• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা
বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

আইন বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি

সরকারের তিনটি বিভাগের একটি আইন বিভাগ। অন্য দুটি হলো শাসন ও বিচারবিভাগ। আইনবিভাগের প্রধান কাজ হলো দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরানো আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা। আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা। আইনসভা নির্বাচিত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত। এটি আইন প্রণয়ন করে। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।

জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি

বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইনবিভাগ সরকারের একটি অংশ।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সংরক্ষিত আসন ছাড়াও নারীরা সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় যা ১৯৭৫ থেকে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থায় পরিণত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আনয়নের পূর্ব পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি শাসিত পদ্ধতি চালু ছিল। ১৯৯১ এর পর বাংলাদেশে আইন প্রণয়ন, শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ, অর্থসংক্রান্ত তদারকি, নির্বাচন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। সংসদের বিভিন্ন রকম ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো:

১. আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যেকোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে। সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে। সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

২. সরকার গঠনবিষয়ক ক্ষমতা সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।

৩. অর্থসংক্রান্ত ক্ষমতা: রাষ্ট্রের অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে তার ওপর সংসদ দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখে। সংসদের অনুমোদন ও কর্তৃত্ব ব্যতীত কোনো প্রকার ব্যয় করা যায় না। আবার কোনো কর আরোপ বা কর সংগ্রহ করতেও সংসদের অনুমতি নিতে হয়। প্রত্যেক অর্থবছরে সরকার সংসদে বাজেট উপস্থাপন করে। সংসদ অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী সরকারকে চলতে হয়। সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়সমূহের ওপরও সংসদে আলোচনা হয়। মোটকথা রাষ্ট্রীয় ও সরকারি সকল ব্যয় সংসদের সম্মতির ভিত্তিতে করতে হয়।

৪. বিচারবিষয়ক ক্ষমতা: সংসদ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে। সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে পারে। প্রয়োজনে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও ন্যায়পালকে অপসারণ করার ক্ষমতাও সংসদের রয়েছে। এ জাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিচার সংক্রান্ত কাজ সংসদ পরিচালনা করে।

৫. নির্বাচনসংক্রান্ত কাজ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, ন্যায়পাল ইত্যাদি পদের নির্বাচনি ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত। সংসদের বিভিন্ন কমিটি নির্বাচন করার ক্ষমতাও সংসদের রয়েছে।

৬. সংবিধান সংরক্ষণ ও সংশোধন সংবিধানের আমানতদার হিসেবে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংবিধানের যেকোনো সংশোধনীও সংসদে উত্থাপিত ও গৃহীত হয়।

৭. অন্যান্য ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য সংসদ আইন প্রণয়ন করতে পারে। যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন করার ক্ষমতাও সংসদের। স্থানীয় শাসনসংক্রান্ত বিধি ও প্রবিধান সংসদ প্রণয়ন করে।

বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা - অন্যান্য প্রশ্ন

বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গসমূহনির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলিআইন বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলিজাতীয় সংসদ কর্তৃক শাসনবিভাগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিবিচারবিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলিঅধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন সংরক্ষণে বিচারবিভাগের ভূমিকাবিচারপতি নিয়োগ ব্যবস্থাবাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থাকেন্দ্রীয় প্রশাসনবাংলাদেশে স্থানীয় প্রশাসনের গঠন ও কাজসামগ্রিকভাবে সরকারের কয়টি বিভাগ রয়েছে?আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে কোন বিভাগ?আইনসভা গঠিত হয় কাদের দ্বারা?আইন বিভাগের প্রধান কাজ কী?কংগ্রেস কোন দেশের আইনসভা?ব্রিটেনের আইনসভার নাম কী?অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রের আইনসভার নাম কোনটি?বাংলাদেশের আইনসভা কয় কক্ষবিশিষ্ট?একটি রাষ্ট্রে পদমর্যাদায় সবার ওপরে কে থাকে?সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের প্রধান কে?সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নিয়মতান্ত্রিক প্রধান কে?এটর্নি জেনারেলের নিয়োগ দান করেন কে?দেশের মানুষের মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিত করা হয় কোন সময়ে?দণ্ড মওকুফ করার ক্ষমতা রাষ্ট্রের একমাত্র কার হাতে থাকে?বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নেতা কে?একটি সরকারের পতনের মূল কারণ কোনটি?পুরো শাসনব্যবস্থার কার্যকর নেতৃত্ব প্রদান করেন কে?একজন গ্রাম্য চৌকিদার সরকারের যে বিভাগে কর্মরত সে বিভাগের প্রধান কে?বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন কে?বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী প্রধান কে?কার পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন করেন?আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সভাপতিত্ব করেন কে?জাতির মুখপাত্র কে?শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু কে?জাতীয় সংসদ কোন বিভাগের প্রধান একটি প্রতিষ্ঠান?আইনসভা কিসের উপর লক্ষ রেখে আইন সংশোধন করে থাকে?জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসন ৫০টি করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী সদস্য কত?সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা নির্বাচিত হন কীভাবে?জাতীয় সংসদের মেয়াদ কত?বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?কততম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে?সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি কত দিনের মধ্যে সম্মতি দান করবেন?প্রধানমন্ত্রী কার আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে?শাসন বিভাগের কাজকর্মে স্বচ্ছতা ও জবাবাদিহিতা নিশ্চিত করে কোন বিভাগ?বিচার বিভাগের কাজ কোনটি?নাগরিক স্বাধীনতার রক্ষাকরচ কোনটি?বিচার বিভাগের মূল লক্ষ্য কী?ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষা হয় কোন বিভাগের মাধ্যমে?একটি দেশের ন্যায়বিচারের মানদন্ড কোনটি?দক্ষ শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব কীভাবে?সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?রাষ্ট্রীয় সংবিধানের অভিভাবক কে?সরকারের কোন বিভাগ রাষ্ট্রীয় সংবিধানের অভিভাবক হিসাবে কাজ করে?বিচারপতি নিয়োগ লাভ করেন কার মাধ্যমে?দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে কোনটি?অধিদপ্তরের প্রধান কে?বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র কোনটি?মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?কেন্দ্রীয় প্রশাসনের পদ সোপান অনুযায়ী সর্বোচ্চ স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে?মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার কার ওপর ন্যস্ত থাকে?প্রশাসনিক কাঠামোতে অতিরিক্ত সচিবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পদ কোনটি?স্থানীয় প্রশাসনের সৃষ্টির কারণ কী?বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দ্বিতীয় স্তর কোনটি?বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগ কয়টি?বিভাগীয় প্রশাসনের প্রধানকে কী বলা হয়?বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের মাঝে সেতুবন্ধনে কাজ করে কে?বিভাগীয় কমিশনার তার কাজের জন্য কার নিকট দায়ী থাকেন?বর্তমানে বাংলাদেশে উপজেলা কয়টি?স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যা সমাধানের জন্য তৃণমূল পর্যায়ে কোন ধরনের সরকার গড়ে ওঠে?বাংলাদেশের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নাম কী?গ্রাম এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার জন্য চৌকিদারি পঞ্চায়েত আইন প্রবর্তিত হয় কত সালে?কত সালের সংশোধনীতে ইউনিয়ন পরিষদের গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত হয়?গড়ে কতটি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়?মহিলাদের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে কয়টি আসন সংরক্ষিত?ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল কত বছর?বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি ইউনিয়ন পরিষদ আছে?উপজেলা-ব্যবস্থা প্রথম প্রবর্তন হয় কত সালে?উপজেলা পরিষদ কত সালে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?উপজেলা পরিষদের কতজন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত?কত তারিখে জেলা পরিষদ আইন প্রবর্তন করা হয়?জেলা পরিষদের সদস্যসংখ্যা কত?জনপ্রতিনিধিদের কর্তৃত্ব আছে কোন প্রতিষ্ঠানে?বর্তমানে বাংলাদেশে মোট কতটি পৌরসভা আছে?পৌরসভার সদস্যদের কী বলা হয়?পৌরসভার কার্যকাল কত বছর?সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় কোথায়?সিটি কর্পোরেশনের প্রধানকে কী বলা হয়?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ