• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ

পাকিস্তানের ইতিহাসে ১৯৭০ সালের নির্বাচন ছিল প্রথম সাধারণ নির্বাচন। জেনারেল আইয়ুব খান গণ-আন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের আরেকজন সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পাকিস্তানের রাজনীতি থেকে বিদায় নেন। জেনারেল ইয়াহিয়া খান সামরিক শাসন জারি করে জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণে ঘোষণা দিয়েছিলেন, যত শীঘ্র সম্ভব সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭০ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে সর্বপ্রকার বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে পুনরায় রাজনৈতিক তৎপরতার অনুমতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি ৫ই অক্টোবর জাতীয় পরিষদ ও ২২শে অক্টোবর প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে ৭ই ডিসেম্বর এবং ১৭ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। তবে ১২ই নভেম্বর পূর্ব পাকিস্তানের উপকূলবর্তী এলাকায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হওয়ায় ঐ সব এলাকায় ১৯৭১ সালের ১৭ই জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

আইনগত কাঠামো আদেশ

ইয়াহিয়া খান ১৯৭০ সালের ২৮শে মার্চ জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে নির্বাচনসংক্রান্ত আইনগত কাঠামো আদেশ ঘোষণা করেন। সেখানে তিনি মূলত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত হবে, ভোটদানের প্রক্রিয়া কী হবে, কত দিনের মধ্যে নির্বাচিত পরিষদ সংবিধান রচনা করবে এবং পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য বিশেষ কিছু দিক তুলে ধরেন। তার ঘোষণার বিশেষ দিকগুলো ছিল:

১. পশ্চিম পাকিস্তানে এক ইউনিট ভেঙে দিয়ে সাবেক প্রদেশগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে, যা ১লা জুলাই ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হবে।

২. ১৩ জন মহিলা প্রতিনিধি নিয়ে ৩১৩ আসনের জাতীয় পরিষদ হবে, আর ৬২১ জন সদস্য নিয়ে হবে পাঁচটি প্রাদেশিক পরিষদ।

পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের আসন বণ্টন

৩. নির্বাচনে এক ব্যক্তি এক ভোট নীতি গ্রহণ করা হয়।

৪. পাকিস্তানের দুই অংশের আইন ও অর্থনীতি বিষয়ক দায়িত্ব এবং ক্ষমতা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্ধারণ করবেন।

৫. ভোটার তালিকা ১৯৭০ সালের জুন মাসের মধ্যে তৈরি হবে।

৬. সংবিধান রচনার জন্য পরিষদের প্রথম অধিবেশন থেকে ১২০ দিনের সময় ধার্য করে দেন। এ সময়ের মধ্যে কাজ সমাধা করতে ব্যর্থ হলে পরিষদ ভেঙে নতুন নির্বাচনের কথা উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে বলা হয়, সংবিধান রচনা এবং সংবিধানকে সত্যায়িতকরণ পর্যন্ত সামরিক শাসন বহাল থাকবে। নির্বাচনের নির্দেশনাবলির পাশাপাশি সংবিধানের ভিত্তি সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া হয়। আইনগত কাঠামো আদেশের ২০ নং ধারায় সংবিধানের মূল ছয়টি নীতি বেঁধে দেওয়া হয়। যথা:
ক. ফেডারেল পদ্ধতির সরকার;
খ. ইসলামি আদর্শ হবে রাষ্ট্রের ভিত্তি;
গ. প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটে প্রত্যক্ষ নির্বাচনে জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হবেন;
ঘ. মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে;
ঙ. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন এলাকার অর্থনৈতিক ও অন্যান্য বৈষম্য দূর করতে হবে;
চ. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।

ইয়াহিয়া খানের আইনগত কাঠামো আদেশে মূলত সার্বভৌম পার্লামেন্টের বদলে একটি দুর্বল পার্লামেন্টের রূপরেখা দেওয়া হয়। ফলে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলো এর সমালোচনা করে। তারা এ আদেশের অগণতান্ত্রিক ধারাসমূহ বাদ দেওয়ার দাবি জানায়।

নির্বাচন ব্যবস্থাপনা

১৯৬৯ সালের ২রা জুলাই ইয়াহিয়া খানের ঘোষণা অনুযায়ী পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। এ নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক কাজ ছিল একটি সর্বজনীন ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা। এ তালিকার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩,১২,১৪,৯৩৫ জন এবং পশ্চিম পাকিস্তানের ২,৫২,০৬,২৬৩ জন। এ ভোটার তালিকায় ভিন্ন জাতিসত্তার নৃগোষ্ঠী অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল

১৯৭০ সালের নির্বাচনে সমমনা দলগুলো আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করতে ইচ্ছা প্রকাশ করলেও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান এককভাবে নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেন। ফলে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো পৃথক পৃথকভাবে প্রার্থী মনোনীত করে। মোট ৭৮১ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলের মধ্যে ছিল আওয়ামী লীগ, পাকিস্তান পিপল্স পার্টি (পিপিপি), নিখিল পাকিস্তান কেন্দ্রীয় জমিয়াতুল উলামা ও নেজামে ইসলাম, ইসলামী গণতন্ত্রী দল, জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান, পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি, পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কনভেনশন), পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাউন্সিল), পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাইয়ুম) প্রভৃতি। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)-সহ কিছু দল এই নির্বাচন বর্জন করে।

নির্বাচনের ফলাফল

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬২টি আসনের মধ্যে ১৬০টি আসন লাভ করে। সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ আওয়ামী লীগ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে জাতীয় পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। আবার পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ মোট ২৯৮টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সে সময় জাতীয় পরিষদের সদস্যদের এমএনএ এবং প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের এমপিএ বলা হতো। ভোটের ফলাফল মূল্যায়নে দেখা যায়, মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে ৭৫.১০% এবং প্রাদেশিক পরিষদে ৭০.৪৮% ভোট পায়। নির্বাচনের এমন ফলাফল পূর্ব পাকিস্তানকে একটি পৃথক অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করে।

জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় এ দলের নেতৃত্বে সরকার গঠন হওয়া ছিল আইনসম্মত। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি আরম্ভ করেন। তিনি জুলফিকার আলী ভুট্টোর প্ররোচনায় ৩রা মার্চ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ১লা মার্চ স্থগিত ঘোষণা করেন। এ ঘোষণার প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র, শ্রমিক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তথা সাধারণ মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে জনতার ওপর পাকিস্তানি সেনারা আক্রমণ করে। সারাদেশে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষে বহু লোক নিহত ও আহত হয়।

১৯৭১ সালের ১লা মার্চ 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করা হয়। নতুন গঠিত এ সংগঠনের উদ্যোগে ২রা মার্চ দেশব্যাপী ধর্মঘট আহ্বান করা হয়। এদিনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক ছাত্র সমাবেশে ডাকসুর ভিপি আ স ম আবদুর রব সর্বপ্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানের সমাবেশে ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। এতে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া ৬ই মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন অর্ধবেলা হরতাল পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ছাত্রদের এ ইশতেহারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী তথা আপামর জনসাধারণ সক্রিয়ভাবে হরতাল পালন করে। ঢাকা বেতার ও টেলিভিশন শিল্পীরা অনুষ্ঠান বর্জন করেন। ছাত্র-শিক্ষক, আইনজীবীরা তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করে আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেন। এ তিন দিনের হরতালে ঢাকাসহ সমগ্র দেশে আন্দোলন তুঙ্গে ওঠে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশের গুলিতে বহু লোক আহত ও নিহত হয়। ইয়াহিয়া খান এ পরিস্থিতিতে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে অগত্যা ৬ই মার্চ বেতার ভাষণে ২৫শে মার্চ পুনরায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন। তবে তার ঘোষণা বাংলাদেশের বিক্ষুব্ধ মানুষকে আশ্বস্ত করতে পারেনি। ফলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) সামরিক শাসনবিরোধী বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে জনসভার আয়োজন করা হয়।

নির্বাচনের গুরুত্ব

বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পেছনে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক। ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের পর এটিই ছিল সবচেয়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ একমাত্র জাতীয় নির্বাচন। ১৯৪৭ সালের পর থেকে বাঙালি জাতি ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি সর্বক্ষেত্রে যে স্বাতন্ত্র্য দাবি করে আসছিল, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তার বিজয় অর্জিত হয়। এছাড়া পূর্বাঞ্চলের জনগণ স্বায়ত্তশাসনের যে দাবি করে আসছিল, তা পশ্চিমাঞ্চলের সরকার অবৈধ বলে ঘোষণা করে। এ নির্বাচনের ফলাফলে ছয় দফাভিত্তিক স্বায়ত্তশাসনের দাবির বৈধতা প্রমাণিত হয়। কিন্তু ইয়াহিয়া খানের ঘোষণা অনুযায়ী নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় এলে তিনি তা না করে নিরীহ বাঙালির ওপর সেনাবাহিনীকে লেলিয়ে দেন। শুরু হয় বাংলার মানুষের মুক্তির সশস্ত্র সংগ্রাম, যার পরিণতিতে ১৯৭১ সালে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম নেয়।

৭ই মার্চের ভাষণ

১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় বাংলার মানুষের মুক্তির আন্দোলন আরো বেশি বেগবান হতে শুরু করে। সারা দেশে নানারকম উদ্বেগ, উত্তেজনার মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চ ভাষণ প্রদান করেন। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের সমাবেশে লক্ষ লক্ষ জনতার ঢল নামে। শেখ মুজিব এ সমাবেশে যে ভাষণ দেন তা বিশ্বের ইতিহাসে দৃষ্টান্তমূলক হয়ে আছে। ২৫ মার্চ আহূত জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য শেখ মুজিবুর রহমান
তাঁর ভাষণে চার দফা দাবি তুলে ধরেন। এগুলো হলো:

১. চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার;

২. সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া;

৩. গণহত্যার তদন্ত করা এবং

৪. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

এর বাইরে আরও বেশ কিছু দাবি ভাষণে উত্থাপন করা হয়। তিনি বাংলাদেশের সকল অফিস-আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন।

ভাষণে তিনি বলেন, 'তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো। এই দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো, ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।' তিনি মুক্তি সংগ্রামের জন্য সকলকে প্রস্তুত হওয়ার আদেশও দেন এবং দেশকে স্বাধীন করতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের আহ্বান জানান। তাঁর এ ভাষণ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে 'বজ্রকণ্ঠ' নামে প্রচারিত হয়।

২০১৭ সালের অক্টোবরে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ'কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা-ইউনেসকো।

পূর্ববর্তী

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন - অনন্যা প্রশ্ন

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহঅসহযোগ আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়২৫শে মার্চের গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধস্বাধীনতার ঘোষণাবাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) গঠনবাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অধীনে প্রশাসন ও যুদ্ধঅবরুদ্ধ বাংলাদেশ ও গণহত্যামুক্তিযুদ্ধ ও শরণার্থী সমস্যামুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভূমিকামুক্তিযুদ্ধে বিশ্বজনমত ও বিভিন্ন দেশের ভূমিকাস্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়বাংলাদেশ নামের ইতিহাসজাতীয় পতাকার ইতিহাসজাতীয় সংগীতের ইতিহাসজাতীয় স্মৃতিস্তম্ভবাংলাদেশে গণআন্দোলনজুলাই গণঅভ্যুত্থানকত তারিখে আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন?আইয়ুব খানের পর কে ক্ষমতায় আসে?১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের তারিখ কবে নির্ধারণ হয়?১৯৭০ সালের কত তারিখ জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?১৯৭০ সালের প্রাকৃতিক দুর্যোগ কখন সংঘটিত হয়? ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়? ইয়াহিয়া খান কখন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন?আইনগত কাঠামো আদেশ অনুসারে পাকিস্তানের সংবিধান প্রণয়নে কয়টি মূল নীতি নির্ধারণ করা হয়?১৯৭০ সালের নির্বাচনের আইনগত কাঠামো আদেশের ২০নং ধারায় কয়টি মূলনীতি ছিল?জাতীয় পরিষদে মহিলা প্রতিনিধির সংখ্যা কত ছিল?১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের মোট আসনসংখ্যা কত ছিল?জাতীয় পরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা কত ছিল?১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পকিস্তানের সাধারণ আসন ছিল কতটি?১৯৭০ সালের নির্বাচনে মোট কয়জন প্রার্থী অংশ নেয়? ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬২টি আসনের মধ্যে কয়টি আসন লাভ করে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে কয়টি আসন লাভ করে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক পরিষদে কয়টি আসন লাভ করে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী দল পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে কত ভাগ ভোট পায়?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী দল পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে কত ভাগ ভোট পায়? ইয়াহিয়া খান কত তারিখে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন?জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কত তারিখে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালি জাতির কিসের বিজয় ঘটে?কোন নির্বাচনে ছয় দফা ছিল মূল ইশতেহার?রেসকোর্স ময়দানের বর্তমান নাম কী? ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধুর মূল দাবি ছিল কয়টি?কত সালে ইউনেসেফ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?কোন সংস্থা কর্তৃক ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে?কত তারিখে পাকিস্তান সৈন্যরা জয়দেবপুরে নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালায়?কত তারিখে ইয়াহিয়া খান গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন?২৫ মার্চের রাত নিচের কোন ঘটনার সাথে সম্পর্কিত? কোন তারিখটি 'কালরাত' নামে পরিচিত?২৫ মার্চের গণহত্যা কী নামে পরিচিত? অপারেশন সার্চলাইট পরিচালিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের কত তারিখে?অপারেশন সার্চলাইট নীলনকশা কে তৈরি করেন?ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলগুলোতে আক্রমণ শুরু হয় কখন?বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের কত তারিখে গ্রেফতার হন?স্বাধীনতার ঘোষণাটি কোথায় হতে প্রচারিত হয়?কে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?জিয়াউর রহমান কত তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন? বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের কোন জেলে আটক করে রাখা হয়?জেনারেল ইয়াহিয়া জাতির উদ্দেশ্য প্রথম ভাষণে কী বলেন?আইনগত কাঠামো আদেশ কী? সংক্ষেপে লেখ।১৯৭০ সালের নির্বাচনে আসন বণ্টন কেমন ছিল?১৯৭০ সালের নির্বাচনে কীভাবে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ীদের কী বলা হতো?১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল কীরূপ ছিল?কে কখন কোথায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়?১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের গুরুত্ব কী ছিল?অসহযোগ আন্দোলন বলতে কী বোঝায়? সংক্ষেপে লেখ।ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মূল বিষয়গুলো কী ছিল?ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব লিখ।মুজিব-ইয়াহিয়া আলোচনা ব্যর্থ হয় কেন?অপারেশন সার্চলাইট বলতে কী বোঝায়?২৫শে মার্চকে কালরাত্রি বলা হয় কেন?ঢাকা শহর কেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল?পাকিস্তানি শাসকরা 'অপারেশন সার্চলাইট' অভিযান পরিচালনা করে কেন?২৫শে মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার কোথায় গণহত্যা চালায়?কে কখন স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?বঙ্গবন্ধু ২৫শে মার্চ কীভাবে গ্রেফতার হন?বাংলাদেশের প্রথম সরকার কবে কোথায় গঠিত হয়?মুজিবনগর সরকার গঠনের উদ্দেশ্য কী ছিল?মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সম্পর্কে লিখ।মুজিবনগর সরকার বাঙালি কর্মকর্তাদের নিয়ে কোন কোন প্রশাসন পরিচালনা করে?মুজিবনগর সরকার কোথায় বাংলাদেশের মিশন স্থাপন করে?মুক্তিযুদ্ধের ব্রিগেড ফোর্স সম্পর্কে ধারণা দাও।মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ কারা?মুক্তিযুদ্ধের কোন কোন আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে উঠেছিল?কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো অপারেশন সার্চলাইটের অন্যতম লক্ষ্য ছিল?পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কোন হলে হত্যাযজ্ঞ চালায়?পাকিস্তানি বাহিনী পুরনো ঢাকার কোথায় হত্যাযজ্ঞ চালায়?কীভাবে রাজাকার বাহিনী গঠন করা হয়?রাজাকাররা কেন স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল?পোড়ামাটি নীতি কী? সংক্ষেপে লেখ।‘পাকিস্তানি বাহিনী পোড়ামাটি নীতি' গ্রহণ করে কেন?শরণার্থী কারা?মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রছাত্রীর ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে কৃষকদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অবদান কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা লিখ।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?নারীরা কীভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছিল?মুক্তিযুদ্ধে শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীদের কী ভূমিকা ছিল?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে কোন কোন দেশ আমাদের সাহায্য করে?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা কী ছিল?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কী ছিল?কনসার্ট ফর বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণা দাও।কোন কোন দেশ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল?যৌথ কমান্ড গঠন করার কারণ কী ছিল?পাকিস্তানি বাহিনী কখন কোথায় আত্মসমর্পণ করে?'বাংলা' নামকরণের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশ নামকরণ করা হয় কীভাবে?কীভাবে প্রথম জাতীয় পতাকার তৈরি করা হয়েছিল?কীভাবে জাতীয় পতাকা বর্তমান রূপলাভ করে?জাতীয় সংগীত রচনার প্রেক্ষাপট কী ছিল?জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয় কেন?জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাত জোড়া দেয়াল কিসের প্রতীক?অপরাজেয় বাংলা কেন নির্মিত হয়?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ সম্পর্কে ধারণা দাও।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ কেন নির্মাণ করা হয়?'শিখা চিরন্তন' সম্পর্কে লেখ।'শিখা চিরন্তন' কেন স্থাপিত হয়?রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পাওয়া কাদের পরিচয় জানা যায়?মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কখন কোথায় নির্মিত হয়?গণহত্যা জাদুঘর কখন কোথায় নির্মিত হয়?বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের নাম কী?মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কী গঠিত হয়?মুজিবনগর সরকারের মূল উদ্দেশ্য ছিল কী?মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের কত তারিখে গঠিত হয়?মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?মুজিবনগরের পূর্বনাম কী ছিল?প্রবাসী সরকারকে সহযোগিতার জন্য কয় সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়?বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতে কে স্বাধীনতাযুদ্ধকে এগিয়ে নিয়ে যান?পাক-বাহিনী মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের কত ঘণ্টা পর বোমা বর্ষণ করে?মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কোলকাতার কোন রোডে স্থানান্তরিত হয়?মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন? মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের কী ছিলেন?এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান মুজিবনগর সরকারের কী ছিলেন?মুজিবনগর সরকারের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?মুজিবনগর সরকারের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ কে ছিলেন?কাদেরকে নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়?মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত কে ছিলেন? ১০ এপ্রিল সরকার বাংলাদেশকে কয়টি জোনে ভাগ করে? মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?খালেদ মোশাররফ মুক্তিযুদ্ধে কোন ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন? মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের কোন বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল?মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরির জন্য কাকে নিয়োগ দেওয়া হয়?মুক্তিযুদ্ধের নয়মাসে পাকবাহিনী কত বাঙালিকে হত্যা করেছিল?১৯৭১ সালের জুন মাসে কে পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারি করে?কোন বাহিনী গঠনে জেনারেল নিয়াজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল?রাজাকার বাহিনী গড়ে তুলেছিল কোন সরকার? মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোন বাহিনীকে পাক বাহিনীর দোসর বলা হয়?রাজাকারদের প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছিল কয়দিন?রাজাকারদের ট্রেনিং দিত কে?মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতায় প্রথম সংগঠন হিসেবে কোনটি পরিচিত?পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পোড়ামাটি নীতির লক্ষ কী ছিল?মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি ছিল কারা?মুক্তিযুদ্ধের সময় ছাত্ররা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে গিয়েছিল কেন?মুক্তিযুদ্ধে কৃষকদের অবদান ছিল কেমন?মুক্তিযুদ্ধে কৃষকেরা যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত ছিল কেন?মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল কেমন?তারামন বিবি ও ডাক্তার সিতারা বেগম কী খেতাব পেয়েছিলেন?মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ কয় জন নারী 'বীর প্রতীক' খেতাব অর্জন করেন?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন কারা?স্বাধীন বাংলার বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত ছিল?বিভিন্ন দেশে কারা মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছেন?মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে কারা কাজ করেছেন?মুক্তিযুদ্ধের মূল নিয়ামক শক্তি কারা ছিল?চরমপত্র কী?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি সমর্থন জানায় কোন দেশ?পাকিস্তান ভারতে বিমান হামলা চালায় কখন?ভারতের জনগণ ও সরকার কয়জন শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়?বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশের নাম কী?কোন দেশ মুক্তিযুদ্ধ বন্ধের বিপক্ষে জাতিসংঘে ভেটো দেয়?বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র কোনটি ছিল?'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এর উদ্যোগ গ্রহণ করেন কে?মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন শহরে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়?বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কোনটি?বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে?১৬ই ডিসেম্বর কয়টায় নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেন?যৌথ কমান্ড গঠিত হয় কখন?বাংলাদেশের বিজয় দিবস কবে?আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের কয় হাজার সৈন্য উপস্থিত ছিল?বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম ডিজাইন করেছেন কে?বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা কে?জাতীয় সংগীতেয় প্রথম কয় লাইন কণ্ঠসংগীতের অন্তর্ভুক্ত?প্রধানমন্ত্রী কোনো অনুষ্ঠানের প্রধান হলে জাতীয় সংগীতের কতটুকু পরিবেশিত হবে?মুক্তিযুদ্ধ কয়মাস স্থায়ী ছিল?বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের কত লাইন 'যন্ত্রসংগীত' হিসেবে পরিবেশন করা হয়?জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে ছিলেন? জাতীয় স্মৃতিসৌধ কাদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে?জাতীয় স্মৃতিসৌধ কোথায় অবস্থিত?ঢাকা শহর থেকে স্মৃতিসৌধের দূরত্ব কত?স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?জাতীয় স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কাজ কখন শুরু হয়?জাতীয় স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কখন সম্পন্ন হয়?অপরাজেয় বাংলার বেদির উচ্চতা কত?অপরাজেয় বাংলার স্থপতি কে?অপরাজেয় বাংলা কাদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতির নাম কী?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কোথায় অবস্থিত?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ দেখতে কেমন?বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?কবে 'শিখা চিরন্তন' স্থাপিত হয়?শিখা চিরন্তন কোথায় অবস্থিত?রায়ের বাজার বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায় কত সালে?কত সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরিত করা হয়?গণহত্যা জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?কত সালে 'গণহত্যা জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ