কর অঞ্চল রংপুরে ৩৬টি পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ প্রকাশ
— উড্ডয়ন

ছবি : সংগৃহিত
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী কর অঞ্চল-রংপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য মোট ৫টি ক্যাটাগরিতে ৩৬টি শূন্য পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে সরাসরি জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। যারা সরকারি চাকরির খোঁজে আছেন এবং এই জেলাগুলোর বাসিন্দা, তাদের জন্য এটি একটি দারুণ সুযোগ। নিচে পদের বিস্তারিত তালিকা, যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় সব তথ্য ধাপে ধাপে তুলে ধরা হলো।
পদের নাম, সংখ্যা ও বেতন স্কেলের বিস্তারিত তালিকা
এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে মোট ৫টি পদের জন্য আবেদন করা যাবে। প্রতিটি পদের নাম, গ্রেড, বেতন স্কেল এবং পদসংখ্যা নিচে দেওয়া হলো।
প্রথম পদটি হলো উচ্চমান সহকারী, যার গ্রেড ১৪ এবং বেতন স্কেল ২৩,৫০০ থেকে ৫৬,৮০০ টাকা। এই পদে মোট ৭টি শূন্য পদ রয়েছে। দ্বিতীয় পদটি শর্টহ্যান্ড টাইপিস্ট কাম-কম্পিউটার অপারেটর, এটিও গ্রেড ১৪ এবং একই বেতন স্কেলের, এখানে মোট ৮টি পদ খালি আছে।
তৃতীয় পদ অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, যার গ্রেড ১৬ এবং বেতন স্কেল ২১,৯০০ থেকে ৫২,৯০০ টাকা। এখানেও ৮টি পদ শূন্য রয়েছে। চতুর্থ পদ গাড়ি চালক, গ্রেড ১৬, একই বেতন স্কেলে মোট ৪টি পদ খালি আছে। সবশেষে অফিস সহায়ক পদে গ্রেড ২০ এবং বেতন স্কেল ২০,০০০ থেকে ৪৮,৮০০ টাকা, এই পদে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৯টি শূন্য পদ রয়েছে।
সব পদ মিলিয়ে মোট শূন্য পদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৬টি। লক্ষণীয় বিষয় হলো, এই বেতন স্কেল নির্ধারিত হয়েছে "চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬" অনুযায়ী, অর্থাৎ সাম্প্রতিক সরকারি নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে এখানে।
প্রতিটি পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতার শর্ত
উচ্চমান সহকারী এবং শর্টহ্যান্ড টাইপিস্ট কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদের জন্য প্রার্থীকে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএতে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। এর পাশাপাশি কম্পিউটারে ওয়ার্ড প্রসেসিং, ই-মেইল, ফ্যাক্স মেশিন পরিচালনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক।
উচ্চমান সহকারী পদের জন্য কম্পিউটারে মুদ্রাক্ষরের সর্বনিম্ন গতি প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ৩০ শব্দ এবং বাংলায় ২৫ শব্দ হতে হবে। অন্যদিকে শর্টহ্যান্ড টাইপিস্ট কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদের জন্য শর্টহ্যান্ডে সর্বনিম্ন গতি ইংরেজিতে ৭০ শব্দ ও বাংলায় ৪৫ শব্দ, এবং সাধারণ টাইপিং গতি ইংরেজিতে ৩০ ও বাংলায় ২৫ শব্দ হতে হবে।
অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের জন্য স্বীকৃত বোর্ড থেকে কমপক্ষে দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কম্পিউটার দক্ষতাও এই পদের জন্য আবশ্যক, এবং মুদ্রাক্ষরের গতি ইংরেজিতে ২০ ও বাংলায় ২০ শব্দ প্রতি মিনিটে হতে হবে।
গাড়ি চালক পদের জন্য স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমান পাস থাকতে হবে, সেই সাথে হালকা গাড়ি চালানোর বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা জরুরি। অফিস সহায়ক পদের জন্যও মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমান পাস যথেষ্ট। এই দুই পদের প্রার্থীদের কর বিভাগের নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ এর তফসিল-৫ অনুযায়ী গৃহীত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
বয়সসীমা ও অন্যান্য প্রাথমিক যোগ্যতার শর্ত
আবেদনের জন্য বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ অনুযায়ী ১৮ থেকে ৩২ বছর। তবে সরকার কর্তৃক সর্বশেষ জারিকৃত কোনো পরিপত্র থাকলে সেটি অনুসরণ করা হবে, অর্থাৎ নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বয়সের ছাড় পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।
প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। যারা বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন কাউকে বিয়ে করেছেন বা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিংবা ফৌজদারি আদালত কর্তৃক নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগে দণ্ডিত হয়েছেন, তারা আবেদনের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন।
যারা ইতিমধ্যে সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন, তাদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে আবেদন করতে হবে এবং মৌখিক পরীক্ষার সময় অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো অগ্রিম কপি গ্রহণযোগ্য হবে না। মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান হলে আবেদনপত্রে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে, এবং সরকারের সর্বশেষ নীতিমালা অনুযায়ী কোটা সংরক্ষণ করা হবে।
অনলাইনে আবেদনের নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে একমাত্র নির্ধারিত ওয়েবসাইট https://taxran.teletalk.com.bd এর মাধ্যমে। অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষার ফি জমাদান শুরু হবে ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টায়। আবেদন জমাদানের শেষ তারিখ ও সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
যারা এই সময়সীমার মধ্যে ইউজার আইডি পেয়ে যাবেন, তারা অনলাইনে আবেদনপত্র সাবমিট করার সময় থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসএমএসের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি জমা দিতে পারবেন। আবেদনপত্রে প্রার্থীর সদ্য তোলা রঙিন ছবি (দৈর্ঘ্য ৩০০ বাই প্রস্থ ৩০০ পিক্সেল, সর্বোচ্চ ১০০ কেবি) এবং স্বাক্ষর (দৈর্ঘ্য ৩০০ বাই প্রস্থ ৮০ পিক্সেল, সর্বোচ্চ ৬০ কেবি) স্ক্যান করে নির্ধারিত স্থানে আপলোড করতে হবে।
আবেদনপত্র সাবমিট করার আগে প্রার্থীকে নিজে শতভাগ নিশ্চিত হতে হবে যে সব তথ্য সঠিক আছে, কারণ ফি জমা দেওয়ার পর কোনো পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ থাকবে না। তাই সাবমিট করার আগে অ্যাপ্লিক্যান্টস কপি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
আবেদন ফি ও এসএমএস পদ্ধতির নিয়ম
উচ্চমান সহকারী, শর্টহ্যান্ড টাইপিস্ট কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং গাড়ি চালক এই চারটি পদের জন্য আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা, যার সাথে টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১২ টাকা যোগ হয়ে মোট দাঁড়ায় ১১২ টাকা। অফিস সহায়ক পদের জন্য ফি তুলনামূলক কম, ৫০ টাকা এবং সার্ভিস চার্জ ৬ টাকাসহ মোট ৫৬ টাকা।
প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সব পদে আবেদন ফি একই হারে নির্ধারণ করা হয়েছে, অর্থাৎ ৫০ টাকা এবং সার্ভিস চার্জ ৬ টাকাসহ মোট ৫৬ টাকা।
ফি পরিশোধের পদ্ধতি দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথম এসএমএসে লিখতে হবে TAXRAN স্পেস User ID, এরপর তা পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। এর বিপরীতে একটি পিন নম্বর পাওয়া যাবে। দ্বিতীয় এসএমএসে লিখতে হবে TAXRAN স্পেস Yes স্পেস PIN, এটিও পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পেমেন্ট নিশ্চিত হওয়ার বার্তা পাওয়া যাবে এবং পাসওয়ার্ড জানানো হবে।
একটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি, অনলাইন আবেদনপত্রের সব অংশ পূরণ করে সাবমিট করা হলেও পরীক্ষার ফি জমা না দেওয়া পর্যন্ত আবেদনপত্র কোনো অবস্থাতেই গৃহীত হবে না।
মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার সময় বেশ কিছু কাগজপত্রের মূল কপি প্রদর্শনপূর্বক প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত ছায়ালিপি জমা দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রার্থীর সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার সনদ।
এছাড়া প্রার্থী যে ইউনিয়ন, পৌরসভা বা ওয়ার্ডের বাসিন্দা, সেই এলাকার চেয়ারম্যান, মেয়র বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্বের সনদ প্রয়োজন হবে। প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা প্রদত্ত চারিত্রিক সনদও জমা দিতে হবে। যারা কোটা দাবি করবেন, তাদের যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত সনদ বা প্রমাণক দেখাতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা বা বীরাঙ্গনার সন্তান হিসেবে আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট গেজেট, ভারতীয় তালিকা, লাল মুক্তিবার্তা নম্বর বা সনদের নম্বর ও তারিখসহ প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে, সাথে সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার প্রত্যয়নপত্রও লাগবে।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী বা তৃতীয় লিঙ্গের কোটায় আবেদনকারীদের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত সনদ দেখাতে হবে। সবশেষে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনপত্রের রঙিন কপি (অ্যাপ্লিক্যান্টস কপি) ও প্রবেশপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
পরীক্ষার ধরন ও ফলাফল জানানোর প্রক্রিয়া
লিখিত পরীক্ষা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে কর অঞ্চল-রংপুরের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইট www.tzr.gov.bd এর মাধ্যমে জানানো হবে। এছাড়া প্রার্থীদের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও তথ্য পৌঁছে দেওয়া হবে।
এসএমএসে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রার্থী পরবর্তীতে রোল নম্বর, পদের নাম, ছবি, পরীক্ষার তারিখ, সময় ও কেন্দ্রের নাম সম্বলিত প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে রঙিন প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। এই প্রবেশপত্র লিখিত পরীক্ষার সময় এবং উত্তীর্ণ হলে মৌখিক পরীক্ষার সময় অবশ্যই সাথে রাখতে হবে।
কোনো প্রার্থী যদি তার ইউজার আইডি বা পিন নম্বর ভুলে যান, তাহলে টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল থেকে নির্দিষ্ট এসএমএস পদ্ধতি অনুসরণ করে তা পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন সংক্রান্ত কোনো সমস্যায় পড়লে টেলিটক নম্বর থেকে ১২১ এ কল করা যাবে অথবা [email protected] ঠিকানায় ই-মেইল করা যাবে।
আবেদনের আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখা জরুরি
আবেদনপত্রের তথ্য বা দাখিলকৃত কাগজপত্র জাল, মিথ্যা বা বিজ্ঞপ্তিতে যাচিত ন্যূনতম শর্তের সাথে গরমিল পাওয়া গেলে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও যেকোনো সময় প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
লিখিত, ব্যবহারিক বা মৌখিক কোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রকার ভ্রমণ ভাতা বা দৈনিক ভাতা (টিএ বা ডিএ) দেওয়া হবে না। অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ আবেদনপত্র সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে, তাই আবেদনের সময় প্রতিটি ঘর যত্ন সহকারে পূরণ করা প্রয়োজন।
কর্তৃপক্ষ পদের সংখ্যা হ্রাস, বৃদ্ধি বা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে, এবং নিয়োগ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ হলো, শেষ তারিখ ও সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ ও ফি জমা দেওয়া উচিত, কারণ শেষ মুহূর্তে সার্ভারে চাপ বেড়ে গেলে প্রার্থীরা সমস্যায় পড়তে পারেন।
শেষ কথা
কর অঞ্চল-রংপুরের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি রংপুর বিভাগের পাঁচটি জেলার বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ নিয়ে এসেছে। তবে সফলভাবে আবেদন সম্পন্ন করতে হলে যোগ্যতা ও বয়সসীমা ভালোভাবে যাচাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করা জরুরি। নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ, সময় ও অন্যান্য হালনাগাদ তথ্যের জন্য নিয়মিত www.tzr.gov.bd ওয়েবসাইট চোখ রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সম্পর্কিত ব্লগ
১৫টি শূন্য পদে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

৬১টি শূন্য পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে ঢাকা কর অঞ্চল-২৫

ট্যুরিস্ট পুলিশে ১০টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন অনলাইনে

