- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়
জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে আইন প্রণয়ন ও তার প্রয়োগ নিশ্চিত করা। সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা। যেমন, সম্পদের পুনর্ব্যবহার, পুনরুৎপাদন নিশ্চিত করা।
বন ও প্রাণি বৈচিত্র্য সংরক্ষণ দেশের বনে জঙ্গলে অসংখ্য গাছপালা রয়েছে এবং পানিতে ও স্থলভাগে অসংখ্য প্রাণি রয়েছে। তারা সকলে আমাদের পরিবেশ ও সমাজ জীবনের জন্য অপরিহার্য। তাই বন ও প্রাণি বৈচিত্র রক্ষায় আমাদের যত্নবান হতে হবে।
জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্রীয় যেসব ব্যবস্থা আছে, সেগুলো যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয় সেদিকে লক্ষ রাখা। আমরা জানি যে, সেতু, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অফিস ভবন ইত্যাদি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিরাপত্তা রক্ষী থাকে। এসব কোনো সময় অরক্ষিত দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো।
কেউ যেন এসব সম্পদের কোনো ক্ষতিসাধন না করে সে বিষয়ে সচেতন থাকা। এ ধরনের কোনো অপচেষ্টার বিষয়ে জানলে বা দেখলে যথাযথ ব্যক্তি/কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে গাছ কাটা, পশুপাখি শিকার করা ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের ক্ষতিসাধন করা হিসেবে গণ্য হবে।
জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য সচেষ্ট থাকা।
সমষ্টিগত বা জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয়রোধে সচেতন ও সচেষ্ট থাকা, যেমন- রাষ্ট্রীয় সংস্থা কর্তৃক সরবরাহকৃত পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি অপ্রয়োজনে খরচ না করা এবং এগুলো ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়া।
সম্পদ সংরক্ষণের জন্য নিজ নিজ কর্তব্য বিষয়ে প্রতিটি নাগরিক সচেতন ও সচেষ্ট থাকলে জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ ও এগুলোর অপচয় রোধ করা কঠিন নয়। নাগরিকদের সচেতন করার জন্য গণমাধ্যমে তাদের করণীয় সম্পর্কে প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সম্পদ সংরক্ষণ ও তত্ত্বাবধানের জন্য নির্ধারিত সংস্থার দায়িত্ব ও কর্তব্য সংস্থার দলিলসমূহে সুস্পষ্টভাবে বিবৃত থাকে। সংস্থার কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দের এসব দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে তৎপর থাকা এবং এসব দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা।
কৃষি ও শিল্পে আধুনিক ও শক্তি-জ্বলানি ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়।
জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা - অনন্যা প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

