• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

সাফিনের দেশের স্বাধীনতার জন্য দেশপ্রেমিক, অকুতোভয় এক সেনা কর্মকর্তা মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে সেনানিবাস থেকে বেরিয়ে নিকটতম জাতীয় সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে পর পর দুই দিন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার এ ঘোষণায় আতঙ্ক ও হতাশায় নিমজ্জিত জাতির মধ্যে প্রবলভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি সঞ্চার হয় এবং দীর্ঘদিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সাফিনের দেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

উদ্দীপকে বর্ণিত সেনা কর্মকর্তার সাথে তোমার দেশের কোন বীর সেনানির মিল লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে বর্ণিত সেনা কর্মকর্তার সাথে আমার দেশের বীর সেনানি শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমানের মিল লক্ষ করা যায়।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং নৃশংসভাবে গণহত্যা চালায়। এই অবস্থায় পুরা জাতি কোনো প্রকার দিক নির্দেশনা না পেয়ে একদিকে আতঙ্ক অন্যদিকে হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা মেজর জিয়াউর রহমান জীবন বাজি রেখে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবারও স্বাধীনতা ঘোষণা দেন।

সুতরাং আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, উদ্দীপকে বর্ণিত সেনা কর্মকর্তার সাথে আমার দেশের বীর সেনা মেজর জিয়াউর রহমানের ও (পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি) মিল লক্ষ করা যায়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()