- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- অষ্টম শ্রেণি
- ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
মীম তার বন্ধুদের সাথে একটি ঐতিহাসিক স্থান দেখতে যায়। উক্ত স্থানটি দেখে তারা মুগ্ধ হয়। স্থানটি সোনারগাঁয়ে অবস্থিত। স্থানটিতে এখনও ৫২টি ইমারত টিকে আছে। মীমের এক বন্ধু বলল, পরের বছর আমরা জাতীয় জাদুঘর দেখতে যাব। এই জাদুঘর পরিদর্শনের মাধ্যমে আমরা প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা পাব।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মীমের বন্ধুর বক্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।
মীমের বন্ধুর বক্তব্যটি যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ।
বাংলাদেশের পুরাকীর্তিগুলো থেকে পাওয়া অনেক প্রত্ননিদর্শন জাদুঘরে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হয়। এসব প্রত্নসম্পদ দেখে মানুষ পুরনো ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে। ঢাকার শাহবাগে আমাদের জাতীয় জাদুঘর অবস্থিত। এছাড়া বিভিন্ন প্রত্নস্থলেও জাদুঘর রয়েছে। এসব জাদুঘরে প্রচুর প্রত্নসম্পদ সংরক্ষিত থাকে। জাতীয় জাদুঘরের গ্যালারিতে সারা দেশে প্রত্ন নিদর্শনের সঙ্গে প্রদর্শন করা হয়েছে বাংলার নবাব, জমিদার ও ইংরেজ শাসনকালের বেশ কিছু প্রত্নসম্পদ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে দিনাজপুরের মহারাজার ব্যবহার করা দ্রব্য ও হাতির দাঁতের কারুকাজ করা শিল্পদ্রব্য। বলধার জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর সংগ্রহ থেকে আনা পোশাক, হাতির দাঁতের নানা কারুকাজ ও ঢাল তলোয়ার। কোনো কোনো আঞ্চলিক জাদুঘর ও সংগ্রহশালায় নানা প্রত্ননির্দশন প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে। অধিকাংশ সংগ্রহশালাই জমিদারদের পুরনো প্রাসাদে অবস্থিত। জমিদারদের ব্যবহার করা নানা দ্রব্য এবং তাদের সংগ্রহ করা নানা প্রত্নসম্পদ সেখানে প্রদর্শন করা হয়। যা দেখে আমরা আমাদের ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারি।

