- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
ফাতেমীয়দের ক্রমাবনতি ও পতন
মিশরে ফাতেমীয়গণ ৯০৯ হতে ১১৭১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় তিনশত বছর রাজত্ব করেন। ঐতিহাসিক ইবনে খালদুনের মতামত অনুযায়ী ১০০ বছরের অধিক কাল ফাতেমীয়গণ মহাপ্রতাপের সঙ্গে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। খলিফা আল-হাকিমের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে ফাতেমীয় খিলাফত পতনের দিকে ধাবিত হয়। আর্মেনীয় অধিবাসী উজির বদর আল-জামাল ও । তার বংশধর উজিরগণ ফাতেমীয় খিলাফতে উজিরের দায়িত্ব পালন করে ফাতেমীয় বংশকে ১০৭০ হতে ১১৩০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত পতন রোধে সহায়তা করেন। কারণ খলিফাগণ অত্যন্ত দুর্বল ছিলেন।
খলিফাদের অযোগ্যতা: আল-হাকিমের পর আল-জাহিরসহ অন্যান্য ফাতেমী খলিফাগণ আরামপ্রিয় ও অযোগ্য শাসক ছিলেন। তাদের অযোগ্যতার সুযোগে উজির-মন্ত্রিগণ যড়যন্ত্র করেন, ফলে ফাতেমীয়দের পতন ঘটে।
সৈন্যবাহিনীর ষড়যন্ত্র: সামরিক বাহিনী দুনীর্তিপরায়ণ ও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে। তাদের ক্ষমতা হ্রাস পায়।
বিভিন্ন বিদ্রোহ: তুর্কি, বার্বার ও নিগ্রোদের প্রকাশ্য শত্রুতা ও চক্রান্ত, দুর্ভিক্ষ প্রভৃতি কারণে ফাতেমীয়দের পতন ঘটে।
গাজী সালাউদ্দিনের আক্রমণ: ফাতেমী বংশের দুর্বলতার সুযোগে খলিফা আল-আদীদ-এর সময় গাজী সালাউদ্দিন কায়রো আক্রমণ করে তাকে সিংহাসনচ্যুত করে ফাতেমীয় বংশের ধ্বংসস্তূপের উপর ১১৭১ খ্রিষ্টাব্দে আইয়ুবী শাসন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে ফাতেমীয় খিলাফতের পতন ঘটে।
উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

