- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
পোস্টমাস্টার জেনারেল এর কার্যালয়, রাজশাহী এর পোস্টম্যান পদের প্রশ্ন সমাধান ২৭.০৩.২০২৬
- পিএসসি ও অন্যান্য ২০২৬
- বাংলা
'ঈষৎ' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ শিখতে হলে প্রথমে মূল শব্দটির আভিধানিক অর্থ এবং তার ব্যবহারের গভীরতা বুঝতে হয়। এখানে মূল শব্দটি হলো 'ঈষৎ'। এই শব্দটি মূলত সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ থেকে আগত। 'ঈষৎ' শব্দের অর্থ হলো সামান্য, অল্প, কিঞ্চিৎ বা যৎসামান্য। যখন আমরা কোনো কিছুর পরিমাণ খুব কম বোঝাতে চাই, তখন এই পরিশীলিত শব্দটি ব্যবহার করি। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ঈষৎ হাসা মানে খুব সামান্য করে হাসা।
এখন আমরা বিকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা করি। প্রথম বিকল্পটি হলো 'অল্প'। যেহেতু ঈষৎ মানেই অল্প, তাই এটি সমার্থক শব্দ হতে পারে কিন্তু বিপরীত শব্দ নয়। দ্বিতীয় বিকল্প 'হালকা' মূলত ওজনের ক্ষেত্রে বা কোনো রঙের গাঢ়ত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ঈষৎ এর সরাসরি বিপরীত মেরুতে অবস্থান করে না। চতুর্থ বিকল্প 'হলুদ' একটি রঙের নাম, যার সাথে পরিমাণের কোনো সম্পর্ক নেই।
সঠিক উত্তরটি হলো 'অধিক'। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দ সামান্য বা কম পরিমাণ নির্দেশ করে, তার বিপরীত শব্দ অবশ্যই প্রচুর বা বেশি পরিমাণ নির্দেশকারী হতে হবে। 'ঈষৎ' এর অর্থ যেহেতু খুবই সামান্য, তাই এর প্রকৃত বিপরীত শব্দ হবে 'অধিক' বা 'প্রচুর'। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনার মনে রাখা প্রয়োজন যে, তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দই হয়ে থাকে। 'ঈষৎ' এবং 'অধিক' উভয়ই তৎসম ঘরানার শব্দ, তাই এদের জোড়াটি ভাষাগতভাবে সবথেকে সঠিক ও গ্রহণযোগ্য। বাস্তব জীবনেও আমরা যখন দেখি কোনো কিছু পরিমাণে খুবই নগণ্য, তখন তার অভাব পূরণে আমরা 'অধিক' পরিমাণের প্রত্যাশা করি। এই যৌক্তিক ভিত্তি থেকেই 'অধিক' শব্দটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

