- হোম
- একাডেমি
- মাদরাসা
- নবম-দশম শ্রেণি
- হযরত মুহাম্মদ (স.) এর মদিনা জীবন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
যুদ্ধের ফলাফল
উহুদের যুদ্ধ ছিল মুসলমানদের জন্য ইমান ও ধৈর্যের অগ্নি পরীক্ষা। এ যুদ্ধ তাদের ভক্তি, বিশ্বাস ও আত্ম জিজ্ঞাসার পরীক্ষা। বিজয়োল্লাসী বিধর্মী কুরাইশগণ মুসলিম বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে সাময়িক জয়লাভ করলেও প্রকৃতপক্ষে তারা মানসিক ও শারীরিক শক্তি হারিয়ে ফেলে এবং এ কারণে তাদের জয় ছিল পরাজয়ের নামান্তর। উহুদের অগ্নি পরীক্ষা ইসলামের দৃঢ় সংকল্প ও আত্মনির্ভরশীলতার একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। বদরের প্রান্তর ইসলামের সামরিক বিজয়ের প্রতীক ছিল; কিন্তু উহ্রদের বিপর্যয় মুসলমানদের সুশৃঙ্খলাবদ্ধ সামরিক জাতিতে পরিণত করে। উহুদের যুদ্ধের পরাজয় থেকে মুসলমানগণ যে শিক্ষা লাভ করেন তা পরবর্তী সময়ের সকল যুদ্ধে তাদের নিকট একটি অবিস্মরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে।
উহুদের যুদ্ধের পর মহানবি (স.) ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য ৪০ জন বা ৭০ জন মুসলিম ধর্ম প্রচারককে নজদ পাঠান। বিরে মাউনা নামক স্থানে উপস্থিত হয়ে উক্ত দলটি আমির গোত্রের অন্যতম নেতা আমি ইবনে তোফায়েলের নিকট দূত মারফত মহানবির (স.) একখানা (ইসলামের) দাওয়াতপত্র পাঠান। পত্র হস্তগত হবার সাথে সাথে তিনি রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে দূতকে হত্যা করে বিরে মাউনায় সসৈন্যে গমন করে বাকি ৬৯ জনের মধ্যে ৬৭ জন মুসলমানকে হত্যা করে। বিনা যুদ্ধে এত বেশি শিক্ষিত মুসলমানদের শাহাদাত বরণ ইসলামের প্রাথমিক ইতিহাসে একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।
মদিনার অধিবাসী ও সনদমদিনার সনদ ও ইসলামি রাষ্ট্র গঠনসনদের গুরুত্ববদরের যুদ্ধ (মার্চ, ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ)বদর যুদ্ধের ঘটনাবদর যুদ্ধের গুরুত্বউহুদের যুদ্ধ (৬২৫ খ্রিস্টাব্দ) যুদ্ধের কারণমুসলমানদের সাময়িক বিপর্যয়ের কারণযুদ্ধের ফলাফলখন্দকের যুদ্ধের কারণ (৬২৭ খ্রিস্টাব্দ) খন্দক যুদ্ধের ফলাফলইহুদিদের সাথে হযরত মুহাম্মদ (স.) এর সম্পর্কইহুদি গোত্রসমূহখ্রিষ্টানদের সঙ্গে সম্পর্কহুদায়বিয়ার সন্ধি (৬২৮ খ্রিষ্টাব্দ)
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

