• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল
সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

সৌরজগৎ

সূর্য এবং এর গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধূমকেতু, উল্কা প্রভৃতি নিয়ে যে পরিবার তাকে বলা হয় সৌরজগৎ। সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র হলো সূর্য। সৌরজগতে ৮টি গ্রহ, শতাধিক উপগ্রহ, হাজার হাজার গ্রহাণুপুঞ্জ ও লক্ষ লক্ষ ধূমকেতু রয়েছে।

সূর্য

সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য। সূর্য একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র। পৃথিবীর সঙ্গে সূর্যের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সূর্য পৃথিবী অপেক্ষা ১৩ লক্ষ গুণ বড়ো। পৃথিবী থেকে এটি প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর ব্যাস প্রায় ১৩ সক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। সূর্যের উপরিভাগের উষ্ণতা ৫৭,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিরাট দূরত্বের জন্য সূর্যের অতি সামান্য তাপ পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়। এ সামান্য তাপ ও আলো দ্বারাই পৃথিবীর জীবজগতের সকল প্রয়োজন মেটে। অন্যান্য গ্রহ, উপগ্রহগুলোর তাপ ও আলোর উৎসও সূর্য। সূর্যের কোনো কঠিন বা তরল পদার্থ নেই। শতকরা ৫৫ ভাগ হাইড্রোজেন, ৪৪ ভাগ হিলিয়াম এবং ১ ভাগ অন্যান্য গ্যাসে সূর্য গঠিত। সূর্যের মধ্যে মাঝে মাঝে যে কালো দাগ দেখা যায় তাকে সৌরকলঙ্ক (Sun Spot) বলে। সূর্যের অন্যান্য অংশের চেয়ে সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কিছুটা কম থাকে। আণবিক শক্তি সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় সূর্যে অনবরত হাইড্রোজেন থেকে হিলিয়াম এবং হিলিয়াম থেকে শক্তি তৈরি হচ্ছে। সূর্য প্রায় ২৫ দিনে নিজ অক্ষের (Axis) ওপর একবার আবর্তন করে। সূর্যের আলো ও তাপ ছাড়া পৃথিবীতে উদ্ভিদ, প্রাণী কিছুই জন্মাতো না এবং প্রাণের স্পন্দন সম্ভব হতো না।

গ্রহ: মহাকর্ষ বলের প্রভাবে কতোগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিক্রমণ করছে; এদের গ্রহ বলা হয়। গ্রহের নিজস্ব আলো ও তাপ নেই। সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা ৮টি। সূর্য থেকে গ্রহগুলোর দূরত্ব অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে অবস্থান করছে বুধ (Mercury), শুরু (Venus), পৃথিবী (Earth), মঙ্গল (Mars), বৃহস্পতি (Jupiter), শনি (Saturn), ইউরেনাস (Uranus) ও নেপচুন (Neptune)। গ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়ো বৃহস্পতি এবং সবচেয়ে ছোট বুধ।

বুধ (Mercury): বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার এবং ওজন পৃথিবীর ৫০ ভাগের ৩ ভাগের সমান। সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করতে এর ৮৮ দিন সময় লাগে। সূর্য থেকে বুধের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। বুধের কোনো উপগ্রহ নেই। সূর্যের নিকটতম গ্রহ বলে এর তাপমাত্রা অত্যধিক। বুধের ভূত্বকে সমতল ভূমিসহ অসংখ্য গর্ত ও পাহাড় লক্ষ করা গেছে। বুধের আয়তন ৭৪,৮০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।

শুক্র (Venus): সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে শুক্রের অবস্থান দ্বিতীয়। এটি পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। সূর্য থেকে শুক্রের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪.২ কোটি কিলোমিটার। একে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে আমরা সন্ধ্যাতারা রূপে এবং ভোরে পূর্ব আকাশে শুকতারা রূপে দেখতে পাই। সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করতে এর সময় লাগে ২২৫ দিন। শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই। পৃথিবীর মতো শুক্রের একটি বায়ুমণ্ডল রয়েছে কিন্তু এতে অক্সিজেন নেই। কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ প্রায় শতকরা ৯৬ ভাগ। শুক্র নিজ অক্ষে খুবই ধীর গতিতে আবর্তন করে। ফলে শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত হয় এবং অস্ত যায়। গ্রহটিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন মেঘের কারণে অ্যাসিড বৃষ্টি হয়ে থাকে। শুক্রের পৃষ্ঠে পৃথিবীর তুলনায় ৯০ গুণ বেশি বাতাসের চাপ রয়েছে। এর আয়তন ৪৬০,২৩০,০০০ বর্গ কি. মি. এবং ব্যাস ১২১০৪ কি. মি.।

পৃথিবী (Earth): পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। এর আয়তন ৫১০,১০০,৪২২ বর্গকিলোমিটার। পূর্ব-পশ্চিমে এর ব্যাস ১২,৭৫২ কিলোমিটার এবং উত্তর-দক্ষিণে ১২,৭০৯ কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার। পৃথিবী ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে। এ গ্রহে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন রয়েছে। পৃথিবীপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা ১৩.৯০° সেলসিয়াস। ভূত্বকে প্রয়োজনীয় পানি রয়েছে। সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতে জীবজন্তু ও উদ্ভিদের জীবনধারণের জন্য সুবিধাজনক অবস্থা বিরাজ করে। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার।

মঙ্গল (Mars): সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবীর পরেই মঙ্গলের স্থান। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে ৭.৮ কোটি কিলোমিটার। মঙ্গল গ্রহের ব্যাস ৬,৭৭৯ কিলোমিটার এবং ওজন পৃথিবীর প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ। এর আয়তন ১৪৪,৭৯৮,৫০০ বর্গ কি. মি.। সূর্যকে পরিক্রমণ করতে মঙ্গল গ্রহের লাগে ৬৮৭ দিন এবং নিজ অক্ষে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট। মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ আছে-ডিমোস ও ফেবোস। এখানে জীবনধারণ অসম্ভব। বায়ুমন্ডলে শতকরা ৩ ভাগ নাইট্রোজেন ও শতকরা ২ ভাগ আরগন গ্যাস আছে। পানির পরিমাণ খুবই কম। পৃথিবীর তুলনায় মঙ্গল অনেক ঠান্ডা, গড় উত্তাপ হিমাঙ্কের অনেক নিচে। মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এ গ্রহের পাথরগুলোতে মরিচা পড়েছে। ফলে গ্রহটি লালচে বর্ণ ধারণ করেছে।

বৃহস্পতি (Jupiter): সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্রহ বৃহস্পতি। সূর্য থেকে দূরত্বের ভিত্তিতে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান পঞ্চম। এর আয়তন পৃথিবীর প্রায় ১,৩০০ গুণ তথা ৬১,৪১৯,০০০,০০০ বর্গ কি. মি.। এর ব্যাস ১,৩৯,৮২২ কিলোমিটার। এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দুরে। বৃহস্পতি ১২ বছরে একবার সূর্যকে এবং ৯ ঘণ্টা ৫৩ মিনিটে নিজ অক্ষে আবর্তন করে। গ্রহটিতে পৃথিবীর একদিনে দুইবার সূর্য ওঠে ও দুইবার অস্ত যায়। এ গ্রহে গভীর বায়ুমণ্ডল আছে। গ্রহটির বায়ুমন্ডলের উপরিভাগের তাপমাত্রা খুবই কম তবে অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অধিক। এর ৬৭টি উপগ্রহ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে লো, ইউরোপা, গ্যানিমেড ও ক্যাপলিস্টো প্রধান।

গ্রহাণুপুঞ্জ (Asteroids): মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝের পরিসরে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রহাণু একত্রে পুঞ্জীভূত হয়ে পরিক্রমণ করছে। এই পরিসরের মধ্যে আর কোনো গ্রহ নেই। ১.৬ কিলোমিটার থেকে ৮০৫ কিলোমিটার ব্যাস সম্পন্ন গ্রহাণুগুলোকে একত্রিতভাবে গ্রহাণুপুঞ্জ বলে।

শনি (Saturn): শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এর আয়তন ৪২,৭০০,০০০,০০০ বর্গ কি. মি. এবং ব্যাস ১১৬,৪৬৪ কি. মি.। সূর্য থেকে শনির দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার। শনি ২৯ বছর ৫ মাসে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং ১০ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে নিজ অক্ষে একবার আবর্তন করে। পৃথিবীর চেয়ে শনির ব্যাস প্রায় ৯০০ গুণ বড়ো। খালি চোখে এটি দেখা যায়। শনির বায়ুমন্ডলে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের মিশ্রণ, মিথেন ও অ্যামোনিয়া গ্যাস রয়েছে। তিনটি উজ্জ্বল বলয় শনিকে বেষ্টন করে আছে। শনির ৬২টি উপগ্রহের মধ্যে ক্যাপিটাস, টেথিস, হুয়া, টাইটান প্রধান।

ইউরেনাস (Uranus): ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। সূর্য থেকে এর দূরত্ব ২৮৭ কোটি কিলোমিটার। ৮৪ বছরে এটি সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে। এর গড় ব্যাস প্রায় ৪৯,০০০ কিলোমিটার। এর আয়তন পৃথিবীর প্রায় ৬৪ গুণ তবে ওজন পৃথিবীর মাত্র ১৫ গুণ। গ্রহটির আবহমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ অধিক। এর ২৭টি উপগ্রহ রয়েছে। ইউরেনাসেরও শনির মতো বলয় রয়েছে। মিরিন্ডা, এরিয়েল, ওবেরন, আম্ব্রিয়েল, টাইটানিয়া প্রভৃতি ইউরেনাসের উপগ্রহ।

নেপচুন (Neptune): নেপচুনের গড় ব্যাস ৪৯,২৪৪ কিলোমিটার এবং সূর্য থেকে দূরত্ব ৪৫০ কোটি কিলোমিটার। এর আয়তন ১৭,৬১৮,৩০০,০০০ বর্গ কি. মি.। সূর্য থেকে অধিক দূরত্বের কারণে গ্রহটি শীতল। গ্রহটি অনেকটা নীলাভবর্ণের। নেপচুন ১৬৫ বছরে সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করে। এর উপগ্রহ ১৪টি। উল্লেখযোগ্য উপগ্রহ হচ্ছে ট্রাইটন ও নেরাইড।

পূর্ববর্তী

সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল - অনন্যা প্রশ্ন

সৌরজগৎপৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণভূ-অভ্যন্তরের গঠনবিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সময় নির্ণয় পদ্ধতিঅক্ষ, অক্ষরেখা, নিরক্ষরেখা, দ্রাঘিমারেখা, মূল মধ্যরেখাদ্রাঘিমারেখা (Meridians of Longitude)মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian)স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line)সময় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কাল্পনিক রেখার ভূমিকাপৃথিবীর গতিদিবা রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি এবং ঋতু পরিবর্তনে বার্ষিক গতির ভূমিকাঋতু পরিবর্তনের কারণজোয়ার-ভাটাপৃথিবীর ওপর জোয়ার-ভাটার প্রভাবশুক্র গ্রহে অ্যাসিড বৃষ্টি হয় কেন?সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির অধিক সময় প্রয়োজন হয় কেন?বিশ্বজগৎ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে?'ক' এর প্রাণকেন্দ্র হলো সূর্য। 'ক' এর নাম কী? এটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?সূর্য কোন কোন উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত?সৌরকলঙ্ক সম্পর্কে তুমি কী জানো?শিক্ষক পৃথিবীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সম্পর্কে আলোচনা করলেন। শিক্ষকের আলোচিত নক্ষত্রটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?ট্রপোপস দিয়ে বিমান চলাচল করার কারণ কী?ওজোনস্তরের তাপমাত্রা অধিক হওয়ার কারণ কী?গ্রহ বলতে তুমি কী বোঝ?তানিয়া পাঠ্যবই থেকে সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে। সে কোন গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে? এটি সম্পর্কে তুমি যা জানো লেখো।সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সৌরজগতের একটি নির্দিষ্ট গ্রহ। গ্রহটির নাম কী? এখানে অ্যাসিড বৃষ্টি হয় কেন?'ক' গ্রহের একমাত্র উপগ্রয় হলো চাঁদ। গ্রহটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?'প' গ্রহের উপরিভাগে গিরিখাত ও অগ্নেয়গিরি রয়েছে। গ্রহটির নাম কী? এটি লালচে বর্ণ ধারণ করেছে কেন?সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবীর পরেই একটি নির্দিষ্ট গ্রহের অবস্থান। গ্রহটির পরিচয় দাও।রবিন সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে। রবিন, কোন গ্রহ সম্পর্কে জেনেছে? সংক্ষেপে গ্রহটির বর্ণনা দাও।গ্রহাণুপুঞ্জ বলতে কী বোঝ?তিনটি উজ্জ্বল বলয় সৌরজগতের একটি গ্রহকে বেষ্টন করে আছে। এটি কোন গ্রহ? গ্রহটির ব্যাখ্যা দাও।ইউরেনাস গ্রহ সম্পর্কে ধারণা দাও।সৌরজগতের একটি গ্রহ অনেকটা নীলাভ বর্ণের। গ্রহটির নাম কী? একে শীতল গ্রহ বলা হয় কেন?বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে ধারণা দাও।পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বায়ুমণ্ডলের গুরুত্ব কেমন বলে তুমি কর?'X' বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর। 'X' স্তরটি কী নামে পরিচিত? এ স্তর প্রয়োজনীয় কেন?ট্রপোপস সম্পর্কে তুমি কী জানো?ওজোন স্তর সম্পর্কে ধারণা দাও।কী কারণে তুমি পৃথিবীকে জীবজন্তুর বসবাস উপযোগী বলে মনে কর?ভূ-অভ্যন্তরের একটি স্তর নাইফ নামে পরিচিত। স্তরটির নাম কী? এটি কেন নাইফ নামে পরিচিত?আদনান সিলিকন, ম্যাগনেশিয়াম প্রভৃতি ভারী ধাতুর সংমিশ্রণে গঠিত ভূ-অভ্যন্তরের একটি স্তর সম্পর্কে জানতে পারল। স্তরটির নাম কী? একে সিমা বলা হয় কেন?ভূ-অভ্যন্তরের 'ক' স্তরটি নানা ধরনের শিলা ও খনিজ উপাদান দ্বারা গঠিত। 'ক' স্তরটির নাম কী? এটিকে কেন সিয়াল স্তর বলে?ভূত্বক বলতে তুমি কী বোঝ?অক্ষ বলতে কী বোঝ?একটি রেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। এ কোন রেখা? রেখাটিকে নিরক্ষবৃত্ত বলা হয় কেন?দ্রাঘিমারেখার ধারণা ব্যাখ্যা করো।স্থানীয় সময় বলতে তুমি কী বোঝ?'ক' স্থানের দ্রাঘিমা ৬৫° পশ্চিম এবং 'খ' স্থানের দ্রাঘিমা ৫১° পশ্চিম। দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য কত?'X' স্থানের দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং 'Y' স্থানের দ্রাঘিমা ৮০° পূর্ব। দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করো।দ্রাঘিমারেখার প্রয়োজনীয়তা তুমি কীভাবে ব্যাখ্যা করবে?পৃথিবীর গতি বলতে তুমি কী বোঝ?আহ্নিক গতিকে তুমি কীভাবে ব্যাখ্যা করবে?'P' গতির ফলে দিন ও রাত হয়। এই গতির নান কী? এর প্রভাবে কী হয়?বার্ষিক গতির ধারণা ব্যাখ্যা করো।সৌরবছর সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? ব্যাখ্যা করো।উত্তর অয়নান্ত সম্পর্কে তুমি কী জানো?একটি নির্দিষ্ট তারিখে পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়। এটি কত তারিখ? এদিন কেন পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত সমান হয়?বাসন্ত বিষুব বলতে তুমি কী বোঝ?কী কী কারণে ঋতু পরিবর্তিত হয় বলে তুমি মনে কর?অনুসুর বলতে তুমি কী বোঝ?অপসূর বলতে তুমি কী বোঝ?জোয়ার সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যাখ্যা করো।তানহা কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে সমুদ্রের পানি উপরের দিকে ফুলে ওঠা এবং নিচের দিকে নেমে যাওয়ার দৃশ্য দেখল। তানহার দেখা বিষয়টি কী? এর একটি কারণ ব্যাখ্যা করো।রাজু এমন একটি জোয়ার সম্পর্কে জানতে পারল যেখানে পার্শ্ববর্তী স্থান হতে পানি ঠিক চন্দ্রের নিচে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। সে কোন জোয়ার সম্পর্কে জানতে পারল? ব্যাখ্যা করো।গৌণ বা পরোক্ষ জোয়ার সম্পর্কে তুমি কী জানো?অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে এক ধরনের জোয়ার হয়। জোয়ারটি সম্পর্কে তুমি কী জানো?পৃথিবীর ওপর জোয়ার-ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা করো।গ্রহাণুপুঞ্জ কাকে বলে?সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব কত? সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্রহ কোনটি?সৌরজগতের গ্রহগুলোর নাম লেখো।গ্রহ কাকে বলে?সৌরজগৎ কাকে বলে?সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র কী?'সৌরকলঙ্ক' কী?সৌরজগতের গ্রহ কতটি?সূর্যের উপরিভাগের উষ্ণতা কত?সূর্যে হাইড্রোজেন গ্যাসের পরিমাণ কত?সূর্যে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের অনুপাত কত?কোন গ্রহের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত হয়?সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব কত কিলোমিটার?সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ইউরেনাসের কত সময় লাগে?ইউরেনাসের কয়টি উপগ্রহ আছে?ট্রপোমণ্ডলের গড় গভীরতা কত?পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণকে কী বলে?অনুসূর কী? মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার দ্রাঘিমার মান কত?প্রতিপাদ স্থান কী?পৃথিবীর বৃত্তের মোট পরিধি কত?কর্কটক্রান্তির অবস্থান কত ডিগ্রিতে?উচ্চ অক্ষাংশ কী?গ্রিনিচের দ্রাঘিমা কত ডিগ্রি?ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোথায়?যুক্তরাষ্ট্রের প্রমাণ সময় কতটি?অক্ষ বা মেরু রেখা কাকে বলে?অক্ষাংশ কী?সর্বোচ্চ দ্রাঘিমা কত?আহ্নিক গতি কাকে বলে?বার্ষিক গতি কাকে বলে?সৌরদিন কাকে বলে?অধিবর্ষ কাকে বলে?সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ দিন কত তারিখ?পৃথিবীর গতি কী?পৃথিবীর গতি কত প্রকার?কেন্দ্রাতিগ শক্তি কাকে বলে?প্রত্যেক স্থানে জোয়ারের কতক্ষণ পরে ভাটা হয়ে থাকে?পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে চাঁদের কত সময় লাগে?মঙ্গল গ্রহের রং লাল কেন?শুক্র গ্রহে অ্যাসিড বৃষ্টি হয় কেন?সৌরজগতে শুধুমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণী বাস করতে পারে কেন? ব্যাখ্যা করো।কেন্দ্রমণ্ডল কী? ব্যাখ্যা করো।সৌরকলঙ্ক কী? ব্যাখ্যা করো।সূর্যের নিকটবর্তী গ্রহের বর্ণনা দাও।নেপচুন গ্রহ শীতল হওয়ার কারণ কী?ওজোন স্তর পৃথিবীকে প্রাণিজগতের বাস উপযোগী করেছে- ব্যাখা করো।ভূ-অভ্যন্তরের একটি মণ্ডলকে সিমা বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।গুরুমণ্ডল বলতে কী বোঝ? অশামণ্ডল কী? ব্যাখ্যা করো।প্রমাণ সময় নির্ণয় করা হয় কেন? আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা সময় বিভ্রাট কীভাবে দূর করে? ব্যাখ্যা করো। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?প্রতিপাদ স্থান দুটির মধ্যে সময়ের ব্যবধান ১২ ঘণ্টা হয় কেন?স্থানীয় সময় বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন হয় কেন?দুই দেশের স্থানীয় সময়ের মধ্যে পার্থক্য কেন হয়?একটি দেশে প্রমাণ সময় ব্যবহারের প্রয়োজন হয় কেন?দিন-রাত সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।অধিবর্ষ কী? ব্যাখ্যা করো।আহ্নিক গতি কাকে বলে?বার্ষিক গতি কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো।২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে কোন ঋতু? কেন?২১শে জুনে সূর্যের অবস্থান ব্যাখ্যা করো।উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল হবার কারণ ব্যাখ্যা করো।ঋতু পরিবর্তনের কারণগুলো কী কী?পৃথিবীর কক্ষপথ উপবৃত্তাকার- ব্যাখ্যা করো।জোয়ার-ভাটা কেন হয়?কেন্দ্রাতিগ শক্তি কী? ব্যাখ্যা করো।জোয়ার-ভাটার একটি কারণ ব্যাখ্যা করো।মরা কটাল কেন হয়? ব্যাখ্যা করো।ভরাকটাল বলতে কী বোঝায়? কেন্দ্রাতিগ শক্তি কীভাবে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টিতে সহায়তা করে?পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ার তীব্র হয় কেন?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ