• হোম
  • চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি

২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০০১

  • বিসিএস ২০০১
  • সাধারণ জ্ঞান
Back

বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প কোনটি?

কপাট
খচা
গমাছ
ঘতৈরি পোশাক
উত্তর : ঘ.
তৈরি পোশাক
Verified

বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প হলো তৈরি পোশাক শিল্প। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাট, চা ও মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক শিল্প এককভাবে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ শুরু হয় মূলত ১৯৮০-এর দশকে। স্বল্প মূল্যের শ্রমশক্তি, আন্তর্জাতিক বাজারে তুলনামূলক কম উৎপাদন ব্যয় এবং রপ্তানিমুখী নীতির কারণে এ খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হয়। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের প্রায় সব প্রধান বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হচ্ছে। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশেরও বেশি আসে এই শিল্প থেকে, যা এর গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

অন্যদিকে, পাটকে একসময় ‘সোনালি আঁশ’ বলা হলেও কৃত্রিম তন্তুর ব্যবহার বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা হ্রাসের কারণে পাট শিল্পের বৈদেশিক মুদ্রা আয় আগের মতো নেই। চা শিল্প ঐতিহ্যবাহী হলেও রপ্তানি আয়ের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সীমিত। একইভাবে মৎস্য খাত- বিশেষ করে চিংড়ি রপ্তানি- গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি তৈরি পোশাক শিল্পের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার মতো পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি।

তৈরি পোশাক শিল্প শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেই নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও অনন্য ভূমিকা রাখছে। এই খাতে কয়েক কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মরত, যার মধ্যে নারী শ্রমিকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ফলে দারিদ্র্য হ্রাস, নারীর ক্ষমতায়ন ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ শিল্পের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অতএব, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প হলো তৈরি পোশাক।

সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

কময়নামতি
খসোনারগাঁও
গঢাকা
ঘপাহাড়পুর
করাঙ্গামাটি
খরংপুর
গকুমিল্লা
ঘসিলেট
কদুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য
খউন্নয়নের গতিধারা
গমাইক্রোক্রেডিট
ঘবৈদেশিক সাহায্য
কদিল্লী
খডারবান
গঢাকা
ঘজাকার্তা
করাজনৈতিক
খঅর্থনৈতিক
গবাণিজ্যিক
ঘসামাজিক
ক১৯৮৫, ঢাকা
খ১৯৮৩, দিল্লি
গ১৯৮৫, কলম্বো
ঘ১৯৮৬, মালেতে