• হোম
  • চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি

৩২তম বিসিএস (বিশেষ- মুক্তিযোদ্ধ, মহিলা ও উপজাতি) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০১২

  • বিসিএস ২০১২
  • বাংলাদেশ
Back

বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করুন। "বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ"- আপনি এটা কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

উত্তর: সংস্কৃতি সমাজ ও রাষ্ট্রের দর্পণস্বরূপ। প্রতিটি রাষ্ট্রেরই নিজস্ব সংস্কৃতি থাকে। এ সংস্কৃতিই বিশ্বের দরবারে একটি জাতির গৌরব-অগৌরবের জানান দেয়। কোনো দেশের সংস্কৃতির দিকে তাকালেই সে দেশের চেহারা উপলব্ধি করা সম্ভব। সুজলা-সুফলা-শস্য-শ্যামলা সোনার বাংলায় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কোনো কমতি নেই। বাংলার এ সংস্কৃতির ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো। কালের পরিক্রমায় ফুলে-ফলে সুশোভিত হয়ে বর্তমান রূপ পেয়েছে আমাদের সংস্কৃতি। সময়ের পরিক্রমায় অনেক গ্রহণ, বর্জন, পরিবর্তন ও পরিমার্জনের মধ্য দিয়ে আমাদের সংস্কৃতিতে অনেক নতুন নতুন উপাদান যুক্ত হয়েছে, আবার হারিয়ে গেছে অনেক উপাদান। এক কথায় বলা যায় বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ।

সংস্কৃতি কি?

সংস্কৃতি হলো মানুষের আচার-আচরণের সমষ্টি। মানুষের জাগতিক নৈপুণ্য ও কর্মকুশলতা, বিশ্বাস, আশা-আকাঙ্ক্ষা, নৈতিকতা, রাজনীতি, ভাষা, কলা, মূল্যবোধ সবকিছুই সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত। সংস্কৃতি হচ্ছে সমাজের মানুষের অর্জিত জ্ঞান, বিশ্বাস, কলা, নীতি, নিয়ম, সংস্কার ও অন্যান্য যে কোনো বিষয়ে দক্ষতার সর্বাধিক সমাবেশ। মোতাহের হোসেন চৌধুরী বলেন, 'সংস্কৃতি মানে সুন্দরভাবে, বিচিত্রভাবে বাঁচা।' সংস্কৃতি সম্পর্কে এমারসন বলেন, 'সংস্কৃতিই খুলে দেয় সুন্দরের চেতনার দরজা।' সংস্কৃতি সম্পর্কে ম্যাথু আর্নল্ড-এর অভিমত হলো, 'সংস্কৃতি আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয় বিশ্বের সর্বোত্তম জিনিসগুলোর সঙ্গে এবং সেই সঙ্গে মানুষের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে।' আবার কালটাজার গ্রাসিয়ান বলেন, 'মানুষ জন্মায় বর্বর হয়ে, সংস্কৃতিই তাকে করে সুসভ্য'। তবে সংস্কৃতি শনাক্তকরণের কোনো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নেই, গণ্ডি নেই। এটি চলমান জীবনের প্রতিচ্ছবি। এলাকাভিত্তিক এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। একটা নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের জীবন প্রণালী অর্থাৎ মানুষের দৈনন্দিন আচার-আচরণ, কাজকর্ম, পোশাক-পরিচ্ছদ, প্রচলিত লোককাহিনী, ধর্মীয় উৎসব-অনুষ্ঠান, প্রতিষ্ঠান, চিন্তা-চেতনা সবকিছুই সংস্কৃতির মধ্যে পড়ে।

বাংলাদেশের বৈচিত্র্যপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হলো মানুষের দীর্ঘদিনের আচার-আচরণ, কাজকর্ম, রীতিনীতির মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য কোনো প্রথা বা উপাদান। বাংলাদেশের সংস্কৃতির রয়েছে গৌরবময় ঐতিহ্য। এখানে বাস করে মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ আরো অনেক জাতি। এখানে প্রাণ খুলে তারা তাদের প্রাণের ভাষায় ধর্মীয় ও সামাজিক আচার অনুষ্ঠান পালন করে। একের অনুষ্ঠানে অন্যেরা হয় আমন্ত্রিত; একে অপরের সাথে ভাগ করে নেয় এ আনন্দ। আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে ধর্মীয় রীতিনীতি, উৎসব, লোকসাহিত্য, সঙ্গীত, ঋতুভিত্তিক উৎসব, বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, খেলাধুলা, সামাজিক প্রথা প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত।

আমাদের সংস্কৃতির চর্চা হয় সুপ্রাচীন কাল থেকেই। বিভিন্ন সময়ে আমাদের সংস্কৃতিতে পরিবর্তন, পরিবর্ধন এবং সমৃদ্ধি এসেছে। মধ্যযুগে সুলতানী শাসনামলে আমাদের সংস্কৃতির বিকাশে প্রভূত অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। সুলতানী শাসনামলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক চর্চা, ধর্মীয় চর্চাকে উৎসাহিত করা হয়। হোসেন শাহের আমলে শ্রী চৈতন্যদেব বৈষ্ণবধর্ম প্রচার করেন। মোগল শাসকগণ কবিতা, গল্প, উপন্যাস রচনার জন্য সাহিত্যিকদের উৎসাহ দিতেন, কবিতা, গল্প শোনার জন্য লেখকদের দরবারে আহ্বান করতেন। ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজি সংস্কৃতির সংস্পর্শে আসে বাংলা সাহিত্য।

পাকিস্তান আমলে রাজনৈতিক সংকটের কারণে আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অস্তিত্বের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। বাংলাদেশের বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিচে সংক্ষেপে আলোচিত হলো:

১. লোকসাহিত্য: আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম উপাদান হলো লোকসাহিত্য। লোকসাহিত্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরনো। বাংলা ভাষা সৃষ্টির প্রাথমিক যুগেই লোকসাহিত্যের জন্ম। সাধারণ মানুষের মনের কথা, মুখের কথা ভাষা ও ছন্দে বাণীবদ্ধ হয়ে এবং তা লোকমুখে প্রচারিত ও প্রচলিত হয়ে যে সাহিত্য সৃষ্টি হয় তাকে লোকসাহিত্য বলে। যে সাহিত্য লেখা হয়নি তালপাতার মূল্যবান গাত্রে, যে সাহিত্য পায়নি সমাজের উঁচুস্তরের সমাদর, লোকসাহিত্য পল্লীবাংলার সাধারণ মানুষের হৃদস্পন্দন। এ সাহিত্য পল্লীর মানুষের আনন্দকে ফুটিয়ে তুলেছে ফুলের মতো, বেদনাকে বাজিয়েছে একতারার সুরের মতো। এখানে আছে সরল অনুভবের কথা। এ সরলতাই সকলকে মোহিত করে। লোকসাহিত্য তাই পল্লীর মানুষের বুকের বাঁশরী। বাস্তব জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত, আনন্দ-বেদনায় পল্লীর নিরক্ষর অথচ সহজ-সরল মানুষ গানের আসর জমিয়েছে, সাজিয়েছে প্রাণের বীণা। তাদের কর্মক্লান্ত অবসর মুহূর্তগুলো গ্রাম্য সুর মূর্ছনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। বুনো ফুলের স্নিগ্ধ সৌন্দর্যে মন মাতাল না হলেও তার বিহ্বল সৌন্দর্যে মন পুলকিত না হয়ে পারে না। তেমনি বাংলার লোকসাহিত্যের আছে স্নিগ্ধ মায়াময় সৌন্দর্য ও প্রাণের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। তাই পল্লীসাহিত্য এত চিরন্তন আবেদন মুখর ও বৈচিত্র্যময়। লোকসাহিত্য বড়ই বৈচিত্র্যময় ও চিত্তাকর্ষক। এর ভাণ্ডারও অনেক বড় ও বিশাল। অনেক রকম সৃষ্টি এখানে দেখা যায়। যেমন-

ছড়া: আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজে ঢাক-ঢোল ঝাঁঝর বাজে

অথবা, ছেলে ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এল দেশে বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কিসে।

লোকসঙ্গীত: মনমাঝি তোর বৈঠা নেরে আমি আর বাইতে পারলাম না।

গীতিকা: ভিনদেশী পুরুষ দেখি চাঁদের মতন লাজরক্ত হইল কন্যার পরথম যৌবন।

ধাঁধা: সবুজ বুড়ি হাটে যায় হাটে গিয়ে চিমটি খায়।
উত্তর: লাউ।

রূপকথা, উপকথা, ব্রতকথা: রাজরানীর গল্প, রাজকন্যা রাজকুমারের গল্প, রাক্ষস-খোক্ষসের

গল্প, দৈত্য-দানবের গল্প প্রভৃতি।

প্রবাদ-প্রবচন: সবুরে মেওয়া ফলে।

অথবা, অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী।

খনার বচন: কলা রুয়ে না কেটো পাত তাতেই কাপড় তাতেই ভাত।

অথবা, যদি বরষে মাঘের শেষ, ধন্য রাজার পুণ্য দেশ।

২. ধর্মীয় রীতিনীতি: বাংলাদেশসহ সমগ্র উপমহাদেশের সাংস্কৃতিক বিকাশের মূলে রয়েছে ধর্মের প্রভাব। বিভিন্ন ধর্মের লোকজন একই সমাজে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করছে। কোনো ধর্মের ধর্মীয় উৎসবে সকল ধর্মের লোক আনন্দ প্রকাশ করে। একের আনন্দে অপর ধর্মের লোক একাত্মতা প্রকাশ করে। এ দেশের মানুষ স্বাভাবিকভাবেই ধর্মভীরু ও আনন্দ প্রকাশে স্বতঃস্ফূর্ত।

৩. সঙ্গীত: সমৃদ্ধ সঙ্গীত আমাদের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য। জারি, সারি, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, মুর্শিদী, মারফতী, পালাগান প্রভৃতি। এছাড়া বিয়ের গান, ফসল তোলার গানেও প্রচলন রয়েছে। গান, কথা ও অভিনয়ের সমন্বয়ে কবিগান, যাত্রাপালা দর্শক-শ্রোতাদের অফুরন্ত আনন্দ দান করতো। দেওয়ানা মদীনা, রহিম-রূপবান, চম্পাবতী, আলোমতি, বেদের মেয়ে, লাইলী-মজনু, শিরি-ফরহাদ, চণ্ডীদাস-রজকিনী প্রভৃতি যাত্রাপালার কাহিনী প্রাণভরে দেখতো। ঘুম পাড়ানী গান গেয়ে মায়েরা সন্তানদের ঘুম পাড়াতেন। তবে যুগের পরিবর্তনে আজ এসব ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে। বর্তমানে দেশীয় সঙ্গীত চর্চা যেটুকু হচ্ছে তা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক।

৪. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন: সমগ্র বাংলার বিস্তীর্ণ জনপদে ছড়িয়ে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ আমাদের সংস্কৃতির প্রাচীন ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করে। আমাদের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহের মধ্যে ঢাকার লালবাগ কেল্লা, বগুড়ার মহাস্থানগড়, কুমিল্লার আনন্দ বিহার, শালবন বিহার, ময়নামতির নিদর্শনসমূহ, সোনারগাঁওয়ের নিদর্শনসমূহ, পাহাড়পুরের সোমপুর বিহার প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। ঢাকার লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, হোসনী দালান প্রভৃতি মুসলিম শাসনামলের নিদর্শন। নওগাঁ জেলার সোমপুর বিহার, জগদ্দল বিহার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী পাল রাজাদের স্থাপত্য। এ স্থানন্বয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে।

৫. উৎসব ও বাঙালি আমেজ হরেক রকমের উৎসব ও ঋতুভিত্তিক সাংস্কৃতিক জীবনধারা আমাদের জীবনকে আলোড়িত করে, রক্তে তোলে আশ্চর্য-উন্মাদনা। বাংলা নববর্ষ, বসন্তের আগমন প্রভৃতি উৎসবে বাঙালি মেতে ওঠে নিজস্ব সাংস্কৃতিক অনুভূতির শিহরণে। ঋতুভেদে আমাদের সমাজে উৎসব বৈচিত্র্য পরিলক্ষিত হয়। হেমন্তকালে ঘরে ঘরে নতুন পিঠার আয়োজন, শীতকালে খেজুর রস ও পিঠা-পায়েসের আয়োজন বাংলার গ্রাম্য সংস্কৃতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। ফসল তোলার প্রাক্কালে নেচে গেয়ে আনন্দ করা, অনাবৃষ্টির সময় মেঘের গান গাওয়া, ভরা বর্ষায় নৌকা-বাইচ প্রভৃতি ছিল গ্রাম বাংলার নিত্যদিনের চিত্র।

৬. কুটির শিল্প: বাংলাদেশের ঘরে ঘরে কুটির শিল্প ছিল মানুষের কর্মের উৎস। কিন্তু বৃহৎ শিল্পের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে কুটির শিল্প আজ বিলুপ্ত প্রায়। তবে বেত, বাঁশ, পোড়ামাটির কাজ আজও টিকে আছে। শিক্ষিত সমাজের সচেতনতাই এই ঐতিহ্যকে বিপুল পৃষ্ঠপোষকতা দান করেছে। ঢাকার শাঁখার কাজ, রূপার তারের কাজ, টাঙ্গাইলের শাড়ি, জামালপুরের বাসন, সিলেটের শীতল পাটি প্রভৃতি ঐতিহ্যবাহী কারুকার্য এখনও দেশে-বিদেশে যথেষ্ট সমাদৃত হচ্ছে। এগুলো বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল সংস্কৃতির অনন্য দিক।

৭. খেলাধুলা: গ্রামীণ খেলা আমাদের সংস্কৃতির ঐতিহ্য। তবে অনেক খেলা এখন হারিয়ে গেছে বা যাচ্ছে। শুকনো মৌসুমে দাঁড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট, বর্ষা মৌসুমে হাডুডু খেলার বহুল প্রচলন ছিল। ভরা বর্ষায় নৌকা-বাইচ ছিল এক চমৎকার বিনোদন। কিন্তু এসব সংস্কৃতির বেশির ভাগই আজ কালের গর্ভে নিমজ্জিত।

৮. পারিবারিক ও সামাজিক দিক: আগের দিনে এ দেশের মানুষ পারিবারিক বন্ধনে সুখে-শান্তিতে বাস করতো। কবি দ্বিজেন্দ্র লালের ভাষা থেকে জানা যায়-'ভাইয়ের-

মায়ের এমন স্নেহ
কোথায় গেলে পাবে কেহ।'

নগরভিত্তিক পেশিশক্তির দৌরাত্ম্যের বিস্তৃতি, নষ্ট রাজনীতির প্রভাবে গ্রাম্য সমাজে অশান্তির ছায়া নেমে এসেছে। তবুও শান্তি প্রিয় মানুষ নিজেদের সামাজিক ঐক্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট রয়েছে।

উপসংহার: সংস্কৃতি আমাদের সমাজ জীবনের প্রতিচ্ছবি। কোনো সমাজের কোনো সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য যখন দীর্ঘদিন ধরে সে সমাজের মানুষের জীবনযাত্রায় গ্রহণযোগ্যতা ধারণ করে টিকে থাকে তখন তা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। আমাদের দেশের নানা অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা নানা ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের মানুষের হয়েছে বৈচিত্র্যপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐহিত্য। কিন্তু বাংলার সংস্কৃতি আজ আর সে পূর্বতন অবিচ্ছিন্ন ধারায় নেই। আধুনিক ও বিদেশী সভ্যতায় মোহান্ধ হয়ে আমরা আমাদের স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ত জীবনধারাকে হারিয়ে ফেলতে বসেছি। তাই এখনই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।