- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- মধ্যযুগের বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (১২০৪-১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দ)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
হুসেন শাহি বংশ
হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে বাংলার সিংহাসনে বসেন সৈয়দ হুসেন। সুলতান হয়ে তিনি 'আলাউদ্দিন হুসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন। এভাবেই বাংলায় 'হুসেন শাহি বংশ' নামে এক নতুন বংশের শাসনপর্ব শুরু হয়। বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হুসেন শাহি আমল (১৪৯৩-১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দ) ছিল নানা কারণে তাৎপর্যপূর্ণ।
সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের প্রধান সুলতান। পিতা সৈয়দ আশরাফ-আল-হুসাইনি ও ভাই ইউসুফের সাথে তিনি তুর্কিস্তানের তিরমিজ শহর থেকে বাংলায় আসেন এবং রাঢ়ের চাঁদপাড়া গ্রামে প্রথমে বসবাস শুরু করেন। হুসেন শাহ পরে রাজধানী গৌড়ে যান এবং মুজাফফর শাহের অধীনে চাকরি লাভ করেন। পরে তিনি উজির হন। এভাবেই তিনি বাংলার ক্ষমতায় আসেন।
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন জাতিতে আরব। ঐতিহাসিক ফিরিশতা ও গোলাম হোসেন সলিম তাকে 'সৈয়দ' বলে উল্লেখ করেন। তার সিংহাসনে আরোহণের পূর্ব থেকে সাম্রাজ্যে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা বিরাজিত ছিল। রাজ্যের দায়িত্বভার গ্রহণের পর তিনি দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেন। হাবসি গোষ্ঠীভুক্ত একদল মুসলমানের দুঃশাসনের ফলে দেশে অরাজকতার সৃষ্টি হয়েছিল। প্রতিটি সুলতানের হত্যার পেছনে তারা প্রধান ভূমিকা পালন করত। সিংহাসন লাভের পর হুসেন শাহ হাবসিদের এরূপ কার্যকলাপ বন্ধ করতে নির্দেশ দেন। কিন্তু তারা তাঁর আদেশ অমান্য করলে তিনি তাদের হত্যার আদেশ দেন। হুসেন শাহের এ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে প্রায় বারো হাজার হাবসি প্রাণ হারায় এবং বাকি হাবসিদেরকে রাজ্য থেকে বিতাড়িত করা হয়।
আলাউদ্দিন হুসেন শাহের পরবর্তী পদক্ষেপ ছিল দেহরক্ষী পাইক বাহিনীর ক্ষমতার বিনাশ। এ পাইক বাহিনী রাজপ্রাসাদের সকল ষড়যন্ত্রের মূলে কাজ করত। হুসেন শাহ পাইকদের দল ভেঙে দেন। তাদের জায়গায় সম্ভ্রান্ত মুসলমান ও হিন্দুদের নিয়ে তিনি একটি নতুন রক্ষীদল গঠন করেন।
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ নিজ ক্ষমতা সংরক্ষণের লক্ষ্যে বাংলার রাজনীতি ও সমাজ ব্যবস্থাকে হাবসিদের প্রভাবমুক্ত করতে যেমন সচেষ্ট ছিলেন, তেমনি রাজধানী পরিবর্তন করে শাসন ব্যবস্থা দৃঢ় করেন। গৌড় রাজ্যের নিকটবর্তী একডালাতে রাজধানী স্থানান্তর করেছিলেন। বাংলার সুলতানদের মধ্যে একমাত্র তিনিই পাণ্ডুয়া বা গৌড় ব্যতীত অন্যত্র রাজধানী স্থাপন করেন। হাবসি শাসনকালে গোলযোগ সৃষ্টিকারী আমির-ওমরাহদের কঠোর শাস্তির বিধান করা হয়। নিচ বংশজাত অত্যাচারী সকল কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়। তার পরিবর্তে তিনি শাসন ব্যবস্থার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চ পদে সৈয়দ, মোঙ্গল, আফগান, হিন্দুদের নিযুক্ত করেন। এ সব ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই রাজ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরে আসে।
আলাউদ্দিন হুসেন শাহের সময় বাংলার রাজ্যসীমা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়। তিনি কামরূপ ও কামতা জয় করেন। উড়িষ্যা ও ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশও তার করায়ত্ত হয়। উত্তর ও দক্ষিণ বিহারের কিছু অংশও তার অধিকারে আসে।
তিনি আরাকানিদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়ন করেন। এ সময়ে দিল্লির সুলতান সিকান্দার লোদি বাংলা আক্রমণ করলে তিনি তা প্রতিহত করেন। একমাত্র আসাম অভিযানে তিনি সফল হতে পারেননি। বিশাল রাজ্যে সব রকম নিরাপত্তা বিধানে হুসেন শাহ সফল হয়েছিলেন। তিনি দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর (১৪৯৩-১৫১৯ খ্রিষ্টাব্দ) রাজত্ব করেন। এ সুদীর্ঘ সময় সাফল্যের সাথে রাজ্য পরিচালনা করে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ১৫১৯ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
একজন শাসক হিসেবে হোসেন শাহ নানামুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়াও শাসন ব্যবস্থার পুনর্গঠন এবং জনকল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্যে তিনি উদ্যম, নিষ্ঠা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। রাজার জন্য রাজ্য জয়ই শেষ কথা নয়, যুগোপযোগী ও ন্যায়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থাও যে অপরিহার্য তা তিনি উপলব্ধি করেছিলেন। শাসনকার্য পরিচালনা ও প্রজাপালনের ক্ষেত্রে তিনি জাতি ও ধর্মের কোনো পার্থক্য সৃষ্টি করেননি। হিন্দু ও মুসলমান-উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি স্থাপনের দ্বারা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও কল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা ছিল তাঁর লক্ষ্য। এজন্য একজন গোঁড়া সুন্নি মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও তিনি বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে যোগ্যতা অনুসারে শাসনকার্যে নিয়োগ করেছিলেন। হিন্দুদের উৎসাহিত করার জন্য তিনি তাদের বিভিন্ন উপাধিও প্রদান করতেন। হিন্দুদের প্রতি হুসেন শাহের এ উদারতা সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য নির্বাহের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়েছিল এবং বাঙালিদের নিজস্ব ঐতিহ্য সৃষ্টিতে সহায়তা করেছিল। এটি তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতারও পরিচয় বহন করে। হুসেন শাহের এ ধর্মীয় উদারতা তাঁর উত্তরাধিকারীদেরও উৎসাহিত করেছিল। তাঁর শান্তিপূর্ণ রাজত্বকালে প্রজারা সুখে-শান্তিতে বাস করত।
হুসেন শাহের হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি স্থাপনের প্রচেষ্টা তৎকালীন সমাজ জীবনকেও প্রভাবিত করেছিল। তার শাসনকালেই আবির্ভাব ঘটে বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক, ভক্তি আন্দোলনের নেতা, মানবতাবাদী শ্রীচৈতন্য দেবের। হুসেন শাহ তাঁর প্রতি উদার মনোভাব পোষণ করতেন এবং তাঁকে ধর্ম প্রচারে সব রকম সহায়তা করার জন্য কর্মচারীদের প্রতি নির্দেশ দেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সত্যপীরের আরাধনা হুসেন শাহের শাসনকালের আর একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সত্যপীরের আরাধনা হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল প্রচেষ্টা।
বাংলা সাহিত্যের উন্নতি ও বিকাশ হুসেন শাহের শাসনকালকে ইতিহাসে অমর করে রেখেছে। তাঁর উদার পৃষ্ঠপোষকতা নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্যের শ্রী বৃদ্ধি সাধন করেছে। হুসেন শাহ যোগ্য কবি ও সাহিত্যিকগণকে উৎসাহিত করার জন্য পুরস্কার প্রদান করতেন। এ যুগের প্রখ্যাত কবি ও লেখকদের মধ্যে রূপ গোস্বামী, সনাতন গোস্বামী, মালাধর বসু, বিজয় গুপ্ত, বিপ্রদাস, পরাগল খান ও যশোরাজ খান উল্লেখযোগ্য ছিলেন। হুসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় তাঁরা অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁদের নিরলস সাহিত্য-কীর্তি বাংলার সাহিত্যভান্ডার ও ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে। এ সময়ে মালাধর বসু 'শ্রীমদ্ভগবদ' ও 'পুরাণ' এবং পরমেশ্বর 'মহাভারত' বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেন। আলাউদ্দিন হুসেন শাহ আরবি ও ফার্সি ভাষারও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
সকল ধর্মের মানুষের প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও ভক্তি ছিল আলাউদ্দিন হুসেন শাহের। তাঁর রাজত্বকালে বাংলার বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু মসজিদ নির্মিত হয়েছিল। এ সমস্ত মসজিদের মধ্যে গৌড়ের 'ছোট সোনামসজিদ' সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। তিনি অনেকগুলি খানকাহ্ ও মাদ্রাসাও নির্মাণ করেছিলেন। পাণ্ডুয়ার মুসলমান সাধক কুতুব-উল-আলমের সমাধি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য হুসেন শাহ প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছিলেন। তিনি গৌড়ে একটি দুর্গ ও তোরণ, মালদহে একটি বিদ্যালয় ও একটি সেতু নির্মাণ করেছিলেন। এ সকল মসজিদ, মাদ্রাসা, দুর্গ, তোরণ হুসেন শাহের স্থাপত্যপ্রীতির পরিচয় বহন করে। তাঁর শাসনকালে বাংলায় জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পকলার বিশেষ উন্নতি সাধিত হয়েছিল। এজন্য তাঁর শাসনকালকে অনেকেই বাংলার মধ্যযুগের ইতিহাসে 'স্বর্ণযুগ' বলে আখ্যায়িত করেন।
আলাউদ্দিন হুসেন শাহের মৃত্যুর পর তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র নুসরত শাহ 'নাসিরউদ্দিন আবুল মুজাফফর নুসরত শাহ' (১৫১৯-১৫৩২ খ্রিষ্টাব্দ) উপাধি নিয়ে বাংলার সিংহাসনে বসেন। তার শাসন কাজে যোগ্যতা ও দক্ষতা দেখে হুসেন শাহ তার রাজত্বকালেই শাসনকার্যের কিছু কিছু ক্ষমতা নুসরত শাহকে ছেড়ে দিয়েছিলেন। সিংহাসনে বসে তিনি পিতার মতো রাজক্ষমতা অব্যাহত রাখেন। এ সময় সমগ্র বিহার তাঁর অধীনে আসে। তাঁর সময়ে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম মুঘল সম্রাট বাবর বাংলা দখলের জন্য সৈন্য পাঠান। নুসরত শাহ প্রথমে বাবরের সাথে মিত্রতা স্থাপন করেন। পরে যুদ্ধ শুরু হলে সন্ধি করে বাংলায় তার ক্ষমতাকে নিরাপদ রাখেন। ১৫৩২ খ্রিষ্টাব্দে নুসরত শাহ আততায়ীর হাতে নিহত হন।
পিতার মতোই সুলতান নুসরত শাহ তাঁর সময়ের একজন উল্লেখযোগ্য শাসক ছিলেন। জনগণের প্রতি তিনি ছিলেন সহনশীল এবং সহৃদয়। প্রজাদের পানি কষ্ট নিবারণের জন্য তিনি রাজ্যের বহু স্থানে কূপ ও পুকুর খনন করেছিলেন বলে জানা যায়। বাগেরহাটের 'মিঠাপুকুর' আজও তাঁর কীর্তি বহন করছে। নুসরত শাহের মানবিক গুণাবলি তাকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রজাদের নিকট জনপ্রিয় করে তুলেছিল। হাজার বছরে বিরাজমান ধর্মীয় সম্প্রীতি এ সময়ের বৈশিষ্ট্য ছিল। এক্ষেত্রে তিনি তাঁর পিতার নীতি অনুসরণ করেছিলেন।
নুসরত শাহের শাসনকালের বহু স্থাপত্য-কীর্তি শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে তাঁর উৎসাহ ও পৃষ্ঠপোষকতার প্রকৃত পরিচয় বহন করে। গৌড়ের বিখ্যাত 'কদম রসুল' ভবনের প্রকোষ্ঠে তিনি একটি মঞ্চ নির্মাণ করেন। তাঁর উপর হযরত মুহম্মদের (সা.) পদচিহ্ন সংবলিত একটি কালো কারুকার্য খচিত মর্মর বেদি বসানো হয়। গৌড়ের মসজিদ বিখ্যাত 'বড় সোনা মসজিদ' বা 'বারোদুয়ারি মসজিদ' তাঁর আমলের কীর্তি। বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট নগর এবং রাজশাহী জেলার বাঘা নামক স্থানে তিনি দুইটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। তাঁর কার্যসমূহের আর একটি নিদর্শন হলো সাদুল্লাপুরে আউলিয়া মখদুম আখি সিরাজউদ্দিনের মাজারের ভিত্তি স্থাপন।
নুসরত শাহের আদেশে ও পৃষ্ঠপোষকতায় তৎকালীন বিশিষ্ট বাঙালি কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের কিয়দংশ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। তাঁর শাসনকালেই শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধপর্বের বঙ্গানুবাদ করেন। শ্রীধরও মহাভারতের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন। জ্ঞান ও শিক্ষা প্রসারের জন্য নুসরত শাহ দেশের বিভিন্ন স্থানে লাইব্রেরিও স্থাপন করেছিলেন।
বাংলার পরবর্তী সুলতান ছিলেন নুসরত শাহের পুত্র আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ। তিনি প্রায় এক বছর ক্ষমতায় ছিলেন। নুসরত শাহের সময় থেকেই অহোম রাজ্যের সাথে বাংলার সংঘর্ষ চলছিল। ফিরোজ শাহের সময়ও তা অব্যাহত থাকে। নুসরত শাহের সময়কাল থেকেই শুরু হয় বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের পতন পর্ব। নুসরত শাহের উত্তরাধিকারীগণ ছিলেন দুর্বল। তাঁর ছোট ভাই গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ ১৫৩৩ খ্রিষ্টাব্দে ফিরোজ শাহকে হত্যা করে সিংহাসনে বসেন। কিন্তু, তাতে অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং নুসরত শাহের শাসনকালে রাজ্যে যে ভাঙনের সূচনা হয়েছিল, মাহমুদ শাহের শাসনকালে তা সম্পূর্ণ হয়। তাঁর পাঁচ বছরের রাজত্বকালের উল্লেখযোগ্য ঘটনা আফগান যোদ্ধা শেরশাহ শূরের সাথে সংঘর্ষ।
অবশেষে ১৫৩৮ সালে শেরশাহ গৌড় দখল করলে কেবল হুসেন শাহী বংশের নয়, বরং বাংলার ইতিহাসে স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে।
একক কাজ: শাসন-নীতির ক্ষেত্রে আলাউদ্দিন হুসেন শাহের উদারতা দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে এনেছিল-এ কথার যথার্থতা নিরূপণ করো।
দলীয় কাজ: সুলতান নুসরত শাহের রাজত্বকালের জনহিতকর কার্যাবলি ও স্থাপত্য কীর্তিসমূহের একটি তালিকা প্রস্তুত করো।
মধ্যযুগের বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (১২০৪-১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দ) - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

