• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • ভৌত রাশি এবং তাদের পরিমাপ
ভৌত রাশি এবং তাদের পরিমাপ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ (Development of Physics)

আধুনিক সভ্যতা হচ্ছে বিজ্ঞানের অবদান। বিজ্ঞানের এই অগ্রগতি এক দিনে হয়নি, হাজার হাজার বছর থেকে অসংখ্য বিজ্ঞানী এবং গবেষকের অক্লান্ত পরিশ্রমে একটু একটু করে আধুনিক বিজ্ঞান বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছে। মনে রাখতে হবে প্রাচীনকালে তথ্যের আদান-প্রদান এত সহজ ছিল না, বিজ্ঞানের গবেষণার ফলাফল একে অন্যকে জানাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হতো, হাতে লিখে বই প্রস্তুত করতে হতো এবং সেই বইয়ের সংখ্যাও ছিল খুব কম। প্রচলিত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহসের প্রয়োজন ছিল। বিজ্ঞানীদের বন্দি করে রাখা বা পুড়িয়ে মারার উদাহরণও রয়েছে। তারপরেও জ্ঞানের অন্বেষণ থেমে থাকেনি এবং বিজ্ঞানীরা প্রকৃতির রহস্য উন্মোচন করে আমাদের এই আধুনিক বিজ্ঞান উপহার দিয়েছেন।
পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসকে আমরা কয়েকটি পর্বে ভাগ করে বর্ণনা করতে পারি।

আদি পর্ব (গ্রিক, ভারতবর্ষ, চীন এবং মুসলিম সভ্যতার অবদান)

বর্তমানে পদার্থবিজ্ঞান বলতে আমরা যে বিষয়টিকে বোঝাই, প্রাচীনকালে সেটি শুরু হয়েছিল জ্যোতির্বিদ্যা, আলোকবিজ্ঞান, গতিবিদ্যা এবং গণিতের গুরুত্বপূর্ণ শাখা জ্যামিতির সমন্বয়ে। গ্রিক বিজ্ঞানী থেলিসের (624 BC) নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে, কারণ তিনিই প্রথম কার্যকারণ এবং যুক্তি ছাড়া শুধু ধর্ম, অতীন্দ্রিয় এবং পৌরাণিক কাহিনিভিত্তিক ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছিলেন। থেলিস সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এবং লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে জানতেন। সেই সময়ের গণিতবিদ ও বিজ্ঞানীদের মাঝে পিথাগোরাস (527 BC) একটি স্মরণীয় নাম। জ্যামিতি এবং কম্পমান তারের ওপর তার মৌলিক কাজ ছিল। গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস (460 BC) প্রথম ধারণা দেন যে পদার্থের অবিভাজ্য একক আছে, যার নাম দেওয়া হয়েছিল অ্যাটম (এই নামটি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ব্যবহার করে থাকে)। তবে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় তার ধারণাটি প্রমাণের কোনো সুযোগ ছিল না বলে সেটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। সেই সময়কার সবচেয়ে বড় দার্শনিক এবং বিজ্ঞানী অ্যারিস্টটলের মাটি, পানি, বাতাস ও আগুন দিয়ে সবকিছু তৈরি হওয়ার মতবাদটিই অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য ছিল। আরিস্তারাকস (310 BC) প্রথমে সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দিয়েছিলেন এবং তার অনুসারী সেলেউকাস যুক্তিতর্ক দিয়ে সেটি প্রমাণ করেছিলেন, যদিও সেই যুক্তিগুলো এখন কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। গ্রিক বিজ্ঞান এবং গণিত তার সর্বোচ্চ শিখরে উঠেছিল সর্বকালের একজন শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের (287 BC) সময় (চিত্র ১.০১)। তরল পদার্থে ঊর্ধ্বমুখী বলের বিষয়টি এখনো বিজ্ঞান বইয়ের পঠনসূচিতে থাকে। গোলীয় আয়নায় সূর্যরশ্মিকে কেন্দ্রীভূত করে দূর থেকে শত্রুর যুদ্ধজাহাজে আগুন ধরিয়ে তিনি যুদ্ধে সহায়তা করেছিলেন। গ্রিক আমলের আরেকজন বিজ্ঞানী ছিলেন ইরাতোস্থিনিস (276 BC), যিনি সেই সময়ে সঠিকভাবে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বের করেছিলেন।

এরপর প্রায় দেড় হাজার বছর জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা প্রায় বন্ধ হয়েছিল। শুধু ভারতীয়, মুসলিম এবং চীনা ধারার সভ্যতা গ্রিক ধারার এই জ্ঞানচর্চাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। ভারতবর্ষে আর্যভট্ট (476), ব্রহ্মগুপ্ত এবং ভাস্কর গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যার অনেক মূল্যবান কাজ করেছেন। শূন্যকে সত্যিকার অর্থে ব্যবহার করার কাজটিও ভারতবর্ষে (আর্যভট্ট) করা হয়েছিল। মুসলিম গণিতবিদ এবং বিজ্ঞানীদের ভেতর আল খোয়ারিজমির (783) নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হয় (চিত্র ১.০১)। তার লেখা 'আল জাবির' বই থেকে বর্তমান অ্যালজেবরা নামটি এসেছে। ইবনে আল হাইয়াম (965) কে আলোকবিজ্ঞানের স্থপতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আল মাসুদি (896) প্রকৃতির ইতিহাস নিয়ে 30 খণ্ডে একটি এনসাইক্লোপিডিয়া লিখেছিলেন। ওমর খৈয়ামের নাম সবাই কবি হিসেবে জানে; কিন্তু তিনি ছিলেন উঁচুমাপের একজন গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ এবং দার্শনিক। চীনা গণিতবিদ ও বিজ্ঞানীরাও পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। তাদের মাঝে শেন কুয়োর নামটি উল্লেখ করা যায় (1031), যিনি চুম্বক নিয়ে কাজ করেছেন এবং ভ্রমণের সময় কম্পাস ব্যবহার করে দিক নির্ধারণ করার বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন।

বিজ্ঞানের উত্থানপর্ব

ষোড়শ এবং সপ্তদশ শতাব্দীতে ইউরোপে পদার্থবিজ্ঞানের জগতে একটি বিস্ময়কর বিপ্লবের শুরু হয়, সময়টা ছিল ইউরোপীয় রেঁনেসার যুগ। 1543 সালে কপার্নিকাস (চিত্র ১.০২) তার একটি বইয়ে সূর্যকেন্দ্রিক একটি সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন (বইয়ের প্রকাশক ধর্মযাজকদের ভয়ে লিখেছিলেন যে এটি সত্যিকারের ব্যাখ্যা নয়, শুধু একটি গাণিতিক সমাধান মাত্র!)। কপার্নিকাসের তত্ত্বটি দীর্ঘদিন লোকচক্ষুর আড়ালে পড়ে ছিল, গ্যালিলিও (1564-1642) সেটিকে সবার সামনে নিয়ে আসেন। তিনি গাণিতিক সূত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা করে সেই সূত্রটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক ধারার সূচনা করেন। গ্যালিলিওকে (চিত্র ১.০২) অনেক সময় আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তবে সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের প্রবক্তা হওয়ার কারণে তিনি চার্চের কোপানলে পড়েছিলেন এবং শেষ জীবনে তাঁকে গৃহবন্দি হয়ে কাটাতে হয়। 1687 খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী নিউটন (চিত্র ১.০২) বলবিদ্যার তিনটি এবং মহাকর্ষ বলের সূত্র প্রকাশ করেন, যেটি বল এবং গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়। আলোকবিজ্ঞান এবং অন্য আরও কাজের সাথে সাথে বিজ্ঞানী নিউটন লিবনিজের সাথে গণিতের নতুন একটি শাখা 'ক্যালকুলাস, আবিষ্কার করেছিলেন।

অষ্টাদশ শতাব্দীর আগে তাপকে ভরহীন একধরনের তরল হিসেবে বিবেচনা করা হতো। 1798 সালে কাউন্ট রামফোর্ড দেখান, তাপ একধরনের শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর করা যায়। আরও অনেক বিজ্ঞানীর গবেষণার ওপর ভিত্তি করে লর্ড কেলভিন 1850 সালে তাপ গতিবিজ্ঞানের (থার্মোডিনামিক্সের) দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছিলেন।

বিদ্যুৎ ও চুম্বকের ওপরেও এই সময় ব্যাপক গবেষণা শুরু হয়। 1778 সালে কুলম্ব বৈদ্যুতিক চার্জের ভেতরকার বলের জন্য সূত্র আবিষ্কার করেন। 1800 সালে ভোল্টা বৈদ্যুতিক ব্যাটারি আবিষ্কার করার পর বিদ্যুৎ নিয়ে নানা ধরনের গবেষণা শুরু হয়। 1820 সালে অরস্টেড দেখান বিদ্যুৎপ্রবাহ দিয়ে চুম্বক তৈরি করা যায়। 1831 সালে ফ্যারাডে এবং হেনরি ঠিক তার বিপরীত প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার করেন।

তারা দেখান চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করে বিদ্যুৎ তৈরি করা যায়। 1864 সালে ম্যাক্সওয়েল (চিত্র ১.০৩) তার বিখ্যাত ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ দিয়ে পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্রকে একই সূত্রের মাঝে নিয়ে এসে দেখান যে আলো আসলে একটি বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। বিদ্যুৎ ও চুম্বক আলাদা কিছু নয়, আসলে এ দুটি একই শক্তির দুটি ভিন্ন রূপ। এটি সময়োপযোগী একটি আবিষ্কার ছিল। কারণ, 1801 সালে ইয়ং পরীক্ষার মাধ্যমে আলোর তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ করে রেখেছিলেন।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা

ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই বিজ্ঞানীরা দেখতে লাগলেন প্রচলিত পদার্থবিজ্ঞান দিয়ে অনেক কিছু ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। 1803 সালে ডাল্টন পারমাণবিক তত্ত্ব দিয়েছেন, 1897 সালে থমসন সেই পরমাণুর ভেতর ইলেকট্রন আবিষ্কার করেছেন, 1911 সালে রাদারফোর্ড দেখিয়েছেন, পরমাণুর কেন্দ্রে খুবই ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াসে পজিটিভ চার্জগুলো থাকে। কিন্তু দেখা গেল নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরন্ত ইলেকট্রনের মডেলটি কোনোভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না, কারণ বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় সূত্র অনুযায়ী এই অবস্থায় ইলেকট্রন তার শক্তি বিকিরণ করে নিউক্লিয়াসের ভেতর পড়ে যাবে; কিন্তু বাস্তবে তা কখনো ঘটে না। 1900 সালে ম্যাক্স প্ল্যাংক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন, যা ব্যবহার করে কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানী বোর পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করার জন্য কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করেন। বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু 1924 সালে কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণা ব্যবহার করে বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্ব প্রদান করেন। এজন্য বিজ্ঞানী বসুকে কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্বের জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়, এবং তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একশ্রেণির মৌলিক কণাকে বোজন (Boson) নাম দেওয়া হয়। 1900 থেকে 1930 সাল পর্যন্ত এই সময়টিতে হাইজেনবার্গ, শ্রোডিঙ্গার, ডিরাকসহ অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী মিলে পদার্থের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেন।

বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের বাহক হিসেবে ইথার নামে একটি বিষয় কল্পনা করে নেওয়া হয়েছিল এবং 1887 সালে মাইকেলসন ও মোরলি তার অস্তিত্ব আবিষ্কার করার চেষ্টা করে দেখান যে প্রকৃতপক্ষে ইথার বলে কিছু নেই এবং আলোর বেগ স্থির কিংবা গতিশীল সব মাধ্যমে সমান! 1905 সালে আইনস্টাইনের (চিত্র ১.০৪) 'থিওরি অব রিলেটিভিটি' থেকে এই বিষয়টির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকেই সর্বকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ সূত্র E=mc² বের হয়ে আসে, যেখানে দেখানো হয় বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।

কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাথে থিওরি অব রিলেটিভিটি ব্যবহার করে ডিরাক 1931 সালে প্রতি কণা (Anti Particle) অস্তিত্ব ঘোষণা করেন, যেটি পরের বছরেই আবিষ্কৃত হয়ে যায়।
1895 সালে রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন। 1896 সালে বেকেরেল দেখান যে পরমাণুর কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হচ্ছে। 1899 সালে পিয়ারে ও মেরি কুরি (চিত্র ১.০৩) রেডিয়াম আবিষ্কার করেন এবং বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন পরমাণুগুলো আসলে অবিনশ্বর নয়, সেগুলো ভেঙে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হতে পারে।

সাম্প্রতিক পদার্থবিজ্ঞান

ইলেকট্রনিকস এবং আধুনিক প্রযুক্তির আবিষ্কারের কারণে শক্তিশালী এক্সেলারেটর (Acceleretor) তৈরি করা সম্ভব হয় এবং অনেক বেশি শক্তিতে ত্বরিত করে নতুন নতুন কণা আবিষ্কৃত হতে থাকে। তাত্ত্বিক Standard Model ব্যবহার করে এই কণাগুলোকে চমৎকারভাবে সুবিন্যস্ত করা সম্ভব হয়। আপাতদৃষ্টিতে অসংখ্য নতুন নতুন কণা মনে হলেও অল্প কয়েকটি মৌলিক কণা (এবং তাদের প্রতি কণা) দিয়ে সকল কণার গঠন ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়। Standard Model ব্যবহার করে এই কণাগুলোর ভর ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয় বলে ভরের জন্য হিগস বোজন (Higg's boson) নামে একটি নতুন কণার অস্তিত্ব ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। 2013 সালে পরীক্ষাগারে হিগস বোজনকে শনাক্ত করার এই ঘটনাটিকে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের বিরাট সাফল্য হিসেবে ধরা হয়।

1924 সালে হাবল দেখিয়েছিলেন বিশ্বব্রহ্মান্ডের সবগুলো গ্যালাক্সি একে অন্য থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, যেটি প্রদর্শন করে যে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ধীরে ধীরে প্রসারিত হচ্ছে। যার অর্থ, অতীতে একসময় পুরো বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এক জায়গায় ছিল। বিজ্ঞানীরা দেখান প্রায় 14 বিলিয়ন বছর আগে 'বিগ ব্যাং' নামে একটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড তৈরি হওয়ার পর থেকে সেটি প্রসারিত হতে থাকে। অতি সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, এই প্রসারণ কখনোই থেমে যাবে না এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবকিছুই একটি অন্যটি থেকে দূরে সরে যাবে। পদার্থবিজ্ঞানীরা আরও দেখিয়েছেন, তাঁরা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের দৃশ্যমান গ্রহ-নক্ষত্র গ্যালাক্সির মাত্র 4 শতাংশ ব্যাখ্যা করতে পারেন, বাকি ব্যাখ্যা করতে হলে রহস্যময় ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির ধারণা মেনে নিতে হয়। যার গঠন নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে যাচ্ছেন।

কঠিন পদার্থের বিজ্ঞান (Solid State Physics) নিয়ে গবেষণা অর্ধপরিবাহী পদার্থের জন্ম দেয়, যেগুলো ব্যবহার করে বর্তমান ইলেকট্রনিকস গড়ে উঠেছে, যেটি বর্তমান সভ্যতার ভিত্তিমূল।

ভৌত রাশি এবং তাদের পরিমাপ - অন্যান্য প্রশ্ন

পদার্থবিজ্ঞান (Physics)পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর (Scope of Physics)পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ (Development of Physics)জগদীশচন্দ্র বসুর অবদান (Contributions of Jagadish Chandra Bose)পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য (Objectives of Physics)ভৌত রাশি এবং তাদের পরিমাপ (Physical Quantities and Their Measurement)পরিমাপের যন্ত্রপাতি (Measuring Instruments)পরিমাপের ত্রুটি ও নির্ভুলতা (Error and accuracy of measurements)পদার্থবিজ্ঞানকে প্রধানত কয়টি শাখায় ভাগ করা হয়েছে।ইলেকট্রন ও প্রোটনের মৌলিক ও বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্ম কী?বিজ্ঞানের সবচেয়ে মৌলিক শাখা কোনটি?জীববিজ্ঞান বিজ্ঞানের কোন শাখার উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে?পদার্থবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়গুলো কী কী?ইলেকট্রনিক্স গড়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান কোন বিষয়ের?আধুনিক সভ্যতা সৃষ্টিতে কিসের সর্বাধিক অবদান রয়েছে?Astronomy এবং পদার্থবিজ্ঞানের সমন্বয়ে কী তৈরি হয়?Biophysics দ্বারা কী ব্যাখ্যা করা যায়?পদার্থ এবং রসায়নের মিলিত শাখার নাম কী?Medical Physics কী?পঠন-পাঠনের সুবিধার্থে পদার্থবিজ্ঞানকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?আলোকবিজ্ঞান কোন শাখার আলোচ্য বিষয়?আপেক্ষিক তত্ত্ব বিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?বোস-আইনস্টাইন সংখ্যায়ন তত্ত্ব কার নামে পরিচিত?জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল কত সালে দেখান যে আলো এক প্রকার চৌম্বক তরঙ্গ।পৌরানিক কাহিনীভিত্তিক ব্যাখ্যা গ্রহণ অস্বীকার করেন কে?সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন কে?এটম সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন কে?তরল পদার্থের ঊর্ধ্বমুখী বলের ধারণা প্রদান করেন কে?পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সর্বপ্রথম কে সঠিকভাবে নির্ণয় করেন?শূন্য সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করে?আলোকবিজ্ঞানের স্থপতি কে?পদার্থবিজ্ঞানের মূলনীতি কাকে বলা হয়?সৌরকেন্দ্রিক তত্ত্বের ধারণা দেন কে?সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা দের কে?সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের প্রবস্তা কোন বিজ্ঞানী?আধুনিক বিজ্ঞানের জনক কে?ক্যালকুলাস কে আবিষ্কার করেন?এনসাইক্লোপিডিয়া কার লেখা?থার্মোডিনামিক্সের দুটি সূত্র প্রদান করেন কে?বৈদ্যুতিক ব্যাটারির আবিষ্কারক কে?পরমাণু বিষয়ক নিউক্লিয় তত্ত্ব প্রদান করেন কে?কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন কে?গেজ বোসন কী ধরনের কণা?E=mc² সূত্রটি কে প্রদান করেন?এক্স-রে কত সালে আবিষ্কৃত হয়?তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক কে?বিস্ফোরণে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি হয়ে তা ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে" তত্ত্বটির নাম কী?"বর্তমান সভ্যতার ভিত্তিমূল কী?পদার্থের অবিভাজ্য এককের নাম এটম দেন কোন বিজ্ঞানী?রেডিয়ামের আবিষ্কারক কে?জগদীশচন্দ্র বসু কত সালে প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন?'Response in the living and nonliving' গ্রন্থটি কার রচিত?প্রকৃতির মৌলিক নিয়মগুলো আবিষ্কার কোন বিজ্ঞানের অবদান?পদার্থবিজ্ঞানের মূল উদ্দেশ্য কয়টি?কোন রশ্মি বিকিরণ ব্যাখ্যাকালে দুর্বল নিউক্লিয় বল আবিষ্কৃত হয়?নিউক্লিয়ার বৈদ্যুতিক কেন্দ্র তৈরি হয় কোন সূত্রানুসারে?অর্ধপরিবাহীর সাথে বিশেষ মৌল মিশিয়ে কী তৈরি হয়?পদার্থের পরিমাণের একক কী?মৌলিক এককের সাহায্যে প্রতিপাদিত এককের নাম কী?১০ পিকো ফ্যারাড কত ফ্যারাডের সমান?সময়ের একক নির্ধারণে ব্যবহৃত পরমাণুটি কী?দৈর্ঘ্যের মাত্রাকে কি দিয়ে প্রকাশ করা হয়?মৌলিক রাশি মোট কতটি?পদার্থের পরিমাণ কোন ধরনের রাশি?তাপের SI একক কী?অন্য রাশির উপর নির্ভরশীল রাশিকে কী বলে?অ্যাম্পিয়ার কীসের একক?ঘনত্ব কোন ধরনের রাশি?Systeme International d' unites এর সংক্ষিপ্ত রূপ কী?প্রোটনের ব্যাসার্ধ কত?ভাইরাসের দৈর্ঘ্য কত?নিকটতম গ্যালাক্সির দূরত্ব কত?সূর্যের ভর কত?সৌরজগতের ব্যাসার্ধ কত?নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ থেকে পরমাণুর ব্যাসার্ধ কতগুণ বড়?ধূলিকণার ভর কত?পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা কত?১ m দূরত্বে রাখা দুটি তারের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত হলে তাদের মধ্যকার আকর্ষণ বল কত?মানুষের হৃদস্পন্দনের সময় কত?বিগ ব্যাংয়ের সময় কত?একটি মোমবাতির আলো কত ক্যান্ডেলার সমান?যে আদর্শ পরিমাপের সাথে তুলনা করে ভৌত রাশিকে পরিমাপ করা হয় তাকে কী বলে?দীপন তীব্রতার একক কী?S.I পদ্ধতিতে তাপমাত্রার একক কী?যে নির্দিষ্ট বস্তুটির ভরকে এক কিলোগ্রাম ধরা হয় তার ব্যাস কত?ঘনকোণের একক কী?শূন্য মাধ্যমে আলো ১ মিটার দূরত্ব কত সেকেন্ডে অতিক্রম করে?খুব বড় বা ছোট সংখ্যা লিখতে কী ব্যবহৃত হয়?দশ লক্ষ বাইট সমান কত মেগাবাইট?এক হেক্টো এক ন্যানোর কত গুণ?5 Em মিটার কত মিটার?ফেমটো উপসর্গের উৎপাদক কত?বেগের মাত্রা সমীকরণ কী?সময়ের মাত্রা কী?মাত্রা বোঝাতে কোন ব্রাকেট ব্যবহৃত হয়?এককের সংকেত কোন অক্ষরে লিখতে হয়?100 ন্যানো মিটারের সঠিক সংকেত লিখ।এক পিকোমিটার সমান কত মিটার?এক টেরাগ্রাম সমান কত গ্রাম?এক ন্যানো সেকেন্ড সমান কত সেকেন্ড?১ মাইক্রোভোল্ট সমান কত ভোল্ট?১ পেটামিটার কত মিটারের সমান?দীপন তীব্রতার মাত্রা কী?ওজনের মাত্রা কী?ফাঁপা নলের অন্তঃব্যাস মাপার জন্য কোন স্কেল ব্যবহার করা হয়?১ ইঞ্চি সমান কত সে.মি.?দৈর্ঘ্য মাপার সবচেয়ে সরল স্কেল এর নাম কী?মিলিমিটার অপেক্ষা ছোট দৈর্ঘ্য পরিমাপে কোন স্কেল ব্যবহৃত হয়?মূল স্কেলের ১ ভাগ অপেক্ষা ভার্নিয়ার স্কেলের ১ ভাগ যতটুকু ছোট তাকে কী বলে?ভার্নিয়ার সমপাতন প্রকাশ করা হয় কীসের মাধ্যমে?প্রধান স্কেলের পাঠ (M), ভার্নিয়ার সমপাতন (V), ভার্নিয়ার ধ্রুবক (VC) হলে দন্ডের দৈর্ঘ্য কী হবে?মিটার স্কেলের দৈর্ঘ্য সাধারণত কত সে.মি.?পিচকে বৃত্তাকার স্কেলের ভাগসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে কী পাওয়া যায়?যান্ত্রিক ত্রুটি কত প্রকার?বৃত্তাকার স্কেলের ভাগ সংখ্যা 50 হলে ন্যূনাঙ্ক কত?অধিকতর সূক্ষ্ম ভর পরিমাপে কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?সময় মাপার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?ব্যালান্স কী?স্ক্রু-এর সরণকে কী বলে?একটি ঘন গোলাকার বস্তুর ব্যাসার্ধ r হলে বস্তুটির আয়তন কত?নিরেট সরু তারের ব্যাস মাপা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে?d ব্যাস ও h উচ্চতাবিশিষ্ট কোনো সিলিন্ডারের আয়তন নির্ণয়ের সূত্র কী?একটি ঘন গোলাকার বস্তুর ব্যাস R হলে আয়তন কত?পরিমাপের ত্রুটি বলতে সাধারণত কী বুঝায়?কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্য 3.5 হতে 4.5 এর মধ্যে হলে কীভাবে লেখা যায়?পরিমাপের ত্রুটি কত প্রকার?যান্ত্রিক ত্রুটি কখন নির্ণয় করতে হয়?4 cm ব্যাসের পাইপের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল কত?চূড়ান্ত ত্রুটি এবং পরিমাপ করা মানের অনুপাতকে কী বলে?সিলিন্ডারের আয়তন নির্ণয়ের সূত্রটি কী?একটি ডিজিটাল থামা ঘড়ি কত পর্যন্ত পাঠ দিতে পারে?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ