- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
ছক-'ক' | ছক-'খ’ |
|---|---|
১. জাতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। | ১. কার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন। |
২. গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর সমাধানস্থল। | ২. প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন। |
৩. সমাজ ও রাষ্ট্রের চাহিদানুযায়ী নতুন ও প্রচলিত বিষয় সংশোধন, প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান। | ৩. রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যাখ্যা চাইলে পরামর্শ দিয়ে থাকে। |
৪. নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে। |
ছক 'খ'-এর প্রতিষ্ঠানের গঠন কাঠামো ও ক্ষমতা বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপকের ছক 'খ'-এর প্রতিষ্ঠান তথা বিচারবিভাগ সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী গঠিত হয় এবং প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী।
উদ্দীপকের ছক 'খ'-এ উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি কার্য পরিচালনায় ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং এ প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যাখ্যা চাইলে বিভাগটি পরামর্শ দিয়ে থাকে এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে। এসব বৈশিষ্ট্য বিচারবিভাগকেই নির্দেশ করে।
বাংলাদেশের বিচারবিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত। বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিম কোর্ট। এটি আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে গঠিত হয়। সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধান বিচারপতি রয়েছেন, তাকে বাংলাদেশের প্রধন বিচারপতি বলা হয়। রাষ্ট্রপতি তাকে নিযুক্ত করেন। প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততলন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত। প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন। সুপ্রিম কোর্টের অধীনে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় বিচারবিভাগের অধস্তন আদালত রয়েছে। এছাড়া সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ এক বা একাধিক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
বিচারবিভাগের ক্ষমতার ক্ষেত্রে দেখা যায়, আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রি বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ করে শুনানির ব্যবস্থা করতে পারে। রাষ্ট্রপতি আইনের কোনো ব্যাখ্যা চাইলে আপিল বিভাগ এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিয়ে থাকে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে কোনো ব্যক্তিকে আদালতের সামনে হাজির হতে ও দলিলপত্র পেশ করার আদেশ জারি করতে পারে। আপিল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য অবশ্যই পালনীয়। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা, ন্যায়বিচার সংরক্ষণ ও পরামর্শ দান করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

