• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা
জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

বাঁধন 'ক' দেশের নাগরিক। তিনি নিজ দেশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি শিল্পকারখানা স্থাপন করেন। অল্পদিনের মধ্যে কারখানা থেকে প্রচুর টাকা আয় করেন এবং নিজের জন্য একটি দামি গাড়ি কিনেন। বাঁধন 'খ' দেশে বেড়াতে গিয়ে দেখেন, সেখানে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনো প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যায় না। ওই দেশে উৎপাদন ব্যবস্থার সকল সিদ্ধান্ত সরকারই গ্রহণ করে।

উপযোগ কাকে বলে?

উপযোগ বলতে কোনো দ্রব্য কর্তৃক অভাব পূরণের ক্ষমতাকে বোঝায়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা (০)

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

সমষ্টিগত সম্পদ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা কর।

সমষ্টিগত সম্পদ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কারণ, এগুলো সর্বাধিক জনকল্যাণে ব্যবহৃত হয়। সমষ্টিগত সম্পদের মধ্যে রয়েছে-রাস্তাঘাত, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, যানবাহন, কারখানা, পুরুত্বপূর্ণ সব স্থাপনা প্রভৃতি। জনগণ এগুলো সম্মিলিতভাবে ব্যবহার ও ভোগ করে। এগুলোর পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্র জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণ সাধন করে। তাই এসব সমষ্টিগত সম্পদ সংরক্ষণে নাগরিকের বিশেষ যত্নবান হওয়া আবশ্যক।

#

উদ্দীপকের 'ক' দেশটিতে কোন ধরনের অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকের 'ক' দেশটিতে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান। কারণ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- ব্যক্তি মালিকানা। এক্ষেত্রে-

  • এ অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে।
  • ব্যক্তি একক বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে কোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।
  • অবাধ প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদিত হয়।
  • সর্বাধিক মুনাফা অর্জন এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
  • উৎপাদন ব্যয় কম রাখার জন্য শ্রমিক শোষণ বিদ্যমান থাকে।
  • উদ্বৃত্ত মজুরি পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তার কাছে মুনাফা হিসেবে সঞ্চিত হয় এবং উদ্বৃত্ত ও মুনাফা ব্যক্তি স্ব-ইচ্ছায় ব্যয় করতে পারে।

সুতরাং, উদ্দীপকের বাঁধন তার দেশের অর্থব্যবস্থার ব্যক্তিগত উদ্যোগে শিল্পকারখানা স্থাপন করে তা থেকে অর্জিত প্রচুর মুনাফা স্বীয় বিলাসী জীবনযাপনে ব্যয়ে সমর্থ হওয়ায়, তা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা নির্দেশ করে।

অতএব বলা যায়, উদ্দীপকের 'ক' দেশটিতে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান।

#

"উদ্দীপকের 'খ' দেশের অর্থব্যবস্থায় পুঁজিপতি কর্তৃক শ্রমিককে বঞ্চিত করার সুযোগ নেই।"- মতামত দাও।

না, উদ্দীপকের 'খ' দেশের অর্থব্যবস্থায় পুঁজিপতি কর্তৃক শ্রমিককে বঞ্চিত করার সুযোগ নেই। কারণ, উদ্দীপকের 'খ' দেশের অর্থব্যবস্থাটি একটি সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। আর সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো শ্রমিক শোষণ অনুপস্থিত। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রই শ্রমিকে মজুরি প্রদান করে এবং উৎপাদনের অন্যান্য ব্যয় নির্ধারণ করে। ফলে ধনতন্ত্রের মতো এখানে পুঁজিপতি কর্তৃক শ্রমিককে বঞ্চিত করার সুযোগ থাকে না। এখানে শ্রমিককে মজুরি প্রদানের মূলনীতি হলো- 'প্রত্যেকে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করবে এবং কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাবে, এই ব্যবস্থায় বেকারত্ব থাকে না। কারণ রাষ্ট্র প্রত্যেকের সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দেয়। এখানে সকলের আয় এক নয়। কিন্তু কেউ উৎপাদনে তার অবদান অনুসারে প্রাপ্য আয় থেকে বঞ্চিত হয় না। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে অর্জিত সম্পদের সুষম বণ্টন হয়।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের 'খ' দেশটি সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার হওয়ায় সেখানে পুঁজিপতি কর্তৃক শ্রমিককে বঞ্চিত করার সুযোগ নেই।