- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
আওয়ামী মুসলিম লীগ
:
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
পেশায় একজন ব্যবসায়ী হয়েও রিপন সাহেব দেশের নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির কাজে বেশি সময় দেন। তিনি মনে করেন, একসময় তার দেশের শাসকবর্গ জনগণের ওপর যে অত্যাচার করেছিল তা শুধু জনগণের অসচেতনার কারণেই। অথচ যখন এ দেশের কতিপয় লোক একটি দল গঠন করে এবং বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, জনগণের সার্বভৌমত্ব, পাট, চা শিল্প জাতীয়করণ ইত্যাদি। ঘোষণা করে তখন শাসকবর্গের কর্তৃত্বে কড়া নড়ে।
"ভাষা আন্দোলন যৌক্তিক একটি আন্দোলন- ব্যাখ্যা কর।
পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী সর্ব দিক দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের তথা বাংলাকে করায়ত্ত করতে চাই। এর প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে তারা ভাষার ওপর আঘাত হানে। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬ শতাংশ বাঙালি হওয়ার পরও তারা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘৃণ ষড়যন্ত্র শুরু করে। যা বাংলার ভাষা প্রেমি জনগণ মেনে নেয়নি। মাতৃভাষা রক্ষায় তার আন্দোলন, সংগ্রাম শুরু করে এবং ১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠা করে। তাই বলা যায়, ভাষা আন্দোলন যৌক্তিক একটি আন্দোলন।

