- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
ফাতেমীয় বংশের শেষ খলিফাগণ
'খলিফা আল-জাফির (১১৪৯ ৫৪ খ্রি.), খলিফা আল-ফইজ (১১৫৪ ৬০ খ্রি.), ও সর্বশেষ খলিফা-খলিফা আল-আজীদ খলিফা আল-হাকিমের মৃত্যুর পর খলিফা আল-জহির (১০২১ ৩৫ খ্রি.), খলিফা আল-মুস্তানসির (১০৩৫- ৯৪ খ্রি.), খলিফা আল-মুস্তালী (১০৯৪ ১১০১ খ্রি.), খলিফা আল-আমীর (১১০১ -৩০ খ্রি.), খলিফা আল-হাফিজ (১১৩০-৪৯ খ্রি.), (১১৬০ ৭১ খ্রি.) পর্যায়ক্রমে ফাতেমীয় সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন। তাদের শাসনামলে বিদ্রোহ ও অরাজকতা দেখা দেয়। ফলে ১১৭১ খ্রিষ্টাব্দে খলিফা আল-আজিদকে পরাজিত করে গাজী সালাহউদ্দিন আইয়ুবী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
উপরিউক্ত ফাতেমী খলিফাগণ নামেমাত্র শাসক ছিলেন, দেশের প্রকৃত সার্বভৌম ক্ষমতা মন্ত্রিগণের হাতে ন্যস্ত ছিল। কেননা খলিফাগণ ছিলেন ব্যক্তিত্বহীন ও শাসক হিসেবে অযোগ্য। বদর-আল-জামালী এবং আল-আফজাল ছাড়া অন্য মন্ত্রীরা স্বার্থপর ও কুচক্রী ছিলেন।
ইসলামের প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ইবনে খালদুন যে কোনো রাজবংশের আয়ুষ্কাল সম্পর্কে যে অভিমত পোষণ করেন ফাতেমীয় বংশের বেলায়ও তা বহুলাংশে প্রযোজ্য হয়। উক্ত ঐতিহাসিক-এর মতে, কোনো রাজবংশের প্রকৃত আয়ুষ্কাল একশত বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফাতেমীয় বংশ ৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ১১৭১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী হলেও এর প্রকৃত শাসন ক্ষমতা খলিফা আল আজীজের শাসনকাল (১৭৫ ১৯৬) পর্যন্ত শক্তিশাসী ছিল, আল-হাকিমের শাসনকাল (১৯৬ ১০২১) এর পরেই ফাতেমীয়দের পতন ঘটে।
উত্তর আফ্রিকায় ফাতেমি খিলাফত - অন্যান্য প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

