- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
খলিফা আল-হাকিম (৯৯৬-১০২১ খ্রি.)
সিংহাসনারোহণ
আল-হাকিম অল্প বয়সে সিংহাসন লাভ করে আমির, মালিক, উজির ও রাজকর্মচারীদের যড়যন্ত্রের মোকাবিলা করেন। তখন আসল ক্ষমতা তাদের হাতেই ন্যস্ত ছিল। ৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১০০১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত আল-হাকিম প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন না। কিন্তু উচ্চাভিলাষী বার্গাওয়ানের হত্যার পর আল-হাকিম সমস্ত ক্ষমতা স্বহস্তে গ্রহণ করেন। কোনো প্রকার প্রাসাদ ষড়যন্ত্রকে তিনি প্রশ্রয় দেননি। তিনি সন্দেহবশে তার কয়েকজন বিশ্বস্ত উজিরকে হত্যা করে সিংহাসনকে কণ্টকমুক্ত করেন। ফাতেমীয় খিলাফতের স্থায়িত্বের জন্য তিনি বিদ্রোহীদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর আচরণ করতে দ্বিধা করতেন না। এভাবে ধীরে ধীরে সমস্ত ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন এবং রাজকার্য পরিচালনা করতে থাকেন।
তিনি সাম্রাজ্যের সর্বত্র নিয়োগ, বদলি, পদচ্যুতি স্বহস্তে গ্রহণ করেন। দেশ শাসনের ব্যাপারে আল-হাকিম এক অদ্ভুত নিয়ম-নীতি পালন করেন। তিনি দিন অপেক্ষা রাতে প্রশাসনিক কাজ চালাতে পছন্দ করতেন। তাই তার দরবার বসত রাতে বা সূর্যাস্তের পরে। তিনি আব্বাসীয় খলিফা হারুন-অর-রশিদ-এর মতো রাতে কায়রোর রাজপথে বিচরণ করে প্রজাদের দুঃখ-দুর্দশার খবর নিতেন। রাতে সমস্ত রাজকার্য চলতে থাকার ফলে অন্ধকারে নানারকম অনাচারও বাড়তে থাকে।
ফলে আল-হাকিম ১০০২ খ্রিষ্টাব্দে রাতের বেলায় মহিলাদের রাস্তায় চলাফেরা নিষিদ্ধ করে দেন। গান-বাজনা এবং গায়িকা, বালিকা ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়। খলিফা পরিভ্রমণে গেলে বাজনা ছিল নিষিদ্ধ। মহিলারা যাতে রাস্তায় বের হতে না পারে সে কারণে তিনি মহিলাদের জন্য জুতা নিষিদ্ধ করে দেন। আল-হাকিম মদ্যপান নিষিদ্ধ করেন এবং মদের পাত্রসমূহ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। তিনি মদ্যপানের অভিযোগে একজন খোজা, কেরানি ও পদাতিক বাহিনীর সদস্যদের প্রাণদণ্ডে দন্ডিত করেন। তিনি কিসমিস দিয়ে মদ তৈরি নিষিদ্ধ করেন। তিনি ধর্মান্ধ ছিলেন কি-না সঠিকভাবে বলা যায় না, তবে শরিয়ত মেনে চলতেন। কুকুর ও শুয়োর নাপাক বিধায় তিনি এ জাতীয় পশুগুলোকে হত্যার নির্দেশ দেন।
জনহিতকর কার্যাবলি: আল-হাকিম একজন মঙ্গলকারী খলিফা ছিলেন। তিনি প্রজাদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য অকাতরে দান করতেন। দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে রাজকোষ হতে অর্থদান করে খাদ্যাভাব দূরীকরণের ব্যবস্থা করেন। শস্য মজুতদারদের কঠোর হস্তে শাস্তি দিতেন। একমাত্র কোরবানি ব্যতীত গরু জবাই বন্ধ ঘোষণা দেন। তিনি আইন অমান্যকারীদের কঠোর হস্তে দমন করতেন।
সুন্নিদের দমন ও ইসমাইলীয় মতবাদ প্রচারণা: আল-হাকিম ছিলেন একজন কট্টরপন্থী শিয়া। শিয়া বিরোধীদের তিনি কঠোর হস্তে দমন করতেন। হযরত আলীর প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের জন্য তিনি সুন্নিকে হত্যা করেন। আল-হাকিমের সুন্নিবিরোধী কার্যকলাপের ফলে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। ফলে তার শিয়া গোঁড়ামি কিছুটা হ্রাস পায়। তিনি ইসমাইলীয় মতবাদ প্রচারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। আল-হাকিম প্রতি শুক্রবার সাধারণ পোশাক ও মণিমাণিক্য খচিত পাগড়ি পরে গাধায় চড়ে মসজিদে যেতেন এবং স্বয়ং ইমামতি করতেন। তিনি পূর্বের প্রথা অনুযায়ী সুন্নি ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে প্রদত্ত উপহার প্রদান বন্ধ করে দেন।
দারাজি মতবাদ: মুহাম্মদ-বিন-ইসমাইল আল-দারাজি ছিলেন দারাজি মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা। মূলত তিনি ছিলেন একজন পারসিক ও অগ্নি উপাসক। তিনি অচিরেই আল-হাকিমের উপর প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হন। তিনি খলিফাকে বুঝালেন যে, তিনি আল্লাহর অবতার। তিনি একখানি কিতাব পর্যন্ত লিখে ফেললেন এবং এতে দেখালেন যে, আল্লাহ আদমের দেহে যে রুহ ফুঁকিয়ে দেন তা হযরতের মারফতে আলীর দেহে এবং পরিণামে তা হাকিমের শরীরে প্রবেশ করে। খলিফাও তা বিশ্বাস করলেন। খলিফার উপর দারাজির এতই প্রভাব ছিল যে, তিনি (খলিফা) অনেক রাজকার্যের ভার দারাজির উপর ছেড়ে দেন। দারাজির তোষামোদ না করে কারো পক্ষে খলিফার নিকট পৌঁছা সম্ভব ছিল না। বহু প্রগতিশীল শিয়া দারাজির মতবাদ গ্রহণ করেন। বহু দাই বা প্রচারকগণ মসজিদে ইসলাম বিরোধী (সুন্নি) দারাজি মতবাদ প্রচার করলে সুন্নিগণ তাদের আক্রমণ. করেন।
ফলে অনেক সুন্নিকে হত্যা করা হয়। এতে তুর্কি সুন্নি সৈন্যগণ বিদ্রোহ করলে আল-দারাজি রাজপ্রাসাদে আত্মগোপন করেন। খলিফার সহায়তায় তিনি পরে লেবাননে পলায়ন করে জীবন রক্ষা করেন। আল-দারাজি পলায়ন করলেও তার অনুসারীরা আল-হাকিমকে খোদার অবতার হিসেবে প্রচার করতে থাকে। ফলে সুন্নি মুসল্লিদের সঙ্গে দারাজিদের ভীষণ সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে কয়েকজন সুন্নি মুসল্লি নিহত হন এবং হাসান পলায়ন করেন। এতদসত্ত্বেও ১০১৮ খ্রি. দারাজিগণ প্রকাশ্যে আল-হাকিমকে 'খোদার অবতার' বলে ঘোষণা দেয়। ফলে আল-হাকিম নামাজ আদায়, মসজিদে গমন, হজব্রত: পালন ইত্যাদি বন্ধ করে দেন।
ধর্মীয় নীতি: খলিফা আল-হাকিম তার শাসন আমলের প্রথম ১০ বছর ইহুদি ও খ্রিস্টানদের প্রতি ধর্মীয় অসহিষ্ণু হয়ে ওঠেন। অমুসলমান বিশেষ করে ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের প্রতি তার ধর্মীয় নিপীড়নের মূল কারণ অনুসন্ধান করলে দেখা' যায় যে, ফাতেমীয় খলিফাগণ বহু ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের রাজকার্যের দায়িত্বশীল পদে নিয়োগ করতেন। ফাতেমীয় খলিফা আল-আজিজের উজির ইবনে কিল্লীস ছিলেন একজন ইহুদি। আল-হাকিমের উজির ইসা-বিন-নসতুন ছিলেন একজন খ্রিষ্টান। অমুসলমানদের প্রতি এ ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান শিয়া ফাতেমীয়গণ সুনজরে দেখেননি। ফলে ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয় এবং আল-হাকিম তাদের বিরুদ্ধে নির্যাতনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। আল-হাকিম তার রাজ্যে ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের কালো বা গাঢ় নীল রঙের পাগড়ি পরিধানের নির্দেশ দেন, যাতে সহজে তাদের চিহ্নিত করা যায়। তাদের নিকট দাস-দাসী বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয় এবং ১০১৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে তাদের অশ্বারোহণ বন্ধ করা হয়।
আল হাকিম ইহুদি ও খ্রিষ্টান রাজকর্মচারীদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণের আহ্বান জানান। ইসলাম গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে হত্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইসলাম গ্রহণে রাজি না হওয়ায় তার সহকারী সেনাপতি ফাহাদ-বিন-ইব্রাহিমকে হত্যা করা হয় এবং খ্রিষ্টান উজির ইসা-বিন-নেস্তোরিয়াসকে ফাঁসি দেওয়া হয়। আল-হাকিমের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার চরম প্রকাশ ঘটে যখন তিনি গির্জার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেন এবং ১০০৯ খ্রিষ্টাব্দে জেরুজালেমের জগদ্বিখ্যাত খ্রিষ্টান গির্জা ধ্বংসের আদেশ দেন।
আল-হাকিম তার খ্রিষ্টান সচিব আবদুনের স্বাক্ষরিত এক ফরমানে এ ধ্বংসযজ্ঞ সম্পন্ন করেন। এ গির্জা ধ্বংসই পরবর্তীকালে কুসেডের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি ইহুদি ও খ্রিষ্টান রাজকর্মচারীদের পদচ্যুত করে মুসলিম কর্মচারী নিয়োগ করেন। ১০১৩ খ্রিষ্টাব্দে আল-হাকিমের এক নতুন আদেশে সকল ইহুদি ও খ্রিষ্টানদেরকে রাস্তায় চলাচলের সময় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ক্রস এবং ঘণ্টা কাঁধে বহন করতে হতো।
আল-হাকিমের রাজত্বের শেষের দিকে অমুসলমানদের উপর নির্যাতনের মাত্রা কমে যায়। 'আল্লাহর অবতার' হিসেবে স্বীকৃতি লাভের পর আল-হাকিম নির্যাতন ও নিপীড়ন বহুলাংশে বন্ধ করে দেন। ফলে বলপূর্বক ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত বহু খ্রিস্টান ও ইহুদি স্ব-ধর্মে ফিরে যান। বহু বিধ্বস্ত গির্জা পুনঃনির্মাণ করা হয়। আল-হাকিম তার মৃত্যুর পূর্বে (১০২১) বহু জিম্মিদের অধিকার ফিরিয়ে দেন।
আল-হাকিমের মৃত্যু
খলিফা আল-হাকিমের মৃত্যু সম্পর্কে যতটুকু জানা যায় তা হলো-
১০২১ খ্রিষ্টাব্দে ২১ ফেব্রুয়ারি আল-হাকিম একাকী আল মুকাত্তাম পাহাড়ে ভ্রমণে যান এবং এর পর আর ফিরে আসেননি। ঐতিহাসিক মুসাব্বিহর মতে, দক্ষিণ মিশরের জনৈক বিদ্রোহী কর্তৃক আল-হাকিম নিহত হয়েছিলেন। কেউ কেউ মনে করেন, কাতামা গোত্রপতি আবু ইউসুফের যড়যন্ত্রে খলিফাকে মুকাত্তাম পাহাড়ে হত্যা করা হয়েছিল। আবার তাঁর হত্যার পেছনে তাঁর বোন সিস্কুলমূলকের জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।
জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতা: আল-হাকিম ছিলেন একজন ব্যতিক্রমধর্মী শাসক। তিনি একদিকে ধর্মভীরু, নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী ছিলেন, অন্যদিকে তেমনি বিদ্যোৎসাহী ও পরোপকারী ছিলেন। তিনি বহু মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দির নির্মাণ করেন। কায়রোর বিশালাকার আল-হাকিমের মসজিদ তারই স্থাপত্য কীর্তির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বাগদাদে মামুনের নির্মিত 'বায়তুল হিকমার' অনুকরণে মিশরে 'দারুল হিক্কা' প্রতিষ্ঠা করেন। এ প্রসঙ্গে ঐতিহাসিক হিট্টি মন্তব্য করেন, "শিয়া মতবাদ প্রচারের জন্য আল-হাকিম কায়রোতে ফাতেমীয়দের সর্বাপেক্ষা আকর্ষণীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন যা 'দারুল হিকমা' নামে পরিচিত।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলামি বিষয় ছাড়াও এখানে চিকিৎসাবিদ্যা ও জ্যোতির্বিদ্যা পড়ানো হতো। আল-হাকিমের দরবারের শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিদ ছিলেন আলী-ইবনে ইউনুস এবং চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ও পদার্থবিদ ছিলেন আবু আলী-আল হাসান। নানা বিষয়ে ব্যক্তিক্রমধর্মী খলিফা হিসেবে স্বীকৃত জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক আল-হাকিম ছিলেন ফাতেমীয় খলিফাদের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।
ফাতেমীদের পরিচয়ফাতেমীয় আন্দোলনফাতেমীয় খিলাফত প্রতিষ্ঠা- ৯০৯ খ্রি.খলিফা আল-মুইজ (৯৫২-৯৭৫ খ্রি.)খলিফা আল-আজিজ (৯৭৫-৯৯৬ খ্রি.)খলিফা আল-হাকিম (৯৯৬-১০২১ খ্রি.)ফাতেমীয় বংশের শেষ খলিফাগণফাতেমীয়দের ক্রমাবনতি ও পতনফাতেমীয়গণ কর্তৃক মিশর ও উত্তর আফ্রিকার সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশউত্তর আফ্রিকা ও মিশরে কে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেন?মিশর বিজয়ী সেনাপতির নাম কী?জওহর কে ছিলেন?'দাঈ' অর্থ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?উত্তর আফ্রিকায় কোন বংশের শাসনকে উৎখাত করে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?ফাতেমি খিলাফতের প্রতিষ্ঠাতা কে?ওবায়দুল্লাহ আল মাহদী কত খ্রিষ্টাব্দে ক্ষমতারোহণ করেন?ফাতেমি খিলাফত কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?ফাতেমি বংশের প্রথম শাসক কে ছিলেন?ফাতেমি ইতিহাসে আস শিয়ী (সর্বোত্তম শিয়া) ও মুয়াল্লিম (উপদেষ্টা) হিসেবে পরিচিত ছিলেন কে?ফাতেমি কারা?উত্তর আফ্রিকার আগলাবী শাসকের নাম কী ছিল?মিশরে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেন কে?আল আজহার মসজিদ কে প্রতিষ্ঠা করেন?'আল আজহার' মসজিদটি কত খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়?'আল কাহিরা' অর্থ কী?বিশ্বের দ্বিতীয় প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম কী?আল মুইজ কত বছর রাজত্ব করেন?দারুল হিকমা প্রতিষ্ঠা করেন কে?ফাতেমি খিলাফতের সর্বশেষ খলিফা কে ছিলেন?ফাতেমি কারা? ব্যাখ্যা কর।'দাবুল হিকমা' কী? ব্যাখ্যা কর।'আল কাহিরা' বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।উত্তর আফ্রিকায় প্রতিষ্ঠিত খিলাফতকে ফাতেমি খিলাফত বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।ফাতেমি খিলাফতের পতন ঘটেছিল কেন?
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
ফরিদ তার শিক্ষকের বক্তব্যে ইতিহাসের কোন খলিফার কথা জানতে পারল?
'M' ও 'N' অঞ্চল বলতে বুঝানো হয়েছে-
i. উত্তর আফ্রিকা
ii. মিশর
iii. আজারবাইজান
নিচের কোনটি সঠিক?
'M' ও 'N' অঞ্চল বলতে বুঝানো হয়েছে-
i. উত্তর আফ্রিকা
ii. মিশর
iii. আজারবাইজান
নিচের কোনটি সঠিক?

