• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • ভৌত রাশি এবং তাদের পরিমাপ
ভৌত রাশি এবং তাদের পরিমাপ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য (Objectives of Physics)

তোমরা এর মাঝে জেনে গেছ যে পদার্থবিজ্ঞান হচ্ছে বিজ্ঞানের সেই শাখা, যেটি শক্তি এবং বলের উপস্থিতিতে সময়ের সাথে বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন ব্যাখ্যা করে। যেকোনো জ্ঞানের মতোই পদার্থবিজ্ঞানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জানা, পদার্থবিজ্ঞানের জানার পরিসরটি অনেক বড়ো, ক্ষুদ্র পরমাণু থেকে বিশাল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করাই হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য। বোঝার সুবিধার জন্য আমরা পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্যকে তিনটি মূল ভাগে ভাগ করতে পারি:

প্রকৃতির রহস্য উদঘাটন

প্রাচীনকালে চীন দেশে একটুকরো লোড স্টোনকে সমজাতীয় অন্য একটি লোড স্টোনের টুকরোকে অদৃশ্য একটা শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করতে দেখা গিয়েছিল। বিশেষ ধরনের এই পদার্থের বিশেষ এই ধর্মটির নাম দেওয়া হয়েছিল চৌম্বকত্ব (Magnetism)। একইভাবে প্রাচীন গ্রিসে আম্বর নামের পদার্থকে পশম দিয়ে ঘষা হলে সেটি এই দুটি পদার্থকে একটি অদৃশ্য শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করত। এই বিশেষ ধর্মের নাম দেওয়া হলো ইলেকট্রিসিটি বা বৈদ্যুতিক শক্তি (Electricity)। অষ্টাদশ শতাব্দীতে এটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয় এবং বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন এটি একই বলের দুটি ভিন্ন রূপ এবং এই বলটির নাম দেওয়া হয় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (Electromagnetism)। পরবর্তীতে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কৃত হওয়ার পর বিটা রশ্মি নামে একটা বিশেষ বিকিরণ ব্যাখ্যা করার সময় 'দুর্বল নিউক্লিয় বল' নামে নতুন এক ধরনের বল আবিষ্কৃত হয়। পদার্থবিজ্ঞানীরা পরে দেখালেন বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লিয় বল একই বলের ভিন্ন ভিন্ন রূপ। তাদেরকে একত্র করে সেই বলের নাম দেওয়া হলো ইলেকট্রো উইক ফোর্স। পদার্থবিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, প্রকৃতিতে মহাকর্ষ বল এবং নিউক্লিয়ার বল নামে আরও যে দুটি বল রয়েছে ভবিষ্যতে সেগুলোও একই সূত্রের আওতায় আনা যাবে।

পদার্থবিজ্ঞান এভাবেই একের পর এক প্রকৃতির রহস্য উন্মোচন করে যাচ্ছে। একইভাবে বলা যায় একটি বস্তু তৈরি হয়েছে অণু দিয়ে, পরবর্তীতে দেখা গেছে, অণুগুলো মৌলগুলোর পরমাণু দিয়ে তৈরি। পরমাণুগুলোর চার্জ নিরপেক্ষ হলেও তার কেন্দ্রে রয়েছে পজিটিভ চার্জের নিউক্লিয়াস এবং তাকে কেন্দ্র করে ইলেকট্রনগুলো ঘুরছে। ইলেকট্রন একটি মৌলিক কণা হলেও দেখা গেল নিউক্লিয়াস প্রোটন এবং নিউট্রন দিয়ে তৈরি। পরবর্তীতে দেখা যায়, নিউট্রন এবং প্রোটনও কোয়ার্ক নামে অন্য এক ধরনের মৌলিক কণা দিয়ে তৈরি। ইলেকট্রন এবং কোয়ার্ক স্ট্রিং দিয়ে তৈরি কি না সেটি বর্তমান সময়ের গবেষণার বিষয়।

প্রকৃতির নিয়মগুলো জানা

সৃষ্টির আদিকাল থেকে আমরা জানি যে উপর থেকে কিছু ছেড়ে দিলে সেটি নিচে পড়বে এবং সেটি দেখে আমরা অনুমান করতে পারি যে পৃথিবীর সবকিছুই তার নিজের দিকে আকর্ষণ করছে। পদার্থবিজ্ঞান যদি শুধু মাধ্যাকর্ষণ বলের অস্তিত্বের কথা ঘোষণা করে থেমে যায়, তাহলে সেটি মোটেও যথেষ্ট নয়। একটি নির্দিষ্ট ভরের বস্তুকে অন্য নির্দিষ্ট ভর কতটুকু বল দিয়ে আকর্ষণ করে এবং দূরত্বের সাথে সেটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়, সেটি নিখুঁতভাবে না জানা পর্যন্ত এই জ্ঞানটুকু পূর্ণ হয় না। নিউটন মহাকর্ষ বলের সূত্র দিয়ে অত্যন্ত সঠিকভাবে প্রকৃতির এই নিয়মটি ব্যাখ্যা করেছেন। প্রকৃতির নিয়মটি সঠিকভাবে জানা হলে সেটি অন্য অনেক জায়গায় প্রয়োগ করে ব্যবহার করা যায়। কাজেই মহাকর্ষ বলের সূত্র দিয়ে যেরকম একটি পড়ন্ত বস্তুর গতি ব্যাখ্যা করা যায়, ঠিক সেরকম সূর্যকে ঘিরে পৃথিবীর প্রদক্ষিণকেও ব্যাখ্যা করা যায়। প্রকৃতির এই নিয়মগুলো সঠিকভাবে জানার জন্য বিজ্ঞানীরা সেটি যেরকম যুক্তিতর্ক দিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন, ঠিক সেরকম ল্যাবরেটরিতে নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করে যাচ্ছেন। পদার্থবিজ্ঞানের বিস্ময়কর সাফল্যের পেছনে যেরকম তাত্ত্বিক গবেষণা হয়েছে, ঠিক সেরকম রয়েছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এই দুটি ভিন্ন ধারায় গবেষণা করে প্রকৃতির নিয়মগুলো খুঁজে বের করা পদার্থবিজ্ঞানের মূল উদ্দেশ্য।

প্রাকৃতিক নিয়ম ব্যবহার করে প্রযুক্তির বিকাশ

আইনস্টাইন থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে E = mc² সূত্রটি বের করে দেখিয়েছিলেন ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। 1938 সালে অটোহান এবং স্ট্রেসম্যান একটি নিউক্লিয়াসকে ভেঙে দেখান যে নিউক্লিয়াসের ভর যেটুকু কমে গিয়েছে, সেটা শক্তি হিসেবে বের হয়েছে। এই সূত্র ব্যবহার করে নিউক্লিয়ার বোমা তৈরি করে সেটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে ফেলে মুহূর্তের মাঝে লক্ষ লক্ষ মানুষ মেরে ফেলা সম্ভব হয়েছিল। শুধু যে মারণাস্ত্র তৈরি করা সম্ভব তা নয়, এই শক্তি মানুষের কাজেও লাগানো সম্ভব। এই সূত্র ব্যবহার করে নিউক্লিয়ার বৈদ্যুতিক কেন্দ্র (Nuclear Power Plant) তৈরি করা হয় এবং আমাদের রূপপুরেও সেরকম একটি নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হতে যাচ্ছে।

পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা হচ্ছে কঠিন অবস্থার পদার্থবিজ্ঞান এবং সেখানে অর্ধপরিবাহী নিয়ে কাজ করা হয়। এই অর্ধপরিবাহীর সাথে বিশেষ মৌল মিশিয়ে তাদের যুক্ত করে ট্রানজিস্টার তৈরি করা হয়। এই প্রযুক্তি দিয়ে ইলেকট্রনিকসের একটি অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে এবং বর্তমান সভ্যতায় এই ইলেকট্রনিকসের একটি অনেক বড় অবদান রয়েছে।
আমরা এভাবে দেখাতে পারব, প্রযুক্তির প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই পদার্থবিজ্ঞানের ছোটো কিংবা বড়ো অবদান রয়েছে।

ভৌত রাশি এবং তাদের পরিমাপ - অন্যান্য প্রশ্ন

পদার্থবিজ্ঞান (Physics)পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর (Scope of Physics)পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ (Development of Physics)জগদীশচন্দ্র বসুর অবদান (Contributions of Jagadish Chandra Bose)পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য (Objectives of Physics)ভৌত রাশি এবং তাদের পরিমাপ (Physical Quantities and Their Measurement)পরিমাপের যন্ত্রপাতি (Measuring Instruments)পরিমাপের ত্রুটি ও নির্ভুলতা (Error and accuracy of measurements)পদার্থবিজ্ঞানকে প্রধানত কয়টি শাখায় ভাগ করা হয়েছে।ইলেকট্রন ও প্রোটনের মৌলিক ও বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্ম কী?বিজ্ঞানের সবচেয়ে মৌলিক শাখা কোনটি?জীববিজ্ঞান বিজ্ঞানের কোন শাখার উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে?পদার্থবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়গুলো কী কী?ইলেকট্রনিক্স গড়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান কোন বিষয়ের?আধুনিক সভ্যতা সৃষ্টিতে কিসের সর্বাধিক অবদান রয়েছে?Astronomy এবং পদার্থবিজ্ঞানের সমন্বয়ে কী তৈরি হয়?Biophysics দ্বারা কী ব্যাখ্যা করা যায়?পদার্থ এবং রসায়নের মিলিত শাখার নাম কী?Medical Physics কী?পঠন-পাঠনের সুবিধার্থে পদার্থবিজ্ঞানকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?আলোকবিজ্ঞান কোন শাখার আলোচ্য বিষয়?আপেক্ষিক তত্ত্ব বিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?বোস-আইনস্টাইন সংখ্যায়ন তত্ত্ব কার নামে পরিচিত?জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল কত সালে দেখান যে আলো এক প্রকার চৌম্বক তরঙ্গ।পৌরানিক কাহিনীভিত্তিক ব্যাখ্যা গ্রহণ অস্বীকার করেন কে?সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন কে?এটম সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন কে?তরল পদার্থের ঊর্ধ্বমুখী বলের ধারণা প্রদান করেন কে?পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সর্বপ্রথম কে সঠিকভাবে নির্ণয় করেন?শূন্য সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করে?আলোকবিজ্ঞানের স্থপতি কে?পদার্থবিজ্ঞানের মূলনীতি কাকে বলা হয়?সৌরকেন্দ্রিক তত্ত্বের ধারণা দেন কে?সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা দের কে?সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের প্রবস্তা কোন বিজ্ঞানী?আধুনিক বিজ্ঞানের জনক কে?ক্যালকুলাস কে আবিষ্কার করেন?এনসাইক্লোপিডিয়া কার লেখা?থার্মোডিনামিক্সের দুটি সূত্র প্রদান করেন কে?বৈদ্যুতিক ব্যাটারির আবিষ্কারক কে?পরমাণু বিষয়ক নিউক্লিয় তত্ত্ব প্রদান করেন কে?কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন কে?গেজ বোসন কী ধরনের কণা?E=mc² সূত্রটি কে প্রদান করেন?এক্স-রে কত সালে আবিষ্কৃত হয়?তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক কে?বিস্ফোরণে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি হয়ে তা ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে" তত্ত্বটির নাম কী?"বর্তমান সভ্যতার ভিত্তিমূল কী?পদার্থের অবিভাজ্য এককের নাম এটম দেন কোন বিজ্ঞানী?রেডিয়ামের আবিষ্কারক কে?জগদীশচন্দ্র বসু কত সালে প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন?'Response in the living and nonliving' গ্রন্থটি কার রচিত?প্রকৃতির মৌলিক নিয়মগুলো আবিষ্কার কোন বিজ্ঞানের অবদান?পদার্থবিজ্ঞানের মূল উদ্দেশ্য কয়টি?কোন রশ্মি বিকিরণ ব্যাখ্যাকালে দুর্বল নিউক্লিয় বল আবিষ্কৃত হয়?নিউক্লিয়ার বৈদ্যুতিক কেন্দ্র তৈরি হয় কোন সূত্রানুসারে?অর্ধপরিবাহীর সাথে বিশেষ মৌল মিশিয়ে কী তৈরি হয়?পদার্থের পরিমাণের একক কী?মৌলিক এককের সাহায্যে প্রতিপাদিত এককের নাম কী?১০ পিকো ফ্যারাড কত ফ্যারাডের সমান?সময়ের একক নির্ধারণে ব্যবহৃত পরমাণুটি কী?দৈর্ঘ্যের মাত্রাকে কি দিয়ে প্রকাশ করা হয়?মৌলিক রাশি মোট কতটি?পদার্থের পরিমাণ কোন ধরনের রাশি?তাপের SI একক কী?অন্য রাশির উপর নির্ভরশীল রাশিকে কী বলে?অ্যাম্পিয়ার কীসের একক?ঘনত্ব কোন ধরনের রাশি?Systeme International d' unites এর সংক্ষিপ্ত রূপ কী?প্রোটনের ব্যাসার্ধ কত?ভাইরাসের দৈর্ঘ্য কত?নিকটতম গ্যালাক্সির দূরত্ব কত?সূর্যের ভর কত?সৌরজগতের ব্যাসার্ধ কত?নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ থেকে পরমাণুর ব্যাসার্ধ কতগুণ বড়?ধূলিকণার ভর কত?পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা কত?১ m দূরত্বে রাখা দুটি তারের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত হলে তাদের মধ্যকার আকর্ষণ বল কত?মানুষের হৃদস্পন্দনের সময় কত?বিগ ব্যাংয়ের সময় কত?একটি মোমবাতির আলো কত ক্যান্ডেলার সমান?যে আদর্শ পরিমাপের সাথে তুলনা করে ভৌত রাশিকে পরিমাপ করা হয় তাকে কী বলে?দীপন তীব্রতার একক কী?S.I পদ্ধতিতে তাপমাত্রার একক কী?যে নির্দিষ্ট বস্তুটির ভরকে এক কিলোগ্রাম ধরা হয় তার ব্যাস কত?ঘনকোণের একক কী?শূন্য মাধ্যমে আলো ১ মিটার দূরত্ব কত সেকেন্ডে অতিক্রম করে?খুব বড় বা ছোট সংখ্যা লিখতে কী ব্যবহৃত হয়?দশ লক্ষ বাইট সমান কত মেগাবাইট?এক হেক্টো এক ন্যানোর কত গুণ?5 Em মিটার কত মিটার?ফেমটো উপসর্গের উৎপাদক কত?বেগের মাত্রা সমীকরণ কী?সময়ের মাত্রা কী?মাত্রা বোঝাতে কোন ব্রাকেট ব্যবহৃত হয়?এককের সংকেত কোন অক্ষরে লিখতে হয়?100 ন্যানো মিটারের সঠিক সংকেত লিখ।এক পিকোমিটার সমান কত মিটার?এক টেরাগ্রাম সমান কত গ্রাম?এক ন্যানো সেকেন্ড সমান কত সেকেন্ড?১ মাইক্রোভোল্ট সমান কত ভোল্ট?১ পেটামিটার কত মিটারের সমান?দীপন তীব্রতার মাত্রা কী?ওজনের মাত্রা কী?ফাঁপা নলের অন্তঃব্যাস মাপার জন্য কোন স্কেল ব্যবহার করা হয়?১ ইঞ্চি সমান কত সে.মি.?দৈর্ঘ্য মাপার সবচেয়ে সরল স্কেল এর নাম কী?মিলিমিটার অপেক্ষা ছোট দৈর্ঘ্য পরিমাপে কোন স্কেল ব্যবহৃত হয়?মূল স্কেলের ১ ভাগ অপেক্ষা ভার্নিয়ার স্কেলের ১ ভাগ যতটুকু ছোট তাকে কী বলে?ভার্নিয়ার সমপাতন প্রকাশ করা হয় কীসের মাধ্যমে?প্রধান স্কেলের পাঠ (M), ভার্নিয়ার সমপাতন (V), ভার্নিয়ার ধ্রুবক (VC) হলে দন্ডের দৈর্ঘ্য কী হবে?মিটার স্কেলের দৈর্ঘ্য সাধারণত কত সে.মি.?পিচকে বৃত্তাকার স্কেলের ভাগসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে কী পাওয়া যায়?যান্ত্রিক ত্রুটি কত প্রকার?বৃত্তাকার স্কেলের ভাগ সংখ্যা 50 হলে ন্যূনাঙ্ক কত?অধিকতর সূক্ষ্ম ভর পরিমাপে কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?সময় মাপার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?ব্যালান্স কী?স্ক্রু-এর সরণকে কী বলে?একটি ঘন গোলাকার বস্তুর ব্যাসার্ধ r হলে বস্তুটির আয়তন কত?নিরেট সরু তারের ব্যাস মাপা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে?d ব্যাস ও h উচ্চতাবিশিষ্ট কোনো সিলিন্ডারের আয়তন নির্ণয়ের সূত্র কী?একটি ঘন গোলাকার বস্তুর ব্যাস R হলে আয়তন কত?পরিমাপের ত্রুটি বলতে সাধারণত কী বুঝায়?কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্য 3.5 হতে 4.5 এর মধ্যে হলে কীভাবে লেখা যায়?পরিমাপের ত্রুটি কত প্রকার?যান্ত্রিক ত্রুটি কখন নির্ণয় করতে হয়?4 cm ব্যাসের পাইপের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল কত?চূড়ান্ত ত্রুটি এবং পরিমাপ করা মানের অনুপাতকে কী বলে?সিলিন্ডারের আয়তন নির্ণয়ের সূত্রটি কী?একটি ডিজিটাল থামা ঘড়ি কত পর্যন্ত পাঠ দিতে পারে?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ