- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০১৬
- বিসিএস ২০১৬
- নৈতিকতা
কোনটি ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়?
পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ
আইনের শাসন
সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ
অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ
সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ
ন্যায়পরায়ণতা একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক ধারণা, যার মূল লক্ষ্য হলো সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা ও সুবিচার নিশ্চিত করা। ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতিগুলো মূলত মানুষের অধিকার, সুযোগ এবং আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে সমতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
প্রথমত, পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ ন্যায়পরায়ণতার একটি মৌলিক নীতি। কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার সামাজিক অবস্থান, ক্ষমতা বা পরিচয় নির্বিশেষে একই আইন ও শাস্তি প্রযোজ্য হওয়া উচিত। একইভাবে, যোগ্যতার ভিত্তিতে পুরস্কার প্রদান করাও ন্যায়পরায়ণতার অংশ। এতে সমাজে ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হয়।
দ্বিতীয়ত, আইনের শাসন ন্যায়পরায়ণতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। আইনের শাসন মানে হলো রাষ্ট্র পরিচালিত হবে আইন অনুযায়ী, ব্যক্তির ইচ্ছা বা ক্ষমতার ভিত্তিতে নয়। সবাই আইনের চোখে সমান- এই ধারণাই ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করে।
তৃতীয়ত, অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ সরাসরি ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে সম্পর্কিত। শিক্ষা, চাকরি, বিচার বা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্য থাকলে ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
অন্যদিকে, সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ একটি প্রশাসনিক বা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়। এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটি ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়। ন্যায়পরায়ণতা মূলত নৈতিক ও মূল্যবোধভিত্তিক ধারণা, যেখানে সমতা, অধিকার ও আইনগত ন্যায়ের বিষয়গুলো মুখ্য।
সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে “সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ” ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ
যথা সময়ে অফিসে আগমন ও অফিস ত্যাগ করা
দাপ্তরিক কাজে কোনো অবৈধ সুবিধা গ্রহণ না করা
নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যে কোনো নির্দেশ প্রতিপালন করা

