• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • আকাইদ ও নৈতিক জীবন
আকাইদ ও নৈতিক জীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

আকাম ও মাহমুদ দুই বন্ধু। আকান ইচ্ছাকৃতভাবে অমুসলমানদের অনুকরণ করেন এবং তাদের ধর্মীয় চিহ্ন ব্যবহার করেন। অন্যদিকে মাহমুদ আল্লাহ তায়ালার পাশাপাশি বিত্তবানদেরকে রিজিকদাতা মনে করেন এবং ফেরেশতাদের জগৎ পরিচালনাকারী হিসেবে মনে করেন।

মাহমুদ সাহেবের বিশ্বাসের পরিণতি কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

মাহমুদ সাহেবের বিশ্বাসে জঘন্য অপরাধ শিরকের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এর পরিণতি হিসেবে মহান আল্লাহ কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন।

আল্লাহ তায়ালা এ বিশ্বজগতের একমাত্র অধিপতি ও মালিক। তিনি একক ও অদ্বিতীয় সত্তা। তাঁর কোনো শরিক নেই। তিনি অনন্য ও অতুলনীয়। আর এ বিশ্বাসটিকে অস্বীকার করে আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করলে কিংবা তাঁর সমতুল্য মনে করলে সেটি হয় শিরক। শিরককারীর জন্য আল্লাহ তায়ালা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন।

মাহমুদ সাহেব মনে করেন, আল্লাহর পাশাপাশি বিত্তবানরাও মানুষের রিজিকদাতা, আবার এ বিশ্ব পরিচালনায় তিনি ফেরেশতাদের কর্তৃত্বকে স্বীকার করেছেন। তার এ দুটি বিশ্বাসই আল্লাহর সাথে অংশীদার করা তথা শিরকের অন্তর্ভুক্ত। শিরক আল্লাহর সাথে চরম জুলুম করার নামান্তর। আল্লাহ তায়ালা নিজেই ঘোষণা দিয়েছেন- 'নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।' (সূরা লুকমান, আয়াত ৪) আল্লাহ তায়ালা শিরককারীদের প্রতি খুবই অসন্তুষ্ট। তিনি অপার ক্ষমাশীল ও অসীম দয়াময় হওয়া সত্ত্বেও শিরকের অপরাধ ক্ষমা করেন না। মহান আল্লাহ বলেন, 'নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না'। এতদ্ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।' (সূরা আন-নিসা, আয়াত ৪৮)

প্রকৃতপক্ষে শিরক ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। আল্লাহ তায়ালা নিজেই শিরকের অপরাধ ক্ষমা না করার এবং তাদের জন্য জান্নাত হারাম করার ঘোষণা দিয়েছেন। আল্লাহর এ ঘোষণা মাহমুদ সাহেবের বিশ্বাসকে ভয়াবহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে প্রমাণ করে। আল্লাহ তায়ালা শিরককারীর ভয়াবহ পরিণতির কথা ঘোষণা করে বলেছেন- 'যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন এবং তার আবাস জাহান্নাম।' (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৭২)

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()