- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
ক্রম | সাল | ঘটনা |
|---|---|---|
১ | ১৯৪৯ | পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ |
২ | ১৯৫২ | ক |
৩ | ১৯৬৬ | খ |
৪ | ১৯৬৯ | গণঅভ্যুত্থান |
বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে 'ক' দ্বারা নির্দেশিত আন্দোলনের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপকের ছকে 'ক' দ্বারা ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এ ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বস্তুত ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালির রাজনৈতিক জীবনে স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ। এ আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগের সফলতা বাঙালির পরবর্তী সকল আন্দোলন সংগ্রামকে অনুপ্রাণিত করেছিল। ১৯৫৩ সাল থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ১৯৫৪ সালে পাকিস্তান গণপরিষদ কর্তৃক বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯৫৬ সালে প্রণীত সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এভাবে ভাষা আন্দোলনের বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জনের মূলমন্ত্রটি শিখে যায়, তা হলো-সংঘবদ্ধভাবে আন্দোলন করলে সে আন্দোলনে সফলতা আসবেই। আর তাই বায়ান্ন পরবর্তী সকল আন্দোলন সংগ্রামেই ২১-এর চেতনা গভীরভাবে উজ্জীবিত ছিল। যেমন- ৫৪'র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৫৬-এর সংবিধান প্রণয়ন, ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন ৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, '৭০-এর সাধারণ নির্বাচন প্রভৃতি সকল আন্দোলনের সম্মুখে থাকা অতন্ত্র চেতনা হিসেবে ভূমিকা - রেখেছিল ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন।
সুতরাং বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে উদ্দীপকে 'ক' দ্বারা নির্দেশিত ভাষা - আন্দোলনের ভূমিকা যে অত্যধিক ছিল তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।

