- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
পোস্টমাস্টার জেনারেল এর কার্যালয়, রাজশাহী এর পোস্টম্যান পদের প্রশ্ন সমাধান ২৭.০৩.২০২৬
- পিএসসি ও অন্যান্য ২০২৬
- বাংলা
কোনটি শুদ্ধ?
বাংলা বানানের ক্ষেত্রে শুদ্ধতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশেষ করে যখন আমরা এমন কোনো শব্দ নিয়ে আলোচনা করি যা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। আপনার জিজ্ঞাসিত শব্দগুলোর মধ্যে শুদ্ধ বানানটি হলো পিপীলিকা।
এই শব্দটির গঠন লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে এটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ থেকে উদ্ভূত। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ই এবং ঈ কারের প্রয়োগ অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট। পিপীলিকা শব্দটির বানানে প্রথম বর্ণ 'প'-তে হ্রস্ব-ই কার ব্যবহার করা হয়। এর পরবর্তী বর্ণ 'প'-তে দীর্ঘ-ঈ কার যুক্ত হয়। সবশেষে 'ল'-তে পুনরায় হ্রস্ব-ই কার এবং সবশেষে 'ক' বর্ণে আ-কার বসে। অর্থাৎ এর সঠিক রূপটি দাঁড়ায় প-এ ই, প-এ ঈ, ল-এ ই এবং ক-এ আ।
অনেক সময় আমরা উচ্চারণের সাদৃশ্যের কারণে হ্রস্ব-ই এবং দীর্ঘ-ঈ কারের মধ্যে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ি। তবে মনে রাখার সহজ উপায় হলো যে এই বিশেষ পতঙ্গটির নামের মাঝের অংশটি একটু জোর দিয়ে উচ্চারিত হয় যা দীর্ঘ-ঈ কারের নির্দেশক। অভিধান অনুযায়ী এই শব্দটির অর্থ হলো ক্ষুদ্র এক প্রকার পতঙ্গ বা পিঁপড়া। আধুনিক বাংলা বানানের নিয়মে অনেক তদ্ভব বা দেশি শব্দের বানান পরিবর্তন হলেও তৎসম শব্দের মূল কাঠামো অপরিবর্তিত থাকে। এই কারণে পিপীলিকা বানানে দীর্ঘ-ঈ কারের অবস্থানটি অপরিবর্তিত রাখা জরুরি। একজন শিক্ষার্থী বা সচেতন লেখক হিসেবে বানান চর্চার সময় শব্দের বুৎপত্তি এবং এই ধরণের অভ্যন্তরীণ স্বরধ্বনির বিন্যাস খেয়াল রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। বানানটি পুনরায় স্মরণ করার সুবিধার্থে দেখে নিন যে এখানে ই এবং ঈ কারের একটি পর্যায়ক্রমিক ব্যবহার রয়েছে যা শব্দটিকে একটি নির্দিষ্ট ছন্দ দান করে।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

