- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- মধ্যযুগের বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (১২০৪-১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দ)
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

নবাব সিরাজউদ্দৌলা
আলিবর্দি খান অপুত্রক ছিলেন। তাই তাঁর কনিষ্ঠ কন্যা আমেনা বেগমের পুত্র সিরাজউদ্দৌলাকে তাঁর উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন। আলিবর্দির প্রথম কন্যা ঘষেটি বেগমের ইচ্ছে ছিল তাঁর দ্বিতীয় ভগ্নির পুত্র শওকত জঙ্গ নবাব হবেন। ফলে তিনি সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। কয়েকজন অভিজাতের সমর্থন লাভ করেন ঘষেটি বেগম। তাদের মধ্যে রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ, মীর জাফর, উমিচাঁদ, রাজবল্লভ প্রমুখের নাম উল্লেখ করা যায়। প্রাসাদের ভেতরের এ ষড়যন্ত্রকে কাজে লাগায় বাংলায় বাণিজ্য করতে আসা ইংলিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চতুর ইংরেজ বণিকরা। সিরাজউদ্দৌলাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য তাদের মধ্যে গোপন চুক্তি হয়। উল্লেখ্য, তরুণ নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজ বণিকদের বাংলা থেকে অন্যায় সুবিধা গ্রহণের পথগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় তারা নবাবের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। তাই তারা নবাবকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য দেশীয় চক্রান্তকারীদের সাথে হাত মেলান। অবশেষে ইংরেজদের সাথে যুদ্ধ বাধে নবাবের। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশির যুদ্ধে নবাবের সেনাপতি মীর জাফর বিশ্বাসঘাতকতা করে যুদ্ধে অংশগ্রহণে বিরত থাকেন। ষড়যন্ত্রের কারণেপরাজয় ঘটে সিরাজউদ্দৌলার। এভাবেই পলাশির যুদ্ধের মধ্য দিয়ে নবাবি শাসনের ইতি ঘটে এবং বাংলায় ইংরেজ শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
একক কাজ
১. সুবাদার শাহ সুজার শেষ পরিণতি কী হয়েছিল তা উল্লেখ করো।
২. সুবাদার শায়েস্তা খানের সময়ের স্থাপত্য শিল্পের নিদর্শনগুলো উল্লেখ করো।
৩. স্বাধীন নবাবি প্রতিষ্ঠায় সুবাদার মুর্শিদ কুলি খানের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
মধ্যযুগের বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (১২০৪-১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দ) - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
