• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল
সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

জোয়ার-ভাটা

পৃথিবীর বিভিন্ন সাগর মহাসাগরে সমুদ্রস্রোত ছাড়াও পানিরাশির নিজস্ব গতি আছে। এর ফলে প্রতিদিনই কিছু সময় সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠে ফলে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। আবার কিছু সময়ের জন্য তা নেমে যায়। সমুদ্রের পানি এভাবে নিয়মিতভাবে ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। পৃথিবীর নিজের গতি এবং তার উপর চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই মূলত জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়। জোয়ার, ভাটার নানা শ্রেণি রয়েছে। পৃথিবীর উপরও জোয়ার-ভাঁটা নানাভাবে প্রভাব বিস্তার করে।

জোয়ার-ভাটার ধারণা, কারণ ও শ্রেণিবিভাগ

চন্দ্র ও সূর্য ভূপৃষ্ঠের জল ও স্থলভাগকে অবিরাম আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণের ফলে ভূপৃষ্ঠের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রত্যহ একস্থানে ফুলে ওঠে এবং অন্যত্র নেমে যায়। এভাবে প্রত্যেক সাড়ে বারো ঘণ্টায় সমুদ্রের পানি একবার নিয়মিতভাবে ওঠানামা করে। তবে জোয়ার ও ভাটা প্রতি ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পর পর হয়। সমুদ্র পানিরাশির নিয়মিতভাবে এ ফুলে ওঠাকে জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা (Ebb or Low Tide) বলে। সমুদ্রের মধ্যভাগে পানি সাধারণত এক থেকে তিন ফুট উঁচু-নিচু হয়; কিন্তু উপকূলের নিকট সাগর উপসাগরের গভীরতা কম বলে সেখানে পানিরাশি অনেক উঁচু-নিচু হয়। এ জন্য সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীসমূহের গতিপথে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার-ভাটা অনুভূত হয়।

জোয়ার-ভাটার কারণ: প্রাচীনকালে জোয়ার-ভাঁটার কারণ সম্পর্কে নানা ধরনের অবাস্তব কল্পনা করা হতো। কিন্তু বর্তমানে বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তি ও পৃথিবীর ওপর চন্দ্র সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার-ভাটা হয়।

মহাকর্ষ ও মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব: এই মহাবিশ্বের যে কোনো পদার্থের আকর্ষণ শক্তি আছে। একটি বস্তু অন্য বস্তুকে আকর্ষণ করে। মহাবিশ্বের দুটি বস্তুর মধ্যে পরস্পর আকর্ষণ শক্তিকে মহাকর্ষ শক্তি বা মহাকর্ষণ বলে। এই মহাকর্ষ শক্তির ফলে পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে এবং চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। যে বস্তু যত বড়ো তার আকর্ষণ শক্তি তত বেশি। কিন্তু দূরত্ব বৃদ্ধি পেলে মহাকর্ষ শক্তি কমে যায়। পৃথিবী এবং এর নিকটতম যে কোনো বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণকে মাধ্যাকর্ষণ বলে। অর্থাৎ কোনো বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণকে অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলে। সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা ২.৬০ কোটি গুণ বড়ো হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব চন্দ্রের দূরত্ব থেকে অনেক বেশি। তাই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি সূর্য অপেক্ষা প্রায় দ্বিগুণ। পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের যে আকর্ষণ তাই হলো মাধ্যাকর্ষণ শক্তি। এ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে জোয়ার-ভাঁটা হয়।

কেন্দ্রাতিগ বা কেন্দ্রাভিমুখী শক্তি: পৃথিবী তার অক্ষ বা মেরুদণ্ডের ওপর থেকে চারিদিকে দ্রুত বেগে ঘুরছে বলে তার পৃষ্ঠ থেকে তরল পানিরাশি চতুর্দিকে ছিটকে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। একেই কেন্দ্রাতিগ শক্তি (Centrifugal Force) বলে। পৃথিবী ও চন্দ্রের আবর্তনের জন্য ভূপৃষ্ঠের তরল ও হালকা জলরাশির ওপর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব অধিক হয়। এর ফলেই জলরাশি সর্বদা বাইরে নিক্ষিপ্ত হয় এবং তরল জলরাশি কঠিন ভূভাগ হতে বিচ্ছিন্ন হতে চায়। এমনিভাবে বেন্দ্রাতিগ শক্তিও জোয়ার-ভাঁটা সৃষ্টিতে সহায়তা করে।

জোয়ার-ভাটার শ্রেণিবিভাগ: জোয়ার-ভাটাকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়, যেমন-মুখ্য জোয়ার, গৌণ জোয়ার, ভরা কটাল ও মরা কটাল। চাঁদ পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরছে। চাঁদের এই আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চাঁদের নিকটবর্তী হয় সেখানে চাঁদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি। ফলে পার্শ্ববর্তী স্থান হতে পানি এসে ঠিক চন্দ্রের নিচে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। একে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। মুখ্য জোয়ারের বিপরীত দিকে পানির নিচের স্থলভাগ পৃথিবীর কেন্দ্রের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ। ফলে তার ওপর চাঁদের আকর্ষণ পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলের আকর্ষণের সমান থাকে। এতে বিপরীত দিকের পানিরাশি অপেক্ষা স্থলভাগ চাঁদের দিকে বেশি আকৃষ্ট হয়। এতে কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। দুই দিকের পানি সে স্থানে প্রবাহিত হয়ে যে জোয়ারের সৃষ্টি করে, তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। যখন পৃথিবীর একপাশে মুখ্য জোয়ার ও অন্যপাশে গৌণ জোয়ার হয় তখন দুই জোয়ারের মধ্যবর্তী স্থল থেকে পানি সরে যায়। মধ্যবর্তী স্থলের পানির ঐ অবস্থাকে ভাটা বলে।

অমাবস্যা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর এক পাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে। ফলে এ দুই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে থাকে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে। সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সমকোণে অবস্থান করার ফলে চন্দ্রের আকর্ষণে এ সময়ে চাঁদের দিকে জোয়ার হয়। কিন্তু সূর্যের আকর্ষণের জন্য এ জোয়ারের বেগ তত প্রবণ হয় না। এ রূপ জোয়ারকে মরা কটাল বলে। এক মাসে দু'বার ভরা কটাল এবং দু'বার মরা কটাল হয়। 

জোয়ার-ভাটার ব্যবধান পৃথিবী যেমন নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম হতে পূর্বদিকে আবর্তন করছে চন্দ্রও তেমনি পৃথিবীর চারদিকে পশ্চিম হতে পূর্বদিকে পরিক্রমণ করে। চন্দ্র নিজ কক্ষপথে ২৭ দিনে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে। ফলে পৃথিবীর একবার আবর্তনকালে অর্থাৎ প্রায় ২৪ ঘণ্টায় চন্দ্র (৩৬০ ২৭) বা ১৩০ পথ অতিক্রম করে। পৃথিবী ও চন্দ্র উভয়ই যেহেতু পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে তাই পৃথিবী উক্ত ১৩০ পথ আরও (১৩ × ৪)-৫২ মিনিটে অগ্রসর হয়। ১০ পথ অতিক্রম করতে পৃথিবীর ৪ মিনিট সময় লাগে। কোনো নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে মুখ্য জোয়ার হওয়ার ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট পরে সেখানে গৌণ জোয়ার হয় এবং মুখ্য জোয়ারের ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট পর সেখানে আবার মুখ্য জোয়ার হয়। এভাবে প্রত্যেক স্থানে জোয়ার শুরুর ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরে ভাঁটা হয়ে থাকে

সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল - অনন্যা প্রশ্ন

সৌরজগৎপৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণভূ-অভ্যন্তরের গঠনবিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সময় নির্ণয় পদ্ধতিঅক্ষ, অক্ষরেখা, নিরক্ষরেখা, দ্রাঘিমারেখা, মূল মধ্যরেখাদ্রাঘিমারেখা (Meridians of Longitude)মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian)স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line)সময় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কাল্পনিক রেখার ভূমিকাপৃথিবীর গতিদিবা রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি এবং ঋতু পরিবর্তনে বার্ষিক গতির ভূমিকাঋতু পরিবর্তনের কারণজোয়ার-ভাটাপৃথিবীর ওপর জোয়ার-ভাটার প্রভাবশুক্র গ্রহে অ্যাসিড বৃষ্টি হয় কেন?সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির অধিক সময় প্রয়োজন হয় কেন?বিশ্বজগৎ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে?'ক' এর প্রাণকেন্দ্র হলো সূর্য। 'ক' এর নাম কী? এটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?সূর্য কোন কোন উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত?সৌরকলঙ্ক সম্পর্কে তুমি কী জানো?শিক্ষক পৃথিবীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সম্পর্কে আলোচনা করলেন। শিক্ষকের আলোচিত নক্ষত্রটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?ট্রপোপস দিয়ে বিমান চলাচল করার কারণ কী?ওজোনস্তরের তাপমাত্রা অধিক হওয়ার কারণ কী?গ্রহ বলতে তুমি কী বোঝ?তানিয়া পাঠ্যবই থেকে সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে। সে কোন গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে? এটি সম্পর্কে তুমি যা জানো লেখো।সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সৌরজগতের একটি নির্দিষ্ট গ্রহ। গ্রহটির নাম কী? এখানে অ্যাসিড বৃষ্টি হয় কেন?'ক' গ্রহের একমাত্র উপগ্রয় হলো চাঁদ। গ্রহটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?'প' গ্রহের উপরিভাগে গিরিখাত ও অগ্নেয়গিরি রয়েছে। গ্রহটির নাম কী? এটি লালচে বর্ণ ধারণ করেছে কেন?সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবীর পরেই একটি নির্দিষ্ট গ্রহের অবস্থান। গ্রহটির পরিচয় দাও।রবিন সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে। রবিন, কোন গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে? সংক্ষেপে গ্রহটির বর্ণনা দাও।গ্রহাণুপুঞ্জ বলতে কী বোঝ?তিনটি উজ্জ্বল বলয় সৌরজগতের একটি গ্রহকে বেষ্টন করে আছে। এটি কোন গ্রহ? গ্রহটির ব্যাখ্যা দাও।ইউরেনাস গ্রহ সম্পর্কে ধারণা দাও।সৌরজগতের একটি গ্রহ অনেকটা নীলাভ বর্ণের। গ্রহটির নাম কী? একে শীতল গ্রহ বলা হয় কেন?বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে ধারণা দাও।পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বায়ুমণ্ডলের গুরুত্ব কেমন বলে তুমি কর?'X' বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর। 'X' স্তরটি কী নামে পরিচিত? এ স্তর প্রয়োজনীয় কেন?ট্রপোপস সম্পর্কে তুমি কী জানো?ওজোন স্তর সম্পর্কে ধারণা দাও।কী কারণে তুমি পৃথিবীকে জীবজন্তুর বসবাস উপযোগী বলে মনে কর?ভূ-অভ্যন্তরের একটি স্তর নাইফ নামে পরিচিত। স্তরটির নাম কী? এটি কেন নাইফ নামে পরিচিত?আদনান সিলিকন, ম্যাগনেশিয়াম প্রভৃতি ভারী ধাতুর সংমিশ্রণে গঠিত ভূ-অভ্যন্তরের একটি স্তর সম্পর্কে জানতে পারল। স্তরটির নাম কী? একে সিমা বলা হয় কেন?ভূ-অভ্যন্তরের 'ক' স্তরটি নানা ধরনের শিলা ও খনিজ উপাদান দ্বারা গঠিত। 'ক' স্তরটির নাম কী? এটিকে কেন সিয়াল স্তর বলে?ভূত্বক বলতে তুমি কী বোঝ?অক্ষ বলতে কী বোঝ?একটি রেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। এ কোন রেখা? রেখাটিকে নিরক্ষবৃত্ত বলা হয় কেন?দ্রাঘিমারেখার ধারণা ব্যাখ্যা করো।স্থানীয় সময় বলতে তুমি কী বোঝ?'ক' স্থানের দ্রাঘিমা ৬৫° পশ্চিম এবং 'খ' স্থানের দ্রাঘিমা ৫১° পশ্চিম। দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য কত?'X' স্থানের দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং 'Y' স্থানের দ্রাঘিমা ৮০° পূর্ব। দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করো।দ্রাঘিমারেখার প্রয়োজনীয়তা তুমি কীভাবে ব্যাখ্যা করবে?পৃথিবীর গতি বলতে তুমি কী বোঝ?আহ্নিক গতিকে তুমি কীভাবে ব্যাখ্যা করবে?'P' গতির ফলে দিন ও রাত হয়। এই গতির নান কী? এর প্রভাবে কী হয়?বার্ষিক গতির ধারণা ব্যাখ্যা করো।সৌরবছর সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? ব্যাখ্যা করো।উত্তর অয়নান্ত সম্পর্কে তুমি কী জানো?একটি নির্দিষ্ট তারিখে পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়। এটি কত তারিখ? এদিন কেন পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত সমান হয়?বাসন্ত বিষুব বলতে তুমি কী বোঝ?কী কী কারণে ঋতু পরিবর্তিত হয় বলে তুমি মনে কর?অনুসুর বলতে তুমি কী বোঝ?অপসূর বলতে তুমি কী বোঝ?জোয়ার সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যাখ্যা করো।তানহা কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে সমুদ্রের পানি উপরের দিকে ফুলে ওঠা এবং নিচের দিকে নেমে যাওয়ার দৃশ্য দেখল। তানহার দেখা বিষয়টি কী? এর একটি কারণ ব্যাখ্যা করো।রাজু এমন একটি জোয়ার সম্পর্কে জানতে পারল যেখানে পার্শ্ববর্তী স্থান হতে পানি ঠিক চন্দ্রের নিচে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। সে কোন জোয়ার সম্পর্কে জানতে পারল? ব্যাখ্যা করো।গৌণ বা পরোক্ষ জোয়ার সম্পর্কে তুমি কী জানো?অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে এক ধরনের জোয়ার হয়। জোয়ারটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?পৃথিবীর ওপর জোয়ার-ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা করো।গ্রহাণুপুঞ্জ কাকে বলে?সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব কত? সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্রহ কোনটি?সৌরজগতের গ্রহগুলোর নাম লেখো।গ্রহ কাকে বলে?সৌরজগৎ কাকে বলে?সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র কী?'সৌরকলঙ্ক' কী?সৌরজগতের গ্রহ কতটি?সূর্যের উপরিভাগের উষ্ণতা কত?সূর্যে হাইড্রোজেন গ্যাসের পরিমাণ কত?সূর্যে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের অনুপাত কত?কোন গ্রহের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত হয়?সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব কত কিলোমিটার?সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ইউরেনাসের কত সময় লাগে?ইউরেনাসের কয়টি উপগ্রহ আছে?ট্রপোমণ্ডলের গড় গভীরতা কত?পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণকে কী বলে?অনুসূর কী? মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার দ্রাঘিমার মান কত?প্রতিপাদ স্থান কী?পৃথিবীর বৃত্তের মোট পরিধি কত?কর্কটক্রান্তির অবস্থান কত ডিগ্রিতে?উচ্চ অক্ষাংশ কী?গ্রিনিচের দ্রাঘিমা কত ডিগ্রি?ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোথায়?যুক্তরাষ্ট্রের প্রমাণ সময় কতটি?অক্ষ বা মেরু রেখা কাকে বলে?অক্ষাংশ কী?সর্বোচ্চ দ্রাঘিমা কত?আহ্নিক গতি কাকে বলে?বার্ষিক গতি কাকে বলে?সৌরদিন কাকে বলে?অধিবর্ষ কাকে বলে?সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ দিন কত তারিখ?পৃথিবীর গতি কী?পৃথিবীর গতি কত প্রকার?কেন্দ্রাতিগ শক্তি কাকে বলে?প্রত্যেক স্থানে জোয়ারের কতক্ষণ পরে ভাটা হয়ে থাকে?পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে চাঁদের কত সময় লাগে?মঙ্গল গ্রহের রং লাল কেন?শুক্র গ্রহে অ্যাসিড বৃষ্টি হয় কেন?সৌরজগতে শুধুমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণী বাস করতে পারে কেন? ব্যাখ্যা করো।কেন্দ্রমণ্ডল কী? ব্যাখ্যা করো।সৌরকলঙ্ক কী? ব্যাখ্যা করো।সূর্যের নিকটবর্তী গ্রহের বর্ণনা দাও।নেপচুন গ্রহ শীতল হওয়ার কারণ কী?ওজোন স্তর পৃথিবীকে প্রাণিজগতের বাস উপযোগী করেছে- ব্যাখা করো।ভূ-অভ্যন্তরের একটি মণ্ডলকে সিমা বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।গুরুমণ্ডল বলতে কী বোঝ? অশামণ্ডল কী? ব্যাখ্যা করো।প্রমাণ সময় নির্ণয় করা হয় কেন? আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা সময় বিভ্রাট কীভাবে দূর করে? ব্যাখ্যা করো। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?প্রতিপাদ স্থান দুটির মধ্যে সময়ের ব্যবধান ১২ ঘণ্টা হয় কেন?স্থানীয় সময় বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন হয় কেন?দুই দেশের স্থানীয় সময়ের মধ্যে পার্থক্য কেন হয়?একটি দেশে প্রমাণ সময় ব্যবহারের প্রয়োজন হয় কেন?দিন-রাত সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।অধিবর্ষ কী? ব্যাখ্যা করো।আহ্নিক গতি কাকে বলে?বার্ষিক গতি কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে কোন ঋতু? কেন?২১শে জুনে সূর্যের অবস্থান ব্যাখ্যা করো।উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল হবার কারণ ব্যাখ্যা করো।ঋতু পরিবর্তনের কারণগুলো কী কী?পৃথিবীর কক্ষপথ উপবৃত্তাকার- ব্যাখ্যা করো।জোয়ার-ভাটা কেন হয়?কেন্দ্রাতিগ শক্তি কী? ব্যাখ্যা করো।জোয়ার-ভাটার একটি কারণ ব্যাখ্যা করো।মরা কটাল কেন হয়? ব্যাখ্যা করো।ভরাকটাল বলতে কী বোঝায়? কেন্দ্রাতিগ শক্তি কীভাবে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টিতে সহায়তা করে?পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ার তীব্র হয় কেন?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ