• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ

জাতীয় স্মৃতিসৌধ

মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ নাম না-জানা শহিদের অমর স্মৃতির উদ্দেশে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এটি ঢাকা শহর থেকে ৩৫ কি.মি. উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত। স্থপতি মঈনুল হোসেনের নকশা অনুযায়ী জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। সাতটি জোড়া ত্রিভুজাকার দেয়ালের মাধ্যমে ছোট থেকে বড় হয়ে ধাপে ধাপে সৌধটি ১৫০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছেছে। সমগ্র স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণের সৌন্দর্য ও গাম্ভীর্য বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভের মূল বেদিতে যেতে হলে বেশ দীর্ঘ উঁচু-নিচু পথ, পেভমেন্ট ও একটি কৃত্রিম লেকের উপর নির্মিত সেতু পার হতে হয়। এই সবকিছুই আসলে আমাদের দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতীক। পাশেই রয়েছে গণকবর, যাদের অমূল্য জীবনের বিনিময়ে এদেশ শত্রুমুক্ত হয়েছে। মূল স্মৃতিসৌধে সাত জোড়া দেয়াল, মূলত বাঙালির গৌরবময় সংগ্রামের প্রতীক। এই রাজনৈতিক ঘটনাগুলো হলো ১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১। বলার অপেক্ষা রাখে না, এই সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সালের মধ্যেই আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস নিহিত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ঘটনার ফলেই পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে বাঙালি স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। আর জাতীয় স্মৃতিসৌধ বারবার আমাদের সেই মহান শহিদদের কথাই মনে করিয়ে দেয়। ১৯৭২ সালের জাতীয় স্মৃতিসৌধের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ১৯৮২ সালে তিনটি পর্যায়ে তা সম্পন্ন হয়। বাঙালির অহংকার, গৌরব আর মর্যাদার প্রতীক এই স্মৃতিসৌধ।

অপরাজেয় বাংলা

ঢাকা বাঙালির প্রতিবাদী মনোভাব ও মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াকু চেতনার মূর্তপ্রতীক অপরাজেয় বাংলা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্বরে ৬ ফুট উঁচু বেদির ওপর নির্মিত। মূল ভাস্কর্যের উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট। বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রসমাজের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ-প্রতিটি সংগ্রামে ছাত্রদের গৌরবময় ত্যাগকে স্মরণীয় করার জন্য অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ এটি নির্মাণ করেন। ১৯৭৩-১৯৭৯ সাল পর্যন্ত এই ভাস্কর্যের নির্মাণকাজ চলে। এই ভাস্কর্যে অসম সাহসী তিনজন তরুণ-তরুণী মুক্তিযোদ্ধার অবয়ব অপূর্ব দক্ষতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। দুইজন তরুণ রাইফেল হাতে শত্রুর মোকাবিলায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আর ঔষধের ব্যাগ কাঁধে তরুণী মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় নিবেদিতপ্রাণ। অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ

মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বকারী বাংলাদেশ সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
স্মৃতিসৌধে ২৪টি পৃথক ত্রিভুজাকৃতির দেয়াল বৃত্তাকারে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বশেষ উচ্চতায় স্থির হয়েছে। ২৪টি ত্রিভুজাকৃতির দেয়াল হলো ২৪ বছরের পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শোষণের প্রতীক। ১৯৪৭ সাল থেকে এদেশের জনগণ তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে ক্রমে সংগঠিত হয়েছে। একপর্যায়ে দৃঢ় মনোবল আর সংকল্প নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছে। এখানেই শপথ নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। এই স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন তানভীর করিম।

শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ

বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। তাদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস। ১৯৭২ সালে এই স্মৃতিসৌধের নির্মাণকাজ শেষ হয় শিখা চিরন্তন মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহিদদের অমর স্মৃতি চির জাগরূক রাখার জন্য ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯৯৭সালের ২৬শে মার্চ শিখা চিরন্তন স্থাপিত হয়। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান দখলদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী উপলক্ষে এই শিখা চিরন্তন স্থাপন করা হয়।

রায়েরবাজার বধ্যভূমি

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় সহযোগীরা লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে। সারা দেশেই ছড়িয়ে আছে অগণিত বধ্যভূমি ও গণকবর। তখন রায়েরবাজার এলাকাটি ছিল বেশ নিরিবিলি। জনবসতি খুব একটা চোখে পড়ত না। কালুশাহ পুকুরপাড় থেকে গোল মসজিদ পর্যন্ত দৈর্ঘ্য প্রায় তিন কিলোমিটার। মার্চ মাস থেকেই রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পরিণত হয়। এখানে মানুষকে শুধু হত্যা করা হয়েছে তা নয়, অগণিত লাশ এনে ফেলা হয়েছে এই বধ্যভূমিতে। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস এখানকার ইটখোলার রাস্তা দিয়ে লোকজন হাঁটাচলার সাহস করত না।

১৯৭১ সালের ১৮ই ডিসেম্বর রায়েরবাজার বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায়। সেদিন এই বধ্যভূমির বিভিন্ন গর্ত থেকে প্রচুর গলিত ও বিকৃত লাশ উদ্ধার করা হয়। এখানে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অধ্যাপক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসকের লাশই অধিক ছিল। বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকাণ্ডে আলবদর ও রাজাকাররা প্রধান ভূমিকা পালন করে। রায়েরবাজারে উদ্ধারকৃত লাশগুলো এতটাই বিকৃত হয়ে পড়ে যে, পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। তবে যে কয়েকজনের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছে, তাঁরা হলেন- অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, সাংবাদিক সেলিনা পারভীন, ডা. ফজলে রাব্বী, চক্ষু চিকিৎসক ডা. আলীম চৌধুরী প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

১৯৯৬ সালের ২২শে মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি ভাড়া বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সূচনা ঘটে। পরবর্তীকালে ১৬ই এপ্রিল ২০১৭ সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁও-এ নিজ ভবনে স্থানান্তরিত হয়। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্দেশ্য হচ্ছে ইতিহাসের স্মারক সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা। নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাস বিষয়ে সচেতন করে তোলা। ফলে তারা মাতৃভূমির জন্য গর্ব অনুভব করবে ও দেশাত্মবোধে উদ্দীপ্ত হবে। পাশাপাশি সামাজিক ন্যায়বিচার, অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী হবে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মহান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আটজন ট্রাস্টির উদ্যোগে ইতিহাসের স্মারক সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও উপস্থাপনের সাথে মানুষের সমর্থন ও সহায়তায় সুনিপুণভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

গণহত্যা জাদুঘর

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা-নির্যাতনের স্মৃতিকে জনমানসে তুলে ধরতে ২০১৪ সালে খুলনায় বেসরকারি উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় '১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর', সংক্ষেপে যেটি 'গণহত্যা জাদুঘর' নামে পরিচিত। এই গণহত্যা জাদুঘর দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জাদুঘর যারা একাত্তরের নির্মমতার স্মৃতি সংরক্ষণ, প্রদর্শন ও একাত্তরে সংগঠিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে কাজ করে চলেছে। ১১ সদস্যের ট্রাস্টি বোর্ডের অধীনে এটি পরিচালিত হয়। একাত্তরের গণহত্যায় শহিদদের নানা স্মৃতি স্মারক-এর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ গণহত্যা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। জাদুঘরের দেয়ালজুড়ে একাত্তরের আলোকচিত্র আর শিল্পকর্মে ফুটে উঠেছে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগ, নির্যাতন আর গণহত্যার নির্মমতা। একাত্তরের ভয়াবহতা ও নির্মমতার চিহ্ন দেখে শিউরে ওঠেন জাদুঘর পরিদর্শনে আসা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ দেশি ও বিদেশি পরিদর্শকবৃন্দ।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন - অনন্যা প্রশ্ন

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহঅসহযোগ আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়২৫শে মার্চের গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধস্বাধীনতার ঘোষণাবাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) গঠনবাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অধীনে প্রশাসন ও যুদ্ধঅবরুদ্ধ বাংলাদেশ ও গণহত্যামুক্তিযুদ্ধ ও শরণার্থী সমস্যামুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভূমিকামুক্তিযুদ্ধে বিশ্বজনমত ও বিভিন্ন দেশের ভূমিকাস্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়বাংলাদেশ নামের ইতিহাসজাতীয় পতাকার ইতিহাসজাতীয় সংগীতের ইতিহাসজাতীয় স্মৃতিস্তম্ভবাংলাদেশে গণআন্দোলনজুলাই গণঅভ্যুত্থানকত তারিখে আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন?আইয়ুব খানের পর কে ক্ষমতায় আসে?১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের তারিখ কবে নির্ধারণ হয়?১৯৭০ সালের কত তারিখ জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?১৯৭০ সালের প্রাকৃতিক দুর্যোগ কখন সংঘটিত হয়? ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়? ইয়াহিয়া খান কখন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন?আইনগত কাঠামো আদেশ অনুসারে পাকিস্তানের সংবিধান প্রণয়নে কয়টি মূল নীতি নির্ধারণ করা হয়?১৯৭০ সালের নির্বাচনের আইনগত কাঠামো আদেশের ২০নং ধারায় কয়টি মূলনীতি ছিল?জাতীয় পরিষদে মহিলা প্রতিনিধির সংখ্যা কত ছিল?১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের মোট আসনসংখ্যা কত ছিল?জাতীয় পরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা কত ছিল?১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পকিস্তানের সাধারণ আসন ছিল কতটি?১৯৭০ সালের নির্বাচনে মোট কয়জন প্রার্থী অংশ নেয়? ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬২টি আসনের মধ্যে কয়টি আসন লাভ করে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে কয়টি আসন লাভ করে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক পরিষদে কয়টি আসন লাভ করে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী দল পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে কত ভাগ ভোট পায়?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী দল পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে কত ভাগ ভোট পায়? ইয়াহিয়া খান কত তারিখে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন?জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কত তারিখে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালি জাতির কিসের বিজয় ঘটে?কোন নির্বাচনে ছয় দফা ছিল মূল ইশতেহার?রেসকোর্স ময়দানের বর্তমান নাম কী? ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধুর মূল দাবি ছিল কয়টি?কত সালে ইউনেসেফ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?কোন সংস্থা কর্তৃক ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে?কত তারিখে পাকিস্তান সৈন্যরা জয়দেবপুরে নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালায়?কত তারিখে ইয়াহিয়া খান গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন?২৫ মার্চের রাত নিচের কোন ঘটনার সাথে সম্পর্কিত? কোন তারিখটি 'কালরাত' নামে পরিচিত?২৫ মার্চের গণহত্যা কী নামে পরিচিত? অপারেশন সার্চলাইট পরিচালিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের কত তারিখে?অপারেশন সার্চলাইট নীলনকশা কে তৈরি করেন?ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলগুলোতে আক্রমণ শুরু হয় কখন?বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের কত তারিখে গ্রেফতার হন?স্বাধীনতার ঘোষণাটি কোথায় হতে প্রচারিত হয়?কে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?জিয়াউর রহমান কত তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন? বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের কোন জেলে আটক করে রাখা হয়?জেনারেল ইয়াহিয়া জাতির উদ্দেশ্য প্রথম ভাষণে কী বলেন?আইনগত কাঠামো আদেশ কী? সংক্ষেপে লেখ।১৯৭০ সালের নির্বাচনে আসন বণ্টন কেমন ছিল?১৯৭০ সালের নির্বাচনে কীভাবে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ীদের কী বলা হতো?১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল কীরূপ ছিল?কে কখন কোথায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়?১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের গুরুত্ব কী ছিল?অসহযোগ আন্দোলন বলতে কী বোঝায়? সংক্ষেপে লেখ।ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মূল বিষয়গুলো কী ছিল?ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব লিখ।মুজিব-ইয়াহিয়া আলোচনা ব্যর্থ হয় কেন?অপারেশন সার্চলাইট বলতে কী বোঝায়?২৫শে মার্চকে কালরাত্রি বলা হয় কেন?ঢাকা শহর কেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল?পাকিস্তানি শাসকরা 'অপারেশন সার্চলাইট' অভিযান পরিচালনা করে কেন?২৫শে মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার কোথায় গণহত্যা চালায়?কে কখন স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?বঙ্গবন্ধু ২৫শে মার্চ কীভাবে গ্রেফতার হন?বাংলাদেশের প্রথম সরকার কবে কোথায় গঠিত হয়?মুজিবনগর সরকার গঠনের উদ্দেশ্য কী ছিল?মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সম্পর্কে লিখ।মুজিবনগর সরকার বাঙালি কর্মকর্তাদের নিয়ে কোন কোন প্রশাসন পরিচালনা করে?মুজিবনগর সরকার কোথায় বাংলাদেশের মিশন স্থাপন করে?মুক্তিযুদ্ধের ব্রিগেড ফোর্স সম্পর্কে ধারণা দাও।মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ কারা?মুক্তিযুদ্ধের কোন কোন আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে উঠেছিল?কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো অপারেশন সার্চলাইটের অন্যতম লক্ষ্য ছিল?পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কোন হলে হত্যাযজ্ঞ চালায়?পাকিস্তানি বাহিনী পুরনো ঢাকার কোথায় হত্যাযজ্ঞ চালায়?কীভাবে রাজাকার বাহিনী গঠন করা হয়?রাজাকাররা কেন স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল?পোড়ামাটি নীতি কী? সংক্ষেপে লেখ।‘পাকিস্তানি বাহিনী পোড়ামাটি নীতি' গ্রহণ করে কেন?শরণার্থী কারা?মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রছাত্রীর ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে কৃষকদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অবদান কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা লিখ।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?নারীরা কীভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছিল?মুক্তিযুদ্ধে শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীদের কী ভূমিকা ছিল?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে কোন কোন দেশ আমাদের সাহায্য করে?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা কী ছিল?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কী ছিল?কনসার্ট ফর বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণা দাও।কোন কোন দেশ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল?যৌথ কমান্ড গঠন করার কারণ কী ছিল?পাকিস্তানি বাহিনী কখন কোথায় আত্মসমর্পণ করে?'বাংলা' নামকরণের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশ নামকরণ করা হয় কীভাবে?কীভাবে প্রথম জাতীয় পতাকার তৈরি করা হয়েছিল?কীভাবে জাতীয় পতাকা বর্তমান রূপলাভ করে?জাতীয় সংগীত রচনার প্রেক্ষাপট কী ছিল?জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয় কেন?জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাত জোড়া দেয়াল কিসের প্রতীক?অপরাজেয় বাংলা কেন নির্মিত হয়?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ সম্পর্কে ধারণা দাও।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ কেন নির্মাণ করা হয়?'শিখা চিরন্তন' সম্পর্কে লেখ।'শিখা চিরন্তন' কেন স্থাপিত হয়?রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পাওয়া কাদের পরিচয় জানা যায়?মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কখন কোথায় নির্মিত হয়?গণহত্যা জাদুঘর কখন কোথায় নির্মিত হয়?বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের নাম কী?মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কী গঠিত হয়?মুজিবনগর সরকারের মূল উদ্দেশ্য ছিল কী?মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের কত তারিখে গঠিত হয়?মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?মুজিবনগরের পূর্বনাম কী ছিল?প্রবাসী সরকারকে সহযোগিতার জন্য কয় সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়?বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতে কে স্বাধীনতাযুদ্ধকে এগিয়ে নিয়ে যান?পাক-বাহিনী মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের কত ঘণ্টা পর বোমা বর্ষণ করে?মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কোলকাতার কোন রোডে স্থানান্তরিত হয়?মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন? মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের কী ছিলেন?এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান মুজিবনগর সরকারের কী ছিলেন?মুজিবনগর সরকারের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?মুজিবনগর সরকারের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ কে ছিলেন?কাদেরকে নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়?মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত কে ছিলেন? ১০ এপ্রিল সরকার বাংলাদেশকে কয়টি জোনে ভাগ করে? মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?খালেদ মোশাররফ মুক্তিযুদ্ধে কোন ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন? মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের কোন বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল?মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরির জন্য কাকে নিয়োগ দেওয়া হয়?মুক্তিযুদ্ধের নয়মাসে পাকবাহিনী কত বাঙালিকে হত্যা করেছিল?১৯৭১ সালের জুন মাসে কে পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারি করে?কোন বাহিনী গঠনে জেনারেল নিয়াজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল?রাজাকার বাহিনী গড়ে তুলেছিল কোন সরকার? মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোন বাহিনীকে পাক বাহিনীর দোসর বলা হয়?রাজাকারদের প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছিল কয়দিন?রাজাকারদের ট্রেনিং দিত কে?মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতায় প্রথম সংগঠন হিসেবে কোনটি পরিচিত?পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পোড়ামাটি নীতির লক্ষ কী ছিল?মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি ছিল কারা?মুক্তিযুদ্ধের সময় ছাত্ররা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে গিয়েছিল কেন?মুক্তিযুদ্ধে কৃষকদের অবদান ছিল কেমন?মুক্তিযুদ্ধে কৃষকেরা যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত ছিল কেন?মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল কেমন?তারামন বিবি ও ডাক্তার সিতারা বেগম কী খেতাব পেয়েছিলেন?মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ কয় জন নারী 'বীর প্রতীক' খেতাব অর্জন করেন?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন কারা?স্বাধীন বাংলার বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত ছিল?বিভিন্ন দেশে কারা মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছেন?মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে কারা কাজ করেছেন?মুক্তিযুদ্ধের মূল নিয়ামক শক্তি কারা ছিল?চরমপত্র কী?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি সমর্থন জানায় কোন দেশ?পাকিস্তান ভারতে বিমান হামলা চালায় কখন?ভারতের জনগণ ও সরকার কয়জন শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়?বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশের নাম কী?কোন দেশ মুক্তিযুদ্ধ বন্ধের বিপক্ষে জাতিসংঘে ভেটো দেয়?বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র কোনটি ছিল?'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এর উদ্যোগ গ্রহণ করেন কে?মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন শহরে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়?বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কোনটি?বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে?১৬ই ডিসেম্বর কয়টায় নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেন?যৌথ কমান্ড গঠিত হয় কখন?বাংলাদেশের বিজয় দিবস কবে?আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের কয় হাজার সৈন্য উপস্থিত ছিল?বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম ডিজাইন করেছেন কে?বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা কে?জাতীয় সংগীতেয় প্রথম কয় লাইন কণ্ঠসংগীতের অন্তর্ভুক্ত?প্রধানমন্ত্রী কোনো অনুষ্ঠানের প্রধান হলে জাতীয় সংগীতের কতটুকু পরিবেশিত হবে?মুক্তিযুদ্ধ কয়মাস স্থায়ী ছিল?বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের কত লাইন 'যন্ত্রসংগীত' হিসেবে পরিবেশন করা হয়?জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে ছিলেন? জাতীয় স্মৃতিসৌধ কাদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে?জাতীয় স্মৃতিসৌধ কোথায় অবস্থিত?ঢাকা শহর থেকে স্মৃতিসৌধের দূরত্ব কত?স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?জাতীয় স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কাজ কখন শুরু হয়?জাতীয় স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কখন সম্পন্ন হয়?অপরাজেয় বাংলার বেদির উচ্চতা কত?অপরাজেয় বাংলার স্থপতি কে?অপরাজেয় বাংলা কাদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতির নাম কী?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কোথায় অবস্থিত?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ দেখতে কেমন?বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?কবে 'শিখা চিরন্তন' স্থাপিত হয়?শিখা চিরন্তন কোথায় অবস্থিত?রায়ের বাজার বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায় কত সালে?কত সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরিত করা হয়?গণহত্যা জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?কত সালে 'গণহত্যা জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ