• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য
ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

মীম তার বন্ধুদের সাথে একটি ঐতিহাসিক স্থান দেখতে যায়। উক্ত স্থানটি দেখে তারা মুগ্ধ হয়। স্থানটি সোনারগাঁয়ে অবস্থিত। স্থানটিতে এখনও ৫২টি ইমারত টিকে আছে। মীমের এক বন্ধু বলল, পরের বছর আমরা জাতীয় জাদুঘর দেখতে যাব। এই জাদুঘর পরিদর্শনের মাধ্যমে আমরা প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা পাব।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি কোথায় অবস্থিত?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়িটি কুষ্টিয়ার শিলাইদহে অবস্থিত।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

কোন আমলে এবং কেন কার্জন হল নির্মিত হয়?

ইংরেজ আমলে অফিস সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কার্জন হল নির্মিত হয়। অফিস বাড়ি হিসেবে ঢাকায় যেসব ভবন তৈরি হয়েছিল তার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর হচ্ছে কার্জন হল। বর্তমানে এ স্থাপত্য কীর্তিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

#

মীম যে স্থানটি পরিদর্শন করে সেটির ঐতিহ্য ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে মীম সোনারগাঁওয়ের পানামা নগর পরিদর্শন করে। সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল সোনারগাঁও। মসলিন শাড়ির উৎপাদন ও ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে এর ব্যাপক খ্যাতি ছিল। উনিশ শতকে ধনী ব্যবসায়ীদের অনেকে বসবাসের জন্য সোনারগাঁওয়ের পানাম এলাকাটি বেছে নেন। তারা পানামের মূল সড়কের দুপাশে সারিবদ্ধভাবে অনেক ঘরবাড়ি নির্মাণ করেন। পানাম নগরে এখনও একরম ৫২টি ইমারত টিকে আছে। চওড়া পথের দুপাশে ইমরাতগুলো সুন্দরভাবে সাজানো। পথের উত্তর পাশে ৩১টি এবং দক্ষিণ পাশে ২১টি ইমারত রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত। এলাকার নিরাপত্তার জন্য পানামের অধিবাসীরা ইমারতগুলোর চারপাশ ঘিরে পরিখা খনন করেছিল। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই ভবনগুলোতে ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতি অনুসরণ করা হয়। তবে এগুলোর নির্মাণকলায় মোগল স্থাপত্যেরও প্রভাব আছে। অনেক অট্টালিকা সাজানো হয়েছিল রঙিন মোজাইকে।

#

উদ্দীপকে উল্লিখিত মীমের বন্ধুর বক্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

মীমের বন্ধুর বক্তব্যটি যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

বাংলাদেশের পুরাকীর্তিগুলো থেকে পাওয়া অনেক প্রত্ননিদর্শন জাদুঘরে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হয়। এসব প্রত্নসম্পদ দেখে মানুষ পুরনো ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে। ঢাকার শাহবাগে আমাদের জাতীয় জাদুঘর অবস্থিত। এছাড়া বিভিন্ন প্রত্নস্থলেও জাদুঘর রয়েছে। এসব জাদুঘরে প্রচুর প্রত্নসম্পদ সংরক্ষিত থাকে। জাতীয় জাদুঘরের গ্যালারিতে সারা দেশে প্রত্ন নিদর্শনের সঙ্গে প্রদর্শন করা হয়েছে বাংলার নবাব, জমিদার ও ইংরেজ শাসনকালের বেশ কিছু প্রত্নসম্পদ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে দিনাজপুরের মহারাজার ব্যবহার করা দ্রব্য ও হাতির দাঁতের কারুকাজ করা শিল্পদ্রব্য। বলধার জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর সংগ্রহ থেকে আনা পোশাক, হাতির দাঁতের নানা কারুকাজ ও ঢাল তলোয়ার। কোনো কোনো আঞ্চলিক জাদুঘর ও সংগ্রহশালায় নানা প্রত্ননির্দশন প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে। অধিকাংশ সংগ্রহশালাই জমিদারদের পুরনো প্রাসাদে অবস্থিত। জমিদারদের ব্যবহার করা নানা দ্রব্য এবং তাদের সংগ্রহ করা নানা প্রত্নসম্পদ সেখানে প্রদর্শন করা হয়। যা দেখে আমরা আমাদের ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারি।