• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত
উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

খলিফা আল-মুইজ (৯৫২-৯৭৫ খ্রি.)

৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে (৩৪২ হি.) আল-মনসুরের মৃত্যুর পর তার পুত্র আবু তামিম মা'আদ আল-মুইজ উপাধি ধারণ করে ফাতেমীয় বংশের চতুর্থ খলিফা হিসেবে শাসনভার গ্রহণ করেন। সাম্রাজ্যের বার্বার গোত্রের বিভিন্ন উপজাতিগণ অচিরেই তার শাসন কর্তৃত্ব মেনে নেয়। তিনি ছিলেন অতিশয় উদার, মহৎ এবং বহু রাজোচিত গুণের অধিকারী। ফলে তিনি তার পূর্বপুরুষদের আমলের বিভিন্ন দিকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ফলে ফাতেমীয় বংশের গৌরব যথেষ্ট বৃদ্ধি পায়।

শাসক হিসেবে আল মুইজ: পরাক্রমশালী ও মার্জিত রুচির আল-মুইজ ফাতেমীয় সাম্রাজ্যের রাজ্যসীমা বর্ধিত এবং সুশাসন কায়েম করে রাজ্যে শান্তি ও সমৃদ্ধি আনেন। ঐতিহাসিক আমীর আলীর ভাষায়, "তিনি নিঃসন্দেহে মুসলিম প্রতীচ্যের মানুষ ছিলেন এবং তার শাসনকালে উত্তর আফ্রিকা সভ্যতা ও সমৃদ্ধির উচ্চ শিখরে আরোহণ করে।" এ প্রসঙ্গে লেনপুল বলেন, "চতুর্থ খলিফা আল-মুইজের সময় হতে ফাতেমীয়রা এক নব অধ্যায়ের সূচনা করে।"

আল মুইজের রাজ্য জয়

আল-মুইজ তার পূর্ববর্তী খলিফাদের অপেক্ষা অধিকতর রাজ্য বিজয়ের আশা পোষণ করতেন। তিনি ৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে (৩৪৪ হিজরি) মরক্কোর দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন। এ সময় স্পেনের উমাইয়া শাসক তৃতীয় আবদুর রহমান উত্তর অঞ্চলের বিদ্রোহী খ্রিষ্টান শাসকদের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে লিপ্ত ছিলেন। এ সুযোগে মুইজ তার সুযোগ্য সেনাপতি আল-জওহরকে সৈন্য-সামন্তসহ মরক্কোতে প্রেরণ করেন। জওহর সামান্য বাধাপ্রাপ্ত হয়ে মরক্কোকে ফাতেমীয় সাম্রাজ্যভুক্ত করতে সক্ষম হন। একই সময় মুইজের অন্য সেনাপতি সানহাজ নেতাজিরী উমাইয়া উপনিবেশ ফেজ, সিজিলমাসা প্রভৃতি অঞ্চল দখল করে নেন। এমনিভাবে আল-মুইজ উত্তর আফ্রিকায় স্পেনীয় উমাইয়াদের কর্তৃত্ব বিলোপ করে ফাতেমীয়দের আধিপত্য সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।

ক্রীট দ্বীপ: ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপ ক্রীট মুসলিম শাসনাধীনে ছিল। কিন্তু মরক্কো বিজয়ের কিছুকাল পরে স্পেনীয় নৌবাহিনী আল-মাগরেব গামী একটি নৌ-জাহাজকে আটক করে। এর প্রতিশোধ গ্রহণকল্পে হাসান-বিন-আলীর নেতৃত্বে একটি ফাতেমীয় নৌবাহিনী স্পেনের উপকূলে হামলা চালায়। এর পাল্টা প্রতিশোধ গ্রহণের জন্যে স্পেনের শাসনকর্তা তৃতীয় আব্দুর রহমান তার প্রখ্যাত সেনাপতিদের মুসা ও মীর সিলিবিজের পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহ ধ্বংসের নির্দেশ দেন। এভাবে পাশ্চাত্যে দুই মুসলিম শক্তির মধ্যে সংঘর্ষ বেধে ওঠে এবং এ দ্বন্দ্বের সুযোগে গ্রিকগণ ৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে ক্রীট দ্বীপ দখল করে নেয় এবং আরব অধিবাসীদের উপর অকথ্য নির্যাতন শুরু করে।

সিসিল দ্বীপ বিজয়: আল-মুইজের অন্য সেনাপতি আহম্মদ-বিন-হাসান ৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে সিসিল দ্বীপ হতে খ্রিষ্টানদের বিতাড়িত করে মুসলিম, কর্তৃত্ব স্থাপন করেন। সৈয়দ আমীর আলী সিসিলি বিজয় সম্পর্কে বলেন, "বাইজান্টাইন শাসকদের বিতাড়িত করে সিসিল অধিকারের মাধ্যমে ক্রীট দ্বীপ হস্তচ্যুত হওয়ার ক্ষতি আংশিকভাবে পূরণ হয়।" মুসলিম শাসনাধীন সিসিলি অভূতপূর্ব সমৃদ্ধি লাভ করে।

মিশর বিজয়: মিশর বিজয় আল-মুইজের শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তাঁর সমস্ত বিজয়ের মধ্যে এটা ছিল অন্যতম। তাই ঐতিহাসিক ওলিয়ারী বলেন, "আল-মুইজের পিতা এবং পিতামহের একমাত্র স্বপ্ন ছিল মিশর বিজয় করা। এখন আল-মুইজ সে স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার কাজে ব্রতী হলেন।"

আল-মুইজের মিশর বিজয়ের প্রাক্কালে মিশরের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। ইখশিব বংশীয় শাসনকর্তা কাফুর এসময় মিশর শাসন করছিলেন। তার ২০ বছরের কু-শাসনে মিশর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত দুর্বল ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। শাসকবর্গ বহুদিন ধরে সেনাবাহিনীর বেতন ও ভাতা দিতে না পারায় দেশের প্রতিরক্ষা অতিশয় দুর্বল হয়ে পড়ে। এমন সময় মিশরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ফাতেমীয় খলিফা আল-মুইজকে মিশর দখল করার এবং তথায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার আকুল আবেদন জানায়। তাদের ডাকে আল-মুইজ ৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে তার প্রখ্যাত সেনাপতি জওহরের নেতৃত্বে মিশরে এক বিশাল সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করেন।

বিজয়ী সেনাপতি জওহর আল-কাহিরা নামে একটি নতুন নগরীর গোড়াপত্তন করেন এবং সে, নগরীটিকে মিশরের রাজধানী হিসেবে নির্বাচিত করেন। এ আল কাহিরা শহরই বর্তমানে কায়রো নগরী। জওহরের অনুরোধে আল-মুইজ ৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে মিশর গমন করেন। মিশরে তিনি এক প্রাণঢালা সংবর্ধনা লাভ করেন। তথায় আল-মুইজ মহামারি ও দুর্ভিক্ষে জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

অন্যান্য বিজয় ও বিদ্রোহীদের দমন: এ সময় শুধু মিশর নয়, সমগ্র সিরিয়া ও ফেজে ফাতেমীয়দের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় এবং খলিফা মুইজের নামে খুৎবা পাঠ শুরু হয়। জওহরের হাতে পরাজিত হওয়া সত্ত্বেও বিদ্রোহী 'কারামাথগণ' দামেস্কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং ফাতেমীয় প্রতিনিধিকে নিহত করেন। 'কারামাথগণ' অল্পকাল পরে হাফতাকীনের নেতৃত্বে বিদ্রোহের পতাকা উত্তোলন করেন। তিনি দামেস্ক হতে ফাতেমীয় শাসককে বিতাড়িত করে সিরিয়া দখল করে নেন।

আল-মুইজের কৃতিত্ব

আল-মুইজ সুদীর্ঘ ২৩ বছর একজন সফল শাসক হিসেবে ফাতেমীয় রাজ্যের শাসন কার্য পরিচালনা করেন। বিভিন্ন দিক থেকে বিচার করলে আল-মুইজের রাজত্বকালকে মিশরীয় ইতিহাসের স্বর্ণযুগ বলা যায়। লেনপুল বলেন, "With the fourth Caliph, Al-Muiz, the Fatimids entered upon a new phase." অর্থাৎ, "চতুর্থ খলিফা আল-মুইজের উত্থানে ফাতেমীয়দের নতুন যুগ উন্মোচিত হলো।" নিম্নে আল-মুইজের কৃতিত্ব আলোচনা করা হলো:

সংগঠক হিসেবে: ফাতেমীয় প্রতিপত্তি সুপ্রতিষ্ঠিত করা এবং প্রজা সাধারণের মঙ্গল বিধানই ছিল তার শাসনের মূল লক্ষ্য। তিনি প্রদেশগুলোকে জেলায় বিভক্ত করে সুদক্ষ ব্যক্তিদের উপর এদের শাসনভার ন্যস্ত করেন। সামগ্রিক শাসনব্যবস্থা তিনি তদারক করতেন। তিনি মুসলমান, ইহুদি, খ্রিষ্টান ইত্যাদি সকল সম্প্রদায়ের লোকদের যোগ্যতার ভিত্তিতে রাজকার্যে নিয়োগ করতেন। আল-মুইজ নৌ ও সেনাবাহিনীকে পুনর্গঠন করে তাকে শক্তিশালী করেন। তার আমলে ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়।

পুলিশ বিভাগ: সাহিব আল সুরতাহ নামে পুলিশ বাহিনী গঠন করেন। তার আমলে রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের সম্পত্তি রক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনীর তৎপরতা প্রসংসার যোগ্য। গুপ্তচর হিসেবে পুলিশ বাহিনী সতর্ক দৃষ্টি রাখতেন।

বিচার সংষ্কার: ফাতেমীয় প্রচারক দলই আইন ও বিচার বিষয়ক কার্যাদি পরিচালনা করতেন। আবু হানিফা মুহাম্মদ-বিন-নুমান ছিলেন তার সময় প্রধান কাজী। "Court of the mazalim" মাজালিম আদালত গঠন করেন। খলিফা স্বয়ং বিচারকার্য পরিচালনা করতেন।

ভূমি সংস্কার: রাজস্ব ও অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রেও আল-মুইজের অবদান অপরিসীম। তিনি নবদীক্ষিত ইয়াকুব ইবনে কিল্লিস ও আসুক নামক দুই ব্যক্তির উপর রাজস্ব সংস্কারের ভার অর্পণ করেন। তারা অনুসন্ধান করে দেখতে পান যে, বড় বড় চাষি, খাজনা আদায়কারী পরস্পরের সাথে যোগসাজশে কর ফাঁকি দেয়। এমতাবস্থায় ইয়াকুব ও আশুক ভূমি রাজকোষের শক্তি বৃদ্ধি করেন।

জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক: আল-মুইজ শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্পকলাসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তিনি সুন্দর সুন্দর কবিতা লিখতে পারতেন। কায়রোতে আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয় আল-মুইজের আমলে নির্মিত হয় যা কালক্রমে উন্নতি ও শ্রীবৃদ্ধিতে পাশ্চাত্যের সকল বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিক্রম করে। তিনি সদয় ও জ্ঞানী ছিলেন এবং জ্ঞানী ও পীরদের সমাদর করতেন। তার আমলে আরবি হতে পুস্তক ল্যাটিন ভাষায় অনুবাদ করা হয়।

শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষক: তিনি রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে সুন্দর সুন্দর অট্টালিকা, রাজপ্রাসাদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। তার নির্মিত রাজপ্রাসাদের মধ্যে কায়রোর পূর্ব প্রান্তে "কসর-উল-মুইজী" এবং কায়রোর পশ্চিম প্রান্তে "কসর-উল-বাহার" এর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি শুধু শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষকই ছিলেন না একজন খ্যাতনামা স্থপতিও ছিলেন। তিনি নিজে কায়রোর বিভিন্ন অট্টালিকার নকশা প্রণয়ন করেন।

সংস্কারক হিসেবে: সংস্কারক হিসেবে মুইজের স্থান ফাতেমীয়দের মধ্যে সবার উপরে। মাত্র দুবছর তিনি মিশরে অবস্থান করেন। এ অল্পকালের মধ্যে তিনি ন্যায়ের শাসন ও শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেন। কায়রোয়ানের জাতিগত বিবাদও তিনি মীমাংসা করেন।

আল-মুইজের চরিত্র

জ্ঞান-গরিমা, দৃঢ়তা, উদারতা, দূরদর্শিতা, নির্ভীকতা প্রভৃতি গুণে আল-মুইজ ছিলেন ফাতেমীয় বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ খলিফা। তার রাজত্বকালে ফাতেমীয় সাম্রাজ্য চরম বিস্তৃতি লাভ করে এবং গৌরবের চরম শিখরে আরোহণ করে। প্রখ্যাত ঐতিহাসিক লেনপুল বলেন, "চতুর্থ খলিফা আল-মুইজের সিংহাসনে আরোহণের সঙ্গে সঙ্কোই ফাতেমীয় বংশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।"

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ওবায়দুল্লাহ আল মাহদী ফাতেমীয় বংশের প্রথম হলেও যুক্তিসংগতভাবে আল-মুইজ ছিলেন এ বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। কেননা মুইজ মিশর জয় করেন এবং উত্তর আফ্রিকায় শাসন কর্তৃত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। মোটকথা তিনি সামগ্রিকভাবে যোগ্যতার পরিচয় দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। সৈয়দ আমীর আলী আল-মুইজ সম্পর্কে বলেছেন, "তিনি নিঃসন্দেহে পাশ্চাত্যের মামুন ছিলেন। তার শাসনকালে উত্তর আফ্রিকা সভ্যতা ও সমৃদ্ধির সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করে।"

উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত - অন্যান্য প্রশ্ন

ফাতেমীদের পরিচয়ফাতেমীয় আন্দোলনফাতেমীয় খিলাফত প্রতিষ্ঠা- ৯০৯ খ্রি.খলিফা আল-মুইজ (৯৫২-৯৭৫ খ্রি.)খলিফা আল-আজিজ (৯৭৫-৯৯৬ খ্রি.)খলিফা আল-হাকিম (৯৯৬-১০২১ খ্রি.)ফাতেমীয় বংশের শেষ খলিফাগণফাতেমীয়দের ক্রমাবনতি ও পতনফাতেমীয়গণ কর্তৃক মিশর ও উত্তর আফ্রিকার সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশউত্তর আফ্রিকা ও মিশরে কে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেন?মিশর বিজয়ী সেনাপতির নাম কী?জওহর কে ছিলেন?'দাঈ' অর্থ কী?কত খ্রিষ্টাব্দে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?উত্তর আফ্রিকায় কোন বংশের শাসনকে উৎখাত করে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়?ফাতেমি খিলাফতের প্রতিষ্ঠাতা কে?ওবায়দুল্লাহ আল মাহদী কত খ্রিষ্টাব্দে ক্ষমতারোহণ করেন?ফাতেমি খিলাফত কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?ফাতেমি বংশের প্রথম শাসক কে ছিলেন?ফাতেমি ইতিহাসে আস শিয়ী (সর্বোত্তম শিয়া) ও মুয়াল্লিম (উপদেষ্টা) হিসেবে পরিচিত ছিলেন কে?ফাতেমি কারা?উত্তর আফ্রিকার আগলাবী শাসকের নাম কী ছিল?মিশরে ফাতেমি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেন কে?আল আজহার মসজিদ কে প্রতিষ্ঠা করেন?'আল আজহার' মসজিদটি কত খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়?'আল কাহিরা' অর্থ কী?বিশ্বের দ্বিতীয় প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম কী?আল মুইজ কত বছর রাজত্ব করেন?দারুল হিকমা প্রতিষ্ঠা করেন কে?ফাতেমি খিলাফতের সর্বশেষ খলিফা কে ছিলেন?ফাতেমি কারা? ব্যাখ্যা কর।'দাবুল হিকমা' কী? ব্যাখ্যা কর।'আল কাহিরা' বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।উত্তর আফ্রিকায় প্রতিষ্ঠিত খিলাফতকে ফাতেমি খিলাফত বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।ফাতেমি খিলাফতের পতন ঘটেছিল কেন?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ