• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • আকাইদ ও নৈতিক জীবন
আকাইদ ও নৈতিক জীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

বর্তমানে এদেশের তৃণমূল পর্যায়ের নিম্ন আয়ের অধিকাংশ মানুষ অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। করোনা মহামারি পরবর্তী প্রেক্ষাপটে কাজ-কর্ম হারিয়ে অনেকেই বেকার হয়ে পড়েছেন। বৈশ্বিক মন্দা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে কেউ কেউ সামান্য খাবারের ব্যবস্থাটুকু করতে পারছে না। অবশ্য এজন্য তাদের কোনো আক্ষেপ। নেই। তারা মনে করেন, যিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন তিনিই তাদের রিজিকের ব্যবস্থা করবেন। এ অবস্থায় তাদের জন্য কিছু সরকারি-বেসরকারি সাহায্য বরাদ্দ হলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের অপতৎপরতায় তা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

তুমি কি মনে কর, ইমানহীনতার কারণেই স্থানীয় প্রভাবশালীরা এ ধরনের অনৈতিক কাজ করছে? তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে যুক্তি দাও।

হ্যাঁ, ইমানহীনতার কারণেই স্থানীয় প্রভাবশালীরা এমন অনৈতিক কাজ করছে।

ইসলামের যাবতীয় বিষয়ের ওপর দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করে মৌখিক স্বীকৃতির মাধ্যমে বাস্তবে আমল করাই হচ্ছে ইমান। যাদের মধ্যে এ ধরনের বিশ্বাস থাকে না, তারাই নানা অন্যায়-অত্যাচার, প্রতারণা, মিথ্যাচার প্রভৃতিতে লিপ্ত হয়। আর স্থানীয় প্রভাবশালীদের মধ্যে এ ধরনের অনৈতিক কাজের দৃষ্টান্ত লক্ষণীয়।

উদ্দীপকে বর্ণিত স্থানীয় প্রভাবশালীরা দেশের সংকটকালীন গরিবের জন্য সরকারি-বেসরকারি বরাদ্দ আত্মসাৎ করে তাদের বদ্যিত করছে। এ ধরনের কাজ সম্পূর্ণভাবে ইমানের পরিপন্থি। ইমানের দাবি অনুযায়ী অন্যের সম্পদ কেউ অন্যায়ভাবে দখল করতে পারে না। পরকালে জবাবদিহিতার ভয় থাকলে মানুষ কখনো কোনো অনৈতিক কাজ করতে পারে না। আল্লাহকে ভয় করে না বলেই তাদের পক্ষে এমন জঘন্য কাজ করা সম্ভব হচ্ছে।

ইমানদার ব্যক্তিরা পরিপূর্ণভাবে নৈতিকতার অনুসরণ করে থাকেন। তারা বিপদে মানুষকে সহায়তা করেন। অন্যের ওপর জুলুম বা প্রতারণা করেন না। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালীদের কাজে জুলুম-প্রতারণা প্রকাশ পেয়েছে, যা ইমানহীনতার পরিচায়ক।

সুতরাং বোঝা যাচ্ছে, ইমানের অনুপস্থিতিই তাদেরকে এমন অনৈতিক কাজে প্ররোচিত করেছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()