• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

জুলাই গণঅভ্যুত্থান

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার যে গণআন্দোলন সংঘটিত হয় তা 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান' নামে পরিচিত। এটাকে 'জুলাই বিপ্লব' নামেও অভিহিত করা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল বহু বছরের রাজনৈতিক-সামাজিক-অর্থনৈতিক অসন্তোষের ফলে সৃষ্ট ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি নিম্নরূপ:

১. কোটা সংস্কার ও বৈষম্য নিরসনের দাবি: সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে ২০২৪ সালের ৫ জুন থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সূচনা হয়। তবে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। ১৯৯৭ সালে সরকার মুক্তিযোদ্ধা কোটার আওতায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদেরও যুক্ত করলে কোটাবিরোধী বিতর্ক শুরু হয়। এরপর ২০০১ সালের নির্বাচনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ২০০৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন সংঘটিত হয়। আন্দোলনগুলো দমন-পীড়নের মুখে সফল হতে পারেনি। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ৩৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফলে কোটা প্রয়োগ করলে চাকরিপ্রার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলে। এই আন্দোলনের মুখে ৩৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি ফল বাতিল করে পুনরায় প্রকাশ করলেও কোটাপ্রথা বহাল থেকে যায়। কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহৎ আকার ধারণ করে ২০১৮ সালে। তখন টানা আন্দোলন ও কর্মসূচির মুখে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার কোটাপ্রথা বাতিলের ঘোষণা দেয় এবং পরবর্তীকালে পরিপত্র জারি করে। সেই বাতিল হওয়া কোটাপ্রথা ২০২৪ সালের ৫ জুন হাইকোর্টের রায়ে আবার ফেরত আসলে শিক্ষার্থীরা 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন'-এর ব্যানারে রাজপথে নামে, যা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

২. রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও ফ্যাসিবাদী শাসন: আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়ন, মামলা, গুম-খুন সামগ্রিক অর্থে ফ্যাসিবাদী শাসনে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। ফলে প্রতিবাদের সুযোগ পেয়ে মানুষ রাজপথে নেমে আসে।

৩. নির্বাচনী প্রহসন ও ভোটাধিকার হরণ: ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনগুলো ছিল চরম বিতর্কিত। প্রহসনের এই নির্বাচনের মাধ্যমে নাগরিকদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। ফলে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ তীব্রতর হয়।

৪. অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও জীবনযাত্রার সংকট: সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থপাচার এবং ব্যাংক খাতের অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনীতিকে অবনতির দিকে নিয়ে যায়। উচ্চমাত্রার মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্ব সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

৫. বৈষম্য ও তরুণ সমাজের ক্ষোভ: দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরিতে কোটাপ্রথার কারণে শিক্ষার্থীরা বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছিল। এছাড়া সরকারি চাকরিতে দলীয়করণ, প্রশ্নফাঁস, শিক্ষাঙ্গনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর সরকার সমর্থক ছাত্রসংগঠনের নির্যাতন-নিপীড়ন ইত্যাদি কারণে তরুণ সমাজ ক্ষুদ্ধ ছিল। এগুলো তাদের আন্দোলনের দিকে ধাবিত করে।

৬. নির্দলীয়-স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন: শিক্ষার্থীসহ সমাজের সকল পেশার মানুষ শেখ হাসিনার দুঃশাসনের ভুক্তভোগী ছিল। ফলে সকল পেশা ও শ্রেণির জনগণের মধ্যে নতুন জাগরণ তৈরি হয়। এই স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণই গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

৭. ছাত্র আন্দোলন দমন ও হত্যাকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া: আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার ওপর ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বর্বর আক্রমণ ও হত্যাকাণ্ড সারাদেশের মানুষকে বিক্ষুদ্ধ করে তোলে। এটি জনগণের ক্ষোভকে বিস্ফোরণোন্মুখ করে তোলে এবং কোটা সংস্কারের আন্দোলন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ

একটি শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলন কীভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিতে পারে তার উদাহরণ হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান। মূলত ২০২৪ সালের ৫ জুন সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্রকে হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করলে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভের আয়োজন করে। পরদিনই দাবিটি সারাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। ১ জুলাই "বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন" নামে একটি প্লাটফর্ম আত্মপ্রকাশ করলে আন্দোলন একটি সাংগঠনিক কাঠামো পায়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ৭ জুলাই সারাদেশে 'বাংলা ব্লকেড'-এর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ করা হয়, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়। ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করলে আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায়। 'চাকরি মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে?' শেখ হাসিনার এই মন্তব্য শিক্ষার্থীদের বিক্ষুদ্ধ করে তোলে। শিক্ষার্থীরা 'তুমি কে, আমি কে? রাজাকার, রাজাকার', 'কে বলেছে, কে বলেছে, স্বৈরাচার, স্বৈরাচার' ইত্যাদি স্লোগানে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী মিছিল করে। পরদিন ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের নৃশংস হামলায় নারীশিক্ষার্থীসহ অনেকে আহত হন। নারীশিক্ষার্থীদের ওপর এ বর্বর আক্রমণ সারাদেশে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে। ১৬ জুলাই দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের ওপর ফের বর্বর হামলা চালানো হয়। রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের হামলায় ওয়াসিম আকরামসহ মোট ছয়জন নিহত হন। আন্দোলন তখন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। ১৮ জুলাই 'কমপ্লিট শাটডাউন' কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে আন্দোলন নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যায়। ঐদিন রাজধানীর উত্তরায় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ ও ধানমন্ডিতে একাদশ শ্রেণির ছাত্র ফারহান ফাইয়াজসহ আরও অনেকে নিহত হন। স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আন্দোলনকে সর্বজনীন রূপ দেয়। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার আন্দোলন দমনে নৃশংস দমননীতি গ্রহণ করে। ইন্টারনেট বন্ধ, গণগ্রেফতার, বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো, এমনকি কারফিউ জারি করে হেলিকপ্টার থেকেও গুলি বর্ষণ করা হয়। শত শত মানুষ গণহত্যার শিকার হলেও আন্দোলন থেমে যায়নি; বরং ছাত্র-জনতা, শ্রমজীবী, পেশাজীবী, প্রবাসী-বাংলাদেশিসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে যুক্ত হয়। ৩০ জুলাই সরকার রাষ্ট্রীয় শোক দিবস ঘোষণা করলেও আন্দোলনকারীরা এটিকে প্রহসন আখ্যা দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। এরপর 'মার্চ ফর জাস্টিস' ও 'রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোজ' কর্মসূচির ফলে আন্দোলনে সর্বস্তরের মানুষ সম্পৃক্ত হয়। ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আয়োজিত সমাবেশ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিসভার পদত্যাগের দাবিতে 'এক দফা' কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়। ৪ আগস্ট সরকারি বাহিনী ও আওয়ামী লীগ দলীয় সন্ত্রাসীরা রাজধানী ঢাকা ছাড়াও সারাদেশে ভয়াবহ গণহত্যা চালায়। এতে শতাধিক আন্দোলনকারী নিহত হন। এমতাবস্থায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা ৫ আগস্ট 'মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে কারফিউ উপেক্ষা করে লাখ লাখ বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা ঢাকার রাজপথে নেমে আসে। ছাত্র-জনতা, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এভাবেই শেখ হাসিনার দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। বিজয় উল্লাসে উদ্দীপ্ত ছাত্র-জনতা গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সংসদ ভবনের নিয়ন্ত্রণ নেয়; রচিত হয় নতুন ইতিহাস। ৮ আগস্ট নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়; যাত্রা হয় নতুন বাংলাদেশের।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতের পরিসংখ্যান

শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হয় ভয়াবহ গণহত্যা। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গুলিতে প্রায় দেড় হাজার মানুষ প্রাণ হারান। জাতিসংঘের মানবাধিকার হাই কমিশনারের কার্যালয়ের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট অনুসারে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় এক হাজার চারশ মানুষ নিহত হন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১০০ দিন উপলক্ষ্যে প্রদত্ত ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হন প্রায় ১৫০০ জন, আহত হন ১৯ হাজার নয় শত ৩১ জন। সাম্প্রতিক ইতিহাসে যুদ্ধাবস্থা ব্যতীত মাত্র ২১ দিনে এত হত্যাকাণ্ডের রেকর্ড নেই।

জুলাই ঘোষণাপত্র

জুলাই ঘোষণাপত্র হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্বীকৃতি বিষয়ক একটি সরকারি ঘোষণা। গণঅভ্যুত্থানের প্রথমবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন। ঘোষণাপত্রটিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের জাতীয় বীর উপাধিতে ভূষিত করা হয় এবং আহতদের সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য

জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের ইঙ্গিতও দেয়। এই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী শাসনের অবসান এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে, দেশের তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে কোনো স্বৈরাচারী শক্তিই টিকে থাকতে পারে না। এটি ১৯৫২, ১৯৬৯ এবং ১৯৯০ সালের মতো ছাত্র-জনতার সম্মিলিত শক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই গণঅভ্যুত্থানের আরেকটি বড় দিক হচ্ছে এর নির্দলীয় চরিত্র, যা রাজনৈতিক পুনর্জাগরণের ইঙ্গিত বহন করে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দীর্ঘকাল ধরে ভোটাধিকার বঞ্চিত জনগণের জন্য গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। আন্দোলনের সময় সংঘটিত গণহত্যার বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা এই অভ্যুত্থানকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। পরিশেষে, এই অভ্যুত্থান একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশা তৈরি করে, যেখানে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রত্যয় প্রতিফলিত হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান তাই নিছক একটি রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির বিজয়, গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা এবং একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্পৃহার প্রতিচ্ছবি।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন - অনন্যা প্রশ্ন

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহঅসহযোগ আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়২৫শে মার্চের গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধস্বাধীনতার ঘোষণাবাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) গঠনবাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অধীনে প্রশাসন ও যুদ্ধঅবরুদ্ধ বাংলাদেশ ও গণহত্যামুক্তিযুদ্ধ ও শরণার্থী সমস্যামুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভূমিকামুক্তিযুদ্ধে বিশ্বজনমত ও বিভিন্ন দেশের ভূমিকাস্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়বাংলাদেশ নামের ইতিহাসজাতীয় পতাকার ইতিহাসজাতীয় সংগীতের ইতিহাসজাতীয় স্মৃতিস্তম্ভবাংলাদেশে গণআন্দোলনজুলাই গণঅভ্যুত্থানকত তারিখে আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন?আইয়ুব খানের পর কে ক্ষমতায় আসে?১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের তারিখ কবে নির্ধারণ হয়?১৯৭০ সালের কত তারিখ জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?১৯৭০ সালের প্রাকৃতিক দুর্যোগ কখন সংঘটিত হয়? ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়? ইয়াহিয়া খান কখন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন?আইনগত কাঠামো আদেশ অনুসারে পাকিস্তানের সংবিধান প্রণয়নে কয়টি মূল নীতি নির্ধারণ করা হয়?১৯৭০ সালের নির্বাচনের আইনগত কাঠামো আদেশের ২০নং ধারায় কয়টি মূলনীতি ছিল?জাতীয় পরিষদে মহিলা প্রতিনিধির সংখ্যা কত ছিল?১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের মোট আসনসংখ্যা কত ছিল?জাতীয় পরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা কত ছিল?১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পকিস্তানের সাধারণ আসন ছিল কতটি?১৯৭০ সালের নির্বাচনে মোট কয়জন প্রার্থী অংশ নেয়? ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬২টি আসনের মধ্যে কয়টি আসন লাভ করে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে কয়টি আসন লাভ করে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক পরিষদে কয়টি আসন লাভ করে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী দল পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে কত ভাগ ভোট পায়?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী দল পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে কত ভাগ ভোট পায়? ইয়াহিয়া খান কত তারিখে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন?জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কত তারিখে?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালি জাতির কিসের বিজয় ঘটে?কোন নির্বাচনে ছয় দফা ছিল মূল ইশতেহার?রেসকোর্স ময়দানের বর্তমান নাম কী? ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধুর মূল দাবি ছিল কয়টি?কত সালে ইউনেসেফ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?কোন সংস্থা কর্তৃক ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে?কত তারিখে পাকিস্তান সৈন্যরা জয়দেবপুরে নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালায়?কত তারিখে ইয়াহিয়া খান গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন?২৫ মার্চের রাত নিচের কোন ঘটনার সাথে সম্পর্কিত? কোন তারিখটি 'কালরাত' নামে পরিচিত?২৫ মার্চের গণহত্যা কী নামে পরিচিত? অপারেশন সার্চলাইট পরিচালিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের কত তারিখে?অপারেশন সার্চলাইট নীলনকশা কে তৈরি করেন?ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলগুলোতে আক্রমণ শুরু হয় কখন?বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের কত তারিখে গ্রেফতার হন?স্বাধীনতার ঘোষণাটি কোথায় হতে প্রচারিত হয়?কে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?জিয়াউর রহমান কত তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন? বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের কোন জেলে আটক করে রাখা হয়?জেনারেল ইয়াহিয়া জাতির উদ্দেশ্য প্রথম ভাষণে কী বলেন?আইনগত কাঠামো আদেশ কী? সংক্ষেপে লেখ।১৯৭০ সালের নির্বাচনে আসন বণ্টন কেমন ছিল?১৯৭০ সালের নির্বাচনে কীভাবে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ীদের কী বলা হতো?১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল কীরূপ ছিল?কে কখন কোথায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়?১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের গুরুত্ব কী ছিল?অসহযোগ আন্দোলন বলতে কী বোঝায়? সংক্ষেপে লেখ।ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মূল বিষয়গুলো কী ছিল?ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব লিখ।মুজিব-ইয়াহিয়া আলোচনা ব্যর্থ হয় কেন?অপারেশন সার্চলাইট বলতে কী বোঝায়?২৫শে মার্চকে কালরাত্রি বলা হয় কেন?ঢাকা শহর কেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল?পাকিস্তানি শাসকরা 'অপারেশন সার্চলাইট' অভিযান পরিচালনা করে কেন?২৫শে মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার কোথায় গণহত্যা চালায়?কে কখন স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?বঙ্গবন্ধু ২৫শে মার্চ কীভাবে গ্রেফতার হন?বাংলাদেশের প্রথম সরকার কবে কোথায় গঠিত হয়?মুজিবনগর সরকার গঠনের উদ্দেশ্য কী ছিল?মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সম্পর্কে লিখ।মুজিবনগর সরকার বাঙালি কর্মকর্তাদের নিয়ে কোন কোন প্রশাসন পরিচালনা করে?মুজিবনগর সরকার কোথায় বাংলাদেশের মিশন স্থাপন করে?মুক্তিযুদ্ধের ব্রিগেড ফোর্স সম্পর্কে ধারণা দাও।মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ কারা?মুক্তিযুদ্ধের কোন কোন আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে উঠেছিল?কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো অপারেশন সার্চলাইটের অন্যতম লক্ষ্য ছিল?পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কোন হলে হত্যাযজ্ঞ চালায়?পাকিস্তানি বাহিনী পুরনো ঢাকার কোথায় হত্যাযজ্ঞ চালায়?কীভাবে রাজাকার বাহিনী গঠন করা হয়?রাজাকাররা কেন স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল?পোড়ামাটি নীতি কী? সংক্ষেপে লেখ।‘পাকিস্তানি বাহিনী পোড়ামাটি নীতি' গ্রহণ করে কেন?শরণার্থী কারা?মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রছাত্রীর ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে কৃষকদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অবদান কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা লিখ।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?নারীরা কীভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছিল?মুক্তিযুদ্ধে শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীদের কী ভূমিকা ছিল?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে কোন কোন দেশ আমাদের সাহায্য করে?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা কী ছিল?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কী ছিল?কনসার্ট ফর বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণা দাও।কোন কোন দেশ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল?যৌথ কমান্ড গঠন করার কারণ কী ছিল?পাকিস্তানি বাহিনী কখন কোথায় আত্মসমর্পণ করে?'বাংলা' নামকরণের ইতিহাস ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশ নামকরণ করা হয় কীভাবে?কীভাবে প্রথম জাতীয় পতাকার তৈরি করা হয়েছিল?কীভাবে জাতীয় পতাকা বর্তমান রূপলাভ করে?জাতীয় সংগীত রচনার প্রেক্ষাপট কী ছিল?জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয় কেন?জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাত জোড়া দেয়াল কিসের প্রতীক?অপরাজেয় বাংলা কেন নির্মিত হয়?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ সম্পর্কে ধারণা দাও।বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ কেন নির্মাণ করা হয়?'শিখা চিরন্তন' সম্পর্কে লেখ।'শিখা চিরন্তন' কেন স্থাপিত হয়?রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পাওয়া কাদের পরিচয় জানা যায়?মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কখন কোথায় নির্মিত হয়?গণহত্যা জাদুঘর কখন কোথায় নির্মিত হয়?বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের নাম কী?মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কী গঠিত হয়?মুজিবনগর সরকারের মূল উদ্দেশ্য ছিল কী?মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের কত তারিখে গঠিত হয়?মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?মুজিবনগরের পূর্বনাম কী ছিল?প্রবাসী সরকারকে সহযোগিতার জন্য কয় সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়?বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতে কে স্বাধীনতাযুদ্ধকে এগিয়ে নিয়ে যান?পাক-বাহিনী মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের কত ঘণ্টা পর বোমা বর্ষণ করে?মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কোলকাতার কোন রোডে স্থানান্তরিত হয়?মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন? মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের কী ছিলেন?এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান মুজিবনগর সরকারের কী ছিলেন?মুজিবনগর সরকারের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?মুজিবনগর সরকারের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ কে ছিলেন?কাদেরকে নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়?মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত কে ছিলেন? ১০ এপ্রিল সরকার বাংলাদেশকে কয়টি জোনে ভাগ করে? মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?খালেদ মোশাররফ মুক্তিযুদ্ধে কোন ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন? মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের কোন বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল?মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরির জন্য কাকে নিয়োগ দেওয়া হয়?মুক্তিযুদ্ধের নয়মাসে পাকবাহিনী কত বাঙালিকে হত্যা করেছিল?১৯৭১ সালের জুন মাসে কে পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারি করে?কোন বাহিনী গঠনে জেনারেল নিয়াজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল?রাজাকার বাহিনী গড়ে তুলেছিল কোন সরকার? মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোন বাহিনীকে পাক বাহিনীর দোসর বলা হয়?রাজাকারদের প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছিল কয়দিন?রাজাকারদের ট্রেনিং দিত কে?মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতায় প্রথম সংগঠন হিসেবে কোনটি পরিচিত?পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পোড়ামাটি নীতির লক্ষ কী ছিল?মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি ছিল কারা?মুক্তিযুদ্ধের সময় ছাত্ররা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে গিয়েছিল কেন?মুক্তিযুদ্ধে কৃষকদের অবদান ছিল কেমন?মুক্তিযুদ্ধে কৃষকেরা যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত ছিল কেন?মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল কেমন?তারামন বিবি ও ডাক্তার সিতারা বেগম কী খেতাব পেয়েছিলেন?মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ কয় জন নারী 'বীর প্রতীক' খেতাব অর্জন করেন?স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন কারা?স্বাধীন বাংলার বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত ছিল?বিভিন্ন দেশে কারা মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছেন?মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে কারা কাজ করেছেন?মুক্তিযুদ্ধের মূল নিয়ামক শক্তি কারা ছিল?চরমপত্র কী?বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি সমর্থন জানায় কোন দেশ?পাকিস্তান ভারতে বিমান হামলা চালায় কখন?ভারতের জনগণ ও সরকার কয়জন শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়?বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশের নাম কী?কোন দেশ মুক্তিযুদ্ধ বন্ধের বিপক্ষে জাতিসংঘে ভেটো দেয়?বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র কোনটি ছিল?'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এর উদ্যোগ গ্রহণ করেন কে?মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন শহরে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়?বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কোনটি?বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে?১৬ই ডিসেম্বর কয়টায় নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেন?যৌথ কমান্ড গঠিত হয় কখন?বাংলাদেশের বিজয় দিবস কবে?আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের কয় হাজার সৈন্য উপস্থিত ছিল?বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম ডিজাইন করেছেন কে?বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা কে?জাতীয় সংগীতেয় প্রথম কয় লাইন কণ্ঠসংগীতের অন্তর্ভুক্ত?প্রধানমন্ত্রী কোনো অনুষ্ঠানের প্রধান হলে জাতীয় সংগীতের কতটুকু পরিবেশিত হবে?মুক্তিযুদ্ধ কয়মাস স্থায়ী ছিল?বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের কত লাইন 'যন্ত্রসংগীত' হিসেবে পরিবেশন করা হয়?জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে ছিলেন? জাতীয় স্মৃতিসৌধ কাদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে?জাতীয় স্মৃতিসৌধ কোথায় অবস্থিত?ঢাকা শহর থেকে স্মৃতিসৌধের দূরত্ব কত?স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?জাতীয় স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কাজ কখন শুরু হয়?জাতীয় স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কখন সম্পন্ন হয়?অপরাজেয় বাংলার বেদির উচ্চতা কত?অপরাজেয় বাংলার স্থপতি কে?অপরাজেয় বাংলা কাদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতির নাম কী?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কোথায় অবস্থিত?মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ দেখতে কেমন?বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?কবে 'শিখা চিরন্তন' স্থাপিত হয়?শিখা চিরন্তন কোথায় অবস্থিত?রায়ের বাজার বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায় কত সালে?কত সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরিত করা হয়?গণহত্যা জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?কত সালে 'গণহত্যা জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়?

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ