রিয়া দেখেছিল, তার কারণ হলো কেন্দ্রাতিগ ও মাধ্যাকর্ষণ শক্তি।

সমুদ্রের পানি ফুলে তীরে প্রচণ্ড বেগে আছড়ে পড়াকে বলা হয় জোয়ার এবং পানি, নেমে যাওয়াকে বলা হয় ডাটা। উদ্দীপকের সিনথিয়া বাবা-মায়ের সাথে কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়ে সমুদ্রের পানি ফুলে উঠতে দেখেছে, যা মূলত জোয়ার-ভাটাকে নির্দেশ করে।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তি এবং পৃথিবীর ওপর চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার-ভাটা হয়। পৃথিবীর সকল পদার্থের আকর্ষণ আছে এবং একটি অপরটিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণকে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বলে। এই মাধ্যাকর্ষণের ফলে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে এবং চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। যে যত বড় তার আকর্ষণ শক্তি তত বেশি। কিন্তু দূরত্ব বৃদ্ধি পেলে আকর্ষণ শক্তি কমে যায়। সূর্য চন্দ্রে অপেক্ষা ২.৬০ কোটি গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব চন্দ্রের দূরত্ব থেকে অনেক বেশি বলে পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি সূর্য অপেক্ষা প্রায় দ্বিগুণ। অর্থাৎ চন্দ্রের আকর্ষণেই জোয়ার-ভাটা হয়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()