- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- প্রত্যুপকার (গদ্য)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
একবার লালু সামনে ছুটে যাচ্ছে, একবার পিছনে, একবার ডাইনে, একবার বাঁয়ে। সবুজ চোখগুলো যেন আমার চারদিকে ঘিরে ঘিরে লুকোচুরি খেলছে, আর লালু আমাকে বাঁচাচ্ছে সেই রাশি রাশি ধারালো দাঁতের অন্ধ আদিম হিংসা থেকে । ...
তিন মাস পড়ে থাকতে হয়েছিল আমাকে। বুকের পাঁজরার দুটো হাড় ভেঙে গিয়েছিল, খুলে গিয়েছিল বাঁ হাঁটুর জোড়াটা। তবু তার মধ্যে কাঁদতে কাঁদতে বাবাকে বলেছিলুম, কেন মারলে – লালুকে কেন মারলে তুমি?
“উদ্দীপকটি ‘প্রত্যুপকার' গল্পের সম্পূর্ণ ভাব ধারণ করতে পারেনি।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
“উদ্দীপকটি ‘প্রত্যুপকার’ গল্পের সম্পূর্ণ ভাব ধারণ করতে পারেনি।”— মন্তব্যটি যথার্থ ।
মানুষ মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষের পাশাপাশি আমরা অনেক সময় পশুদেরও দেখি মানুষকে সাহায্য করতে। উপকারকারী মানুষই হোক আর পশুই হোক না কেন, যথাযথ প্রতিদান তার প্রাপ্য ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, লালু হিংস্র প্রাণীদের কবল থেকে গল্পকথককে উদ্ধার করেছে। কিন্তু পরে তার বাবা লালুকে হত্যা করেছে। এখানে লালু যথাযথ প্রতিদান পায়নি। অপরদিকে 'প্রত্যুপকার' গল্পের আলী ইবনে আব্বাস অনেকদিন আগে যাঁর আশ্রয় পেয়ে, নিজের জীবন রক্ষা করতে পেরেছিলেন, পরে তাঁরই বিপদে তিনি এগিয়ে এসেছেন, তাঁকে সাহায্য করেছেন। এখানে উপকারী লোকটি তাঁর যথাযথ প্রতিদান পেয়েছেন ।
উদ্দীপক ও ‘প্রত্যুপকার' গল্পের দুই জায়গাতেই সাহায্য করার দিক থেকে মিল পরিলক্ষিত হলেও উপকারকারীরা সমান প্রতিদান পায়নি। উদ্দীপকে সাহায্যকারী ঘোড়াটিকে মেরে ফেলা হয়েছে। 'প্রত্যুপকার' গল্পে আলী ইবনে আব্বাস সহযোগিতাকারীকে তাঁর বিপদ থেকে উদ্ধার করেছেন । তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি গল্পের সম্পূর্ণ ভাব ধারণ করতে পারেনি ।

