• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • ষষ্ঠ শ্রেণি
  • শরীরচর্চা ও সুস্থজীবন
শরীরচর্চা ও সুস্থজীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

সমাবেশের ধারাবাহিক কার্যক্রম

১. জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অভিবাদন- বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন। ওই সময় সকল শিক্ষার্থী 'সোজা' হয়ে দাঁড়াবে, নড়াচড়া করবে না। জাতীয় পতাকাকে 'সম্মান প্রদর্শন করো' বলার সাথে সাথে নির্দিষ্ট ভঙ্গিতে হাত তুলে সবাই সম্মান প্রদর্শন করবে।

২. পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হতে কিছু অংশ পাঠ- একজন শিক্ষার্থী সামনে এসে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে নির্দিষ্ট অংশ পাঠ করবে। অন্য শিক্ষার্থীরা মন দিয়ে শুনবে। এ সময় শিক্ষার্থীরা আরামে দাঁড়াবে।

৩. শপথবাক্য পাঠ- শিক্ষার্থীরা সাবধান (attention) অবস্থায় থেকে ডান হাত কাঁধ বরাবর সামনে তুলবে। আঙুলগুলো খোলা অবস্থায় একত্রে থাকবে। একজন শিক্ষার্থী শপথবাক্য পাঠ করবে এবং অন্য সবাই তার সাথে তা পাঠ করবে। শপথ গ্রহণ শেষে 'হাত নামাও' বলার সাথে সাথে সকলে একসাথে হাত নামাবে।

শপথ: "আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। দেশের প্রতি অনুগত থাকিব। দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখিবার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব। অন্যায় ও দুর্নীতি করিব না এবং অন্যায় ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিব না।

হে মহান আল্লাহ / মহান সৃষ্টিকর্তা আমাকে শক্তি দিন, আমি যেন বাংলাদেশের সেবা করিতে পারি, এবং বাংলাদেশকে একটি আদর্শ, বৈষম্যহীন ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসাবে গড়িয়া তুলিতে পারি।" আমিন

৪. জাতীয় সংগীত- শিক্ষকমণ্ডলীসহ শিক্ষার্থীরা একত্রে জাতীয় সংগীত গাইবে।

৫. প্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাষণ (প্রয়োজন বোধে)

৬. পাঁচ মিনিটের জন্য শরীর চর্চা/পিটি অনুশীলন (প্রয়োজন বোধে মার্চিং গান গাইবে)

৭. সমাবেশ শেষের গান

জাতীয় সংগীত

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি ।।
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে-
ও মা, অঘ্রাণে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি ।।
কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো-
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে-
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়ন জলে ভাসি ।।
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি ।।

জাতীয় সংগীত শেষে প্রাত্যহিক সমাবেশ সমাপ্ত হবে। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিশিক্ষকের সাথে সারিবদ্ধভাবে শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাবে। প্রাত্যহিক সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে কাজ করার অভ্যাস গড়ে উঠবে। তারা নেতার প্রতি আনুগত্য, দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ হবে।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ