- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
পোস্টমাস্টার জেনারেল এর কার্যালয়, রাজশাহী এর পোস্টম্যান পদের প্রশ্ন সমাধান ২৭.০৩.২০২৬
- পিএসসি ও অন্যান্য ২০২৬
- বাংলা
'কণ্ঠ' এর বিশেষণ কী?
বাংলা ব্যাকরণ এবং শব্দতত্ত্বের আলোচনায় কণ্ঠ শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ। যখন আমরা কোনো বিশেষ্য পদের প্রকৃতি বা গুণ প্রকাশ করতে চাই তখন আমাদের সেই পদের বিশেষণ রূপটি খুঁজে বের করতে হয়। ব্যাকরণের নিয়মানুসারে কণ্ঠ শব্দটির সঠিক বিশেষণ রূপ হচ্ছে কণ্ঠ্য।
শব্দ গঠনের এই প্রক্রিয়াটি বেশ কৌতূহলপ্রদীপক। সাধারণত কোনো মূল শব্দের সঙ্গে যখন নির্দিষ্ট প্রত্যয় যুক্ত হয় তখন তার পদ পরিবর্তন ঘটে। এখানে কণ্ঠ শব্দের শেষে য-ফলা যুক্ত হয়ে কণ্ঠ্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। ভাষাবিজ্ঞানের পরিভাষায় কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত বর্ণগুলোকে আমরা কণ্ঠ্য বর্ণ বলে থাকি। এই ব্যবহারের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে কণ্ঠ্য শব্দটি কণ্ঠের একটি বৈশিষ্ট্য বা অবস্থাকে নির্দেশ করছে। অর্থাৎ যা কণ্ঠের সঙ্গে সম্পর্কিত বা যা কণ্ঠ হতে উৎপন্ন তাই কণ্ঠ্য।
বিকল্প অপশনগুলোর দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই যে কণ্ঠন কিংবা কণ্ঠী শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে এই বিশেষণের মর্যাদা পায় না। কণ্ঠী শব্দটি সাধারণত কোনো মালা বা কণ্ঠভরণ অর্থে ব্যবহৃত হয় যা একটি স্বতন্ত্র বিশেষ্য পদ। অন্যদিকে কণ্ঠ্য শব্দটি সরাসরি কণ্ঠের গুণাগুণ বা অবস্থান ব্যাখ্যা করে। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে যখন আপনি পদের এই পরিবর্তনগুলো লক্ষ্য করবেন তখন দেখবেন যে মূল শব্দের মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়েই তার প্রায়োগিক রূপ বদলে যাচ্ছে।
সুতরাং সঠিক উত্তর হিসেবে আমাদের কণ্ঠ্য শব্দটিকেই গ্রহণ করতে হবে। বাক্যে প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমরা যখন বলি কণ্ঠ্য ধ্বনি তখন ধ্বনি শব্দটির গুণ বা প্রকার প্রকাশ করতে কণ্ঠ্য বিশেষণটি ব্যবহৃত হয়। এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো মনে রাখলে বাংলা শব্দভাণ্ডার এবং ব্যাকরণের ওপর দখল মজবুত হয়। আশা করি এই ব্যাখ্যাটি আপনাকে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝতে সাহায্য করবে।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

