• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা
জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

জাতীয় সম্পদের ধারণা

আমরা সাধারণত অর্থ, জমিজমা, বাড়িঘর, নানারকম প্রয়োজনীয় ও স্বায়ী দ্রব্যসামগ্রী, স্বর্ণ-রৌপ্য প্রভৃতিকে সম্পদ বলে থাকি। প্রকৃত অর্থে কোনো বস্তু বা দ্রব্যকে সম্পদ বলতে হলে সে বস্তুর উপযোগ, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা থাকতে হবে। এগুলো সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো

জাতীয় সম্পদ কী: জাতীয় সম্পদ বলতে বোঝায় এমন সব প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট অর্থনৈতিক উপাদান যা দেশের জনগণের যৌথ মালিকানা হিসেবে বিবেচিত হয় এবং দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।

উপযোগ: মানুষের অভাব পূরণে কোনো দ্রব্যের ক্ষমতাকে উপযোগ বলে। যেমন, মানুষের বস্ত্রের প্রয়োজন বা অভাব আছে। শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি এসব দ্রব্যের বস্ত্রের অভাব পূরণের ক্ষমতা আছে। অর্থাৎ এগুলোর উপযোগ আছে।

অপ্রাচুর্য: কোনো দ্রব্য বা সেবার চাহিদার তুলনায় যোগান বা সরবরাহের পরিমাণ কম হলে দ্রব্যটির অপ্রাচুর্য দেখা দেয়। যেমন-খাদ্য। যে কোনো দেশে যে কোনো সময়ে খাদ্যের সরবরাহ এর চাহিদার তুলনায় কম। সেই জন্য খাদ্য পেতে হলে এর দাম পরিশে-াধ করতে হয়। অর্থাৎ খাদ্যের অপ্রাচুর্য আছে। আবার, নিশ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য মানুষের প্রতিমুহূর্তোই বাতাসের প্রয়োজন। কিন্তু প্রকৃতিতে বাতাস অফুরন্ত হওয়ায় প্রয়োজনের তুলনায় এর সরবরাহ বেশি। তাই বাতাসের জন্য মানুষকে কোনো দাম দিতে হয় না। অর্থাৎ বলা যায়, বাতাসের অপ্রাচুর্য নেই। শুধু উপযোগ ও অপ্রাচুর্য থাকলে একটি জিনিস সম্পদ নাও হতে পারে, যেমন-স্বাস্থের অপ্রাচুর্য এবং উপযোগিতা আছে কিন্তু বাহ্যিকতা ও হস্তান্তরযোগ্যতা না থাকায় একে সম্পদ বলা যাবে না। তবে কোনো স্বাস্থ্যবান পুরুষ যখন যদি স্বাস্থ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনে সক্ষম হবেন তবে তার ঐ বিশেষ ধরনের স্বাস্থ্যটি সম্পদ বলে গণ্য হবে।

পূর্ববর্তী

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ