• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

আওয়ামী মুসলিম লীগ

:

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

পেশায় একজন ব্যবসায়ী হয়েও রিপন সাহেব দেশের নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির কাজে বেশি সময় দেন। তিনি মনে করেন, একসময় তার দেশের শাসকবর্গ জনগণের ওপর যে অত্যাচার করেছিল তা শুধু জনগণের অসচেতনার কারণেই। অথচ যখন এ দেশের কতিপয় লোক একটি দল গঠন করে এবং বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, জনগণের সার্বভৌমত্ব, পাট, চা শিল্প জাতীয়করণ ইত্যাদি। ঘোষণা করে তখন শাসকবর্গের কর্তৃত্বে কড়া নড়ে।

উদ্দীপকে রিপন সাহেবের বক্তব্যে পাঠ্যবইয়ের কোন দলের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে রিপন সাহেবের বক্তব্যে পাঠ্যবইয়ের আওয়ামী মুসলিম লীগের সাদৃশ্য পাওয়া যায়।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলার জনগণ পাকিস্তান রাষ্ট্রের রাজনৈতিক চরিত্রগুলো বুঝতে পারে। পূর্ব বাংলার সাধারণ মানুষ সর্বক্ষেত্রে সব অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকায় রোজগার্ডেনে এক সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয় 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ'। সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক টাঙ্গাইলের শামসুল হক এবং যুগ্ম সম্পাদক হন শেখ মুজিবুর রহমান। শুরুতেই দলটি বাঙালিদের স্বার্থে একটি বিস্তৃত কর্মসূচি গ্রহণ করে। এর মধ্যে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, জনগণের সার্বভৌমত্ব, বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দান, পাট ও চা শিল্প জাতীয়করণ, বিনা ক্ষতিপূরণে, জমিদারি ব্যবস্থা উচ্ছেদ, কৃষকদের মধ্যে ভূমি বণ্টন, সমবায়ভিত্তিক চাষাবাদ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এসব দাবি উত্থাপনের কারণে দলটি দ্রুত পূর্ব বাংলার জনগণের কাছে প্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করে।

উদ্দীপকে যে দলের কথা বলা হয়েছে তাতে আমরা দেখতে পাই, তাদেরও কর্মসূচি ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন, জনগণের সার্বভৌমত্ব, পাট, চা শিল্প জাতীয়করণ ইত্যাদি। এতে বুঝা যায় উদ্দীপকের রিপন সাহেবের বক্তব্যে পাঠ্যবইয়ের আওয়ামী মুসলিম লীগের সাদৃশ্য পাওয়া যায়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()