• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

সাফিনের দেশের স্বাধীনতার জন্য দেশপ্রেমিক, অকুতোভয় এক সেনা কর্মকর্তা মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে সেনানিবাস থেকে বেরিয়ে নিকটতম জাতীয় সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে পর পর দুই দিন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার এ ঘোষণায় আতঙ্ক ও হতাশায় নিমজ্জিত জাতির মধ্যে প্রবলভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি সঞ্চার হয় এবং দীর্ঘদিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সাফিনের দেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

তুমি কি মনে কর বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে উত্ত ঘোষণা ল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ? বিশ্লেষণ কর।

'বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে উক্ত ঘোষণা ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ' বক্তব্যটি যথার্থ ও প্রাসঙ্গিক।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর আকস্মিকভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হত্যা করে বহু মানুষকে। পুরা ঢাকা শহর হয়ে ওঠে যেন আগুনের কুন্ডলী। এমতাবস্থায় বাঙালি জাতি দিক-নির্দেশনাহীন হয়ে পড়ে। পুরা জাতি যখন হতাশা ও শোকে হতবিহ্বল তখন জিয়াউর রহমান (তৎকালীন মেজর) কান্ডারির মতো অভিভূত হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার এ ঘোষণা নিশানাহীন জাতিকে দেয় এক মুক্তির মন্ত্র। শুরু হয় পাকিস্তানি সশস্ত্রসেনাদের সঙ্গে বাঙালি আনসার ও নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের এক অসম লড়াই যা বাংলাদেশের ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ নামে পরিচিত। যার মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা লাভ করি।

অতএব উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে নিঃসন্দেহে বলা যায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে মেজর জিয়াউর রহমানের উক্ত ঘোষণা ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()