• হোম
  • চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরের জুনিয়র শিক্ষক পদের প্রশ্নের সমাধান [০৩.১০.২০২৬]

  • সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর ২০২৬
  • বাংলা
Back

'বিষের বাঁশি' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি-

কগল্প
খউপন্যাস
গকাব্য
ঘপ্রবন্ধ
উত্তর : গ.
কাব্য
Verified

'বিষের বাঁশি' কাজী নজরুল ইসলামের একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইটির নাম শুনলেই বোঝা যায়, এর ভেতরে এমন কিছু আছে যা সাধারণ প্রেমের গান বা মিষ্টি কবিতার মতো নয়। নজরুল এখানে বাঁশির সুরকে করে তুলেছেন বিষের মতো তীব্র, যা ঘুমন্ত মানুষকে জাগিয়ে তোলার ডাক।

বইটির পটভূমি জানলে বিষয়টা আরও পরিষ্কার হয়। তখন ব্রিটিশ শাসনের কাল। নজরুল তাঁর কবিতায় পরাধীনতার বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদ জানাতেন। 'বিষের বাঁশি'-তে সংকলিত কবিতাগুলোতে সেই বিদ্রোহী সুরই প্রবল। ফলে ব্রিটিশ সরকার বইটিকে রাজদ্রোহমূলক মনে করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং বাজেয়াপ্ত করে। একজন কবির লেখা যে শাসকদের এতটা ভয় পাইয়ে দিতে পারে, এটাই এই বইয়ের শক্তির প্রমাণ।

নজরুলের গল্প আছে, যেমন 'ব্যথার দান' ও 'রিক্তের বেদন' (এগুলো গল্পগ্রন্থ)। উপন্যাসও তিনি লিখেছেন, যেমন 'বাঁধনহারা', 'মৃত্যুক্ষুধা' ও 'কুহেলিকা'। প্রবন্ধের বইয়ের মধ্যে আছে 'যুগবাণী', 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' ও 'দুর্দিনের যাত্রী'। অর্থাৎ নজরুল সাহিত্যের নানা শাখায় কাজ করেছেন, কিন্তু 'বিষের বাঁশি' সেগুলোর কোনোটির মধ্যে পড়ে না। এটি কবিতার সংকলন, তাই এটি কাব্যগ্রন্থ।

নজরুলের 'বাঁশি' ও 'বীণা' জাতীয় নামগুলো সাধারণত কবিতা বা গানের সঙ্গে যুক্ত। যেমন 'অগ্নিবীণা' (১৯২২), 'বিষের বাঁশি' (১৯২৪), 'ভাঙার গান' (১৯২৪), 'সাম্যবাদী' (১৯২৫), 'সর্বহারা' (১৯২৬) ও 'ফণিমনসা' (১৯২৭), এগুলো সবই কাব্যগ্রন্থ। নামে সুরের ইঙ্গিত থাকলে অনেক সময় সেটা কবিতার বই হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

ক
গোটা
খ
খানা
গ
টুকু
ঘ
পাটি
ক
করণে সপ্তমী
খ
কর্মে সপ্তমী
গ
অপাদানে সপ্তমী
ঘ
কর্তায় সপ্তমী
ক
না কথা
খ
অনুক্ত
গ
নির্বাক
ঘ
মূক
ক
নওগাঁ
খ
পাবনা
গ
রাজশাহী
ঘ
বরিশাল
ক
সংজ্ঞাবাচক
খ
গুণবাচক
গ
ভাববাচক
ঘ
জাতিবাচক
ক
অপমান
খ
নিবৃত্তি
গ
আগাছা
ঘ
প্রতাপ
ক
শৈত্য
খ
শীতল
গ
উত্তাপ
ঘ
হিম
ক
গোলাপ
খ
শীতল
গ
নেয়ে
ঘ
গৌরব