• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান
হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সৃষ্টির জন্য হিটলারের দায়িত্ব

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আসন্ন কারণের জন্য জার্মানির এডলফ হিটলারই অনেকাংশে দায়ী ছিলেন। কেননা-

১। ভার্সাই সন্ধির সুস্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে হিটলার অস্ট্রিয়া দখল করে বিশ্বযুদ্ধকে ত্বরান্বিত করেন।

২। ১৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দে হিটলার চেকোস্লোভাকিয়ার সুদেতিন অঞ্চল দাবি করেন। সে অঞ্চলের অধিবাসীরা অধিকাংশই ছিল জার্মান জাতির লোক। সে বছর মিউনিখ চুক্তির মাধ্যমে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও ইতালি সুদেতিন অঞ্চল জার্মানিকে প্রদান করতে চেকোস্লোভাকিয়াকে রাজি করায়। হিটলার চেকোস্লোভাকিয়া আক্রমণ করলে রাশিয়া-ফ্রান্সের যুগ্মভাবে জার্মান তোষণনীতিতে রাশিয়া স্বভাবতই সন্দিহান হয়ে ওঠে। ফলে হিটলারকে কোনো কঠিন বাধার সম্মুখীন হতে হয়নি এবং তার লিন্সা ও দুঃসাহস আরও বেড়ে 'যায়।

৩। সুদেতিন অঞ্চল দখলের ছয় মাসের মধ্যেই হিটলার চেকোস্লোভাকিয়ার বাকি অংশের উপর আধিপত্য বিস্তার করেন। এভাবে ইউরোপীয় শক্তিসমূহের দুর্বলতার সুযোগে তার রাজ্যলিলা দিন দিন বেড়েই চলে। এরপর তিনি লিথুয়ানিয়ার কাছ থেকে মেমেল বন্দর দখল করেন।

৪। হিটলার ক্রমে অধিকতর শক্তিশালী হয়ে পোল্যান্ডের ডানজিগ বন্দর এবং পূর্ব রাশিয়া ও জার্মানির অন্য অংশের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য একখণ্ড সংযোগ ভূমি (করিডোর) দাবি করেন। এ পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ড, পোল্যান্ড ও ফ্রান্স পরস্পর একটা আত্মরক্ষামূলক সামরিক সাহায্যের চুক্তি সম্পাদন করে। হিটলারের শক্তি বৃদ্ধিতে রাশিয়া সন্দিগ্ধ হয়ে জার্মানির সাথে এক 'অনাক্রমণ চুক্তি' স্বাক্ষর করে। হিটলারের পক্ষে এ চুক্তি ছিল এক চরম কূটনৈতিক সাফল্য। এভাবে শক্তি সমন্বয় করে জার্মানির নেতা হিটলার বিশ্ব শক্তিতে পরিণত হন। এ সময় হিটলারের সশস্ত্র বাহিনী অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইউরোপের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাহিনীতে পরিণত হয়। হিটলার প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত ও অপমানিত জার্মানির হৃত মর্যাদা পুনরুদ্ধার করেই ক্ষান্ত হননি, বিশ্বের সর্বত্র জার্মান জাতির মর্যাদা ও আধিপত্য বিস্তারে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিলেন। তাই অমিত সাহসী, দুর্বার ও দুর্জয় জার্মান বাহিনীকে তিনি বিশ্ব জয়ের সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ করেন। তার সাম্রাজ্যবাদী নীতির চরম বিকাশ ঘটে বিনা অজুহাতে পোল্যান্ড আক্রমণের মধ্য দিয়ে। তার ঔদ্ধত্যপূর্ণ সাম্রাজ্যবাদী নীতি এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রতিশোধস্পৃহা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম কারণ। হিটলারের নেতৃত্ব না পেলে জার্মানি এত ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হয়ে বিশ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হতে পারত না।

মহাপ্রলয়ংকরী ও সর্বনাশা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন জার্মানির ভাগ্যনিয়ন্তা হিটলার। এ যুদ্ধ মানবসভ্যতাকে ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড় করায়। হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আমেরিকার অত্যাধুনিক পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণের মাধ্যমে এ যুদ্ধের ভয়াবহতা মানুষের কাছে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।

হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান - অনন্যা প্রশ্ন

হ্যারি এস. ট্রুম্যান ১৮৮৪-১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দ (Harry S. Truman 1884-1972) রবার্ট ওপেনহেইমার ১৯০৪-১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দ (Robert Openheimer 1904-1967) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী জার্মানিহিটলারের ক্ষমতা দখলজার্মানিতে হিটলারের উত্থানের কারণএকনায়ক হিটলারপ্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইতালিমুসোলিনির ক্ষমতা দখলইতালিতে ফ্যাসিবাদের উত্থানের কারণমুসোলিনির একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠামুসোলিনির নেতৃত্বে ইতালির অভ্যন্তরীণ পুনর্গঠনহিটলার ও মুসোলিনির কর্মকাণ্ডের তুলনাদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধবিশ্বযুদ্ধের কারণসমূহপ্রত্যক্ষ কারণঅক্ষশক্তি চুক্তি Axis Power Treatyমিত্রশক্তি জোট Allied Forceদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সৃষ্টির জন্য হিটলারের দায়িত্বদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ (ইউরোপের প্রথম রণাঙ্গন)জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণজাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণইউরোপে মিত্রশক্তির দ্বিতীয় রণাঙ্গনইতালির আত্মসমর্পণজার্মানির আত্মসমর্পণজাপানের আত্মসমর্পণ (হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমাবর্ষণ)নিষ্ঠুরতার হলোকাস্টলিটল বয়ফ্যাট ম্যানদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের কারণদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ