• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল
সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

দিবা রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি এবং ঋতু পরিবর্তনে বার্ষিক গতির ভূমিকা

আমরা লক্ষ করেছি যে, বছরের বিভিন্ন সময়ের দিন ও রাতের সময়ের ব্যবধান হয়। অর্থাৎ কোনো সময় দিন বড়ো থাকে আবার কোনো সময় রাত বড়ো থাকে। আমরা কখনো কি ভেবে দেখেছি কেন এই তারতম্য ঘটে? এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়, বার্ষিক গতির ফলে এই তারতম্য ঘটে।

দিবারাত্রির হ্রাসবৃদ্ধির কারণ

আমরা নিচের চিত্রের দিকে লক্ষ করি। এখানে সূর্যকে পরিক্রমণকালে কক্ষপথে পৃথিবীর চারটি অবস্থান নির্দিষ্ট করা হয়েছে, যথা: ২১শে জুন, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২২শে ডিসেম্বর ও ২১শে মার্চ।

২১শে জুন: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণকালে ২১শে জুন কক্ষপথের এমন এক অবস্থানে পৌঁছে যেখানে উত্তর মেরু সূর্যের দিকে সর্বাপেক্ষা বেশি কোণে (২৩.৫০) ঝুঁকে থাকে এবং দক্ষিণ মেরু সূর্য থেকে সর্বাপেক্ষা দূরে সরে পড়ে। এ দিন মধ্যাহ্নে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে সূর্যকিরণ লম্বভাবে (৯০° কোণে) পড়ে। এই তারিখে উত্তর গোলার্ধের্ব দিন সবচেয়ে বড়ো এবং রাত সবচেয়ে ছোটো হয়। এ সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। সুমেরুবৃত্ত (৬৬.৫° উত্তর) থেকে উত্তরে উত্তর মেরু পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা দিন ও কুমেরুবৃত্ত (৬৬.৫° দক্ষিণ) থেকে দক্ষিণে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা রাত থাকে। ২১শে জুনের পর সূর্য আর উত্তর গোলার্ধের দিকে সরে না, দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে সরতে থাকে। সূর্যের এই অস্থানকে উত্তর অয়নান্ত বলে।

২৩শে সেপ্টেম্বর: ২১শে জুনের পর উত্তর মেরু সূর্য থেকে দূরে সরতে থাকে এবং দক্ষিণ মেরু নিকটে আসতে থাকে। এতে উত্তর গোলার্ধে ক্রমশ দিন ছোটো ও রাত বড়ো এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দিন বড়ো ও রাত ছোটো হতে থাকে। ২৩শে সেপ্টেম্বর পৃথিবী এমন এক স্থানে অবস্থান করে যখন উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে। এই দিন সূর্যরশ্মি নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে (৯০° কোণে) সুমেরুবৃত্তে ও কুমেরুবৃত্তে ৬৬.৫° কোণে এবং মেরুদ্বয়ে ০° কোণে পতিত হয়। তাই এ তারিখে পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়।

২২শে ডিসেম্বর: ২৩শে সেপ্টেম্বরের পর উত্তর মেরু সূর্য থেকে আরও দূরে সরতে থাকে এবং দক্ষিণ মেরু অপেক্ষাকৃত নিকটবর্তী হয়। ফলে উত্তর গোলার্ধে দিনের সময় কমতে থাকে এবং রাতের সময় বাড়তে থাকে। এভাবে ২২শে ডিসেম্বর পৃথিবী এমন এক অবস্থানে পৌঁছে যখন দক্ষিণ মেরু সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি (২৩.৫০) হেলে থাকে। এই দিন সূর্যকিরণ মকরক্রান্তি রেখায় লম্বভাবে (৯০° কোণে) পতিত হয়। তাই এই তারিখে দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড়ো এবং রাত সবচেয়ে ছোটো হয়। ২২শে ডিসেম্বরের পর সূর্য আর দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে সরে না, উত্তর গোলার্ধের দিকে সরতে থাকে। সূর্যের এই অস্থানকে দক্ষিণ অয়নান্ত বলে।

২১শে মার্চ: ২২শে ডিসেম্বরের পর পৃথিবী আপন কক্ষপথে আরও অগ্রসর হলে উত্তর মেরু ক্রমশ সূর্যের নিকট আসে এবং দক্ষিণ মেরু দূরে সরে যায়। এতে উত্তর গোলার্ধে দিন বড়ো ও রাত ছোটো হতে থাকে। অবশেষে ২১শে মার্চ পৃথিবী আপন কক্ষপথের এমন এক স্থানে পৌঁছে যেখানে উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে। এই দিন ২৩শে সেপ্টেম্বরের মতো দিবা-রাত্রি সমান হয়। পৃথিবীর এ অবস্থানকে বাসন্ত বিষুব বলে। ২১শে মার্চের পর পৃথিবী আপন কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে আবার ২১শে জুনের অবস্থায় ফিরে যায়। এভাবে পৃথিবীর বার্ষিক গতির জন্য দিবারাত্রির হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে।

ঋতু পরিবর্তন

আমরা পাশের ৩.১০ চিত্রটির দিকে তাকাই। এখানে সূর্যকে পরিক্রমণকালে পৃথিবীর চারটি অবস্থান থেকে যঋতু পরিবর্তনের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। বার্ষিক গতির জন্য সূর্যরশ্মি কোথাও লম্বভাবে আবার কোথাও তির্যকভাবে পতিত হয় এবং দিবা- রাত্রির হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে। লম্বভাবে পতিত সূর্যরশ্মি কম বায়ুস্তর ভেদ করে আসে বলে ভূপৃষ্ঠকে অধিক উত্তপ্ত করে। তির্যকভাবে পতিত সূর্যরশ্মি যে কেবল অধিক বায়ুস্তর ভেদ করে আসে তা নয়, এটি লম্বভাবে পতিত সূর্যরশ্মি অপেক্ষা অধিক স্থানব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে বছরের বিভিন্ন সময়ে ভূপৃষ্ঠের সর্বত্র তাপের তারতম্য হয় এবং ঋতু পরিবর্তন ঘটে। পৃথিবীতে সময়ভেদে তাপমাত্রার পার্থক্য বা পরিবর্তনকে ঋতু পরিবর্তন বলে। সূর্যকে পরিক্রমণকালে পৃথিবীর চারটি অবস্থান থেকে ঋতু পরিবর্তনের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।

উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল: ২১শে জুন সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ দিন। এই দিন সূর্যরশ্মি কর্কটক্রান্তির উপর লম্বভাবে পতিত হয়। ফলে ঐ দিন এখানে দীর্ঘতম দিন এবং ক্ষুদ্রতম রাত্রি হয়। ২১শে জুনের দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত মোট তিন মাস উত্তর গোলার্ধে উত্তাপ বেশি থাকে। এ সময় উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল। এ সময়ে সূর্যের তির্যক কিরণের জন্য দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোটো ও রাত বড়ো হয়। এজন্য সেখানে তখন শীতকাল।

উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল: ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্যরশি নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে পড়ে এবং সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়। সেজন্য এ তারিখের দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত মোট তিন মাস তাপমাত্রা মধ্যম ধরনের হয়ে থাকে। এ সময় উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল।

উত্তর গোলার্ধে শীতকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল: ২২শে ডিসেম্বর সূর্যের দক্ষিণায়নের শেষদিন অর্থাৎ এই দিন সূর্য মকরক্রান্তির উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে সেখানে দিন বড়ো ও রাত ছোটো হয়। এ তারিখের দেড় মাস পূর্বে ও পরে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং উত্তর গোলার্ধে শীতকাল থাকে।

উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল: ২১শে মার্চ তারিখে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে। এই দিন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়। ২১শে মার্চের দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত এই তিন মাস উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল থাকে।

সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল - অনন্যা প্রশ্ন

সৌরজগৎপৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণভূ-অভ্যন্তরের গঠনবিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সময় নির্ণয় পদ্ধতিঅক্ষ, অক্ষরেখা, নিরক্ষরেখা, দ্রাঘিমারেখা, মূল মধ্যরেখাদ্রাঘিমারেখা (Meridians of Longitude)মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian)স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line)সময় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কাল্পনিক রেখার ভূমিকাপৃথিবীর গতিদিবা রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি এবং ঋতু পরিবর্তনে বার্ষিক গতির ভূমিকাঋতু পরিবর্তনের কারণজোয়ার-ভাটাপৃথিবীর ওপর জোয়ার-ভাটার প্রভাবশুক্র গ্রহে অ্যাসিড বৃষ্টি হয় কেন?সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির অধিক সময় প্রয়োজন হয় কেন?বিশ্বজগৎ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে?'ক' এর প্রাণকেন্দ্র হলো সূর্য। 'ক' এর নাম কী? এটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?সূর্য কোন কোন উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত?সৌরকলঙ্ক সম্পর্কে তুমি কী জানো?শিক্ষক পৃথিবীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সম্পর্কে আলোচনা করলেন। শিক্ষকের আলোচিত নক্ষত্রটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?ট্রপোপস দিয়ে বিমান চলাচল করার কারণ কী?ওজোনস্তরের তাপমাত্রা অধিক হওয়ার কারণ কী?গ্রহ বলতে তুমি কী বোঝ?তানিয়া পাঠ্যবই থেকে সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে। সে কোন গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে? এটি সম্পর্কে তুমি যা জানো লেখো।সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সৌরজগতের একটি নির্দিষ্ট গ্রহ। গ্রহটির নাম কী? এখানে অ্যাসিড বৃষ্টি হয় কেন?'ক' গ্রহের একমাত্র উপগ্রয় হলো চাঁদ। গ্রহটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?'প' গ্রহের উপরিভাগে গিরিখাত ও অগ্নেয়গিরি রয়েছে। গ্রহটির নাম কী? এটি লালচে বর্ণ ধারণ করেছে কেন?সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবীর পরেই একটি নির্দিষ্ট গ্রহের অবস্থান। গ্রহটির পরিচয় দাও।রবিন সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে। রবিন, কোন গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে? সংক্ষেপে গ্রহটির বর্ণনা দাও।গ্রহাণুপুঞ্জ বলতে কী বোঝ?তিনটি উজ্জ্বল বলয় সৌরজগতের একটি গ্রহকে বেষ্টন করে আছে। এটি কোন গ্রহ? গ্রহটির ব্যাখ্যা দাও।ইউরেনাস গ্রহ সম্পর্কে ধারণা দাও।সৌরজগতের একটি গ্রহ অনেকটা নীলাভ বর্ণের। গ্রহটির নাম কী? একে শীতল গ্রহ বলা হয় কেন?বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে ধারণা দাও।পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বায়ুমণ্ডলের গুরুত্ব কেমন বলে তুমি কর?'X' বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর। 'X' স্তরটি কী নামে পরিচিত? এ স্তর প্রয়োজনীয় কেন?ট্রপোপস সম্পর্কে তুমি কী জানো?ওজোন স্তর সম্পর্কে ধারণা দাও।কী কারণে তুমি পৃথিবীকে জীবজন্তুর বসবাস উপযোগী বলে মনে কর?ভূ-অভ্যন্তরের একটি স্তর নাইফ নামে পরিচিত। স্তরটির নাম কী? এটি কেন নাইফ নামে পরিচিত?আদনান সিলিকন, ম্যাগনেশিয়াম প্রভৃতি ভারী ধাতুর সংমিশ্রণে গঠিত ভূ-অভ্যন্তরের একটি স্তর সম্পর্কে জানতে পারল। স্তরটির নাম কী? একে সিমা বলা হয় কেন?ভূ-অভ্যন্তরের 'ক' স্তরটি নানা ধরনের শিলা ও খনিজ উপাদান দ্বারা গঠিত। 'ক' স্তরটির নাম কী? এটিকে কেন সিয়াল স্তর বলে?ভূত্বক বলতে তুমি কী বোঝ?অক্ষ বলতে কী বোঝ?একটি রেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। এ কোন রেখা? রেখাটিকে নিরক্ষবৃত্ত বলা হয় কেন?দ্রাঘিমারেখার ধারণা ব্যাখ্যা করো।স্থানীয় সময় বলতে তুমি কী বোঝ?'ক' স্থানের দ্রাঘিমা ৬৫° পশ্চিম এবং 'খ' স্থানের দ্রাঘিমা ৫১° পশ্চিম। দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য কত?'X' স্থানের দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং 'Y' স্থানের দ্রাঘিমা ৮০° পূর্ব। দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করো।দ্রাঘিমারেখার প্রয়োজনীয়তা তুমি কীভাবে ব্যাখ্যা করবে?পৃথিবীর গতি বলতে তুমি কী বোঝ?আহ্নিক গতিকে তুমি কীভাবে ব্যাখ্যা করবে?'P' গতির ফলে দিন ও রাত হয়। এই গতির নান কী? এর প্রভাবে কী হয়?বার্ষিক গতির ধারণা ব্যাখ্যা করো।সৌরবছর সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? ব্যাখ্যা করো।উত্তর অয়নান্ত সম্পর্কে তুমি কী জানো?একটি নির্দিষ্ট তারিখে পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়। এটি কত তারিখ? এদিন কেন পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত সমান হয়?বাসন্ত বিষুব বলতে তুমি কী বোঝ?কী কী কারণে ঋতু পরিবর্তিত হয় বলে তুমি মনে কর?অনুসুর বলতে তুমি কী বোঝ?অপসূর বলতে তুমি কী বোঝ?জোয়ার সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যাখ্যা করো।তানহা কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে সমুদ্রের পানি উপরের দিকে ফুলে ওঠা এবং নিচের দিকে নেমে যাওয়ার দৃশ্য দেখল। তানহার দেখা বিষয়টি কী? এর একটি কারণ ব্যাখ্যা করো।রাজু এমন একটি জোয়ার সম্পর্কে জানতে পারল যেখানে পার্শ্ববর্তী স্থান হতে পানি ঠিক চন্দ্রের নিচে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। সে কোন জোয়ার সম্পর্কে জানতে পারল? ব্যাখ্যা করো।গৌণ বা পরোক্ষ জোয়ার সম্পর্কে তুমি কী জানো?অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে এক ধরনের জোয়ার হয়। জোয়ারটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?পৃথিবীর ওপর জোয়ার-ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা করো।গ্রহাণুপুঞ্জ কাকে বলে?সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব কত? সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্রহ কোনটি?সৌরজগতের গ্রহগুলোর নাম লেখো।গ্রহ কাকে বলে?সৌরজগৎ কাকে বলে?সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র কী?'সৌরকলঙ্ক' কী?সৌরজগতের গ্রহ কতটি?সূর্যের উপরিভাগের উষ্ণতা কত?সূর্যে হাইড্রোজেন গ্যাসের পরিমাণ কত?সূর্যে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের অনুপাত কত?কোন গ্রহের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত হয়?সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব কত কিলোমিটার?সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ইউরেনাসের কত সময় লাগে?ইউরেনাসের কয়টি উপগ্রহ আছে?ট্রপোমণ্ডলের গড় গভীরতা কত?পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণকে কী বলে?অনুসূর কী? মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার দ্রাঘিমার মান কত?প্রতিপাদ স্থান কী?পৃথিবীর বৃত্তের মোট পরিধি কত?কর্কটক্রান্তির অবস্থান কত ডিগ্রিতে?উচ্চ অক্ষাংশ কী?গ্রিনিচের দ্রাঘিমা কত ডিগ্রি?ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোথায়?যুক্তরাষ্ট্রের প্রমাণ সময় কতটি?অক্ষ বা মেরু রেখা কাকে বলে?অক্ষাংশ কী?সর্বোচ্চ দ্রাঘিমা কত?আহ্নিক গতি কাকে বলে?বার্ষিক গতি কাকে বলে?সৌরদিন কাকে বলে?অধিবর্ষ কাকে বলে?সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ দিন কত তারিখ?পৃথিবীর গতি কী?পৃথিবীর গতি কত প্রকার?কেন্দ্রাতিগ শক্তি কাকে বলে?প্রত্যেক স্থানে জোয়ারের কতক্ষণ পরে ভাটা হয়ে থাকে?পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে চাঁদের কত সময় লাগে?মঙ্গল গ্রহের রং লাল কেন?শুক্র গ্রহে অ্যাসিড বৃষ্টি হয় কেন?সৌরজগতে শুধুমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণী বাস করতে পারে কেন? ব্যাখ্যা করো।কেন্দ্রমণ্ডল কী? ব্যাখ্যা করো।সৌরকলঙ্ক কী? ব্যাখ্যা করো।সূর্যের নিকটবর্তী গ্রহের বর্ণনা দাও।নেপচুন গ্রহ শীতল হওয়ার কারণ কী?ওজোন স্তর পৃথিবীকে প্রাণিজগতের বাস উপযোগী করেছে- ব্যাখা করো।ভূ-অভ্যন্তরের একটি মণ্ডলকে সিমা বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।গুরুমণ্ডল বলতে কী বোঝ? অশামণ্ডল কী? ব্যাখ্যা করো।প্রমাণ সময় নির্ণয় করা হয় কেন? আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা সময় বিভ্রাট কীভাবে দূর করে? ব্যাখ্যা করো। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?প্রতিপাদ স্থান দুটির মধ্যে সময়ের ব্যবধান ১২ ঘণ্টা হয় কেন?স্থানীয় সময় বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন হয় কেন?দুই দেশের স্থানীয় সময়ের মধ্যে পার্থক্য কেন হয়?একটি দেশে প্রমাণ সময় ব্যবহারের প্রয়োজন হয় কেন?দিন-রাত সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।অধিবর্ষ কী? ব্যাখ্যা করো।আহ্নিক গতি কাকে বলে?বার্ষিক গতি কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে কোন ঋতু? কেন?২১শে জুনে সূর্যের অবস্থান ব্যাখ্যা করো।উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল হবার কারণ ব্যাখ্যা করো।ঋতু পরিবর্তনের কারণগুলো কী কী?পৃথিবীর কক্ষপথ উপবৃত্তাকার- ব্যাখ্যা করো।জোয়ার-ভাটা কেন হয়?কেন্দ্রাতিগ শক্তি কী? ব্যাখ্যা করো।জোয়ার-ভাটার একটি কারণ ব্যাখ্যা করো।মরা কটাল কেন হয়? ব্যাখ্যা করো।ভরাকটাল বলতে কী বোঝায়? কেন্দ্রাতিগ শক্তি কীভাবে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টিতে সহায়তা করে?পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ার তীব্র হয় কেন?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ